| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা সত্যিই পথ হারিয়েছি!
--------------------------------
আমরা যেন এক দূর্ভাগা জাতি দক্ষতা, জ্ঞান আর উন্নতির জন্য যেখানে আমাদের লড়াই করার কথা, সেখানে আমরা বারবার জড়িয়ে পড়ছি সস্তা রাজনীতির ফাঁদে। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাপ্রবাহ আবারও সেই তিক্ত সত্যটিই সামনে এনে দিয়েছে।
২০২৪ সালের তথাকথিত আন্দোলন আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, কীভাবে একটি রাজনৈতিক স্বার্থকে বাস্তবায়নের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা যায়। তরুণদের আবেগ, দেশপ্রেম আর প্রতিবাদের শক্তিকে ভুল পথে পরিচালিত করে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিদ্বেষ উসকে দিয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। প্রশ্ন হলোস কার লাভ হয়েছে এতে? দেশের, নাকি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর?
এই অস্থিরতার মূল্য কিন্তু পুরো জাতিকেই দিতে হচ্ছে। কয়েক দিনের বিশৃঙ্খলা শুধু রাস্তাঘাট বা স্থাপনার ক্ষতি করেনি; এটি আঘাত করেছে দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ, আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে। একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতির দিকে দেশকে ঠেলে দিয়ে যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, তারা হয়তো এখন নিরাপদ দূরত্বে বসে আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ? তারা বহন করছে দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তার বোঝা।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো আমরা এই ঘটনাগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন নামে আখ্যায়িত করে নিজেদের মধ্যে বিভক্ত হচ্ছি এবং কখনো কখনো অদ্ভুত এক আত্মতৃপ্তিতে ভুগছি। কিন্তু আত্মসমালোচনার জায়গাটি কোথায়? আমরা কি একবারও ভাবছি, এই পথ আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার নাগরিকরা সচেতন, যুক্তিবাদী এবং দায়িত্বশীল হয়। আবেগ দিয়ে আন্দোলন শুরু করা যায়, কিন্তু টেকসই পরিবর্তন আনা যায় কেবল জ্ঞান, দক্ষতা এবং সুদূরপ্রসারী চিন্তার মাধ্যমে। আমাদের তরুণ সমাজকে যদি বারবার রাজনৈতিক খেলায় ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বই দুর্বল হয়ে পড়বে।
এখন সময় এসেছে নিজেদের নতুন করে প্রশ্ন করা
আমরা কি বারবার একই ভুল করব, নাকি শিক্ষা নেব? আমরা কি বিভাজনের রাজনীতি বেছে নেব, নাকি গড়ে তুলব দক্ষতা ও উন্নয়নকেন্দ্রিক সমাজ?
দেশ আমাদের সবার। এটিকে ভাঙার নয়, গড়ার দায়িত্বও আমাদেরই 
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: পুরো চক্রান্তের পেছনে ছিলো জামাত। জামাত আমাদের ভালো চায় না।