নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যুর বাগানে নিমন্ত্রণ আপনাকে।

মরুভূমির জলদস্যু › বিস্তারিত পোস্টঃ

কমলাপুর টু নারায়ণগঞ্জ - ৩ : (ছবি ব্লগ)

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৭




সময়টা ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখ।
উত্তর বাড্ডা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১১টার দিকে পৌছাই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। উদ্দেশ্য রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাবো

হাঁটা শুরু হবে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শহরতলী প্লাটফর্ম থেকে রেললাইন ধরে। হেঁটে হেঁটে যতদূর সম্ভব ততোদূর যাবো। যখন আর হাঁটতে ইচ্ছে করবে না তখন সেখান থেকে ট্রেন বা বাস ধরে ফিরে আসবো বাড়িতে। পরে আবার কোনো দিন ট্রেনে বা বাসে ফিরে যাবো আগের সেই যায়গায়। আবার শুরু করবো হাঁটা, হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছাবো নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ রেল পথের দূরত্ব প্রায় ২৩ কিলোমিটার। দূরুত্ব আহামরি কিছু না।

আসলে আমার ইচ্ছে এইভাবে হেঁটে হেঁটে কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত যাওয়া।
ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরার আগে উলটো পথের নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাওয়াটা হচ্ছে নিজেকে যাচাই করা। তো সেই উদ্দেশ্যে প্রথম দিন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পৌঁছে বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম। তখন সময় সকাল ১১টা ২৪মিনিট, একটি ট্রেন প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে, কিছুক্ষণ পরেই হয়তো ছেড়ে যাবে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে, আমি তার আগেই সেই পথে হঁটা ধরলাম।

০২। নিচে গাড়ি চলাচলের রাস্তা আর উপরে রেল লাইনের এমন নগ্ন ব্রিজ, স্লিপারের উপর দিয়ে পার হতে ভয়ই লাগে!!


০৩। নিচে গাড়ি চলাচলের রাস্তা আর উপরে রেল লাইনের এমন নগ্ন ব্রিজ, স্লিপারের উপর দিয়ে পার হতে ভয়ই লাগে!!



০৪। রেল লাইনের ধারে কত বিচিত্র জীবন ধারা যে চোখে ধরে পরে!! কেউ কেউ রেল লাইনের ধারের বাজারে কয়েক জন মিলে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে, কেউ হয়তো বাজার করে রেল লাইন ধরেই হেঁটে বাড়ি ফিরছে, কেউ কাজ শেষে খালি গায়ে ফিরছে রেল লাইন ধরে।



০৫। রেল লাইনের ধারে কত বিচিত্র জীবন ধারা যে চোখে ধরে পরে!! কেউ কেউ রেল লাইনের ধারের বাজারে কয়েক জন মিলে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে, কেউ হয়তো বাজার করে রেল লাইন ধরেই হেঁটে বাড়ি ফিরছে, কেউ কাজ শেষে খালি গায়ে ফিরছে রেল লাইন ধরে।



০৬। রেল লাইনের ধারে কত বিচিত্র জীবন ধারা যে চোখে ধরে পরে!! কেউ কেউ রেল লাইনের ধারের বাজারে কয়েক জন মিলে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে, কেউ হয়তো বাজার করে রেল লাইন ধরেই হেঁটে বাড়ি ফিরছে, কেউ কাজ শেষে খালি গায়ে ফিরছে রেল লাইন ধরে।



০৭। বিড়াল



০৮। দেখতে আগর বাতির মত হলেও আমার কেনো যোনো মনে হয়েছি এগুলি কয়েলের কাজ করে। কারণ সাইজ ছিলো বেশ মোটা!!



০৯। রেল লাইন সব সময় সমান্তরাল চলে না। কখনো কখনো ক্রস করে!!



১০। রেল লাইন সব সময় সমান্তরাল চলে না। কখনো কখনো ক্রস করে!!



১১। কোনো একটি বিদেশী এনজিও দল এসেছিলো, বাচ্চাদের চকলেট দিচ্ছিলো।



১২। লোটন লোটন পায়রাগুলি ঝোটন বেঁধেছে!!



১৩। সমান্তরালও চলে



১৪। পৌছে গেছি গেন্ডারিয়া রেলওয়ে স্টেশন।



১৫। গেন্ডারিয়া রেলওয়ে স্টেশন।



১৬। গেন্ডারিয়া রেলওয়ে স্টেশন।



১৭। গেন্ডারিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে বের হওয়ার পথ।



১৮। চলছে মেরামতের কাজ।



১৯। চলছে মেরামতের কাজ।



২০। হয়তো আমাকে সাংবাদিক মনে করেছিলো, তাই আবদার করে তাদেরও তুলতে!



২১। শেষে গেন্ডারিয়া রেলওয়ে স্টেশনে ঝাল ঝাল মুড়ি-নানাচুর।


সকাল ১১টা ২৪মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ধেতে হাঁটা শুরু করে এই পর্যন্ত পৌঁছেছি দুপুর ১২টা ২৫মিনিটে। দূরুত্ব মাত্র ৩.৪০ কিলোমিটার। বাকি পথের কথা হবে আগামি পোস্টগুলিতে।

সিরিজের অন্য পোস্টগুলি :
০১। কমলাপুর টু নারায়ণগঞ্জ - ১ : কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (ছবি ব্লগ)
০২। কমলাপুর টু নারায়ণগঞ্জ - ২ : (ছবি ব্লগ)

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২১

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: ছবি দেখে মনটা খারাপ হলো। জরা কি ভয়ানক বস্তু !

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৫

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের রেল পথটুকুর অবস্থা বেশ খারাপ। পুরাটাই খারার। মন খারাপ করে দেয়ার মত খারার। চোখ শান্তি পাবে তেমন প্রন্ত বা সজীবতা নেই বললেই চলে। তবে বিচিত্র জীবনযাত্রার চিত্র ছড়িয়ে আছে সরাটাপথ জুড়েই।

২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪

নতুন বলেছেন: মানুষের জাপিত জীবন খুবই বিচিত্র।

আমি একবার আমার বন্ধুর জন্য বাস স্টান্ডে বসে অপেক্ষা করছিলাম। সম্ভবত ইফতারের সময় ছিলো তাই লোকজন কম ছিলো, একটা বন্ধ বাস কাউন্টারে বসে মানুষের কি করে তাই দেখছিলাম।

কিছুক্ষন পরে বুঝতে পারলাম এইভাবে বসে থেকে মানুষের যেই ছবিটা নজরে পরে সেটা রিক্সা বা বাসে চড়ে পার হবার সময় দেখা যায় না।

তারপর থেকে মানুষের জাপিত জীবনের প্রতি আমারও বেশ আগ্রহ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- আমিও দেখেছি নানা সময় নানান যায়গায়। অনেক বছর আগে কলকাতার উডল্যান্ড হাসপাতালের সামনের ফুটপাতে বসে বসে দেখেছি চলতে থাকা মানুষের বিচিত্র সব কান্ড। এরমধ্যে সন্ধ্যার সময় হঠাত করেই একটি বরযাত্রি এসে হাজির হয়। বর বসে আছে ঘোড়ার পিঠে, বরযাত্রীদের অনেকেই পাগলাপানি খেয়ে ভাবে আছে, কিছুক্ষণ পরপরই টপকা আর ছরাবাত্তি জালিয়ে নাচতে নাচতে তারা চলে গেলো। আমি বসেই রইলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.