| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৭১ নির্বিচারে হত্যা আর নির্যাতন শুরুহলো পূর্ব পাকিস্তানে যা আজকে বাংলাদেশ নামে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে।
৫২ যে মানুষগুলো সহানুভুতি নিয়ে একে অপরের পাশে দাড়িয়েছিলো স্বাধীনতা পেয়ে তা ভূলতে শুরু করলো জাতীর এই মহান যোদ্ধারা । এর পর অসংখ্য ঘটনা ঘটেগেলো জাতির কপালে।
১৯৭২ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্যে কর্নেল তাহেরে নেতৃত্বে প্রতিবিপ্লবীরা সংগঠিত হয়। অবশেষে জাসদ গনবাহিনীকে সক্রিয় করে ক্যান্টনমেন্টে একটা বিদ্রোহ করায় এবং সফলও হয়।
তারপর ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্টের হত্যকান্ড, সামরিক শাসন আর ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা - সবই সংগঠিত হয় - কিন্তু জাসদ যদিও এই বিষয়গুলো সমর্থণ করেনি - কিন্তু বাঁধা দেবার মতোও কিছু করেনি, অথচো বাঁধা দেবার মতো যতেষ্ঠ শক্তি,তথ্য ও সমর্থ তাদের ছিল ।
১৯৭৫ সালের ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করছিল। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীর একটি উচ্চাভিলাষী দল সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে বন্দি করে এক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটালে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৫ ও ৬ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টসহ সারা শহরে ছড়ানো হলো হাজার হাজার প্রচারপত্র। একটি ব্যাপারে ডান ও বাম উভয় রাজনৈতিক দলই একমত ছিল,অবশেষে ৭ ই নভেম্বর দ্রুত দৃশ্যপট বদলাতে থাকে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মূলতঃ সেনা পরিষদ এবং কর্নেল তাহেরের অধিনস্থ গণবাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে সংঘটিত হয় ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব। ক্ষমতাচ্যুত হয় খালেদ চক্র।
এই অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধারা একটা প্রচেষ্টা নেয়। পরে জেনারেল ওসমানীর মধ্যস্থতায় মুশতাক আহমদে বেঁচে যায় - কিন্তু জেলে নিহত হন চার নেতা।
ইতি পূর্বে দুই মেয়ে ছাড়া বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছিলো । এর পর আবার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সেই ভীর সৈনিকদের মাঝে নতুন করে চেতনা ঝলসে উঠেতে থাকে,কিছুদিন পর আবার উদ্গীরিত হয় নতুন লাভা যা জেলে চার নেতাকেও ছাড়ল না । তারপর একে একে খালেদ, জিয়া ,তাহের ,মন্জুর হুদা ।
একাশিতে মাহফুজ রশিদ,মহসিন, নওয়াজেশদেরও ঝুলতে হলো ফাঁসিতে ! মহাকালের এই আঘাতে তাদের এক একজনের মুন্ডু তালের মতো ঝরে পড়ল মাটিতে । দুইহাজার দশে কর্নেল ফারুক মেজর বজলুল হুদা, লে. কর্নেল মহিউদ্দিন (ল্যান্সার), লে. কর্নেল মুহিউদ্দিন (আর্টিলারি) ও লে. কর্নেল সুলতান শাহারিয়া। দুই হাজার চৈদ্দ সালে ভাষা আন্দোলনের সংগঠক জেলের কারা কুঠরীতে মারা গেলো ।
এরা তো সবাই দেশপ্রেমিক, সবাই স্বাধীনতা সংগ্রামী । তবে কেন,জননী ! স্বাধীনতা মহাকালের রূপ ধরে আপন সন্তানের মুন্ডু নিয়ে খেলতে আরম্ভ করলো ???????
©somewhere in net ltd.