নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

কবিয়াল ও বয়াতি শরিয়ত সরকারকে নিয়ে সাধারন মানুষ যা ভাবছেন

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২২



১। “গান-বাজনা হারাম কোরানের কোথাও বলা হয় নাই। কেউ যদি হারাম প্রমাণ দিতে পারে তবে তাকে আমি ৫০ লাখ টাকা দিব এবং জীবনের জন্য কবিগান ছেড়ে দেব” ।
এই চ্যালেঞ্জের জবাবে শরিয়ত বয়াতি গ্রেপ্তার এবং পুলিশের ১০ দিনের রিমান্ডের আবদনে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ।

২। ইসলাম ধর্মকে যদি ধার্মিকগন বাঁচাতে চান তবে ধর্ম ব্যবসায়ীর হাত থেকে ধর্মকে মুক্ত করুন। শরিয়ত বয়াতী এইসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের চ্যালেন্জ ছুঁড়ে যে সাহসীকতা দেখিয়েছেন তার জন্য তাকে স্যালুট। সেই সাথে সংস্কৃতি চর্চার পথ অবরুদ্ধ করতে যে মৌলানারা মাঠে নেমেছেন তাদের বিচারের অধীনে আনার দাবী জানাচ্ছি সাথে সাথে শরীয়ত বয়াতীর এই মুহুর্তে নি:শর্ত মুক্তি দাবী করছি।

৩। দুনিয়ার সবকিছু একদিকে, আর বাঙালির ধর্মীয় অনুভূতি আরেক দিকে!

৪। যে দে‌শের ৯৯ ভাগ মানুষ ফাউল, রাষ্ট্র‌ একটা মহাফাউল সে দে‌শে বাউল তো গ্রেফতার হ‌বেই!

৫। বাউল শরিয়তের বিরুদ্ধে মামলা নিল থানা, গ্রেপ্তার করল পুলিশ, রিমান্ড দিল আদালত আর দোষ হইল হুজুরদের- হায়রে প্রগতিশীলতা।

৬। অতি সাধারণ এই মানুষটারও দোষ খুঁজতে হবে?
সরকারের পাগলামি।
মুক্তি চাই।

৭। এই তল্লাটে সুফীবাদের হাত ধরে ইসলাম ধর্ম ঢুকে পড়াটাই চরম ভুল ছিল। এই ধর্মের অনুসারীরা না জানে সুফীবাদ, না জানে ধর্ম। ল্যাজেগোবরে অবস্থা।

৮। একতারা দোতারার শক্তি কত সেটাই ভাবছি। অন্তত আগ্নেয়াস্ত্রের চেয়ে তো বেশিই। একজন পালাকবি হয়তো সন্ত্রাসীর চেয়েও ভয়ঙ্কর। নইলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কেন বন্দী হবেন শরিয়ত বয়াতি? মরমী সাধকরা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৯। সত্যিকথা বলে ফেলছেন শরিয়ত ভাই, তাই এই যন্ত্রনা দেওয়ার ফন্দি । রাষ্ট্র তো চিরকাল নাগরিক কে খাঁচাবন্দী করে তোতার বুলি আউড়াতে আদেশ দেয়। সেই স্রোতের বিরুদ্ধে যে যাবে তাকেই নাকাল করা হবে। ওনার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।

১০। ধর্ম ব্যবসা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ব্যবসা।ইসলাম প্রচারের নামে ভণ্ডামি আর বিভ্রান্তি ছড়ানো এদের কাজ।নিজের সুবিধামতো ফতোয়া বানিয়ে ছেড়ে দেয়।ইসলামের বিধান এরা নিজেরাও জানেনা।এজন্য মূর্খ, টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করে ইসলাম প্রচারকারীর কথা শুনে ইসলামি শিক্ষা জিতে আর ইমামের পিছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তেও লজ্জা করে।বর্তমানে যেকোনো ওয়াজ মাহফিলে গেলে মেজাজ খারাপ হতেই হবে।ফালতু কথায় ভরা সব।

১১। কই কোনদিন তথাকথিত আলেম নামের ধর্মব্যবসায়িদের মুখে শুনলাম না মহান আল্লাহ্‌তালা আল-কোরআনে ধর্মের বিনিময় নিতে নিষেধ করেছে। আল্লাহ্‌ ধর্মের বিনিময়ে মানে দিনের কাজ করে যে কোন ধরনের বিনিময় নেওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছেন। তারা ঠিকিই এই কাজ করছেন।কিন্তু আল্লাতালা কোরআনে কোথাও বলিনি গান-বাজনা হারাম। সুস্থ সংস্কৃতি কখনো হারাম নয়। কিন্তু তারা এটাকে হারাম হারাম বলতে বলতে কোথায় যে নিয়ে গেছে তারা নিজেরাও জানেনা।

১২। ধর্মান্ধ মানুষ কত ভয়ংকর..!
শরীয়ত বয়াতি গান পাগল মানুষ।
অবিলম্বে শরীয়ত বয়াতি মুক্তি পাবে.. সেটাই আশা করছি।

মন্তব্য ৮৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৮৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিজ্ঞান, সাহিত্য পড়লে মানুষের মন উদার হয়, ধর্মের বই পড়লে মানুষের মানসিক দুর্বলতার সৃষ্টি হয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: দামী কথা বলেছেন শ্রদ্ধেয়।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৭

দেবদাস বাবু বলেছেন: নিরক্ষর ব্যাক্তিরা যদি ধর্মান্ধ হয়, তাহলে তাদের ঠেকানো মুশকিল আর নিজেদের সুবিধা পাওয়া ও ফায়দা লোটানোর জন্য কেউ যদি ঐ ধর্মান্ধ ব্যাক্তিদের পক্ষে সাফায় গায়, সেক্ষেত্রেও বিদ্ধংসী রুপ ধারন করে।
.................... ভন্ডরা সব পড়ে, মূর্খ্যরা সব শোনে (কাজী নজরুল ইসলাম) ..................।
নিরক্ষর ব্যাক্তিরা অন্যের বুদ্ধিমত্তা ও কথায় প্রভাবিত হয়, তাদের নিজেদের কোন ক্ষমতা নাই।

দেখুন রাজীব নূর ভাই কবিয়াল ও বয়াতি শরিয়ত ভাইটির মুখখানা কত যন্ত্রণা তার হৃদয়ে বইছে, তার চ্যালেঞ্জের কোন মূল্য নাই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৯

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় ব্লগার আপনার আজকের পোষ্টটা প্রমাণ করে কোথায় আছি আমরা। কোথায় আছে আমার প্রিয় স্বদেশ।আর কিছু হবার বাকি আছে কি? এবার বুঝুন কেন আমি চাইলেও অনেক কিছু লিখতে পারি না। কি ভবিষ্যত আছে এদেশের? আমার মতে কোন ভবিষ্যত নাই্ । এ থেকে মুক্তির উপায় নাই। কারণ মানুষ সম্মিলিত প্রতিবাদ করতে ভুলে গেছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: একক মুক্তির উপায় আছে। উন্নত কোনো দেশে চলে যেতে পারেন।

৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: বেগম জিয়ার সময় বাউলদের ধরেধরে ন্যাড়া করে দিতো। এরা নিরীহ গোছের হওয়ায় কোন সময়ে ভালো থাকতে পারেনা।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০১

রাজীব নুর বলেছেন: তারা গান বাজনা নিয়ে আছে, থাকুক না। তারা তো কারো কোনো ক্ষতি করেছে না। দূর্নীতি করেছে, ধর্ষন করেছে না।

৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০৬

আলআমিন১২৩ বলেছেন: মামলা নেয়ার বিষয়ে ওসি সাহেবদের প্রাইমারী জাজমেন্ট আরো প্রখর হওয়া উচিৎ। এতে হাজার মানুষ অহেতুক হয়রানী থেকে বাচবেন।মিথ্যা মামলাও অনেক কমে যাবে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০১

রাজীব নুর বলেছেন: উপর থেকে ফোন এলে অসি সাহেবদের মাথা ঠিক থাকে না।

৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: একে পবিত্র কুরআন নিয়ে এতবড় মিথ্যা কথা বলার জন্য মাত্র ০৩দিন নয় ৩০দিন রিমান্ডে নেয়া উচিত। কম হয়ে গেছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: যদি ভুল বলে থাকেন এর বিচার আল্লাহ করবেন। চারিদকে দুষ্টলোকের অভাব নেই। তাদের ধরার কোনো নাম নেই!

আপনি কি সুনীলের 'মনের মানুষ' বইটা পড়েছেন?

৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার ৪ নং পয়েন্টটা দারুন হয়েছে। বাকী ১% এর মধ্যে আমি আছি নিশ্চিত, আপনার কি ধারনা...... আপনি আছেন? :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: না নাই।

৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


নীল আকাশ বলেছেন, " একে পবিত্র কুরআন নিয়ে এতবড় মিথ্যা কথা বলার জন্য মাত্র ০৩দিন নয় ৩০দিন রিমান্ডে নেয়া উচিত। কম হয়ে গেছে। "

- এটা বড় জল্লাদী কথা, ৩০ দিন রিমান্ড! যারা ইসলাম ধর্মকে অন্ধের মত অনুসরণ করে, তারা জল্লাদে পরিণত হয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: দারুন বলেছেন চাঁদগাজী।

৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

নিখিল নীল বলেছেন: দেশটা কি তাহলে দিন দিন ধর্মান্ধদের কব্জায় চলে যাচ্ছে। যার পরিনতি খুব ভয়াবহ।
শরীয়ত বয়াতির মুক্তি দাবি করছি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।

১০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:১৪

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: যারা ধর্মের মূল অনুধাবন করতে পারে না তারাই ধর্ম নিয়ে বেশি সেনসেটিভ হয়ে থাকে | এই সকল অতিধার্মিক ধর্মের কিছু আচার পালন করলেও ধর্মের মহত্ব বিন্দুমাত্র অনুধাবন করতে পারে না | একারণেই অনেক শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো মসজিদ মন্দির বা গির্জা থাকা সত্বেও ওই জাতির মধ্যে দুর্নীতি, হিংস্রতা সহ সকল ধরণের পাপাচারের কোনো কমতি দেখা যায় না |

ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয় অনেকের ধর্মবিশ্বাস খুবই ঠুনকো, এরা ধর্মের অস্তিত্ব নিয়ে খুব আতঙ্কে থাকেন এদের বিশ্বাসের দৃঢ়তার অভাবে | তাই কেউ সামান্য ভিন্নমত প্রকাশ করলেই এই সকল আধাবিশ্বাসীরা ভিন্নমতপ্রকাশকারির উপর হামলিয়ে পড়ে |

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: একদম ঠিক কথা বলেছেন।

১১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:১৫

জাহিদ হাসান বলেছেন: কোরআনে না থাকলেও হাদীস দ্বারা গান-বাজনা চরমভাবে নিষিদ্ধ।

শরিয়ত সরকার হিসাবে ভুল করেছেন।

খুব সম্ভবত তিনি হিব্রু বাইবেল( তাওরাত,যাবুর) আর খ্রিষ্টান বাইবেল ( মথি,মার্ক, লুক লিখিত সুসমাচার) পড়েননি।
পড়লে এই ভুলটা করতেন না। তিনি কোথায় ভুল করেছেন তা আমি বলব না। বললে আমার চাকরিও থাকবে না।

তার সবচেয়ে বড় ভুল নিজেকে মুসলিম দাবী করে তারপরে গানবাজনা করা।
মুসলিম দাবী না করে, ধর্মহীন ব্যক্তি দাবী করে, গানবাজনা করলে বা ইসলাম নিয়ে কোন কথা না বললে তার কিছু হতো না বলেই আমার মত।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: আগে বলুন মানবতা বড় না ধর্ম?

১২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সংগীত হারাম- এটা ভারতবর্ষের মাটিতে প্রথম প্রচার করেছিল মাওলানা মওদুদী।
বাংলাদেশের জল্লাদ গোলামআজমের কথিত ধর্মপ্রাণরা আজও ওই ভ্রষ্ট মওদুদীর মতকে লালন করে যাচ্ছে। মওদুদীর ইসলামই হলো জঙ্গিবাদী জামায়াতের ইসলাম।

গান বাজনা হারাম হলে সৌদিআরব সহ সকল মুসলিম দেশে গানবাজনা চলছে কি ভাবে? শিবির কি সঙ্গিত গায় না?
কোন মুসলিম দেশ কি গানবাজনা নিষিদ্ধ করেছে?

বাংলার সাথে সংগীতের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। বাংলা মানেই সংগীত। এ দেশ গানের দেশ। আজকের বিশ্বে যেখানে সংগীত শিল্পকলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেখানে আমরা জীর্ন পুরাতন মতবাদের দোহাই দিয়ে সংগীতকে অস্বীকার করছি। আর ইসলামের দোহাই দিয়ে এদেশ থেকে গানকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র বহু আগে থেকেই চলছে।

সংগীতকে হারাম ঘোষণা করে গানের আসরে বোমা মারা হয়েছে। বহু মানুষ রক্ত দিয়েছে। হ্যা, এসবই এই বাংলাদেশে হয়েছে।

একজন বাউল ওইসব কাঠমোল্লাদের চ্যালেঞ্জ জানালো-
সংগীত হারাম এটা প্রমাণ করতে পারলে ৫০ লক্ষ টাকা দেবেন। কাঠমোল্লারা পারতো চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করে যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে প্রমাণ করতে। কিন্তু তারা তা করেনি।
মৌলবাদীরা কখনোই সেটা করে না, জানেও না। বরং তেড়ে আসে চাপাতি হাতে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: হাছান ভাই ভালো কথা বলেছেন।

১৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৭

একাল-সেকাল বলেছেন:
প্রথমে শরিয়ত সরকার কে ৫০ লক্ষ টাকার ব্যাপারে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ আশা করি । তারপর রাজস্ব বোর্ডের।

সরাসরি নিষেধ করেনাই তবে, কোরআন বলেছে,
"একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি। "[ সুরা লোকমানঃ অধ্যায় ৩১ঃ আয়াত ৬ ]

১। গানে অবান্তর কথা বার্তা আছে কি নাই সেটা দেখতে হবে। প্রিয়তমাকে তেল মাখতে মাখতে ঈশ্বরের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
২। গানে ঠাট্টা বিদ্রুপ আছে কি নাই সেটা দেখতে হবে। প্যারোডি গানে অন্যের সম্মানহানী করা হয়।

এত জটিলতার মধ্যে না জড়িয়ে মুসলিম রা সরাসরি হাদিস কেই বেছে ন্যায়।

রাসূল (সা:) বলেছেন, “আমার উম্মাতের মাঝে এমন কিছু লোক আসবে যারা ব্যভিচার, পশম, মদ ও বাদ্য-যন্ত্রকে হালাল করে নিবে।” [সহীহ বুখারীঃ ৫৫৯০]

পবিত্র কোরআনে [সূরা আল-আহযাবঃ ৩৬] মুমিন নারী ও পুরুষকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের কথা মেনে চলতে বলা হয়েছে।




১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: আমি যতটুকু জানি ইসলামে গান বাজনা করা যেতে পারে।

১৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:১৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলাম তা ১১ নম্বর কমেন্টে জাহিদ হাসান থেকে কিছুটা জ্ঞান পেলাম। ১২ নম্বর কমেন্টে হাসান কালবৈশাখীর কমেন্টও মূল্যবান।

ভালো ও খারাপের কিছু সীমারেখা কোরান ও হাদিসে বেঁধে দেয়া আছে। আমি ক্ষুদ্র জ্ঞানে বুঝি যে, ভালো'র বেইঞ্চমার্ক থেকে সরে গিয়ে খারাপে পৌঁছে গেলেই সেটা হারাম। কোরান ও হাদিসে গান-বাজনার ব্যাপারে কী কী নিষেধাজ্ঞা বা নির্দেশনা আছে, আমার জানা নেই, এ ব্যাপারে আমার জ্ঞানও নেই; তবে গান-বাজনা হারাম করা হলে কোনো কোনো ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গান-বাজনা করতো না এবং নবী (সঃ )-এর আরব দেশে গান বাজনা হতো না। ওয়াজ-মাহফিলে সুর করে গজল গাওয়া হতো না। গান-বাজনা ইটসেলফ হারাম হওয়া অসম্ভব ব্যাপার, যেটা হারাম হতে পারে তা হলো গান-বাজনার কন্টেন্ট। কন্টেন্ট যদি সীমারেখা অতিক্রম করে, সেটা হারাম হবে। তবে, কথা হলো, এই হারাম তো শুধু গানের জন্যই প্রযোজ্য না, সবকিছুর জন্যই- খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু ঘুষ-টেন্টারবাজি এর বাইরে যাবে না।

ছোটোবেলায় বয়াতীদের জারিগানের অনেক আসরে বয়াতীদের দেখতাম তারা প্রচলিত অনেক ধর্মীয় নিয়ম কানুনের ব্যাপারে হুজুরদেরকে চ্যালেঞ্জ ছূঁড়ে দিতেন সামনা সামনি বিতর্কে আসার জন্য। হুজুরদের কোনোদিন আসতে দেখি নি। আমরাও খুব উৎসাহিত ছিলাম এমন যুদ্ধ দেখার জন্য।

তো, শেষ পর্যত শরীয়ত বয়াতী যখন এমন একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েই দিলেন, আমাদের কি কোনো অভিজ্ঞ মাওলানা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারেন নি? শরীয়ত বয়াতী যখন এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন, আদালতে রেফারেন্স সহ তিনি ব্যাখ্যা করতে পারবেন বলে মনে হয়। অর্থাৎ, তিনি জয়লাভ করবেন। শরীয়ত বয়াতী জয়লাভ করলে আমাদের দেশে ওয়াজ মাহফিল আর গান-বাজনার ভবিষ্যত কতখানি সংঘাতময় হয়ে উঠতে পারে তা কল্পনা করছি।

একটা গান ছিল 'নয়ন মনি' সিনেমায়- কোন কিতাবে লেখা আছে গো হারাম বাজনা গান? আদালত থেকে দেখি, কোন ফয়সালা আসে।

আপনার পোস্ট না পড়লে এই ঘটনা জানা হতো না। মোটের উপর, আমরা সত্যিই খুব বিচিত্র।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: ্সারাদিনে পাঁচ আযান হয়। আযানের কথা খুব সুন্দর। সুরটা অতি মনোরম।
ওয়াজ মাহফিল এ কত সুন্দর করে সুর দিয়ে টেনে টেনে কথা বলে।
কাজেই -----------

১৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কোরানে গানবাজনা হারাম বলে কোন আয়াত নাজেল হয় নি। হাদিসেও নেই।
অনেকে বলে গান হালাল, তবে বাজনা হারাম। এসবও বানোয়াট
বাজনা হারাম হলে বাদ্য বাজিয়ে গান গেয়ে মহিলারা উলুধ্বনি সহ নেচে নবী (সঃ) কে মদিনায় স্বাগতম জানানো হয়েছিলো।
পরে মক্কা বিজয়ের সময়ে বিপুল বাদ্য বাজিয়ে গান গেয়ে মক্কা বিজয় হয়েছিল। সে স্থানে নবীজি(স) নিজেই ছিলেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ইয়েস। ইয়েস।
জাস্ট গ্রেট।

১৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৩৫

পুকু বলেছেন: যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে,সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

১৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আজ নয় কাল ধর্মের দেয়াল উপড়ে যাবেই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: তাই যেন হয়।

১৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:



আপনার পোস্টটি দেখার পর লিংকের পোস্টটি শেষ করলাম। আশাকরি সময় নিয়ে পড়বেন। এতে আপনি সহ আপনার এখানে আগত সকলেরই কিছু না কিছু প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

https://www.somewhereinblog.net/blog/Tajhabibi/30288426

view this link

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ এই পোষ্ট টির জন্য।

১৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

কামরুননাহার কলি বলেছেন: এই ধরণের পোস্টে অমুসলিমরা বেশ আনন্দই পায়। তাদের আরো একটু উচকিয়ে দেওয়া হয়। পৃথীবীতে প্রত্যেক জাতিরই আলাদা আলাদা ধর্ম কর্ম আছে। আর তাদের সেই সব প্রধান প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোতে কোথাও লেখা নেই যে তোমরা গান-বাজনা করো, হারাম কাজ করো, মদ পান করো, সুদ খাও, ঘুষ খাও, অন্যোর হক নষ্ট করো, কাউকো কষ্ট দেও, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করো, মারামারি করো, হত্যা করো, চুরি করো, রাহাযানি করো, যৌন কর্ম করো, অপচয় করো- কোন জাতি, কোন গোত্র, কোন ধর্মের মানুষ কেউ দেখাতে পারবেনা এই সব তাদের প্রধান ধর্ম গ্রন্থে লেখা আছে।

গান-বাজনা এগুলো সেকালের অমুসলিদের একটি প্রধান হাতিয়া ইসলাম ধর্ম বা অন্য কোন ধর্মকে অবমাননা করার। আল্লাহ তায়লা পবিত্র কোরআনে বলেছেন- সূরা লোকমান অধ্যায়-৩১, আয়াত-৬, “কেউ কেউ এমন আছে যারা, না জেনে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুতি করার জন্য অমূলক কথা খরিদ করে এবং এটা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রোপ করে তাদের জন্যই অবমাননাকারী শাস্তি।” আয়াত ৭- তার কাছে যখন আল্লাহর আয়াত পাঠ করা হয় তখন দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেনো শুনতে পায়নি মনে হয় যেনো তার কর্ণ বধিরতা রয়েছে, তাকে মর্মন্তুদ শাস্তির সুখবর দেন।

এই আয়াতের শানে নুযূলে বলা হয়েছে যে, নযর ইবনে হারিস বিদেশ থেকে একটি বাঁদী (গায়িকা) খরিদ করে এনে তাকে গান-বাজনায় নিয়োজিত করল। কেউ কোরআন শ্রবণের ইচ্ছা করলে তাকে গান শোনানোর জন্য সে গায়িকাকে আদেশ করত এবং বলত মুহাম্মাদ তোমাদেরকে কোরআন শুনিয়ে নামাজ, রোজা এবং ধর্মের জন্য প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার কথা বলে। এতে শুধু কষ্টই কষ্ট। তার চেয়ে বরং গান শোন এবং জীবনকে উপভোগ কর

ইবলিস-শয়তান আদম সন্তানদের ধোঁকা দেওয়ার আরজী পেশ করলে আল্লাহ তায়ালা ইবলিসকে বললেন- পবিত্র কোরআন সূরা ইসরাইল- অধ্যায়-১৭ আয়াত-৬৪ “তোর আওয়াজ দ্বারা তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস পদস্খলিত কর।”

এবার আসি হাদিস শরিফে- যদিও আমি কোরআনের উপর সবকিছু নির্ভরশীল কারণ অনেক হাদীস আছে যা মানুষ বানিয়েছে। তবুও আমি সহী হাদিস থেকে কিছু রাসূল (সাঃ) এর কথা উল্লেখ্য করবো।
১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- “তোমরা গায়িকা (দাস-দাসী) ক্রয়-বিক্রয় কর না এবং তাদেরকে গান শিক্ষা দিও না। আর এসবের ব্যবসায় কোনো কল্যাণ নেই। জেনে রেখ, এর প্রাপ্ত মূল্য হারাম।-জামে তিরমিযী হাদীস : ১২৮২”

২) সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, "ঘণ্টি, বাজনা, ঘুঙুর হলো শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।" (সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর: ২১১৪)

৩) সাহল ইবন সা’দ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, অচিরেই শেষ যুগে দেখা দিবে ভূমি ধস (ভূমিকম্প), নিক্ষেপ ও বিকৃতি। রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্’র রাসূল! তা কখন? তিনি বললেন, যখন বাদ্যযন্ত্র ও গায়ক-গায়িকারা বেশি হারে প্রকাশ পাবে। (ইবনু মাজাহ্ ২/১৩৫০)

এরকম আরো বহু হাদীস উল্লেখ্য আছে গান-বাজনা সর্ম্পক নিয়ে। এই পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে খেলে অনেকেই। যারা খেলে তাদের খেলা একদিন ঠিক ফুরবেই। পৃথীবিতে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে তাদের ব্যবসা একদিন না একদিন বন্ধ হবে। মুসলিম অমুসলিম এরা সবাই ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ করে, ধর্ম নিয়ে হত্যা করে, ধর্ম নিয়ে বাজে মন্তব্য করে আসলে এই সব যারা করে তারা যদি নিজেদের জ্ঞানী মনে করে তাহলে তারা ভুল করে। কারণ ধর্মের সাথে টেক্কা দিয়ে জ্ঞানী হওয়া ইমপসিবল। যারা করে তারা জ্ঞানী নয় মুর্খের দল ছাড়া আর কিছুই নয়।

এই ছবি ওয়ালা ভদ্র লোকটির সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। তবে যদি বলে থাকে তাহলে তিনি সেটা ভুল বলেছেন। পবিত্র কোরআনের আল্লাহ তায়ালা পৃথীবির অতিতি, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সব কিছুই উল্লেখ্য করে দিয়েছেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: শরিয়ত বয়াতি ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। তিনি ধর্মের নামে ভণ্ডামির বিরুদ্ধে বলেছেন, ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে বলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই ধর্মের নামে যারা ভণ্ডামি করে, ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করে; তাদের অনুভূতিতেই আঘাত লাগার কথা।

শরিয়ত বয়াতি বলেছেন, ‘গান-বাজনা হারাম কোরানের কোথাও বলা হয় নাই। কেউ যদি হারাম প্রমাণ দিতে পারে তবে তাকে আমি ৫০ লাখ টাকা দিব এবং জীবনের জন্য কবিগান ছেড়ে দেব।’

তাঁর এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মুরোদ নাই কিন্তু অনুভুতিতে আঘাত লেগেছে!

দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা; তখন তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে না। হত্যা, খুন, বোমাবাজির ঘটনায় তাদের অনুভূতি নিষ্ক্রিয় থাকে।

শরিয়ত বয়াতির আরও অপরাধ তিনি ধর্মব্যবসায়ীদের, যারা টাকার বিনিময়ে ইমামতি করে, মোয়াজ্জেনি করে, কথায় কথায় হারাম-হালালের ফতোয়া দেয়, তাদেরকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন।

আপনার কী মনে হয়- তিনি কি অযৌক্তিক কিছু বলেছেন? তাহলে এ কথায় কার অনুভূতিতে আঘাত লাগার কথা?

দেশে বিদ্যমান আইনের কারণে আমাদের এখন সেইসব অনুভূতিওয়ালাদের কথা মাথায় রেখে কথা বলতে হবে!

দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রায় ৮ বছরেও তদন্তে অগ্রগতি না থাকলেও, প্রায় ৪ বছরেও তনু হত্যার আসামি শনাক্ত না হলেও অনুভূতিওয়ালারা একটু হুঙ্কার দিলেই দ্রুততার সাথে আসামি গ্রেফতার করে রিমান্ড পর্যন্ত নিয়ে আসা যায়।

শরিয়ত বয়াতির মুক্তি চাই।

২০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪২

মেটালক্সাইড বলেছেন: কাঠমোল্লা, বয়াতি এবং শরিয়ত প্রশ্নবিদ্ধ কোনটা???? সবাই কোরান ও হাদীসকে উলট পালট করে ফেললো কিন্তু হারাম নামক যষ্টি মধুটা খুজে পেল না। আক্বীদার কারণে সূফীদের অনেক আগেই বড় বড় ইমামরা বাতিল ফেরকা ঘোষণা করেছেন। আর তাদেরই জায়েজকৃত গান বলুন বা বাজনা মিষ্টি মধু হয়ে হালাল হয়ে গেল। নারী যেমন শয়তানের প্রধান হাতিয়ার তেমনি সুর হল সেই হাতিয়ারের পূর্ণাঙ্ঘ বহিঃপ্রকাশ। আর সুরের মিশ্রনের জন্য মানুষ,বাজনা ও কথ্য আনুষঙ্ঘিকভাবে জড়িত। মানুষ আল্লাহর প্রশংসায় গীত কাব্য সুরে সুরে উচ্চারণ করতে পারে ইম্পেক্ট মসজিদে নব্বীর তৈরির সময় সাহাবারা করেছিলেন আর রাসূলুল্লাহ অনুমোদন দিয়েছিলেন। এখন কাঠমোল্লারা হারাম ফতোয়া দিল আর বয়াতি নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের অপরাধে দোষীপ্রাপ্ত হল। এদিকে সামুতে বাংলার হাউমাউ কাউর দল, বাউলের জাতীয় সংগীত কা কাকাক বাজনা ছাড়া গায়েন করল।
সমস্ত ব্লগার, পাঠক এবং ভাইবোনদের অনুরোধ করছি, আল্লাহ,নবী রাসূল, কোরান,হাদিস,ফিকহ লেখনীর মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি করবেন না। এইসব আল্লাহর পূর্বনির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত। বরং ঊনার কাছে আশ্রয় খুজুন যেন এই ফিতনা আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: একজন মানুষ সত্য কথাগুলো বললো তাতে সে হল খারাপ। সে তো কোরান, সুন্নাহর বিরুদ্ধে বলেনি। তার বিরুদ্ধে মামলা হল। আর কত লোক ধর্মের নামে ভন্ডামী করছে। কত কে দেশ বিরোধী কথা বলছে তার কোন বিচার নেই।

২১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এ পোস্টে আবার আসা শুধু কামরুন্নাহার কলিকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য। আমাদের যেমন বুদ্ধি বা প্রজ্ঞার অভাব, জ্ঞানের অভাব আরো ভয়াবহ। আমরা অনেক কিছু জানি না বলেই বড়াই করি বেশি, এবং চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিই যখন তখন। আমি এই রেফারেন্সগুলোই খুঁজছিলাম, গান-বাজনার ব্যাপারে কোরান বা হাদিসে কী আছে, যা কামরুন্নাহার কলি উল্লেখ করেছেন। অনেককে বলতে শুনেছি- কেবল মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত গানই হালাল। আমি সেটাতেও বিশ্বাস করি।

কামরুন্নাহার কলিকে আবারো ধন্যবাদ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন:

২২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৪

কামরুননাহার কলি বলেছেন: ঐসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের কথা আমার কাছে বলবেন না। ওদের আমার মোটেও পছন্দ না। যারা মিথ্যে ওয়াজ, মাওয়াফিল করে যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে তাদের আমিও দেখতে পারিনা। আমি ঐ ভদ্র লোককে বলেছি তিনি কোরআন সম্পর্কে যা বলেছেন আর তার মুখোমুখি আমি হলে বলে দিতাম কোরআনে আছে গান-বাজনা সম্পর্কে আয়াত। নিছক কথা বার্তা সম্পর্কে আল্লাহ নিষেদ করেছেন। আর আল্লাহ যেটা নিষেদ করেন সেটাই হলো হারাম। আমি তার ৫০ লাখ টাকা চাইতাম না। শুধু সত্যিটা বুঝিয়ে দিতাম। ইসলাম সম্পূর্ণ ভাবে গান-বাজনাকে হারাম করেছে। তেমনি আমাদের রাসূল (সাঃ) বলে দিয়েছেন এইসব করা হারা। এর মূল্য হারাম। এটা একটি শয়তানের আসর, অশ্লীলতার ভাব-ভংগি। যেটা শুধু ধর্মই না ভদ্র সমাজ, ভদ্র মানুষ এগুলো ঘৃর্ণা করে। আসা করি বুঝতে পেরেছেন। উনাকে আমি কিছু বলিনি। আমি শুধু উনাকে বলবো যে তিনি যখন এই চেলেঞ্জটি করেছেন তখন তার কোরআন হাদিস সম্পর্কে যেনে নেওয়া উচিত ছিলো। আনতাজে কথা বলে এখন বিপদে পড়েছেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম!

২৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

মেটালক্সাইড বলেছেন: রাজীব নূরকে জিজ্ঞাসা করছি, বিচারের মানদণ্ড কি? সহিহ বিচার নাকি আপেক্ষিক বিচার। আমার জানামতে, সহিহ বিচারের মানদন্ড আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত শরিয়ত। আপেক্ষিক বিচার হয়, মনুষ্য নির্মিত আইনের বিচার। বর্তমানে সরকার কর্পোরেট জায়ান্ট, কাঠমোল্লাদের তোষামোদি ও পার্শ্বদেশের সহায়তায় দেশের শাসন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সাহসী বয়াতির চ্যালেঞ্জ কোন পুকুরের পানি ঘোলা করবে আর বিচারের মাপকাঠি কি হতে পারে, প্রশ্ন রইল।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: "পৃথিবীটা একদিন বাউলদের হবে।"
-শাহ আবদুল করিম

২৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআন মাজিদে বলেন,
“এক শ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে(আল্লাহর পথ) নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে। এদের জন্যে রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি”। [৩১-৬]

গান বাজনা সম্পর্কে আমার জানা মতে কতিপয় হাদিসঃ
১। বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত নাফে’ রহ. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার চলার পথে আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. বাঁশির আওয়াজ শুনলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দুই কানে আঙ্গুল দিলেন। কিছু দূর গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হে নাফে’! এখনো কি আওয়াজ শুনছ? আমি বললাম হ্যাঁ। অতঃপর আমি যখন বললাম, এখন আর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না তখন তিনি কান থেকে আঙ্গুল সরালেন এবং বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ চলার পথে বাঁশির আওয়াজ শুনে এমনই করেছিলেন। (মুসনাদে আহমদ ৪৫৩৫ আবু দাউদ ৪৯২৪ )

২। আবু মালিক আশআ’রী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে। আর তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা রমনীদের গান বাজতে থাকবে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে যমীনে ধ্বসিয়ে দিবেন। আর তাদের কিছুকে বানর ও শূকর বানিয়ে দিবেন। (ইবন মাজাহ ৪০২০ সহীহ ইবনে হিব্বান ৬৭৫৮)

৩। ইমরান ইবন হুসাইন রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এই উম্মতের জন্য ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের আযাব রয়েছে। জনৈক মুসলিম ব্যক্তি তখন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন হবে তা? তিনি বললেন, যখন গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে এবং মদ্যপান দেখা দিবে। (তিরমিযী ২২১৫)

তবে, বাজনা বা বাদ্য-যন্ত্র ব্যতীত আল্লাহ তায়ালার গুনাবলী বিষয়ে হামদ, না'ত, কাসীদা, গজল ইত্যাদি পাঠ করা ও শোনা জায়েয রয়েছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষের মানসিকতা মধ্যযুগীয়, আধুনিকের ধারে-কাছেও নয়। যে গুটিকতক মানুষ আধুনিক মানসিকতা ধারণ করে তারা থাকে বিপদে, কেউ কেউ মহাবিপদে।

রাষ্ট্র মূলত মধ্যযুগীয় মানসিকতার মানুষদের পক্ষে।

২৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫২

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: গ্রেপ্তার রিমান্ড মামলা দিয়ে বয়াতির মুখ বন্ধ করে দেওয়া হলো। সে কোন রেফারেন্সে এমন কথা বলল, সেটাও জানার দরকার। আপনার জোর বেশি দল বড় তাই তাকে থামিয়ে দিলেন? চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তার মুখোমুখি হন। আপনার দেশে না গণতান্ত্রিক অধিকার সবার?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: নিরবতা কাম্য।

২৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৯

খোলা মনের কথা বলেছেন: দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম!
আযানের অর্থ জানেন?? অর্থ শুনে মনে হয় গান?? গান বাজনার সংজ্ঞা জেনে এমন কমেন্ট করা উচিৎ ছিল।

দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা
এটার রিফারেন্স কি?? না ঘরে বসে ট্যাগ লাগানোর পরিসংখ্যান তৈরি হচ্ছে??

ন্যাকা ন্যাকা কমেন্ট করেন দেখে মনে হয় কিছু বুঝেন না, প্রায় দেখি আপনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করে কথা বলেন। এই অধিকার কে দিয়েছে আপনার?? পৃথিবীতে অসংখ্য ধর্ম আছে তাদের ব্যাপারে আমার জ্ঞান নেই। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, তবে অন্ধ বিশ্বাসী নই। কুরআন হাদিসের ভিতরে ধর্ম চলবে। পৃথিবীতে একটি সভ্যতার মানবতা দেখান যেটা মুহাম্মাদ (স: ) এর থেকে বেশি বা সমমান মানবতা তৈরি করেছে।

যে বয়াতিকে ধরে নিয়ে গেছে তার থেকে বড় বড় গায়ক আছে বাংলাদেশে, গান বাজনা হারাম এটি স্পষ্ট হাদীসে আছে (গান বাজনার সংজ্ঞা জানতে হবে) এটি সকল হুজুর বলে কিন্তু কোন হুজুর বা ইসলাম ধর্মের বিশিষ্ট লোক কি কখনো বলেছে এই গায়ককে মামলা করতে হবে, জেল দিতে হবে?? কারো কোন কাজে ধর্মীয় নেতারা বাধা দেয় না কিন্তু সাধারন মানুষ কে সচেতন করে। মানলে মানুক না মানলে না মানুক। আর যখন কোন ব্যাক্তি ধর্মের প্রতি বিরুপ আচারন করে তখন সেটা প্রমানের প্রয়োজন হয়..... পরবর্তীতে ধর্ম নিয়ে ফাউল মন্তব্য করার আগে একটু বুঝে মন্তব্য করবেন আশা করি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: আহ হা ধার্মিক ভাই, এত অসাথির হয়েছেন কেন? শান্ত হোন। ব্লগার ব্লগার ভাই। মানূষ ভুল করে, করতেই তাতাকে তো শুধরে দেবার সময় সুযোগ দিতে হবে।

২৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:


খান সাহেব একটু ধীরে !!
মুসলমান ধর্ম শান্তির ধর্ম।
এই ধর্মকে হেফাজত করবেন
স্বয়ং মহান রাব্বুল আলামীন।
মুসলমান এই ধর্ম রক্ষা করতে
জীবন উৎসর্গ করতে পারে। তাই
তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে
এমন মন্তব্য করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার
দরকার কি?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: ঠিক আছে অফ গেলাম।

২৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:১৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: এক লোকের মুক্তি চেয়ে এই ব্লগটাও আবার ব্লক হয়ে যাবে।

তাই কারো মুক্তি চাই না। দয়া করে এই ব্লগটা খোলা থাকলেই মনটা শান্তি পাবে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০২

রাজীব নুর বলেছেন: কি বলছেন !!!!!!!!!!!

২৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাজার করতে এসে ভায়ের পোস্টটি চোখে পড়াতে লগইন না করে পারলাম না।
ধর্ম খুব সেনসিটিভ বিষয়। কারো ধর্মাঘাত করাটা আমার ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ হয় না। সামান্য একজন কবিয়ালকে এতটা গুরুত্ব না দিয়ে বরং ধর্মাবোদ্ধারা ওনাকে হেদায়েতির রাস্তায় আনতে পারতেন বা ওনার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারতেন। প্রায় দেখি ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা পাড়ার মাতালকে বা মূর্খ লোককে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ধর্মস্থানে আনেন। এই ধরনের লোককে মুসল্লী করার পিছনে আমার মনে হয় না যে হুজুরদের কোন কৃতিত্ব আছে। বরং তর্ক যুদ্ধের মাধ্যমে যদি কাউকে হেদায়েতির পথে নিয়ে আসতে পারেন তবে সেটা হুজুরদের মহৎ কীর্তি।
যাইহোক লড়াই যখন হলো না তখন এমন শাস্তি নিঃসন্দেহে অনভিপ্রেত। গ্রেপ্তার নিঃসন্দেহে কণ্ঠরোধের শামিল। উনি যোগ্য সম্মান পাবেন আশা করি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্ম দিয়ে কি একটা দেশ উন্নত করা যাবে এই আধুনিক যুগে?

৩০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪৪

আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম! [/sb
বুঝলাম আপনি বিশাল জ্ঞানী।

দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা;
দয়া করে সুত্রটা কি দেয়া যাবে?? সুত্র না দিতে পারলে কাঠমোল্লাদের মত আপনাকেও কাঠব্লোগার বা ফেক নিউজ প্রচারকারী বলা যেতে পারে কি বলেন?

তখন তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে না।
আপনার অনুভূতিতে তো লাগে?? সব না হলেও মাসে ১৫-২০ টা প্রতিবাদী পোষ্ট তো দিতে পারেন, নাকি???

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: না আমি জ্ঞানী নই। তবে অন্ধও নই।

৩১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:৩৬

সাসুম বলেছেন: যে দেশে মাদ্রাসার ঈমাম রা ছোট বাচ্চাদের ফ্রি পায়ুপথকে তাদের সম্মত্তি মনে করে সারা জীবন ধরে মারতেই থাকে তাদের মাইটি পেনিস দিয়ে ; সেই দেশের মৌলানা আর ইমাম রা সাধারণ মানুষ্কে আর ভাল ইসলাম শিখাবে কিভাবে?

এই দেশে হুজুরদের সব কিছু আরাম ইভেন আপনার বাচ্চা ছেলে মেয়েকে ধরে ধরে গোয়া মারলেও কিন্তু কেউ তাদের কোন কাজকে চ্যালেঞ্জ করেই হারাম হয়ে যায়।

উপরে অনেক কমেন্ট দেখা যাবে যাদের কারনেই আজকে দেশের এই অবস্থা। আগে অইসব গন্ডমূর্খ কে ধরে ধরে জংগি তালিকায় তুলে ক্রস্ফায়ারে মারার ব্যবসথা করা হোক। দেশ আবর্জনা মূক্ত হোক, ধর্মান্ধ শুয়োর মুক্ত হোক । তারপর বয়াতি রে মুক্তি দেয়া হোক।

দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা- এই কমেন্টের অনেক বিরোধীতা দেখতে পাচ্ছি। যারা এর বিরোধীতা করছে তাদের কাছে আশা এক্টাই তারা তাদের ছেলেমেয়ে কে মাদ্রাসায় পাঠাবেন। আমীন

ও তাদের উদ্দেশ্যে আরেকটা কথা, আপনি বেকুব চোখ বন্ধ করে রাখলেই প্রলয় বন্ধ হয়ে যাবেনা।

#বয়াতির_মুক্তি_চাই

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: সেটাই। ধর্ম মানেন ভালো কথা। কিন্তু গোঁড়ামি ভালো না।

৩২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম!

কিসের সাথে কি মিলালেন জানিনা। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি কষ্ট পেলাম। মানুষ কে কষ্ট দেয়াকেও সম্ভবত মানবতা বলে ! কি বলেন রাজীব ভাই ?



১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: ঢাকা শহরে মসজিদের অভাব নেই। প্রতিটা এলাকায় ৪/৫ টা করে মসজিদ। সবাই একসাথে আযান দেয়। কোনো মসজিদের আযান স্পষ্ট করে শোনা যায় না।
কষ্ট পাবেন না।
ভুলভাব বললে আমাকে শুধরে নেবার সময় দিবেন।

৩৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০৮

রাশিয়া বলেছেন: "দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা; তখন তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে না। হত্যা, খুন, বোমাবাজির ঘটনায় তাদের অনুভূতি নিষ্ক্রিয় থাকে।"

আমি রাজীব নূর নামের এই ভন্ড ভেক ধার্মিককে চ্যালেঞ্জ করলাম এই কথার প্রমাণ দেন। এই ৫২ টি বলাৎকার ও ধর্ষণের মধ্যে কয়টি মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে হয়েছে - প্রমাণ দেন। নইলে এই ব্লগে আপনি একটা হা_ম_দা হিসেবে চিহ্নিত হবেন। নিকট অতীতে এক নুসরাত (সোনাগাজী, ফেণী) ছাড়া আর কেউ মাদ্রাসা শিক্ষক দ্বারা ধর্ষিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। সেই ঘটনায় সবার ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাত লেগেছে এবং সমস্ত ধর্মপ্রাণ মানুষ বিচার চেয়েছে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: ভাই রাশিয়া এটা ব্লগ। আদালত নয়।
প্রমান আপনিই খুজে বের করুন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আমাকে ভন্ড বললেই আমি ভন্ড হয়ে যাবো না। আবার আপনি আমাকে বাদশা বললেই বাদশা হয়ে যাবো না।

৩৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২০

আমি নই বলেছেন: সাসুম বলেছেন: যে দেশে মাদ্রাসার ঈমাম রা ছোট বাচ্চাদের ফ্রি পায়ুপথকে তাদের সম্মত্তি মনে করে সারা জীবন ধরে মারতেই থাকে তাদের মাইটি পেনিস দিয়ে ; সেই দেশের মৌলানা আর ইমাম রা সাধারণ মানুষ্কে আর ভাল ইসলাম শিখাবে কিভাবে?

এই দেশে হুজুরদের সব কিছু আরাম ইভেন আপনার বাচ্চা ছেলে মেয়েকে ধরে ধরে গোয়া মারলেও কিন্তু কেউ তাদের কোন কাজকে চ্যালেঞ্জ করেই হারাম হয়ে যায়।

উপরে অনেক কমেন্ট দেখা যাবে যাদের কারনেই আজকে দেশের এই অবস্থা। আগে অইসব গন্ডমূর্খ কে ধরে ধরে জংগি তালিকায় তুলে ক্রস্ফায়ারে মারার ব্যবসথা করা হোক। দেশ আবর্জনা মূক্ত হোক, ধর্মান্ধ শুয়োর মুক্ত হোক । তারপর বয়াতি রে মুক্তি দেয়া হোক।

দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৫২টি শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার অধিকাংশই ঘটে মসজিদে, মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা- এই কমেন্টের অনেক বিরোধীতা দেখতে পাচ্ছি। যারা এর বিরোধীতা করছে তাদের কাছে আশা এক্টাই তারা তাদের ছেলেমেয়ে কে মাদ্রাসায় পাঠাবেন। আমীন

ও তাদের উদ্দেশ্যে আরেকটা কথা, আপনি বেকুব চোখ বন্ধ করে রাখলেই প্রলয় বন্ধ হয়ে যাবেনা।

#বয়াতির_মুক্তি_চাই


লে হালুয়া... তথ্য সুত্র জানতে চাইলেও যে জংগি হতে হয় তা জানা ছিলো না। এর মানে আন্নেরা যা খুশি লিখবেন আর আমাদের তাই গিলতে হবে???

যদি আপনি ধারনা করে থাকেন যে মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার হুজুর, চার্চের ফাদার, মন্দিরের পুরোহিত মানেই পুত-পবিত্র, নিশ্পাপ ফেরেস্তা গোছের একটা প্রজাতি, তাইলে বলতে হয় দেশের আবর্জনা এবং ধর্মান্ধ শুয়োর আপনিই, জী আপনিই।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: তথ্যসুত্র বা প্রমান পেলেও তখন আবার অন্য সুর ধরবেন। আমার জানা আছে।

৩৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২৬

কামরুননাহার কলি বলেছেন: আপনার মানসিক ভারসম্য হারিয়ে ফেলেছেন মনে হয়। আমি জানতাম আপনি একজন মুসলিম, সেটা হয়তো ভূল। কিন্তু আপনি কি আসল রাজিব নূর না নকল রাজিব নূর, সেটা আমার সন্দেহ। যদি আসল রাজিব নূর হয়ে থাকেন তাহলে মানসিক ডাক্তার দেখাতে পারেন। আপনি যেটা বলেছেন সেটা আপনার বিবেককে জিজ্ঞাসা করে দেখেন।
“দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম!” আপনার জন্য গান-বাজনা হারাম না। আপনি আপনার পুরো পরিবার রাস্তা ঘাটে গান-বাজনা করে বেড়াতে পারেন তাতে কেউ বাধা দিবে না, সেটা হারামও হবে না।
ভদ্র সমাজ, ভদ্র মানুষ আপনাদেরকে বাহা বাহা দিবে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: না, মাথা আমার ঠিকই আছে।
ডাক্তার দেখাতে হবে না।
দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে হেদায়েত দেয়।

৩৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:১৬

আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: তথ্যসুত্র বা প্রমান পেলেও তখন আবার অন্য সুর ধরবেন। আমার জানা আছে।

আজবতো... কে কি করবে না করবে তার জন্য আপনি তথ্যসুত্র বা প্রমান দিবেন না বা গোপন করবেন, এইটা কোনো যুক্তি হল?? জনাব, ধর্মান্ধ আমিও না আবার তার মানে এটাও না যে সব কিছুই গিলে নিবো।

বয়াতির মুক্তি আমিও দাবী করি এবং এটাও আশা করি কেউ না কেউ তার সাথে ডিবেট করবে। সমস্যা হল মৌলভীদের মেন্টালিটিও মনে হয় আপনার মতই, আপনি যেমন না জেনেই ধরে নিচ্ছেন যে তথ্যসুত্র বা প্রমান পেলেও আমি অন্য সুর ধরব তেমনি মৌলভীরাও ডিবেট করার আগে ধরেই নিবে যে বয়াতির ইসলামিক জ্ঞান কম সুতরাং মুর্খের সাথে কিসের তর্ক।

৩৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই আমি মূর্খ। তবে চারিদিকে জ্ঞানীলোকদের ভীড়ে মুর্খ থেকে আমি আনন্দ পাই। এই আনন্দ আমার কাছে অনেক বড়।
আপনি ভালো থাকুন।
আমি ধর্ম দিয়ে মানূষকে বিবেচনা করি না। আগে মানূষ তারপর ধর্ম। এবং ধর্মের চেয়ে বড় মানবতা।

৩৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: যা বলার জন্য ফিরে এসেছি কামরুননাহার কলি বলে দিয়েছেন। উনাকে ধন্যবাদ।
৮ নাম্বার মন্তব্য'তে আরেক ভন্ড ধর্ম নিয়ে কথা বলেছে। উনি আপনার মতোই আরেকজন। দেখুন উনি কী বলে এসেছে আগে

“দৈনিক পাঁচ বেলা উচ্চৈঃস্বরে গান গাওয়া একটা ধর্ম গান-বাজনাকে করেছে হারাম!”
"দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে হেদায়েত দেয়"।

- আযান যদি এতই খারাপ লাগে তাহলে আবার আল্লাহ কাছে হেদায়াত চান কেন? আরেকটা ভন্ডামী? উপরের টার মতো। ইসলাম যদি এতই খারাপ লাগে তাহলে প্রকাশ্যেই ঘোষনা করুন আপনি মুসলিম নন। ঝামেলা মিটে যায়। মুনাফিকদের মতো মুসলিম সেজে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন কেন? অভ্যাস হয়ে গেছে?

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো কথারও অন্য অর্থ ধরছেন!!
আযান শুনতে আমার ভালো লাগে। আমি আমার বহু লেখায় আযানের কথা বলেছি। আযানের সুর অতি মনোরম।
কিন্তু একই এলাকায় অনেক গুলো মসজিদ। সব মসজিদের আযান একই আথে শুরু হয়।

৩৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৯

নীল আকাশ বলেছেন: উপরের ছবিটা ভুল এসেছে। এই ছবিটা হবে এখানে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজী ঠিকই বলেছেন।

৪০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৬

আমি নই বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই আমি মূর্খ। তবে চারিদিকে জ্ঞানীলোকদের ভীড়ে মুর্খ থেকে আমি আনন্দ পাই। এই আনন্দ আমার কাছে অনেক বড়।
আপনি ভালো থাকুন।


সম্ভবত এই উত্তর আমার উত্তরের প্রতিউত্তরে দিয়েছেন।

আমি আপনাকে মুর্খ বলি নাই।

আমি ধর্ম দিয়ে মানূষকে বিবেচনা করি না। আগে মানূষ তারপর ধর্ম। এবং ধর্মের চেয়ে বড় মানবতা।

আপনি ধর্মকে মানবতার বিপক্ষে দার করাচ্ছেন কোনো সেটাই তো বুঝে আসেনা। প্রতিটা ধর্মই মানবতার কথা বলে কিন্তু কেউ কেউ বিবেচনার সময় শুধু এক্সট্রিমিস্টদের কথাই বিবেচনায় নেন। যদি কোনো ধর্মের অনুসারী হয়ে থাকেন তাহলে মোল্লা / পুরোহিত / ফাদার এর উপর নির্ভর না করে নিজে একটু জানার চেষ্টা করেন, দেখবেন ধর্ম এবং মানবতা বিপরিত কিছু নয় বা সিরিয়ালাইজ করার বিষয়ও নয়।

আপনিও ভালো থাকুন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আপনার সাথে তর্ক করব না। তর্ক করা আমার নিজেরও পছন্দ না।

৪১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

ঊণকৌটী বলেছেন: বহুরূপে সমূক্ষে তোমার ঈশ্বর,জীবে প্রেম করে যে জন,সে জন সেবেছে ঈশ্বর । স্বামী বিবেকানন্দ

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

৪২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৫

আমি নই বলেছেন: নীল আকাশ এর মন্তব্যর প্রতিউত্তরে যা বলেছেন তাতে মনে হচ্ছে আপনি সম্ভবত কোনো ধর্ম অনুসরন করেন না। (করলেও সম্ভত ইসলাম নয়) আশা করি আপনার মানবতা শুধু ইসলামের দোষ ধরা বিখ্যাত, কুখ্যাত বা অখ্যাত ব্যক্তিদের জন্যই বরাদ্দ থাকবেনা, স্রতের বিপরিতে কথা বলা সবার জন্যই এই রকম পোষ্ট করে মানবতা দেখাবেন। আস্তিক/নাস্তিক যাই হোন সমস্যা নেই কিন্তু হিপোক্রেট হইয়েন না, তা না হলে নিজের কাছে নিজেই ছোট হয়ে যাবেন (যদি বিবেক থেকে থাকে)।

ভালো থাকুন

আমাকে এখনো বলাৎকার ও ধর্ষণের পরিস্ংখ্যানের তথ্যসুত্র বা প্রমান দিলেন না!!!!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমাকে তো জোকের মতো ধরেছেন। সাথে আবার লবন মরিচও নিয়েছেন।

৪৩| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৪

রাশিয়া বলেছেন: আমি প্রমাণ খুঁজব কেন? আমি তো এই দাবি করিনি। আপনি দাবি করেছেন, আপনি প্রমাণ করবেন, নইলে আপনার জন্ম বৃত্তান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। যাদের বাবা মায়ের ঠিক নেই, তারাই এরকম আবল তাবল বকতে পারে। আপনি ব্লগে বিভিন্ন সময়ে আপনার বাবার প্রসঙ্গ উঠিয়েছেন। ঊনার সম্মান রক্ষা করার জন্য আমার এই প্রশ্নের উত্তর দেনঃ

মাসে ৫২ টি ধর্ষণ ও বলৎকারের যে ঘটনা, তার কয়টি মসজিদ মাদ্রাসা আর ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা সংঘটিত হয় - তথ্য পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে জানান।

৪৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৯

পলাশবাবা বলেছেন: বয়াতি শরিয়ত সরকরের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করা যাবে ??
আমি উনার ৫০ লক্ষ টাকার পুরুষ্কার টা পেতে যাচ্ছি ।।
কোরআন শরীফের ৩১ঃ৬ আয়াতে গানবাজনা কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।।

রাজীব নুর ভাই ব্যবস্থা করেন ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১১

রাজীব নুর বলেছেন: ক্তহাক। ব্যাপারটা নিয়ে আর ঘাটাঘাটি না করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.