| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কপি বই বেশিক্ষন পড়া যায় না।প্রথম কিছুক্ষন ভাল লাগে বটে।তবে আসল বইয়ের সাথে কপি বইয়ের পার্থক্য ধরা পড়ে গেলে সেই ভাল লাগা আর দীর্ঘায়িত হয় না।অসংখ্য লেখক হুমায়ূন আহমেদ কে নকল করে লেখে বলে শুনেছি।ইদানিং এর প্রমান পেলাম।বইটি আগাগোড়া বলপয়েন্ট সিরিজের আদলে লেখা।তবে পার্থক্য আছে।যে ট্রিক্স হুমায়ূন আহমেদ এক-দুবার ব্যাবহার করেছেন সে ট্রিক্স কপি লেখক যত্রতত্র ইচ্ছে মত ব্যাবহার করেছেন।ফলে ট্রিক্স ভোতা হয়ে গিয়েছে।যেসব শব্দ হুমায়ূন আহমেদের ট্রেডমার্ক শব্দে পরিণত হয়েছে সেগুলোর ব্যাবহার লেখার মৌলিকত্ব নষ্টের অন্যতম কারন হয়ে দাড়িয়েছে।লেখা পড়ার সময় মনে হয় এই লেখার ক্রেডিট অন্য কোন লেখকের যার নাম বইয়ে ছাপা হয়নি।
কিছু কৌশল আছে যেগুলো শুধু হুমায়ূন আহমেদের মত লেখক ব্যাবহার করতে পারেন।যেকোন ছোটখাট বিষয় নিয়ে তিনি লিখতে পারেন।পাঠক সেটা আগ্রহের সাথে পড়বে।যেমন তিনি লিখতে পারেন তার প্রিয় খাবার --গরম ভাত দিয়ে আলু ভর্তা,সাথে এক চামুচ ঘি।এই সুযোগ নতুন/কপি লেখকের নেই।
বঙ্কিম চন্দ্র বলেছেন অন্যের লেখা নকল করলে লেখায় মূল লেখার দোষগুলি অনুসৃত হয়, গূণগুলো অনুসৃত হয় না।
২২ শে মার্চ, ২০২১ রাত ২:৩৫
রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই--পড়ার জন্য ও মন্তব্য করার জন্য।
২|
২৬ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৩:১৯
রাজীব নুর বলেছেন: আমি মাঝে মাঝে নকল লেখা লিখি। এবং কপি পেস্টও করি।
২৬ শে মার্চ, ২০২১ সকাল ১১:২৬
রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: আপনার লেখা অনেক সুন্দর।কিছু লেখায় হুমায়ূনী লেখন রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।ব্লগে পড়তে ভাল লাগে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে মার্চ, ২০২১ সকাল ১০:৪৩
মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন: দারুণ লিখেছেন ভাইয়া। শুভেচ্ছা জানাই অবিরাম।