নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবার জন্য আবাসন

রিহ্যাব

Preamble: Urbanization is an outcome of both population growth and rural-urban migration. As urbanization increases, more and more people are becoming city dwellers. Bangladesh is not any exception to that picture. The ever-increasing urban population is catering an increasing demand for shelter. The right of shelter is a fundamental right, which is ensured by both UN declaration and the constitution of Bangladesh. But it is very difficult on the part of the government of Bangladesh alone to ensure housing for all. Here comes the need of private sector real estate development.

রিহ্যাব › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক নজরে “রিহ্যাব মেডিয়েশন সেল” এর কার্যক্রম

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৮

“রিহ্যাব” বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারণশীল আবাসন খাতে সরকার স্বীকৃত একমাত্র প্রতিনিধিত্বশীল শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন। সদস্য ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট ক্রেতা ও ভূমি মালিকের মধ্যে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের “বিরোধ” আপোষ-সমঝোতায় সমাধানের লক্ষ্যে রিহ্যাব এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রিহ্যাব-এর ভাবমূর্ত্তি বৃদ্ধিসহ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত করার মহৎ লক্ষ্যে ২০০৪ সালে “রিহ্যাব মেডিয়েশন সেল” গঠন করা হয়, যাহা মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি আস্থা, সুনাম ও ন্যায়ানুগতার সহিত পরিচালনা করে আসছে। মেডিয়েশন সেলে প্রাপ্ত অভিযোগসমূহ প্রথমে রিহ্যাব-এর “হেড অব লিগ্যাল এফেয়ার্স” সার্বিকভাবে যাচাই-বাছাই ও আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখে বিবাদমান উভয় পক্ষের সংগে আলাপ-আলোচনা ও যথাযথ আইনি পরামর্শ প্রদানে প্রাথমিক স্তরেই নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা গ্রহণ করে থাকেন।

বিকল্পে, প্রাপ্ত অভিযোগসমূহের সার-সংক্ষেপ তৈয়ার পূর্বক উহা মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটির নিয়মিত বৈঠক-সভায় উপস্থাপনক্রমে প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণে প্রতিপক্ষ হতে অভিযোগ বিষয়ে বক্তব্য/জবাব চেয়ে স্মারক-পত্র প্রেরণ করা হয়। রিহ্যাব হতে এরূপ স্মারক-পত্র প্রাপ্তির পর অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান “নিজেরাই” উদ্যোগ নিয়ে ক্ষেত্র মতে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এডমিন) সহ অপর ভাইস-প্রেসিডেন্টবৃন্দ, মেডিয়েশন কমিটির চেয়ারম্যান ও পর্ষদ এর পরিচালকবৃন্দ এর সহায়তা-মধ্যস্থতায় বিরোধসমূহ আপোষ-সমঝোতায় নিষ্পত্তিতে সচেষ্ট হন। এরূপ আপোষ-প্রচেষ্টা ছাড়াও রিহ্যাব মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি নিয়মিত বা বিশেষ বৈঠক-সভা আহ্বানে বিবাদমান বিষয়সমূহ পক্ষগণের উপস্থিতিতে বিস্তারিত শুনানী ও প্রাসংগিক কাগজপত্র পর্যালোচনায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুষ্ঠুভাবে সমাধান করে থাকে।

বিগত কয়েক বছর ধরে আমেরিকাসহ ঢাকা ও চট্টগ্রামে আয়োজিত “রিহ্যাব ফেয়ার”-এ ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি এর যৌথ তত্ত্বাবধানে “অভিযোগ সেল ও তথ্য কেন্দ্র” চালু রয়েছে। এই “অভিযোগ সেল ও তথ্য কেন্দ্রে” রিহ্যাব ফেয়ারে অংশগ্রহণকারী সকল রিহ্যাব সদস্য ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শিত প্রকল্পসমূহের বৈধতা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সম্পর্কিত সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে। তাছাড়া এই “অভিযোগ সেল ও তথ্য কেন্দ্র” হতে রিহ্যাব কোড অব বিজনেস কন্ডাক্ট, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০, পাওয়ার অব অ্যাটর্ণি আইন-২০১২ ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ ক্রেতা সাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়াঁ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া রিহ্যাব মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস সাব-কমিটি, চট্টগ্রাম রিজিয়নও অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা লগ্ম থেকে অদ্যাবধি “রিহ্যাব মেডিয়েশন সেল” ৮০০ (আটশত) এর অধিক “রিয়েল এস্টেট” বিরোধ সুষ্ঠু ও চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিতে সফলকাম হয়েছে, যাহা “মধ্যস্থতা বা মেডিয়েশন এর মাধ্যমে “বিরোধ” নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও সংশ্লিষ্ট সকল মহল কর্তৃক উচ-প্রশংসিত।

“রিহ্যাব মেডিয়েশন সেল” কর্তৃক মধ্য¯’তার মাধ্যমে নিষ্পত্তিকৃত বিরোধসমূহের ধরণ:

(১) রিহ্যাব সদস্য ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ও ভূমি মালিক এর মধ্যে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প বাস্তবায়ন ও হস্তান্তর সংক্রান্ত
(২) রিহ্যাব সদস্য ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ও ক্রেতা সাধারণের মধ্যে বুকিংকৃত ফ্ল্যাট-প্লট হস্তান্তর ও রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত
(৩) ইউটিলিটি সার্ভিস সংক্রান্ত
(৪) রিয়েল এস্টেট বন্ধক রাখা সংক্রান্ত
(৫) ভূমি মালিক কর্তৃক ভূমির দখল হস্তান্তর না করা ও আম-মোক্তারনামা বাতিল সংক্রান্ত
(৬) রিহ্যাব সদস্যভুক্ত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে পারস্পরিক রিয়েল এস্টেট বিরোধ সংক্রান্ত
(৭) রিহ্যাব সদস্যভুক্ত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান এর সংগে প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্তে প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দাগণের মধ্যে মতবিরোধ সংক্রান্ত।





রিহ্যাব মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচিতি:


১। জনাব মোঃ আনোয়ারুজ্জামান, চেয়ারম্যান, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
২। কর্নেল মোঃ শাহ্ জাহান মোল্লা, পিএসসি (অবঃ), কো-চেয়ারম্যান, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৩। প্রকৌশলী মোঃ সরওয়ার্দী ভূঁইয়া, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৪। জনাব আসাদুর রহমান জোয়ার্দার , সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৫। জনাব মো: ইসমাইল খান, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৬। জনাব কে. এফ.এম. রাজিউল্লাহ, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৭। জনাব মো: মাহবুবুর রহমান, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৮। ড. এ.এফ.এম. কামাল উদ্দিন, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
৯। প্রকৌশলী এম. এ. মান্নান মন্ডল, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
১০। জনাব আবু সালেহ আহমেদুল হাসান, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
১১। মিসেস উম্মে জাহান আরজু, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
১২। জনাব মোস্তফা সাব্বির হুসনাইন , সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।
১৩। জনাব মো: আই্য়ুব আলী, সদস্য, মেডিয়েশন এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস স্ট্যান্ডিং কমিটি, রিহ্যাব।

সার্বিক ব্যবস্থাপনায়

জজ (অব:) বিনয় কুমার মজুমদার
বি.সি.এস (বিচার)

প্রাক্তন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট
এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট
হেড অব লিগ্যাল এফেয়ার্স, রিহ্যাব।





মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৩

নতুন বাঙ্গাল বলেছেন: এই মেডিয়েশন সেল কতটুকু কার্যকরী, মানে নিরপেক্ষভাবে সাধারন ক্রেতাদের স্বার্থ সুরক্ষা করে নাকি ডেভেলপারদের পারপাজ সার্ভ করে সেটা ভাবার বিষয়। কারন এখানে যে স্ট্যান্ডিং কমিটির তিন নম্বর সদস্য তার কোম্পানি র‌্যামস এর একটা প্রজেক্টে এপার্টমেন্ট ক্রয়ের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তূ এরা সময় মত হ্যান্ডওভার তো দুরের কথা, ফ্যাইনান্স কোম্পানির দেয়া নির্মান কাজের অগ্র্গতির শর্ত পুরোন করতে না পারায় লোনের টাকা ছাড় করতে ব্যার্থ হয়।কাজ না করে উল্টো গনহারে চুক্তি বাতিলের নোটিশ দেয়া শুরু করে। ২০০৭ সালে শুরু করে অধ্যবধি ৮ বছরে ঐ প্রজেক্ট শেষ করতে পারে নাই তারা। হ্যান্ডওভার ডেট এর কথা বললেই বলে, সবাই বাকি টাকা দেন ( ৩০% ও কম) আমরা হ্যান্ডওভার করতে না পারলে বাড়ী ভারা দিব। ভাব খানা এমন ক্রতারা সবাই ওনাদের সাথে শুধু টাকা দেয়ার চুক্তি করছে। এটা হল আপনাদের একজন স্ট্যান্ডিং কমিটির মেম্বারের কোম্পানির গল্প। সুতারাং এরা কি মেডিয়েশন করবে বোঝাই যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.