নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বামিত্র

রেজাউল হক কৌশিক

self motivated

রেজাউল হক কৌশিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামিক পশু জবাই পদ্ধতিটি খুব নিষ্ঠুর ! বিজ্ঞান কি... বলে

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৩

western world এ পশু জবাইয়ের প্রচলিত নিয়ম(CPB Method):



Captive bolt pistol(CPB ) নামের এক ধরনের যন্ত্র দ্বারা পশুর কপালে প্রচন্ড আঘাত করা হয়......ধারনা করা হয় এতে পশু unconcious হয়ে পড়ে এবং জবাইয়ের পর ব্যথা অনুভব করে না ......





গবেষণা :



জার্মানির Hanover University এর প্রফেসর Wilhelm Schulze এবং তার সহযোগী Dr. Hazim এর নেতৃত্বে একটি গবেষণা পরিচালিত হয় ...গবেষনার বিষয়বস্তু ছিল : ১.western world এ প্রচলিত নিয়মে(CPB Method) এবং ২.ইসলামিক নিয়মে পশু জবাইয়ে পশুর যন্ত্রণা এবং চেতনাকে চিহ্নিত করা......







Experimental Setup:



brain এর surface কে touch করে পশুর মাথার খুলির বিভিন্ন জায়গায় surgically কিছু electrode ঢুকিয়ে দেয়া হয় ...... পশুকে এরপর সুস্থ হওয়ার জন্য কিছু সময় দেয়া হয়......তারপর পশুগুলোকে জবাই করা হয়......কিছু পশুকে ইসলামিক নিয়মে আর কিছু পশুকে western world এর নিয়মে...... জবাই করার সময় electroencephalograph (EEG) এবং electrocardiogram (ECG) করে পশুগুলোর brain এবং heart এর condition দেখা হয়......



Result:



ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাইয়ের ফলাফলঃ



১. জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ড EEG graph এ কোন change দেখা যায় না ......তারমানে পশু কোন উল্লেখযোগ্য ব্যথা অনুভব করে না ...

২. পরের ৩ সেকেন্ডের EEG record এ দেখা যায় , পশু গভীর ঘুম এ নিমগ্ন থাকার মত অচেতন অবস্থায় থাকে...... হঠাৎ প্রচুর পরিমানে রক্ত শরীর থেকে বের হয়ে যাবার কারনে brain এর vital center গুলোতে রক্তসরবরাহ হয়না.........ফলে এই অচেতন অবস্থার সৃষ্টি হয়......

৩. উপরিউল্লিখিত ৬ সেকেন্ড এর পর EEG graph এ zero level দেখায় ...... তারমানে পশু কোন ব্যথাই অনুভব করেনা ......

৪. যদিও brain থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না , তবুও heart স্পন্দিত হচ্ছিল এবং তীব্র খিঁচুনি হচ্ছিল (spinal cord এর একটা reflex action) । এভাবে শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে রক্ত বের হয়ে যাচ্ছিল এবং এর ফলে ভোক্তার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিত হচ্ছিল ।



western world এ প্রচলিত পদ্ধতিতে(CPB Method) জবাইয়ের ফলাফলঃ



১. মাথায় প্রচন্ড আঘাত করার পরের মুহূর্তে পশুটিকে দৃশ্যত অচেতন মনে হচ্ছিল

২. কিন্তু EEG এর দ্বারা বোঝা যাচ্ছিল পশুটি খুব কষ্ট পাচ্ছে ।

৩. ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাই করা পশুর তুলনায় CBP দিয়ে আঘাত করা পশুটির heart স্পন্দন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । যার ফলে পশুটির শরীর থেকে সব রক্ত বের হতে পারে নি । এবং ফলশ্রুতিতে, পশুটির মাংস ভোক্তার জন্য অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাচ্ছিল ।





western world এর পদ্ধতি(CPB Method) এবং MAD COW রোগঃ



Texas A & M University এবং Canada এর Food Inspection Agency একটা পদ্ধতি(Pneumatic Stunning) আবিষ্কার করেছে যেটাতে একটা metal bolt পশুর brain এ fire করা হয় এবং এর ফলে brain এর টিস্যু পশুর সারা শরীরে ছড়িয়ে পরে । brain tissue এবং spinal cord হল Mad Cow আক্রান্ত গরুর সবচেয়ে সংক্রামক অংশ ।

এছাড়াও brain এবং heart এ electric shock এর মাধ্যমে পশুকে অচেতন করেও কিছু কিছু জায়গায় পশু জবাই করা হয় যেটা মাংসের quality এর উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে ।



ভারতীয় পদ্ধতিঃ



ভারতে পশুর মাথা এক কোপে আলাদা করে ফেলা হয় । এতে করে ঐচ্ছিক পেশীগুলো হঠাৎ করে সঙ্কুচিত হয়ে পরে যা অনেক পুষ্টি সমৃদ্ধ তরল বের করে দেয় এবং heart হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শরীর থেকে রক্ত বের হতে পারে না , যা বের হওয়া স্বাস্থ্যকর মাংসের জন্য দরকার ।



এছাড়া ইসলামে spinal cord না কেটে শ্বাসনালী , এবং jugular vein দুটো কাটার

ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে । এর ফলে রক্ত দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে । spinal cord কাটলে cardiac arrest এর সম্ভাবনা থাকে যার ফলে রক্ত শরীরে আটকে যাবে যা রোগজীবানু এর উৎস ।



এখানে রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর একটি হাদীস মনে করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছিঃ "আল্লাহ সবাইকে দয়া করার হুকুম দেন । তাই যখন জবাই কর তখন দয়া কর । জবাই করার পূর্বে ছুরিতে ধার দিয়ে নাও যাতে পশুর কষ্ট কম হয়" । তিনি পশুর সামনে ছুরিতে শান দিতে বা এক পশুর সামনে আরেক পশুকে জবাই করতেও নিষেধ করেছেন । এই জিনিস্টা কুরবানীর সময় আমারা ভুলে যাই ।





সবশেষে , আমরা কি এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে পশু জবাই করার ইসলামিক পদ্ধতিটিই সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং পশু এবং পশুর মালিক উভয়ের জন্যই উপকারী?



এই লেখাটি এশিয়ান ট্রিবিউন এ ও এসেছে.....

http://www.asiantribune.com/?q=node/14022

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১০

ডাইনোসর বলেছেন:
কুরান নাজিল হওয়ার আগে আরবে পশু কি ভাবে কাটা হতো?

২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৬

পাখা বলেছেন: ভাই-ডি আর ক-জন কপি পেস্ট দেবে .......... B:-) B:-) B:-) B:-) B:-/

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৬

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: জানা নেই।

৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২২

সজীব আকিব বলেছেন:
ভাই, কোথায়, কখন এই গবেষণা হল আমাকে একটু জানান।

জবাই করার পর অনেক পশু মাথা তোলে ফেলতে চেষ্টা করে। গতবছর আমাদের বাসায় জবাই করা গরুটি ১৫ মিনিটের মত সময় গলা দিয়ে ডাকছিল। এটা কি ব্যাথাহীনতাকে ইঙ্গিত দেয়? এছাড়া জবাই করার সময়ও তো কিছু সময় লাগে। আপনি একটু ভেবে দেখেন, প্রথমে যখন দা বা ছুরি টান দিলেন, পশুর চর্ম কেটে গেল তখন তার কিরম লাগবে?



ধর্মবিশ্বাসে ঘিলুনাশ।

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৩৩

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: নিচে দেখুন।

৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৩

কলম.বিডি বলেছেন: val jinish share korlen, thanx

link dile valo hoto

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪১

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: গ্রুপ মেইলে পাওয়া এজন্য দিতে পারেনি। এখন যোগ করেছি েকউ একজন এর সৌজন্যে।

৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩০

অমিয় উজ্‌জ্‌বল বলেছেন: এটা দেখে বোঝা যায় চিকিৎসা শাস্ত্র এবং প্রানী বিজ্ঞাণ সম্পর্কে আপনার ধারনা একেবারেই নিম্নপর্যায়ের।
এছাড়া ইসলামে spinal cord না কেটে শ্বাসনালী , এবং jugular vein দুটো কাটার ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে । এর ফলে রক্ত দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে । spinal cord কাটলে cardiac arrest এর সম্ভাবনা থাকে যার ফলে রক্ত শরীরে আটকে যাবে যা রোগজীবানু এর উৎস । এরকম জ্ঞাণের কথা পড়লে হাসি আসে। গরুর রোগজীবানু মনে হয় রক্তের ভেতরই থাকে। মাংসে থাকেই না। আর রক্তের জীবানু গুলো ও এমন সুবোধ যে কাটা গলা দিয়ে রক্তস্রোতের সাথে তারা বেরিয়ে যায়। তাছাড়া আপনি যেভাবে বলছেন তাতে মনে হচ্ছে রক্ত বোধ হয় মাংসের ভেতর থাকে । তাই সব রক্ত বের হলেই মাংস শুদ্ধ হয়ে যাবে। অত রোগের ভয় থাকলে গরুর মাংস খাওয়া বাদ দিলেই তো হয়।
এরকম ধার্মিকদের জন্য করুনা হয়। বেচারারা ধর্মকে স্টাবলিশ করার জন্য কত রকম গোজামিলের বিজ্ঞান চর্চা করে। এরচে বলেন ধর্ম বিশ্বাস করেন তাই রীতি পালন করেন। ব্যস হয়ে গেল। এরকম জোর করে বিজ্ঞানের খৎনা করানোর কি দরকার।

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০১

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: সেটা বলতে পারেন। আপনার জ্ঞানও যে কম প্রশ্নগুলো পড়লেই বোঝা যায়। ধর্ম বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার ব্যাপার। আর বিজ্ঞান না মানলে তাও কারো কিছু করার নেই।

৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩১

মাইন রানা বলেছেন: ইসলামের পদ্ধতি আমার মতে ভাল

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০২

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: আমারও সেটা মনে হয়। কিন্তু কিছু মানুষ তর্কের খাতিরে তর্ক করে।

৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫১

সকাল>সন্ধা বলেছেন: সন্তান ছোট থাকা অবস্থায় চকলেট, আইসক্রিম ইত্যাদি খেতে চায় কিন্তু মা বাবা সন্তানের ক্ষতির বিষয়টি লক্ষ্যকরে পরিমিত খেতে দেয় অথবা বারন করে। ইসলামের বিধান সৃষ্টিকর্তার তাই আমাদের এত বেখ্যা না করে পালন করে গেলেই হয়। তবে পারনেই রহমত, বরকত, ভালাই আছে যা আমাদের প্রশুতির ঘরের বিজ্ঞান দিয়ে সব সময় বুঝার কথা নয়।

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৩

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: সহমত।

৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৪

েকউ একজন বলেছেন: অমিয় উজ্‌জ্‌বল ভাই এটি উনি লেখেননি....।এই লেখাটি এশিয়ান ট্রিবিউন এ ও এসেছে.....
http://www.asiantribune.com/?q=node/14022

আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো মাংস যেহেতু আমরা খাবোই তাহলে তুলনামুলক ভাবে মাংস পা্ওয়ার যেটি সবচেয়ে ভালো প্রসেস সেটিই বেছে নিতে হবে...।এই লেখাটি এটিই বলছে যে ইসলামিক প্রসেসটিই হলো মাংস পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায়....পশু এবং মানুষ দুই দিকের জন্যই....।
german professor এর তো আর খেয়ে দেয়ে কাজ পড়েনি ইসলাম কে সাপোর্ট দেয়ার.....।উনি একটি স্টাডি করেছেন.করে দেখেছেন যে অন্য মেথড গুলো থেকে ইসলামিক মেথডটি সবচেয়ে ভালো.......

আর মাংসে জীবানু নেই এটি কিন্তু বলা হয়নি....জীবানু আছে বলেতো আমরা খা্ওয়া বন্ধ করে দিতে পারিনা...।।কিন্তু রক্তের জীবানু গুলো সবচেয়ে মারাত্নক....।ম্যাড কাউ এর মত রোগ এ কারনেই হয়........
আপনার যদি স্টাডি বিশ্বাস না হয় তাহলে নিজে একটা স্টাডি করে দেখান.......আবেগের বশে কথা বলেতো লাভ নেই.......তাইনা???? ভালো থাকবেন

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২৭

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: লিংক ও সৃন্দর ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.