| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটা জাতি কিভাবে বিভক্ত হয় সেই গল্প বলছি…
শুরুটা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, একটি নির্দলীয় আরাজনৈ্তিক আন্দোলন।
এতে একাত্বতা ঘোষনা করেছিল দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি সংগঠন, প্রত্যেক নাগরিক…
হাতে গনা কিছু জানোয়ার বাদে……
এরপর বলা হল এটা জামাত নিষিদ্ধ করার আন্দোলন।
এতেও সবাই খুশী। স্বাধীনতার বিরোধীতাকারী এই সংগঠনের যৌক্তিকভাবে বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার নাই। আন্দোলন আগের চেয়েও জোরদার হল, সমর্থিত হল, প্রশংসিত হল…
এরপর বলা হল বিএনপি এবং জামাত ছাড়া যে কোন দল বা ব্যাক্তি এই আন্দোলনের অংশ।
এবার খুব একটা প্রশংসা পেলনা কথাটা। কারন এই আন্দোলনের প্রতি ৪ জন ব্যাক্তির মাঝে একজন এমন ছিল যে জীবনে কখনো না কখনো, কোন না কোন জাতীয়তাবাদী সংগঠন করেছে। এখান থেকে বিভক্তির শুরু।
এরপরও থেমে থাকেনি আন্দোলন। পরম মমতায় আম জনতা যখন আপন করে নিয়েছিল এই আন্দোলনকে, যখন অন্যান্য ইসলামিক সংগঠনও চেয়েছিল জামাত নিষিদ্ধ হয়ে যাক, যখন মাদ্রাসার মোল্লা-হুজুরেরাও যুদ্ধাপরাধীদের ফাসির দাবীতে সোচ্চার হয়েছিল, ঠিক তখনই কিছু হাম্বা বলে উঠল
“সকল ধর্মভিত্তিক সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে”
এবার সত্যিই আঘাত পেল জনতার বিরাট একটা অংশ। কারন দেশের ৩৮টি রাজনৈ্তিক সংগঠনের মাঝে ১২টি ইসলামিক, দেশের প্রতি ৪টি অর্থনৈ্তিক সংগঠনের মাঝে একটি ইসলামিক, দেশের প্রতি ৩টি সামাজিক সংগঠনের মাঝে একটি ইসলামিক, প্রতি ২টি পরিবারের মাঝে একটি ইসলামিক…
তাও চলছিল আন্দোলন… এত বিভক্তির পরেও সকল বিভক্তির উর্ধে ছিল যুদ্ধাপরাদীদের বিচারের মহৎ উদ্দ্যেশ্য।
এরপর বলা হল এক ধর্মবিদ্বেষী মৃতদেহকে শহীদ উপাধী দিয়ে আন্দোলন কেন্দ্রে তার জানাজা পড়ানো হবে। যে নিজেই ধর্মকে ঘৃ্না করতো তার জোর করে জানাজা পড়িয়ে শুধু ধর্মকেই না, বরং সেই ধর্মবিদ্বেষীকেও অপমান করা হল। এবার বিভক্তি পরিষ্কার। এতটা হিপক্রেসি সহ্য করাটা সত্যিই কঠিন…
এবার খন্ড খন্ড হয়ে পড়ল জনতা। এবং তার সুযোগটা নিতে এক মুহুর্ত দেরী করেনি প্রতিপক্ষ। শুরু হয়ে গেল তান্ডব। আর ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত পেয়ে বাকী ১১ দলও এবার তাদের সাথে যুক্ত হল, যুক্ত হল মোল্লা-হুজুরেরা, যারা কিনা একসময় গলায় ঝুলিয়েছিল “ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই “
এবার আমার কিছু প্রশ্ন আছে…
এই আন্দোলনে দলীয় রাজনীতি টানা কি জরুরী ছিল?
এই আন্দোলনে ধর্ম টানা কি জরুরী ছিল?
এই আন্দোলনে হিপক্রেসি করা কি জরুরী ছিল?
এই আন্দোলনে কি শুধুই অনলাইন যোদ্ধাদের, জনতার না?
এই আন্দোলনে জনতার অনুভুতির কি কোনই মুল্য নেই?
আমার মনে হয় আমাদের সবার দাবী একটাই হওয়া উচিৎ
"দাবি একটাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই"
আমার আর আপনার পরিচয় বাঙ্গালী এবং বাংলাদেশী….
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৭
বোকামন বলেছেন: সম্মানিত লেখক,
ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া পুরোপুরি বিজয় অর্জন সম্ভব নয় ।
আস সালামু আলাইকুম
৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২০
আমাবর্ষার চাঁদ বলেছেন: সহমত............... এখনকার অবস্থা খিচুড়ি
৪|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৩
রকি০০৭ বলেছেন: আপনার কথার সাথে পুরপুরি একমত। তবে প্রস্তুত থাকেন ছাগু ট্যগ পাওয়ার জন্য...
৫|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৫
গৃহন্ডুলে বলেছেন: সহমত
৬|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৮
ইনফা_অল বলেছেন: দ্বিধাগ্রস্ত !!
৭|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৯
পিপাসুক বলেছেন: প্রকাশিত কিছু সত্য কথা বলেছেন ।
৮|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৩
আসাদুজ্জামান রাজু বলেছেন: রকি০০ ভাই জানেন তো
রোমে গেলে রোমানদের মত আচরণ করতে হয়; আপনার মাথায় অন্য যতই সুচিন্তা অথবা গঠনমূলক চিন্তা আসুক না কেন আপনাকে রোমানদের মতই কথা বলতে হবে, না বললে আপনি......
৯|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১১
হাঁড় = ঘাঁড় বলেছেন: আপনার পুরা পোস্টটা হৃদয় ছুয়ে গেল, শেষ লাইনটা ছুরি চালাল জনাব। ভুল বুঝবেন না, কিন্তু জামাতকে নিষিদ্ধ করার জন্য কোন সমস্যা হয় কি আমাদের?
১০|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:১১
করাত বলেছেন: ছাগু
১১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৯
আসাদুজ্জামান রাজু বলেছেন: করাত
রোমে গেলে রোমানদের মত আচরণ করতে হয়; আপনার মাথায় অন্য যতই সুচিন্তা অথবা গঠনমূলক চিন্তা আসুক না কেন আপনাকে রোমানদের মতই কথা বলতে হবে, না বললে......
১২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:১৫
সপ্তম ইন্দ্রিয় বলেছেন: পয়েন্ট গুলো খুব ভালো ভাবে এসেছে! তরুন প্রজন্মের উপর , ব্লগারদের উপর মানুষের আস্থা উঠে গেল
১৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:০১
পথহারা সৈকত বলেছেন: ছ-তে ছাগু,
খাইতে চায় হাগু।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৬
আব্দুল্লাহ নাটোর বলেছেন: ভাই আমি সহমত আমার ও একি প্রশ্ন