নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রথম দেখা

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৯



সুরভি'র সাথে প্রথম দেখা হওয়ার গল্পটা আজ বলব।

টানা তিন মাস সুরভি'র সাথে শুধু ফোনে কথা হলো। এর মধ্যে একদিনও আমরা দেখা করিনি। সুরভি মুগ্ধ হয়ে আমার কথা শুনতো! রাত বারোটা থেকে আমাদের কথা শুরু হতো। ভোর হয়ে যেত তবু আমাদের কথা শেষ হতো না। বেশির ভাগ কথা আমিই বলতাম। সুরভি চুপ করে শুনতো। আমার তো কথা বলার বিষয়ের অভাব নেই। ধর্ম নিয়ে কথা বলি, রাজনীতি নিয়ে কথা বলি, সাহিত্য নিয়ে কথা বলি, মুভি নিয়ে কথা বলি। আমি যে গল্পই করি সুরভি মুগ্ধ হয়ে শুনে! বলতে দ্বিধা নেই- আমি কথা বলে, যে কাউকে মুহূর্তের মধ্যে আপন করে নিতে পারি। অতি তুচ্ছ একটা গল্পও আমি এমনভাবে উপস্থাপন করি- সুরভি এক আকাশ বিস্ময় নিয়ে শূনে। অদ্ভুত একটা কথাও এমন ভাবে বলি, সুরভি ছোট বাচ্চাদের মতো করে জিজ্ঞেস করে তারপর কি হলো? তারপর? একটা উদাহরন দেই-
একদিন দুপুরবেলা সুরভিকে ফোন করে বললাম- তোমাদের বাসায় আজ কি রান্না হয়েছে?
তুমি খেতে আসবে?
অবশ্যই খেতে আসবো।
সুরভি মন খারাপ করে বলল- আজ আমাদের বাসায় কিছুই রান্না হয় নাই। আমি ছাড়া বাসায় সবাই এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গেছে।
আমি বললাম, তাহলে চট করে একটা ডিম তো বেজে দিতে পারবে? সাথে দু'টা শুকনা মরিচ তেলে ভেজে দিও। আর আচার হিসেবে যদি একটা চুমু...
সুরভি বলল, তুমি আসো। আমি যা পারি করছি।

আমি জানি, সুরভি অনেক কিছু আমার জন্য রান্না করে অপেক্ষা করে আছে। ঝটপট রান্না করার এক অলৌকিক ক্ষমতা সুরভি'র আছে। দুপুর পার হয়ে বিকেল হয়ে গেল- আমি যাই না। সুরভি ফোন করে, ফোনও ধরি না। মনে মনে হিমুর মতো ভাবি- সুরভি'র সাথে দেখা করার সময় এখনও হয়নি। তবে দেখা যথাসময়েই হবে। যাই হোক, এই রকম নাটক অসংখ্য বার আমি করেছি। যতবার বলেছি- রান্না করো, আমি আসছি। তত বারই সুরভি আমার জন্য রান্না করে অপেক্ষা করেছে। আমি যাইনি। আমি যা'ই বলি- সুরভি বিশ্বাস করে। পরে কোনো কিছু একটা বুঝিয়ে বলে দেই খুব বিশ্বাসযোগ্যভাবে।

একটা ঘটনা বলি- রাত তখন তিনটা। আমি সুরভি'র বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। সুরভিকে ফোন দিলাম। ইচ্ছা করে আমি পরিস্থিতিটা এমন করলাম- কিছুক্ষন কথা বলার পরেই সুরভি নিজেই বলল- তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি বললাম, তাহলে বেলকনিতে এসে দাঁড়াও আমাকে দেখতে পাবে।
সুরভি দৌড়ে বেলকনিতে আসলো।
আমি দূর থেকে হাত ইশারা করলাম।
অপ্রত্যাশিত এক আনন্দে সুরভি কান্না করে দিল।

ঘটনাটা কিভাবে ঘটালাম এখন সেটা বলি। আমার এক বন্ধুকে আগেই বলে রেখেছিলাম- বাইক নিয়ে রেডি থাকিস। রাতে কিছুক্ষনের জন্য এক জাগায় যাবো। রাত দুই টায় সুরভিকে ফোনে বললাম- তুমি অপেক্ষা করো। আমি কিছুক্ষন পর তোমাকে ফোন করছি। এই কিছুক্ষনের মধ্যে আমি চলে গেলাম সুরভি'র বাসার সামনে। এই রকম নানান রকম কর্মকান্ড করেছি। কতবার যে সুরভিকে চমকে দিয়েছি! সুরভি বলে- একদিন তুমি আমাকে হুট করে চমকে দিয়ে মেরেই ফেলবে।

কথা বলতে বলতে সুরভি ঘুম, আমিও ঘুম- কতবার যে এমন হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। একদিন রাতে কথা শেষ করে ঘুমোতে যাবার আগে সুরভিকে অবাক করে দিয়ে বললাম- আগামীকাল তোমার সঙ্গে আমার দেখা হচ্ছে। সকাল ১১ টায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে থাকবে। সুরভি প্রচন্ড অবাক! তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আমি ফোন কেটে দেই।

সুরভি ঠিকই ১১ টায় ৩২ নম্বরে এসে পড়েছে। তখন আমি একটা হাফ প্যান্ট পড়ে আমার বাসার সামনে একটা চায়ের দোকানে আরাম করে বসে চা খাচ্ছি। সুরভি ফোন দিল, তখন মনে পড়লো আজ সুরভি'র সাথে দেখা করার কথা। হাফ প্যান্ট পড়েই ছুটলাম আমি। সেদিন রাস্তায় ভয়াবহ জ্যাম। আমি একবার সিএনজি'তে, একবার বাসে, একবার পায়ে হেটে, একবার রিকশায়। আড়াই ঘন্টা পর দুপুর দেড়টায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে যেতে সক্ষম হলাম। সুরভি আমাকে দেখেই হেসে ফেলল। আমি কসম খেয়ে বলতে পারি- মোনালিসার হাসিও এত সুন্দর না।

অনেকদিন আগে সুরভিকে কথায় কথায় বলেছিলাম, আমাদের যেদিন প্রথম দেখা হবে- সেদিন তুমি নীল শাড়ি পড়বে, চোখে মোটা করে কাজল দিবে, দুই হাত ভরতি থাকবে কাঁচের চুড়ি আর কপালে একটা বড় টিপ। সুরভি ঠিক সেভাবেই সেজে এসেছে। আমি মুগ্ধ হয়ে সুরভিকে আড় চোখে দেখছি। সুরভি বলল- লুকিয়ে দেখার দরকার নেই। এখন ভাবতেও লজ্জা লাগে, আমি একটা মেয়ের পাশে ধানমন্ডি লেকে হাফ প্যান্ট পড়ে হাটছি। রাস্তার সব মানূষ আমাদের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।
সুরভিকে এমনভাবে বিশ্বাসযোগ্যভাবে একটা গল্প বানিয়ে বলেছি- যেন হাফ প্যান্ট পড়ে আসাটাই স্বাভাবিক এবং আড়াই ঘন্টা দেরী করাটাও স্বাভাবিক। অন্য কেউ হবে পাঁচ ঘন্টা দেরী করতো। আমি বলেই দ্রুত আসতে পেরেছি। মনে মনে নিজেকে বাহবা দেই। মিথ্যা বলাটাও একটা আর্ট। সবাই সুন্দর করে গুছিয়ে মিথ্যা বলতে পারে না। তাছাড়া আমি কালো মিথ্যা বলি না। আমি বলি সাদা মিথ্যা। কালো মিথ্যায় মানুষের ক্ষতি হয়। সাদা মিথ্যায় কারো ক্ষতি হয় না, বরং আনন্দ পাওয়া যায়। সাদা মিথ্যায় পাপও হয় না।

তিন টায় আমরা দুপুরের খাবার খাই। খাবারের বিল সুরভি'ই দিল। ধানমন্ডি আসতে গিয়ে, বাস-রিকশা- সিএনজি করতে গিয়ে আমার পকেট খালি। তাছাড়া আমি তো প্রস্তুতি নিয়ে আসিনি। হুট করে রাস্তা থেকেই চলে আসছি। অবশ্য আমি সেদিন সুরভিকে বলেছিলাম- আজ তুমি আমাকে খাওয়ালে। এই জন্য আমি তোমাকে একশ' দিন খাওয়াবো। আমি কথা দিলে কথা রাখি।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৭

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: জি ভাই ভাবীর হাসি মাশাল্লাহ সুন্দর ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: গল্প মন্দ না।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: গল্প না জনাব। বাস্তব।

৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫২

এফ.কে আশিক বলেছেন: সুরভি ভাবীকে নিয়ে লেখা এর অগের গল্পটাও পড়েছি, বেশ রুমান্টিক...
শুভকামনা ভাই ভাবীর জন্য...

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: পরের টা পড়ার আমন্ত্রন রইল।

৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

মিথী_মারজান বলেছেন: ভাইয়া, এগুলো কি সব সত্যি ঘটনা?
একদম গল্পের মত সুন্দর!
ভাবী একটু বেশি সহজ সরল। :)

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: ১০০% সত্য।

৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০২

মুচি বলেছেন: সাদা মিথ্যেবাদীর জন্য শুভকামনা। ;) সুরভি ভাবির জন্য আরও বেশি শুভকামনা। 8-|

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদেরকে আজকাল কারো কল্পনার রোমান্টিকতার গল্প পড়তে হচ্ছে না, আপনার জীবনের রোমান্টিক সময়গুলো আমাদের কাছে আপনি সাবলীলভাবে বলছেন, আপনার জীবনের সুন্দর দিনগুলোর কথা।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২১

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আবার অবাস্তব, কাল্পনিক কিছু লিখতে পারি না।

৭| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৩২

ওমেরা বলেছেন: ভাল তো বেশ চালিয়ে যান ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: নতুন কোনো লেখা মাথায় নেই।
কাজেই এখন এইসব'ই চালিয়ে যেতে হবে।

৮| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:২০

সোহানী বলেছেন: আরে দারুনতো... একেবারে হুমায়ুন আহমেদের গল্প। এমনভাবেই কাটুক জীবন.... সত্যিকারের সংসারের হিসেব নিকেশ অনেক কঠিন। এ কঠিন সংসার একমাত্র তরল হয়ে উঠে এমন ভালোবাসায়। তাই যেন থাকে জীবনভর.........

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমার সংসার জীবনও দারুন আনন্দময়।

৯| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৭

ময়না বঙ্গাল বলেছেন: আকাশ আমায়
ভরলো আলোয় ।
আকাশ আমি
ভরব গানে -একটি রবীন্দ্র পঙতি

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের উপর আর কেউ নেই।

১০| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৭

হাসান রাজু বলেছেন: চাপাবাজি না ?

*** কয়টা প্রথম দেখার পর মনে হয় এইবারেরটা প্রথম দেখা । মানে এই ডিসিশনটা কিভাবে নিলেন ?
- আগের গুলা বাদ আজকেরটা ই প্রথম দেখা ।

এই বিষয়ে একটা গল্প হয়ে যাক ।

তবে যাই বলেন, পড়ে ভালো লেগেছে । ভালো থাকবেন ।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল ভাষায় লিখেছি।
আপনিও সহজ সরল ভাষায় সুন্দর মন্তব্য করেন।

১১| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৪

বেয়াদপ কাক বলেছেন: সামনের দিনগুলিও এমন রোমানটিকতায় ভরপুর থাকুক আপনার।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৭

আমপাবলিক বলেছেন: কপালের টিপ আর ঠোটের আলকাত্রায় -তি-র মত লাগে, পুরুষের চেহারা দেখে মনে হয় আর ভাল লাগেনা এবার ছেড়ে দে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা বুঝতে পারি নি।

১৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: সুন্দর রোম্যান্টিক জীবন থেকে নেয়া বাস্তব গল্প। ভালো লাগলো। উভয়ের জন্যই অনেক শুভকামনা।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: সময় সুযোগ পেলে আমার বাসায় আসবেন।
একসাথে চারটা ডাল ভাত খাবো।

১৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১০

সামিয়া বলেছেন: আনন্দ আর ভালবাসাময় জীবন দীর্ঘজীবি হোক।।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ বোন।

১৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২১

আমার আব্বা বলেছেন: যারা বিপ্লবী ( বিশেষ অর্থে) নন তারা প্রেমিক, নারী প্রেমে আবদ্ধ জীবন । আপনি দেখতে ভ্যাড়ার মতন, ভাবি ভ্যাড়া বললে খুসি হতাম।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি দেখতে নিশ্চয়ই ছাগলের মতোন।
কারন একজন ছাগল'ই পারে অন্য একজনকে ভ্যাড়া বলতে।

১৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৪

হাসান রাজু বলেছেন: দঃখিত। মনে হয় মন্তব্যটা কাটকট্টর হয়ে গেছে। আসলে উদ্দ্যাশ্য এমন ছিলনা। চেয়েছিলাম একটু মজা করে লিখতে কিন্তু সভাবে গুছিয়ে হয়তো লিখতে পারিনি। আবারো দুঃখিত।
আসলে আগের লিখায় দেখলাম দেখা হয়ে গেছে আপনাদের আগেই। তাই আপনি যেটাকে প্রথম দেখা বলছেন এই দেখাটাকে প্রথম মানতে পারছিনা। নিশ্চই কোন ব্যাখ্যা আছে?
ঘটনাগুলো ফিল্মি হয়েছে তাই মজা করে লিখলাম চাপাবাজি (মানে, আমি সন্দেহ করছি ঘটনাগুলো নিজের মত করে সাজিয়েছেন। কিন্তু আপনি মন্তব্যের প্রত্যোত্তরে বলেছেন বাস্তব ঘটনা)। শব্দ চয়ন হয়তো ঠিক হয়নি।আাবারো দুঃখিত।

আবারো বলছি, পড়ে ভালো লেগেছে । ভালো থাকবেন। শুভ কামনা।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫

রডারিক বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন ভাই। নিজের প্রেমের কথাই মনে পড়ে গেলো। আহা আপনার মত লিখতে পারতাম যদি। অনেক বছর আমি সামুর সদস্য। কাজের ব্যাস্থতায় কিছু লিখা হয় না, মাজে মধ্যে ব্লগ পড়ি। আপনাদের দুজনের জন্য শুভ কামনা।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: শুধু কাজ করলেই হবে?
আনন্দ বিনোদন বলে কি মানুষের কিছু থাকবে না?
সময় বের করুন,অল্প অল্প করে হলেও কিছু লিখুন।

১৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮

আমার আব্বা বলেছেন: আপনি দেখতে নিশ্চয়ই ছাগলের মতোন।
কারন একজন ছাগল'ই পারে অন্য একজনকে ভ্যাড়া বলতে
ছাগলের মত নয় আমি পাঠার মত পাঠী দরকার

১৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১৫

প্লাবন৭০ বলেছেন: ভালো লাগলো গলপ পড়ে। কিনতু গোমড়া মুখের ছবিটা দিলেন কেন??? ভাবি তো দেখি ভালোই হাসতেছে??? ভালো থাকবেন ভাই/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.