নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসুন লাটভিয়া দেশটি সম্পর্কে জানি

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৫



লাটভিয়া উত্তর ইউরোপের ছোট একটি দেশ।
রিগা বৃহত্তম শহর, প্রধান বন্দর ও রাজধানী। লাটভিয়া বাল্টিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। লাটভিয়াতে ১২ হাজারের মত নদী ও প্রায় ৩ হাজার হ্রদ আছে। মাত্র ২৫% এলাকা কৃষিকাজের উপযোগী। প্রাচীনকাল থেকে বাল্টিক সাগরের তীরের দেশটি ইউরোপীয়দের জন্য ছিল বেশ অকর্ষণীয়। আয়তন বাংলাদেশের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। ৬৪ হাজার ৫ শত ৮৯ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ২৩ লাখের মত। তাও আবার চার থেকে পাঁচ লাখের মত নাগরিক পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ছোট দেশটিতে ২০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে মনোনয়ন দেন প্রেসিডেন্ট। এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদের সদস্য সংখ্যা ১০০। তারাও চার বছরের জন্য নির্বাচিত হন। দেশটি ২৬টি জেলায় বিভক্ত। রয়েছে সাতটি শহর। ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পুনঃযাত্রা করে। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার জন্য লাটভিয়ায় পাড়ি জমান। প্রতি বছর লাতভিয়াতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাষা লেটভীয় ও রুশ। মুদ্রার নাম লাট্স। ইউরোও চলে।

লাটভিয়ায় মাত্র হাজারখানেক মুসলমানের বাস।
ইউরোপের এই ছোট্ট দেশে মাত্র তিনজন নারী বোরকা পরিধান করতো। দেশটিতে বোরকা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। (উল্লেখ্য, শুধু লাটভিয়া নয়, ২০১১ সাল থেকে ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ রয়েছে।) বাংলাদেশে কোন লাটভিয়ান দুতাবাস না থাকায় ভিসা নিতে হলে আপনাক যেতে হবে চীন কিংবা জার্মান এম্বেসীতে। লাটভিয়ার জীবনযাত্রা ও পড়াশোনার খরচ কম ইউরোপের অন্য দেশের তুলনার কম। টিউশন ফি নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি ও সাবজেক্টের উপর। তবে সে দেশে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো ছাত্রছাত্রী নেই।

লাটভিয়ার ৩ লক্ষ নাগরিকত্বহীন মানুষ রয়েছে।
লাটভিয়াতে প্রায় ৭০টির মত সংবাদপত্র রুশ ভাষাতে প্রকাশিত হয়। এছাড়াও আছে অনেকগুলো রুশ টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার কেন্দ্র। লাটভিয়ার শিক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৩০% ছাত্রের শিক্ষার মাধ্যম রুশ ভাষা। ১৩শ শতক থেকে লাটভিয়া ক্রমান্বয়ে জার্মানি, পোল্যান্ড ও রুশদের দ্বারা শাসিত হয়। লাটভিয়াতে চারজন বাংলাদেশী কর্মরত আছেন। রাজধানীতে একটা মসজিদ আছে। তবে নামাজ পড়তে তেমন কেউ আসে না। তাছাড়া দূর থেকে দেখলে চেনার কোনো উপায় নেই মসজিদটি।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১১

হাবিব স্যার বলেছেন: এত মানুষ নাগরিকত্বহীন কেন? সেখানে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির জন্য পরিক্ষা দিতে হয়?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: তারা বর্ডার পার হয়ে গেছে।

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১১

ইসিয়াক বলেছেন: জানলাম। ভালো লাগলো্।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




লাটভিয়াতে ষ্টুডেন্ট/টুরিষ্ট ভিসাতে বাঙ্গালী চলে গেছেন এবং অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ১০ ফিট বাই ১০ ফিট একটি রুমে ৪-৬ জন শেয়ার করে থাকেন। রেষ্টুরেন্ট পাবে চাকুরী করেন। আর লাটভিয়ান মেয়েদের বিয়ে করে স্থায়ী হয়ে থাকার জন্য সে দেশের মেয়েদের সাথে টাকা খরচ করেন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: বিদেশে বেশির ভাগ বাঙ্গালীই ভালো নেই। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে।

৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২২

ফয়সাল রকি বলেছেন: মাত্র চারজন?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: নাকি আরো বেশি আছে??

৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


এসব দেশের মানুষ এখন তেমন কাজকর্ম করে না, এরা ইউরোপীয় দেশগুলো সাহায্য নিয়ে টেনেটুনে চলে; তরুণরা লন্ডন, প্যারিস, রোম গিয়ে অড-জব করে।

পুরো দেশের জমি প্রায় খালি পড়ে থাকতো; এখন এক জার্মান কৃষক সব জমি লীজ নিয়ে ফেলেছে; সে ছিটেফোটা দেয়।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার একটা বিষয় খুব অবাক লাগে- সব বিষয়ে আপনার ধারনা আছে। আমি মুগ্ধ হই।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৯

খাঁজা বাবা বলেছেন: লেখক বলেছেন লাটভিয়াতে ৪জন বাংলাদেশী আছেন।
ঠাকুর মাহমুদ বলেছেন সেখানে এক রুমেই নাকি ৪-৬ জন বাংগালী থাকেন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: সমস্যাটা কোথায় বুঝতে পারছি না।

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

খাঁজা বাবা বলেছেন: বাংগালী হয়ত আরো অনেক বেশি আছেন সেখানে
:)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।
তবে আমি তথ্যটি নিয়েছি নেট থেকে। আমারটা ভুল হবার সম্ভনা বেশি।

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লাটভিয়ার সম্ভবত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি দেশ।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বেশির ভাগ দেশই খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই ।


এমনিতেই পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। বর্তমানে আরো খারাপ হচ্ছে

বাংলাদেশের মানুষজনও মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়ায এ সমস্ত দেশে শ্রম বিক্রি করতে না পারলে অবস্থা হতো আরো খারাপ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২২

রাজীব নুর বলেছেন: সৌদি মালোশিয়া বা অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলো থেকে রেমিটেন্স খুব বেশি আসে না। ইউরোপ থেকে রেমিটেন্স বেশি আসে।

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: সৌদি মালোশিয়া বা অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলো থেকে রেমিটেন্স খুব বেশি আসে না। ইউরোপ থেকে রেমিটেন্স বেশি আসে।


Bhorer Kagoj

প্রচ্ছদ অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে
সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে
কাগজ প্রতিবেদক : প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ , ১২:০৩ অপরাহ্ণ

দেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। গত আগস্ট মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশ থেকে ৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০৮ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৮২ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। এ ছাড়া প্রবাসী আয় পাঠানোর শীর্ষে থাকা ১০টি দেশের মধ্যে ছয়টি হলো মধ্যপ্রাচ্যের। এর মধ্যে আগস্টে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশটি থেকে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৩১ কোটি ১০ লাখ ডলার। যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ২১ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রেমিট্যান্স পাঠানোয় শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে অন্য দেশগুলো হচ্ছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, ওমান, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, কাতার, ইতালি ও বাহরাইন। আগস্টে রেমিট্যান্স আহরণের দ্বিতীয় শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮ কোটি ১১ লাখ ডলার। তৃতীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।

চতুর্থ স্থানে থাকা কুয়েত থেকে এসেছে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, ওমান থেকে ১১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ১১ কোটি ২৮ লাখ ডলার। মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ১০ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। কাতার থেকে ৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার। এ ছাড়া ইতালি থেকে এসেছে ছয় কোটি ২৯ লাখ ডলার এবং বাহরাইন থেকে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে চার কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্যবিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়েছে। এ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এর আগে গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই সময় রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

(তথ্যসূত্র দৈনিক ভোরের কাগজঃ প্রকাশিত হয়েছে সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ , ১২:০৩ অপরাহ্ণ)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: ভোরের কাগজ আমি পড়ি না।
তথ্যে মনে হয় ভুল আছে।

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিটেন্স বেশি আসার অন্যতম কারণ হচ্ছে সেখানে অবস্থানরত অধিকাংশ বাংলাদেশিরাই মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ীভাবে থাকার কোনো সম্ভাবনা দেখেন না এবং অনেকেরই পরিবার পরিজন সেখানে নিতে পারেন না | স্বভাবতই তারা তাদের আয়ের সিংহভাগ পাঠিয়ে দেন দেশে | আর এদের পাঠানো অর্থেই সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা - এতে কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব বা আমলাতন্ত্রের ভূমিকা নেই |

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: একদম ঠিক কথা বলেছেন।

১১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভোরের কাগজ আমি পড়ি না।
তথ্যে মনে হয় ভুল আছে।


আপনি পড়েন না বলেই যে ভুল থাকবে এটা কোন কথা হলো।
আপনি তো লন্ডনের বিখ্যাত পত্রিকা "দ্য গার্ডিয়ান" ও পড়েন না।
তোর মনে কি এই যে উহাতে ভুল তথ্য প্রদান করা হচ্ছে?

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে সব পত্রিকার উপর আমার আস্থা নেই। এটাই বলতে চেয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.