| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গলায় সুর থাকুক না থাকুক,তাল লয়ের জ্ঞান থাকুক না থাকুক,গান গাইতে পারুক না পারুক,বাদ্য যন্ত্র বাজাতে পারুক আর না পারুক, অগা মগা নবীন প্রতিটা ব্যান্ড/পপ সিঙ্গারের যাত্রা শুরু হচ্ছে বিশেষ দুটো ফোক গান কভারের মাধ্যমে।ফোক গান কভারের ক্ষেত্রে দুই টা গানই তারা কভার করে থাকেঃ১.রাধা রমন দত্তের "ভ্রমর কইয়ো গিয়া।" ২.আব্বাস উদ্দিনের "আমার হাড় কালা করলি রে তুই।"
বলা বাহুল্য কভারগুলো হয় ভয়াবহ।গান গাওয়ার পর শিল্পীদের মনোভাবটা থাকে---দেখছো মামা,কার গান গাইছি?আমার লেভেলটা বুঝছো।এখনো বুঝো নাই?আমি বিদেশ থেকে লেখা পড়া কইরা আইছি।সেই সাথে মিনি স্কার্ট আর বাংলিশ বচনও বাংলাদেশে নিয়া আসছি।বছর কয়েক আগে একজন নবাগত শিল্পীর পরিবেশনা দেখে এমনটি মনে হয়েছে।
যারা ছোটবেলায় টুক টাক সা রে গা মা শিখেছে,তারা এই রেডিও, স্যাটেলাইট চ্যানেলের যুগে যন্ত্রী ভাড়া করে,পরিণত বয়সে এসে ফুল ফেজ শিল্পী। এদিকে দর্শকের কানের বারোটা।
শিল্পী একাধিক কিন্তু গান একটাই---ভ্রমর কইয়ো গিয়া। আমি এই গানের অন্তত ১৫ টা কাভার শুনে ফেলেছি।প্রতি সপ্তাহে কেউ না কেউ এই গান গেয়ে থাকবেই।ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো।
এসব শিল্পীদের জীবনাচারন পদ্ধতি,মুখের বচন,পরিবেশনা কোনটাই শিল্পীসুলভ না। একজন ব্যান্ড তারকার ফোক গানের কাভার শোনার সময় মনে হয় ,গান নয় কান্না-কাটি,আহাজারি শুনছি।
০১ লা মে, ২০২১ রাত ৯:১৯
রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: এখন শিল্পী হওয়া সহজ হয়ে গিয়েছে।
২|
০২ রা মে, ২০২১ ভোর ৪:১১
কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
প্রকাশ করার মাধ্যম বেড়ে যাওয়ায় একই গানের অসংখ্য সূর আর গায়ক আমরা পাচ্ছি। ইউটিউব আসার পর থেকে এই প্রবণতা বেড়ে গেছে। একটি জনপ্রিয় গানের বেসুরা আর নিম্নমানের রেকর্ড মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৩৮
রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: একদম সঠিক কথা বলেছেন।জনপ্রিয় গানগুলো যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে গাওয়া উচিত।
৩|
০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১০:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: এই জেনারেশনের এখন এই অবস্থাই চলছে।
সব অদক্ষ এবং অযোগ্য। অথচ তাদের আগডম বাগডম বেশী।
০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১:৫০
রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: একদম সত্যি কথা বলেছেন।পোজ-পাজ, শো-অফ বেশি।কাজে ডেডিকেশন নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা মে, ২০২১ রাত ৯:১৪
শেহজাদী১৯ বলেছেন: এখন সবাই শিল্পী।
কারাওকে থাকলে তো কথাই নাই। আরও আছে নানা রকম মোবাইল এপস