| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ব্রাক ১৯৭২ সালে ছবির এই অফিসটিতে দেশের প্রত্যন্ততম অঞ্চল সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা থেকে যাত্রা করে আজ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এনজিও। এনজিও কার্যক্রমের বাইরেও প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়, বানিজ্যিকব্যাংক, টেলিকমিউনিকেশন থেকে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে এর থাবা বিস্তার করেনি। যদিও তার জন্মস্থান এই অফিস এবং এর সুবিধাভোগীর অবস্থা এই ছবির অফিসটির মতই। উল্লেক্ষ্য ছবিটি অতিসম্প্রতী তোলা।
হাইকোর্টের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর গত দিন যুক্তি দেখালেনঃ চোর প্রতিদিন চুরি করে, আজ আপনি তাকে ধরলেন, তাতে কি অপরাধ হলো ?
তাহলে আমাদের প্রশ্ন এইযে চোরেরা প্রতিদিন চুরি করছে, তাদেরকে না ধারা কি সরকারের অপরাধ না ? এমনকি আপনাকে না ধরাও কি অপরাধ না ? কেন না আপনি বাংলাদেশের হাইকোর্টের বিচারপতি হয়েছেন আর সারাজীবন চুরি করেন নি, এতো কাঁঠালের আমসত্ত্বর !
২|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৪
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন: ব্রাক নোবেল পেলে একই দশা হবে!!!
৩|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৪
কাঠুরিয়া. বলেছেন: গ্রামীণ বেহাল অবস্থার পেছনে ব্র্যাক অবদান থাকতে পারে।
মাল ভাইকে এই মর্পমে পর্যাপ্ত পরিমান মাল সরবরাহ করা হয়েছে ---- এমন হতেই পারে!!
৪|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৭
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ব্র্যাকের চাকুরী বিধিতে কি ৬০বছরের টার্ম দেয়া আছে, এবং আবেদ সাহেব কি ৬০ বছর পার করে ফেলেছেন? তাহলে তাকেও টারমিনেট করা হোক। ব্র্যাক মনিটরিং কার হাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নাকি সমাজ সেবা। নাকি ইউএস এ, ইউকে
৫|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:০৫
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন: আমেরিকার মতো দেশগুলো কিছু নতুন বিষয় আবিষ্কার করার জন্য গ্রামীণ ও ইউনুসকে সম্মানিত করেছিলো-
১. আমাদের টিএন্ডটি-কে ধ্বংস করার প্রক্রিয়া আবিষ্কার।
২. টেলিনরের বস্তা পূর্ণ করার প্রক্রিয়া আবিষ্কার।
৩. এবং সবচেয়ে চমকপ্রদ আবিষ্কার ছিলো-কিভাবে গরীবের টাকা নিয়ে গরিবকে খেলিয়ে নিজের বস্তা ভারি করার প্রক্রিয়া আবিষ্কার।
কারণ আমেরিকাওয়ালারা জানতো শুধু উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন ফায়দা লুটার কৌশল।
কিন্তু মহান ইউনুস শিখিয়ে দিলো অনুন্নত দেশের গরীব মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন ফায়দা লুটার কৌশল।
৬|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:১৮
উসীমজদ্দীন বলেছেন: নীতিগতভাবে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। তবে কার্যক্রমের ভিন্নতা রয়েছে। ব্র্যাক অনেকগুলো সেকটর নিয়ে কাজ করছে। ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য আরো অনেক কিছূ। ক্ষুদ্র ঋন নিয়েও কাজ করছে তারা কিন্তু ক্ষুদ্র ঋন তাদের মূল কাজ নয় অন্যদিকে গ্রামীনের মূলশক্তি হচ্ছে ক্ষদ্রঋন। শুধুমাত্র গ্রামীন নয় বাংলাদেশে ছোটবড় অনেক এনজিও ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসা করে। ক্ষুদ্রঋণে মানুষ উপকৃত হয় কারন তারা এক এনজিও এর ঋণ পরিশোধের জন্য অন্য এনজিও থেকে ঋন নিতে হয় এভাবে দারিদ্রের দুষ্টচক্রের মতো ঋণের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ হয়ে একসময় নি:স্ব হয়।
৭|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:৫১
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন: জসীমউদ্দীন ভাই সুন্দর বলেছেন- ঋণের দুষ্টচক্র।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:২৯
মেনন আহমেদ বলেছেন: গ্রামীণ থেকে ব্রাক কোনদিক থেকে কম নয়। তদন্ত করলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে।