নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকের ডায়েরী- ১৯৪

০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০




চোখ নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।
বাম চোখের নিচের পাপড়ি চুলকায়। এবং হালকা ফুলে ওঠে। এ পর্যন্ত তিনবার চোখের ডাক্তার দেখালাম। ফলাফল শূন্য। যে ক'দিন ওষুধ খাই, চোখে ড্রপ দেই এবং মলম দেই, সেক'দিন ভালো থাকি। এরপর সেই চোখের নিচের অংক চুলকায়। হালকা ফুলে ওঠে। এছাড়া ছোট লেখা পড়তে পারি না। তার জন্য চশমা আছে। চশমা পড়লে ছোট লেখা পড়তে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু চোখের নিচের অংশ চুলকায়। এবং সামান্য ফ্যলে যায়। ভালো করে খেয়াল করলে, ফোলা ভাব দেখা যায়।

মূলত ডায়বেটিস হওয়ার পর থেকেই চোখের সমস্যা শুরু হয়েছে।
এর মধ্যে অল্প সময় ঘুমাই। গড়ে ৫ ঘন্টার বেশি ঘুমাতে পারি না। কিন্তু একজন মানুষের কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। এদিকে হাঁটাহাটি করা হয় না। হুহু করে ওজন বাড়ছে। এখন আমি ৮৬ কেজি। বুঝতে পারছি- ওজন কমানো দরকার, টানা এক ঘন্টা হাঁটা দরকার, চিনি খাওয়া একদম বাদ দেওয়া দরকার। খাওয়া দাওয়া কমানো দরকার। সিগারেট খাওয়াও বাদ দেওয়া দরকার। তাহলেই আমি সুস্থ হয়ে যাবো। সবই তো বুঝি। কিন্তু মানতে পারি না।

হুট করে যদি অন্ধ হয়ে যাই!
আমার দাদা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন- চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। অর্থ্যাত অন্ধ। মনে হচ্ছে আমারও দাদার মতো অবস্থা হবে। অনেক ডাক্তার-কবিরাজ দেখানো হলো। ফলাফল শূণ্য। কলকাতা গেলেন, তবুও দাদা আর চোখে দেখতে পেলেন না। ৩৫ বছরে দাদা অন্ধ হলেন। বাকি জীবন অন্ধ হয়ে কাটালেন। তার সঙ্গী ছিলো একটা রেডিও। সব সময় কানের কাছে রেডিও ধরে রাখতেন। দেশ বিদেশের খবর শুনতেন। মাঝে মাঝে বিকেলে পদ্মা নদীর পারে হাঁটতে বের হতেন।

দাদা জানেন না আমি দেখতে কেমন ছিলাম।
দাদা আমার চোখে মুখে হাত বুলিয়ে দিতেন। বলতেন কি রে নাক তো লম্বা হয় নাই। নখ এত বড় কেন? দাদা ছিলেন জমিদার প্রকৃতির মানুষ। তার কথা পোশাক আকাশ চালচলন একদম জমিদারদের মতোন। আমি দাদাকে নিয়ে বিকেলে হাঁটতে বের হতাম। একদিন নদীর পাড় দিয়ে হাঁটছি। বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেলো। আকাশে মেঘ করলো। চারপাশ অন্ধকার হয়তে গেলো। আমি রাস্তা হারিয়ে ফেললাম। দাদা বললেন, ভয় নাই। আমি আছি। চল আমার সাথে। অথচ দাদা অন্ধ। কিন্তু আমাকে ঠিকই বাড়ি নিয়ে এসেছিলেন।

আমি একটা স্বপ্ন দেখলাম-
স্বপ্নটা দেখে মনটা ভীষন খারাপ হয়েছে। স্বপ্নে আমি অন্ধ হয়ে গেছি। আমার কন্যা ফারাজা আমাকে নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছে। আমি মেয়ের হাত ধরে হাঁটছি। ফারাজা চারপাশের দৃশ্যের বর্ননা দিচ্ছে। এত নিখুঁত ভাবে বনর্না দিচ্ছে, আমি যেন সব দেখতে পাচ্ছি। অনুভব করতে পারছি। হঠাত আকাশে মেঘ জমেছে। ঠান্ডা বাতাস ছেড়েছে। ফাজ্জা বলল, বাবা আমি তো পথ হারিয়ে ফেলেছি। আমার ভয় লাগছে। আমি বললাম, ভয়ের কিছু নেই। চল আমি তোকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।




মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোচের ভুলের কারনে হেরে গেছে মিশর । মোসতফা জিকো কে না তুলে নিলে কোচ মেসিরা হেরে যেত ।

০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: দিন শেষে সবচেয়ে বড় কথা আর্জেন্টিনা জিতেছে।

২| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

শেরজা তপন বলেছেন: আমিও এশিয়ার বাইরে আর্জেন্টিনাকে পছন্দ করি- তবে কাল রেফারির আচরন কেমন পক্ষপাতমূলক ছিল।

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: না না । খেলা নিরপেক্ষ হয়েছে।

৩| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৩০

কাছের-মানুষ বলেছেন: আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দুই দলকেই আমার খুব ভালো লাগে। বলা যায়, দুটোকেই প্রায় সমানভাবে সমর্থন করি।

আপনার স্বপ্ন ছিল বাংলা সিনেমার নায়ক হওয়া। সেটা হলে খুব ভালো হতো। আমরা গর্ব করে বলতাম, আমাদের একজন ব্লগার আছেন, যিনি একজন নায়ক। সেই অহংকারে আমাদের আর মাটিতে পা পড়ত না!

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৫৮

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমারও একসময় স্বপ্ন ছিলো নায়ক হবার।
আর্জেন্টিনা শেষ ৩০ মিনিট দূর্দান্ত খেলে জয় ছিনিয়ে এনেছে।

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আর্জেন্টিনা পরিশ্রম করে জিতেছে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।

৫| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৩৬

করুণাধারা বলেছেন: ছবিটা চমৎকার। চার বছর পর পর এমন ছবি তুলতে থাকবেন, তারপর অনেকদিন পর সবগুলো ছবি এক করে দেখবেন।

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা ঠিক বলেছেন।

৬| ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৪৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:





আর্জেন্টিনা তাঁদের সেরা খেলা খেলেছে।

মিসর বেশিরভাগ সময়ে গোলবক্সে বসেছিলো। ওটা একটা টিম হলো?

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: মিশর সেদিন ভালো খেলেছে।
গোল দিতে আর্জেন্টিনার বেগ পেতে হয়েছে।

৭| ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

বাংলাদেশের দর্শকদের মতো পাগলামী অন্য কোন দেশে কেউ করে না।
সবাই জাস্ট খেলাটাকে উপভোগ করে।

০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের তো সব কিছুই বেশি বেশি।
আবেগ বেশী, ভালোবাসা বেশি, রাগ বেশি, অন্যায় বেশি।

৮| ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

আপনার কন্যাকে আপনি আরজেনটিনা চাপিয়ে দিয়েছেন।
তার জানার কথা না।
সে কখনো ফুটবল খেলেনি।
মাঠে যায়নি।

ধর্মটাও ঠিক এমনি। বাবা মা জন্মের পরই চাপিয়ে দেয়।

১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আহ বড় ভাই!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.