| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পুলক20
আমি নিজেকে খুব সাধারণ মনে করি।বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পছন্দ করি।আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি,স্বপ্ন দেখি একদিন আসবে যেদিন আর কোনো শিশু রাস্তায় ভিক্ষা করবে না।
পুরোনো বিদায় নিবে,নতুনের আবির্ভাব ঘটবে এটাই নিয়ম।আজকের ক্যালেন্ডার আগামী দিনের বইয়ের কভার।একটু পিছন ফিরে দেখা যাক……….
২০১২ সালের যে ঘটনাগুলো আমাকে স্পর্শ করেছে তা হল,সাগর-রুনির হত্যা,হুমায়ুন আহমেদের বিদায় এবং ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ।প্রথম দুটার ব্যাপারে আমরা জানি কিছুটা হলেও কিন্তু ৩য় ঘটনাটি? কোনো রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলছি না,বলছি একজন সন্তান হিসেবে।
এবার আমার ব্যক্তিগত কিছু ব্যাপার…..
বছরের প্রথম দিকে বন্ধু-বান্ধব,পরিবার সবার অমতে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করি।কারণ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার তীব্র ইচ্ছা!!প্রাইভেট ছেড়ে তাই চলে আসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২য় বার পুরোদমে পড়ালেখা শুরু করি।আজ যদি বলতে পারতাম,চান্স পেয়েছি,তবে অনেক ভালো লাগত।
বছরের শুরুর কিছুদিন পড়ে আরেকটা বড় ডিসিশান নেই আর তা হল আমার প্রথম বিজনেস ফিল্ড ছেড়ে চলে আসি।আসলে ওটা একটা এমএলএম কোম্পানী ছিল,ঢোকার ৭/৮ মাস পরে আমার বোধোদয় হয়।এই ঘটনাটা এখনো আমাকে মাঝে মাঝে নাড়া দেয়।সামান্য কিছু টাকা আয় হলেও আমার যা ক্ষতি হয়েছে তা অপুরণীয়।(ওটা নিয়ে একটা আর্টিকেল লেখার ইচ্ছা আছে।)তবে এই ঘটনা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি এবং অনেক মানুষকে চিনেছি।
এরপরে মোটামুটিভাবে পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকি।সবকিছু বন্ধ থাকে।হঠাৎ জুলাইয়ে আশেপাশে থেকে শুনি হুমায়ুন আহমেদ আর নেই।ঘটনাটা খুব নাড়া দেয় আমাকে।
জীবন থেমে থাকে না,এগিয়ে যাই সামনের দিকে।অগাস্ট এ হঠাৎ একটা বন্ধু বাইরে চলে গেল।মনে করিয়ে দিয়ে গেল,আমরা বড় হয়ে গেছি!
সেপ্টেম্বরে আমার জন্মদিন থাকে।মনে হচ্ছিল কোনো কিছু ছাড়াও জন্মদিনটা বেশ হবে কিন্তু হয়নি।
অক্টোবরে শুরু হল বহু প্রতিক্ষিত ভর্তিযুদ্ধ।একটার পর একটা পরীক্ষা দেই কিন্তু ব্যর্থ হই।পরে কোনো এক জায়গায় অনেক পেছনে সুযোগ হয়।বর্থ্যতার ব্যাপারটা আমাকে প্রায়ই নাড়া দেয়।কিন্তু আমার মেধাবী বন্ধুদের দিকে তাকালে আর কষ্ট থাকে না।
এবার আসি শেষের দিকে।
কোনো একসময় উপলব্ধি করি আমার আশেপাশের মানুষগুলোর সাথে আমার ঠিক মিলছে না।ওদের থেকে সরে আসি।একটা সময় প্রচন্ড অসহায় অনুভব করি।ভাগ্য ভালই বলতে হয়,সে সময় পুরোনো একটা বন্ধুকে পাশে পাই।ওর সাথে দিনগুলো ভালোই যাচ্ছে।হঠাৎ গত ৩০ তারিখ এমন একজন কে এমন এক অবস্থায় দেখি যে আমার মনে হচ্ছিল বুকের পাঁজর টা কেউ টিপে ধরেছে আর সেটা গলা দিয়ে বের হয়ে আসছে!আমি সব সময় খুব কথা বললেও ওই পুরো সময়টা ছিলাম নিস্তব্ধ।উপলব্ধি করলাম আরও একবার “মানুষ মরে গেলে পচে যায়,বেঁচে থাকলে বদলায়,কারণে অকারণে বদলায়।”
সব কিছুর ই শেষ আছে।২০১২ শেষ হয়ে গেল।দেয়ালের ক্যালেন্ডারটা কিছুদিন পরে থাকবে না,হয়ত আমার ছোটো ভাইয়ের বইয়ের মলাট হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
বছরের শুরুর দিকে এবং শেষে এসে ও আমি আমার খুব কাছের কিছু বন্ধু হারিয়ে ফেলেছি।যে বন্ধুটা শেষ পর্যন্ত ছিল সে ও কিছুদিন পরে বাইরে চসে যাবে।আবার একা হয়ে যাবো।ওদেরকে খুব মিস করি।মিস করি আরও একজনকে।আবেগ দিয়ে জীবন চলে না,তারা হয়ত আমার এই অনুভূতি কখনোই জানবে না
পরিশেষে আমি চাই সবাই ভালো থাকুক।ভাল থাকুক আমার পরিবার,আমার বন্ধুরা,সামুর ভাইয়েরা/আপুরা।
সবার জন্য শুভ কামনা।
মূল লেখা: http://wp.me/p30nuX-23
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০৫
পুলক20 বলেছেন: আমি ও ভাই ![]()
২|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:০৫
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভাল কথা শুনাইলেন
শুভেচ্ছা তাই নব্বছরের
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৭
পুলক20 বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।শুভেচ্ছা আপনাকে ও।
৩|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৪
আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: হেডিংটা দারূণ হইছে...........নববর্ষের শুভেচ্ছা.....
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮
পুলক20 বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।শুভেচ্ছা আপনাকে ও।
৪|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪২
macsaens বলেছেন: দুর্ধর্ষ লেখনী । একজন হুমায়ুন আহমেদ বা আজাদের প্রতিচ্ছবি
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৫১
আশিক মাসুম বলেছেন: হাহাহা ভাই কতযে মারামারি করেছি ছোট ভাই-এর সাথে সুন্দর ক্যালেন্ডার নিয়া। অপেক্ষায় থাকতাম , নতুন বই পেলেই সাথে সাথে কাজ সুরু।