| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রায়হান জুয়েল
ধর্মানুভুতি তে আঘাত লাগার চেয়েও গুরুত্ত্বপূর্ণ হচ্ছে সত্য কথা বলা
কোথাকার কোন ফতোয়াবাজ দল ফতোয়া দিল যে গনজাগরন মঞ্চের সবাই নাস্তিক, আর অমনি সব আন্দোলনকারিরা নিজেদের আস্তিক প্রমানের জন্য বয়ান দেয়া শুরু করলো! গনজাগরন মঞ্চ আপামর জনগনের, এখানে আস্তিক নাস্তিক কোন ভেদাভেদ নাই – এই কথাটা ঘোষণা করা কি খুবই কঠিন? প্রশ্ন হচ্ছে সবাই নিজ ধর্মের বাইরে অন্য সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কি না। সেক্ষেত্রে তো নাস্তিকরাই সবার থেকে এগিয়ে। শুধু বাংলাদেশে নয় বরং গোটা পৃথিবিতে নাস্তিকরা কখনও কোন ধর্মের লোকদের বাড়িঘরে আগুন লাগিয়েছে, কিম্বা ধর্মভ্রষ্ট বলে কারও রগ কেটে দিয়েছে, কিম্বা আস্তিক ব্লগার বলে কাওকে জবাই করে দিয়েছে বলে আমি কখনও শুনি নি, আপনি শুনেছেন কি?
২|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:২৬
দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন:
এই রকম ধারণা আপনি আমি পোষণ করলেও আপামর জনতা, যার বড় একটি অংশ সিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত, যাদের খুব সহজে মেনুপুলেট করা যায়, তাদেরকে আশ্বস্ত করতে এর দরকার হয়ত ছিল। আর যখন নেতৃত্বকে নাস্তিকতার ট্যাগ দিয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে তখন তার প্রতিবাদ হওয়া দরকার ছিল বলেই মনে করি। যাই হোক, একজন যদি আস্তিক হয়, আপনি তাকে নাস্তিক ট্যাগ লাগালে সে মেনে নেবে কেন?
৩|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:২০
শফিক১৯৪৮ বলেছেন: এই মন্চের লোকেরা যে এখন এই সরকারের বেতনভুক কর্মচারী তা সবাই বুঝে গেছে, বাকি কথাগুলো ১ নং মন্তব্যদাতা 'আ. প্র. প্র. স.' এর মত।
৪|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৯:১০
এন ইউ এমিল বলেছেন: আমার প্রকাশিত প্রতিবেদন সমূহ ভাই আমি আপনার সাথে এক মত, শুরুটা ছিল প্রশংশার দাবিদার,
কিন্তু আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন "আপনার কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ার সত সাহস আছে?"
১৭ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৪৭
রায়হান জুয়েল বলেছেন: নতুন কোন শক্তির উত্থানের ভয়ে কম্পমান থাকেআমাদের পুরনোদলগুলো । ড: ইউনুসের সাথেযা করা হয়েছে তাএর প্রমাণ । এরা সর্বশক্তি দিয়ে নবীনকোন চেতনাকেপ্রতিহত করে। প্রজন্ম চত্ত্বর থেকে আবার কোন প্রজন্ম দল যাতেনা হতে পারে সেই অভিপ্রায়ে প্রথম থেকেই সতর্ক ছিলো আওয়ামী লীগ তাই গনজাগরন কে দলীয়করন করার প্রচেষ্টা প্রথম থেকেই আছে আওয়ামী লীগ-এর।
৫|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৯:৫৭
ফাহীম দেওয়ান বলেছেন: @ আমার প্রকাশিত প্রতিবেদন সমূহ - আপনারা যারা গন জাগরন মঞ্চ কে নাস্তিক, দলীয় ইত্যাদি বলে ট্যাগ করছেন, তারা কখোনই মনে প্রানে এই জাগরন কে গ্রহন করেননি, এখন বলছেন প্রথম কয়দিন ছিলো প্রশংসার দাবীদার এই টাইপ কথা বলে সবাইকে বোঝাতে চান এই মঞ্চ এখন ভালো নাই, তাইতো -
ও কে তবে বলেন -
১) শুরুটাতে কি এই নাস্তিক গুলা ওইখানে ছিলনা ?
২) প্রথম থেকেই প্রধান দাবী রাজাকারদের ফাঁসী (মানে প্রাপ্য বিচার) ও জামায়াতের ব্যান করতে হবে
৩) এই আপনারাই প্রানপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন গন জাগরন মঞ্চকে ঠেকাতে, বিতর্কিত করতে, কিন্তু কোন স্বার্থে
৪) ভাড়াটে জনগন বলছেন কাকে ? প্রমান দিন যে আপনি ও একদিন ওইখানে গিয়েছিলেন, গিয়ে কিছু টাকা পেয়েছেন, বিরিয়ানি পেয়েছেন ।
৫) দলীয় বলার আগে বলেন আপনারা কি যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের বিচার চান কি না ? যদি, কিন্তু, তবে বাদ দিয়ে বলেন। কোন নির্দিষ্ট দলের না সব দলের মধ্যে বা বাইরের সব যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের কথাই বলছি। বুকে হাত দিয়া বলেন।
শুনেন ভালো মানুষের ভেক ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করা শয়তান আর মোনাফেকের কাজ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:১৭
আমার প্রকাশিত প্রতিবেদন সমূহ বলেছেন: গনজাগরন মঞ্চ আবার জনগনের হলো কবে থেকে? বলুন ভাড়াতে জনগনের। অথবা সরকারের। তবে ওখানে সবাই যে নাস্তিক না সেটা আমি নির্দিধায় বলতে পারি। গনজাগরন মঞ্চ নিয়ে এখনো যারা বড় বড় কথা বলছেন আমি অবাক হয় তাদের চিন্তা ও বোধ শক্তির সিমাবদ্ধতা দেখে, তারা কি দেখেনা কারা এখানে যাচ্ছে, কিভাবে তাদের কে নেয়া হচ্ছে? স্কুল কলেজ গুলো জোর করে কিভাবে সেখানে নেয়া হচ্ছে? তারা কি দেখেনা গনজাগরন মঞ্চ কারা চালাচ্ছে? আপনি নিশ্চয় বলবেন না যে এটার মুখপাত্র প্রতক্ষ ও পরক্ষ ভাবে ইমরান এইচ সরকার? যদি বলেন তাহলে আপনাকে আমি একচোখা অথবা অন্ধ বলবো। তবে হ্যা শুরুটার জন্য গনজাগরন মঞ্চ প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু সময়ের সাথে সাথেই এর দাবি দবা ও চালকের শক্তির উপর এখন অন্য ছায়া পড়েছে।