| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়।
বিএনপির অতীত ইতিহাস মোটেও ভালো না। এরা যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন শুধু দূর্নীতি করেছে। দেশের উন্নয়ন হয়নি। গত ১৭ বছর আওয়ামিলীগ বিএনপিকে কোনঠাসা করে রেখেছিলো। বিএনপির কোমর প্রায় ভেঙে দিয়েছিলো আওয়ামিলীগ। বিএনপি অতীত থেকে অবশ্যই শিক্ষা নিয়েছে। শিক্ষা না নিলে তাদের আবার ভূগতে হবে। এবং মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই পালাতে হবে। দেশের জনগণ বদলে গেছে। এখন এরা নিজেরাই ক্ষমতা হাতে নিয়ে সাইজ করে দেয়। অলরেডি আওয়ামিলীগকে সাইজ করেছে। এমনকি যারা পালিয়েছে তাদের বাড়িঘর এবং কলকারখানায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। রাজনীতি বড় নোংরা এবং কঠিন জিনিস। সহজ সরল সত্য কথা হলো- রাজনীতি করলে, কপালে নানা দূর্ভোগ থাকবেই।
আওয়ামিলীগ অনেক পুরোনো দল।
তাদের ইতিহাস লম্বা। শেখ হাসিনা ১৭ বছর একটানা ক্ষমতায় ছিলেন। অনেক ভালো ভালো কাজ করেছে। আবার অনেক ভুলও করেছে। সেই ভুল গুলোর খেসারত দিচ্ছেন এখন। আরো লম্বা সময় খেসারত দিয়ে যেতে হবে। আমেরিকা এবং জামাতের নীল নকশার কাছে আওয়ামিলীগ ধরাশায়ী। জুলাই আন্দোলনে দেশের বেশ কিছু জনগণ বুঝে বা না বুঝে সাপোর্ট করে গেছে। আসলে পুরোটা ছিলো জামাতের নীল নকশা। দেশের খাতিরে জামাতের চেয়ে বিএনপি ভালো। বিএনপির চেয়ে আওয়ামিলীগ ভালো। আওয়ামীলীগের ফিরে আসতে সময় লাগবে। আমিও চাই, আওয়ামীলীগ তাদের ভুল ত্রুটি গুলো শুধরে ফিরে আসুক। সবাই মিলে দেশের কল্যাণে কাজ করুক।
তারেক জিয়া হয়তো নিজেকে অনেক বদলেছেন।
ভুল গুলো সংশোধন করেছেন। দেশের মানুষ আশা করছে, খাম্বামিয়া নামটা তিনি কাটিয়ে উঠবেন ভালো কাজের মাধ্যমে। এখন তারেক জিয়ার বাধা এনসিপি দলটা। এনসিপি মূলত জামাতের শাখা দল। এরা দেশের জন্য ক্ষতিকর। এনসিপির মানসিকতা পাকিস্তানের মতো। তাদের চিন্তা ভাবনা উন্নত নয়। অত্যন্ত দু:খজনক হলো এনসিপি থেকে ছয় জন সংসদে হয়ে গেলো! এটা চিন্তার বিষয়। চ্যাংড়া পোলাপান দিয়ে দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়। এরা জাতির জন্য ক্ষতিকর। এদের জন্ম জুলাই অরাজকতার মাধ্যমে। এরা সুযোগ সন্ধ্যানী। এরা বিষাক্ত সাপ। শেখের বেটি পেরেছিল জামাত শিবিরদের দমিয়ে রাখতে। জামাত শিবির হলো বাংলাদেশের অভিশাপ।
শুধু মাত্র দূর্নীতি না করলেই, বিএনপি টিকে যাবে।
তাদের পাচ বছর মেয়াদ শেষ করতে পারবে। দেশের জন্য ভালো কাজ করলে, জনগণের ভালোবাসা পাবে। যদি বিএনপির লোকজন দূর্নীতি করে। তাহলে তারা দুই বছরও টিকে থাকতে পারবে না। তখন জামাত বিএনপিকে তাড়িয়ে দিবে। যেভাবে তাড়িয়ে দিলো আওয়ামিলীগকে। এরপর ক্ষমতায় বসবে জামাত। কারন বিএনপিকে বাদ দিলে মাঠ ফাকা। জামাত ধীরেসুস্থে তাদের চলার পথ মসৃন করছে। জামাত ধৈর্য ধরে আছে। জামাতের বাপ হচ্ছে পাকিস্তান। যে পাকিস্তান ৭১ এ আমাদের ধ্বংস করতে চেয়েছিল। জামাত এই দেশে খেয়েপড়ে বেচে থেকে আজও পাকিস্তান ছাড়া কিচ্ছু বুঝে না। দেশে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হচ্ছে আওয়ামিলীগ। মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়, বিএনপি ৭১ কে ধারণ করে কিনা!
বিএনপি ভুল করলেই, আওয়ামিলীগ ফিরে আসবে।
আওয়ামিলীগ মন্দ দল নয়। আওয়ামীলীগে কিছু ভুল লোকজন প্রবেশ করে দলের নাম খারাপ করেছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ এই টাইপ সংগঠন গুলো আওয়ামীলীগের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। মূলত শেখ হাসিনা যদি ছাত্রলীগকে থামাতেন বা অফ করে দিতেন, তাহলে আওয়ামীলীগের এমন করুন পরিনতি হতো না। কারো জন্য কিছু বসে থাকে না। একসময় মনে করা হতো শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আজ প্রায় দুই বছর, শেখ হাসিনাকে ছাড়া দেশ তো থেমে নেই। সেদিন যদি সেনাবাহিনী যথাসময়ে শেখ হাসিনাকে হেলিকপ্টারে না উঠিয়ে দিতেন, তাহলে শেখ হাসিনার করুন মৃত্যু হতো। জামাত শিবিরের হাতে শেখ হাসিনার মৃত্যু হয়ে যেতো। আল্লাহ তাকে বাচিয়ে রেখেছেন, কারণ শেখ হাসিনা আরো কিছু খেল দেখাবেন বলে!
বিএনপির ভুল হলো এই নির্বাচনে বেশ কিছু অতীতের দুর্নীতিবাজকে জায়গা দিয়েছে।
এরা দূর্নীতি করবেই। দলের নাম ডুবাবে। তারেক রহমানকে সজাগ থাকতে হবে। এবং দলে যে-ই অন্যায় করবে, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। একবার ছাত্রলীগ দিনেদুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিশ্বজিৎ নামে এক ছেলেকে কুপিয়ে মারে। সেদিনই শেখ হাসিনার উচিৎ ছিলো ছাত্রলীগকে অফ করা। তাহলে তাদের আজ এমন করুন পরিনতি হতো না। ১৭ বছর পর বিএনপি এসেছে, তারা ভালো করুক। ভালো করে দেখাক। বিএনপির প্রধান কাজ হওয়া উচিৎ দূর্নীতি ও চাদাবাজি বন্ধ করা। মাদক দূর করা। শিক্ষার মান বাড়ানো এবং কৃষিতে বিশেষ নজর দেওয়া। দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরা।
২|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৩
নতুন বলেছেন: রানু ভাই আপার চট করে ঢুকে পড়ার কথা ছিলো।
ড: ইউনুস নিবার্চন দেবেনা, বরং তিনি ক্ষমতা দখল করে রাখবে সেটার ভবিষ্যত বানী ছিলো।
আপনি বিএনপির ভালোকাজ গুলি দেখতে পাচ্ছেন এটা ভাল লক্ষন। বিএনপি চাদাবাজী নিয়ন্তন করবে, একটু সময় লাগবে।
আশা করি বিএনপি আমলীগের মতন হবার চেস্টা করবেনা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
হাছিনা ডুবেছে ওবাইদুল কাদেরের কারণে
সে দিন সে জিএস হল সেদিন হতেই লীগের
পতনের শুরু । সে দুই হাতের দশ আঙ্গুলে
ড্রামের মত বড় বড় দামী পাথরের আংটি
পড়ে, হাত নেড়ে চেড়ে বলত খেলা হবে,
খেলা হবে , রাজনীতিতে আবার খেলা
কিরে!! তখন হয়তবা কেও বুঝে নাই
খেলা যে আসলে হবে হাছিনার সাথে
কিন্তু সে বেকুব জানত তা ভাল করে।
তাইতো ছাত্র লীগের ভিতর সে ছোপা
শিবীর ডুকায়েছে মনের মতন করে,
আর তাই হাছিনার পতনের দিন তারা
একটাও রাও না করে পালিয়েছে দলে
দলে , কোমর তাদের ভেঙ্গে দিয়েছে
ওবাইদুল কাদের জুলাইর এর আগেই।
তারেক জিয়া টিকে যাবে যদি সে কথা
কম বলে , হাছিনা বেশি কথা বলে
গিয়েছে চলে অকালে । সরকার
প্রধান সকলের , তাকে কথা বলতে
হবে মেপে মেপে সকলকে রেখে খুশি,
কাওকে সহজেই হেয় জ্ঞান না করে।