নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লিখতে চাই ,লিখা পড়তে চাই।

আমজনতা এক্সপ্রেস

একজন সাধারণ আমজনতা

আমজনতা এক্সপ্রেস › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইতিহাসটা জানা প্রয়োজন।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:২৭

২৫ মার্চ (১৯৭১) রাত সাড়ে ১২ টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসা থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার অল্পক্ষণ আগেই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ইপিয়ারের অয়্যারলেসযোগে প্রচার হয়ে যায় । বঙ্গবন্ধুর পাঠানো এই এই স্বাধীনতার ঘোষণা ইপিয়ারের সুবেদা- মেজর শওকত আলী ও তাঁর সাথীরা ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১ টায় পিলখানা থেকে অয়্যারলেসযোগে প্রচারের পর পাকিস্তানি সেনারা তাদের হত্যা করে।। এই ঘোষণা টি হাজী মোরশেদ ঢাকার বলধা গার্ডেন হতে রাত ১১ টায় গোপন রেডিও ট্রান্সমিটার থেকেও প্রচার করেন। এরপর মগবাজার টি অ্যান্ড টি অফিস থেকে ঘোষণাটি গোপনে সারা দেশে পাঠানো হয়। ২৫ মার্চ রাত ১২ টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার অয়্যারলেস ম্যাসেজ চট্টগ্রামে পৌঁছায়। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরেই (১২:২০ মি) টেলিফোন,টেলেক্স, টেলিগ্রাম, ইপিয়ারের অয়্যারলেস এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ছরিয়ে পরে। তারপর ২৬ মার্চ দুপুর ২ টায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রামের কালুর ঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচার করেন চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ নেতা তৎকালীন এম এন এ, এম .এ .হান্নান (রেঞ্জ ৬০ মাইল)) । পরদিন ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে ওই কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণার পাঠ করেন তৎকালীন অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান (রেঞ্জ সমগ্র বাংলাদেশ ও ভারতের বেতার কেন্দ্র) । জিয়াউর রহমান এই ঘোষণা প্রচারের আগেও ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসে উদ্যত ছিলেন।

অর্থাৎ হটাৎ করেই মেজর জিয়া ঘোষণা থেকে আমাদের স্বাধীনতা আসেনি। মেজর জিয়া নিজেও তাঁর জীবদ্দশায় নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করেননি। বরং সাপ্তাহিক "বিচিত্রা"য় প্রকাসিত এক প্রবন্ধে তিনি শেখ মুজিব কে স্বাধীনতার ঘোষক , মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক ও জাতির জনক হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে জে. জিয়ার মিত্তুর পর তাঁর কিছু , স্বার্থবাদী, স্বাধীনতাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী, ভণ্ড, সন্ত্রাসবাদী, অনুগ্রহ প্রত্যাশী ক্ষমতা লিপ্সু আমলা, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস বিকৃত করে নুতুন এবং স্বপরিকল্পিত ইতিহাস তৈরির সিঁদেল চোরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

((( Anthony Mascarenhas এর Bangladesh: A Leagacy of Blood বইয়ে "Zia: The Man and the Myth" শিরোনামে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ১৬ খণ্ডের দলিল, মেজর রফিকের "A Tale of Millions" বইয়ে । মেজর সিদ্দিক সালিকের "ইউটনেস টু সারেন্ডার" বইয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে। )))

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.