| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাষ্ট্রের ছায়ায় বর্বরতার উত্সব।
--------------------------------
বাংলাদেশ আজ যে অরাজকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা শুধু আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা নয় এটি রাষ্ট্রীয় নীরবতার পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা এক ভয়াবহ বর্বরতা। মসজিদের ইমাম, স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভিন্ন মত পোষণের ‘অপরাধে’ প্রকাশ্যে অপমানিত হচ্ছেন। টেনে-হিঁচড়ে জনসমক্ষে বের করে এনে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। মতের স্বাধীনতা আজ কার্যত নিষিদ্ধ।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে খুঁজে বের করে পিটিয়ে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে অপমান করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ড চলছে। যারা ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান, তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে যেন সন্ত্রাসই আজ রাষ্ট্রীয় বিচারব্যবস্থার বিকল্প।
এই সহিংসতা এখন আরও ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঐতিহাসিক মাজারগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও মৃত মানুষকে কবর থেকে তুলে এনে লাশ জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটছে। এটি কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয় এটি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও মানবতার বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধ। সভ্য সমাজে এমন বর্বরতা কল্পনাও করা যায় না।
স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ও বিএনপির একটি অংশের কাছে এসব অপরাধ এখন লাভজনক ব্যবসা। আরও ভীতিকর হলো—তারা থানায় বসে প্রকাশ্যে স্বীকার করছে যে থানা লুট করেছে, পুলিশ হত্যা করেছে, পুলিশকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। তবুও রাষ্ট্রের কঠোর হাত আমরা দেখি না।
এই অবস্থার দায় এড়াতে পারে না তথাকথিত ইউনূস সরকার। কার্যত এই সরকার এসব অন্যায়ের প্রতি সম্মতি দিয়েছে। ভোটের নামে অপরাধকে ইনডেমনিটি দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করে প্রশাসনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র যখন নিজেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন অরাজকতা নীতিতে পরিণত হয়।
এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এটি সংগঠিত, পরিকল্পিত এবং প্রশাসনিক প্রশ্রয়ে পরিচালিত সন্ত্রাস। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে রাষ্ট্র অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে, সে রাষ্ট্র একদিন নিজেই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়ায়। আজ না থামালে কাল এই আগুন পুরো রাষ্ট্রকেই গ্রাস করবে।
-- সালাউদ্দীন রাব্বী
সংখ্যালঘু বাচাও আন্দোলন।
২|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৭
জান্নাতুন নাঈম ইরা বলেছেন: রাষ্ট্র যখন নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগে ব্যর্থ হয় এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সমান মানদণ্ড বজায় রাখে না, তখন অরাজকতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ব্যক্তিগত বা দলীয় সহিংসতাকে রাজনৈতিক ন্যায্যতা দেওয়া হলে তা শেষ পর্যন্ত সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধেই দাঁড়ায়। টেকসই সমাধান আসতে পারে কেবল জবাবদিহিমূলক শাসন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সহিংসতার বদলে গণতান্ত্রিক সংলাপের মাধ্যমে।
৩|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫২
রাজীব নুর বলেছেন: দেশ এখন হায়েনাদের দখলে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১২
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: দুর্ভাগ্য আমাদের। শুধু কি নীরবে দেখে যাবো ?