নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ একজন মানুষ। বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। মনের ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। ভালো লাগে কবিতা, লিখা-লিখি আর ছবি তোলা, এইতো! https://prokashoni.net

ইফতেখার ভূইয়া

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক

ইফতেখার ভূইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

অগোছালো একদিন...

১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৭

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইরে রেস্টুরেন্টে গিয়ে নাস্তা করতে হলো। অবশ্য ঐ রেস্টুরেন্টোর নাস্তা আমার বেশ ভালোই লাগে। বুটের ডাল আর মিক্সড ভেজিটেবল, গরম গরম ফ্রেশ নানরুটি, ডিম ভাজি আর সব শেষে অসাধারণ চা। বেশ তৃপ্তির ঢেুকর তুলতে তুলতে বাসায় এসে ভাবছিলাম কি করা যায়।

কম্পিউটার খুলেই মনে হলো সাহিত্যের যে ওয়েব সাইটটিতে কাজ করছিলাম ওটা একটু ঘুরে দেখে আসি কি অবস্থা। অবস্থা ভালো, সাহিত্যকর্মের সংখ্যা বেড়েছে, সে সাথে ট্রাফিকও। গুগল কিছু সাজেশান দিয়েছে সাইটের মান উন্নয়নের ব্যাপারে সেগুলোই ঘাঁটছিলাম। সাইট ব্রাউজ করতে করতে কিভাবে যেন সুফিয়া কামালের "একাত্তরের ডায়েরী" লিখাটায় চলে আসলাম। একটু পড়তেই মনে হলো, জাহানারা ইমামের "একাত্তরের দিনগুলি" বইটি নিয়ে কাজ করা হয় নি। মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখা বেশ সমৃদ্ধ একটা বই। বইটা দু'বার পড়েছি। ইচ্ছে করে নয়, আসলে লিখতে গিয়ে আবারও পড়া হয়ে যায়।

বইটি থেকে ঐ সময়েরে অনেক কিছু জানা যায় তবে সেটা আমার কাছে খুব একটা এ্যাপিলিং মনে হয় নি। কারন পড়তে গিয়ে বার বার মন খারাপ হয়েছে। আমি জানি ওটা তেমন কোন গ্রন্থ নয় যে পড়ে অনেক হাসবো বা উৎসাহ পাবো। তবে প্রথম থেকে পড়তে থাকলে একটা গল্পের মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলা যায়। বইটি মূলত ইতিহাসের একটি দলিল। সবারই সময় করে পড়া উচিত বিশেষ করে আমরা যারা স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম তাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

সুফিয়া কামাল ও জাহানারা ইমাম, দু'জনই আমাদের জীবদ্দশায় গত হয়েছেন। দুঃখজনক ব্যাপার হলো উনারা যে সময়ে গত হয়েছেন সে সময় আমি কিছুটা বড় হলেও স্বাধীনতা তথা তাদের কর্মের ব্যাপকতা বোঝার মতো বড় হইনি। উনারা বেঁচে থাকলে হয়তো কখনো দেখা করার চেষ্টাটা অন্তত করা যেত। যারা ইতিহাসের স্বাক্ষী, তাদের মুখে ইতিহাস শুনতে আমার ভালো লাগে। যেমন বাবার কাছ থেকে তার ছোট বেলার কিংবা মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে ভালো লাগতো। মায়ের কাছে আমার ছোট বেলার অজানা ঘটনা শুনতেও বেশ ভালো লাগে।

বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যয় করে, জাহানারা ইমামের গ্রন্থের ডিসেম্বর মাসের চ্যাপ্টার শেষ করেছি। এক সময় মনে হচ্ছিলো চোখে ঝাপসা দেখছি। সকাল বেলা লিখতে বসে কখন যে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে বুঝতে বেশ সময় লাগলো। বাসায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নেই, সবাই বেড়াতে গেছে। ফ্রিজে খাবার থাকলেও ঠান্ডা খাবার গরম করে খাওয়ার ইচ্ছে হয় নি। ফুডপান্ডা থেকে শিঙ্গারা অর্ডার করা হলো, বেশ দাম তবে খেতে মন্দ লাগে নি।

বিকেলের দিকে আসরের নামাজ পড়ে পিঠ খানিকটা বিছানায় এলিয়ে দিতেই রাজ্যের ঘুম এসে হাজির। কিন্তু ঘুমুতে পারছি না, মাগরিবের ওয়াক্ত হয়ে এলো যে!

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনারা লেখকেরা যেকোনো সাধারণ ঘটনাকেও অসাধারণভাবে বর্ণনা করতে পারেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.