| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়রকে প্রহারের ঘটনার জের ধরে জাহাঙ্গীরগনর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আ ফ ম কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগের মধ্যে ক্যাম্পাসের বটতলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সোহেল আহমেদসহ বঙ্গবন্ধু হলের ৭ ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়। এ সময় ক্যাম্পাসের অন্তত ৮টি দোকান ভাংচুর করে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ পারভেজ (সরকার ও রাজনীতি, ৩৮ তম ব্যাচ) ও শাওন (৪০ তম ব্যাচ) লেকে মাছ ধরার সময় মীর মশাররফ হোসেন হলের ফার্মেসী বিভাগের ৩৬ তম ব্যাচের কামরুল ইসলাম রিয়াদের কথা কাটাকাটি হয়। পরে কামাল উদ্দিন রিয়াদ রাত ১০.৩০ টায় বটতলায় আসলে তাকে মারধর করে কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৩৭ তম ব্যাচের ছাত্রলীগ কর্মী বুলবুল বিষয়টি সমাধান করতে আসলে তাকেও মারধর করে কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা। ঘটনায় বঙ্গবন্ধু হল ও কামল উদ্দিন হলের মধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যার বহি:প্রকাশে দুই হলের ছাত্রলীগ কর্মীদের বটতলায় মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে দুই হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা রামদা, চাপাতি, কিরিচ, রড, হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। হামলায় আহতরা হল আসিফ (রসায়ন বিভাগ,৩৯ তম ব্যাচ) রাসেল পদার্থ বিজ্ঞাান বিভাগ,৪১ তম ব্যাচ) রনি (নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ৪১ তম ব্যাচ) বাধন (নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, ৪১ তম ব্যাচ) সেতু (উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ৩৯ তম ব্যাচ) মাশুক (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, ৪১ তম ব্যাচ) রানা ( অর্থনীতি বিভাগ, ৩৯ তম ব্যাচ)। হামলার সময় দুই হলের হামলাকারীদের মধ্যে পড়ে আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সোহেল আহমেদ। দু-গ্রুপের উত্তেজনা কর মুহুর্তে প্রক্টর ছাত্রলীগ কর্মীদেরকে অস্ত্র নিয়ে হলে ফিরে যাবার নির্দেশ দেন। এসময় ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি বলেন, আমি সভাপতি হিসেবে ৫টি মেশিন পায়। কিন্তু এসব রাজনীতি আমি করি না। হামলায় আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে ক্যাম্পাস এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় অপ্রতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে শিক্ষর্থীরা। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
©somewhere in net ltd.