নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলাদেশ যেখানে আমরা সবাই অসহায়।

জেলখানাতে যাওয়া প্রত্যেক বালেগ নর-নারীর জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয়।

রংধনুর সাত রঙ

খুব সহজ,খুব সরল

রংধনুর সাত রঙ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০০

১২০৪ সালের মার্চ মাসে বাংলায় কায়েম হয় মুসলিম শাসন। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী সতেরজন ঘোড়সওয়ার সৈনিক নিয়ে আসেন বাংলায়। অত্যাচারী শাসক লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলার শাসনক্ষমতা দখল করেন। মুসলমানগণ প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর এ দেশ শাসন করেন। শান্তি, সৌহার্দ, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও আদর্শের ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা সমাজে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য রচিত হয় শান্তির নীড়। বিশ্ব দরবারে বাংলার পরিচিতি ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। ‘জান্নাতুল বালাদ’ ‘প্রাচ্যের স্বর্গ’ ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত হয় এ ভূখণ্ডটি। মুসলিম শাসনের প্রথম কয়েক শতাব্দী কাটে মোটামুটি নির্বিঘ ও স্বচ্ছন্দে। পর্যায়ক্রমে মুসলিম রাজা-বাদশাদের হেয়ালীপনা ও আয়েশী জীবনের ঘোরে ডুবে যাবার ফলে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জালের বুনন শুরু হয়। সে সময়ের সাহসী আলেম নূর কুতবুল আলমের প্রতিরোধের মুখে রাজা গণেশের চক্রান্তও বেশিদিন টিকেনি। ১৫০৬ সালে শ্রী চৈতন্যও মুসলিম শাসন ধ্বংসের জন্য হিন্দুদেরকে ক্ষেপিয়ে তোলার যথেষ্ট চেষ্টা চালায়। কিন্তু মুসলিম শাহ এর দূরদর্শিতা এবং তৎকালীন সময়ের দেশপ্রেমিক সচেতন আলেমসমাজের ভূমিকার কারণে সব চক্রান্তই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।



১৬৩৪ সালে ইউরোপীয় বণিকরা সর্বপ্রথম বাংলায় বাণিজ্য করার অনুমতি পায়। ১৬৫১ সালে তারা হুগলীতে কুঠি স্থাপন করে মুসলমানদের সঙ্গে শত্র“তার ঠিকাদারী নিয়েই এই ক্রুসেডার গোষ্ঠী ভারতবর্ষে পা রাখে। তখন তাদের এক হাতে ছিল বাইবেল আর অন্য হাতে তরবারী। এদেশে এসেই তারা বর্ণ হিন্দুদের সঙ্গে গড়ে তোলে তাদের বন্ধুত্ব। ভারতবর্ষের বর্ণিল ইতিহাসে বাক্ষ্মণ্যবাদীদের কূটচাল ও ক্ষমতা দখলের ঘৃণ্য অভিলিপ্সা একটি ট্রাজেডিক বাস্তবতা। বিদেশী প্রভুদের মন যুগিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে এদেশের হিন্দু জমিদার ও বর্ণ হিন্দুরা সবসময়ই আস্থার পরিচয় দিয়েছে। পরাধীনতার শৃঙ্খল দীর্ঘ হওয়ার এটাও একটি উল্লেখযোগ্য কারণ ছিল। উড়ে এসে জুড়ে বসা বৃটিশ বেনিয়া গোষ্ঠী এদেশে পা রেখেই বর্ণ হিন্দুদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। প্রতিটি চক্রান্তই বাস্তবায়ন করে তাদের দ্বারা। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জেমস চার্নক নামক একজন ইংরেজ সুতানুটির ঘাটে এসে নামে। তখন থেকেই এই স্যাঁতস্যাতে জলাকীর্ণ গ্রামকে কেন্দ্র করে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে শুরু হয় ষড়যন্ত্রের খেলা। ইংরেজরা কলকাতা ও কাশিমবাজারে যাদেরকে কর্মচারী নিযুক্ত করে, তারা সবাই ছিল হিন্দু। ইংরেজ ও বর্ণ হিন্দুদের মধ্যে ষড়যন্ত্রমূলক মৈত্রীর সুদৃঢ় বন্ধন গড়ে ওঠে। ১৭৫৩ সালে ইংরেজরা কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম নামে একটি দূর্গ তৈরি করে। এ সময়ের মধ্যে ইংরেজ ও হিন্দুদের মিলিত ষড়যন্ত্র আরো শক্তিশালী হয়। উর্মিচাঁদ, জগতশেঠ, রাজা কৃঞ্চচন্দ্র, গোপাল ভাঁড়, রাণী ভবানী, রাম প্রাসাদ আজু গোঁসাই ছিল এ ষড়যন্ত্রের প্রধান ব্যক্তি।



মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৯/-৩

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৬

নন্দিত স্বপ্ন বলেছেন: আরো বিস্তারিত জানতে চাই।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৪

রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: জানাবো।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৮

রাতমজুর বলেছেন: সতেরো না ষোলো, ইখতিয়ারকে নিয়ে সতেরো।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৬

রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: বুঝলামনা।

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৮

স্বর্ণলতা বলেছেন: শফিউদ্দিন সরদারের লেখা উপন্যাসে খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে বাংলায় মুসলমানদের আগমনের ইতিহাস । পড়ে দেখতে পারেন।

৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২২

ম্যাভেরিক বলেছেন: শওকত আলী'র খুব চমৎকার একটি উপন্যাস আছে বখতিয়ারের আগমন সময়কালের প্রেক্ষাপটে: "প্রদোষে প্রাকৃতজন"।

৫| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৪

বিবেক সত্যি বলেছেন: ইখতিয়ারের সতেরো সেনানী
প্রবেশিলো যবে গৌড়েতো,
লক্ষণ সেন-তো পালিয়ে গেলেন,
কচুবনে এক দৌড়েতে..

- অনেকদিন আগে এরকম একটা ছড়া পড়েছিলাম । এটুকু মনে আছে :-)

৬| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৮

ইসফার আহমদ সিফাত বলেছেন: ধন্যবাদ , বেশ তথ্যসমৃদ্ধ লেখা । উইকিতে যোগ করে দিতে পারেন ।

৭| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৬

মোসারাফ বলেছেন: শিরোনামের সাথে লেখার মিল নেই। শুরু করলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী কে নিয়ে শেষ করলেন বাংলায় বৃটিশদের ষড়যন্ত্র নিয়ে। এখানে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর ব্যাপারে বিশদ কোনো বর্ননা নেই।

৮| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৬

টেলি সামাদ বলেছেন: বেহারী মহল্লায় খাসীর খিলজি পাওন যায়। দুইটেকা প্লেট। দারুন টেস্‌

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫৯

রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: গরুরটা আরো টেস্ট।

৯| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০৮

নষ্ট ছেলে বলেছেন: আরেকটু বিস্তারি হইলে ভাল হইত।

১০| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ২:১৭

ত্রিভুজ বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।


@ম্যাভেরিক, ঐ বইটা কোথায় পাওয়া যাবে?

১১| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:২৪

সুমনজাহিদ বলেছেন: নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্রন্হাগারটি পুড়িয়ে ভষ্মিভুত করেছিলেন কে?

১২| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:২৬

সুমনজাহিদ বলেছেন: নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্রন্হাগারটি পুড়িয়ে ভষ্মিভুত করেছিলেন কে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.