| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাব্বি রাজ
আমার পরিচয় আমি একজন মানুষ। আমি অভিনয় করতে ভালোবাসি। ছবি তুলতে বেশি পছন্দ করি তার পাশা পাশি কিছু লেখা লেখি চলে বললেই হয়।
একটা কথা বলবো বলবো ভাবছিলাম। আজ যখন লেখা শুরু করেছি, তখন বলেই ছাড়ি । কাহিনিটা আমার কাল্পনিক বন্ধুর। নাম ফারহান।
ফারহান ছিল সৎ চরিত্রের । মেয়েদের সম্মানের চোখে দেখতো। মেয়েদের টিজ করা পছন্দ করতো না । আর ওর মনটাও ছিল পরিষ্কার । কোন মেয়ের সাথে প্রেমও করেনি ছ্যাঁকাও খায় নি।
হঠাৎ একদিন ফারহান রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। সে দেখল কিছু দুষ্ট ছেলে এক মেয়েকে টিজ করছিল। সে আর সহ্য করতে পারে নি। সেই দুষ্ট ছেলেদের ফারহান আগেও দেখেছিল। নাদিম নামের কোন এক বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলতে। ফারহান তাদের ধমক দিয়ে বলল,‘টিজ করা বন্ধ কর।’ ছেলেরা ফারহানের দিকে এগিয়ে আসলো । ইভেন এক ছেলে চাকুও বের করল। তখন তাদের মধ্য এক ছেলে বলল, ‘তুই কে রে?’
ফারহান বলল, আপনারা নাদিম ভাইয়ের লোক না? তখন তারা বলল , ‘হ্যাঁ’ ।
ফারহান বলল আমি নাদিমের ছোট ভাই । আর ওই মেয়েটাকে যে টিজ করছো সেটা কি নাদিম ভাইকে জানাবো? তারা ভয় পেয়ে গেল। জানাতে মানা করে তারা সেই জায়গা ছেড়ে অন্য কোথাও চলে গেল।
তখন ফারহান ওই মেয়েটাকে দেখে। এবং প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরে যায় । মেয়েটার নাম ছিল “স্প্রিহা”।
অনেক কষ্টে ফারহান মেয়েটাকে প্রস্তাব জানায় । মেয়েটা তখন রাজি হয়। ফারহান মনে মনে অনেক স্বপ্নই দেখে। সেগুলো পূরণও করতে চায়। কিন্তু হঠাৎ একদিন মেয়েটা জানতে পারে ছেলেটা ৮ম শ্রেণিতে পরে। আর মেয়েটা ১০ম। ফারহানও ১০ম শ্রেণিতে থাকতো , কিন্তু পারিবারিক সমস্যার কারণে ২ বছর গ্যাপ হয়েছিল। বয়সে ফারহান স্প্রিহার থেকে ১৫ দিনের বড় হলেও মেয়েটা ছেলেটাকে ছেঁড়ে দেয় । কি কারণে ছেড়ে দেয় তাও সে জানতে পারলো না। মনে মনে অনেক কষ্ট পায়। আর প্রথম ভালোবাসাতেই ছ্যাঁকা খায়।
এরপর ফারহান বদলে গেল। আমি যেই ফারহানকে চিনতাম সেই ফারহান আর নেই। এখন সে কোন মেয়ের সাহায্য করে না। কেও কোন মেয়েকে টিজ করলে সেই জায়গা এড়িয়ে যায়।
©somewhere in net ltd.