| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
* দিনে অন্তত কয়েকবার প্রাণ খুলে হাসুন । হাসি দমকে স্বাভাবিক করে, পেশীর ব্যথা দূর করে, রক্তচাপ কমায়, রোগ নিরাময়কে দ্রুততর করে ।
* রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্যে উপকারী । রক্তদান করার সাথে সাথে শরীরের মধ্যে অবস্থিত 'বোন ম্যারো' নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয় । নিয়মিত রক্তদান হৃদরোগ ও হার্ট অ্যটাকের ঝুঁকি কমায় ।
* সকালে নাশতার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন ।
* প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং একই সময়ে ঘুম থেকে উঠুন । ঘুমকাতুরে হলে ঘুমই আপনাকে কাতর করে দিবে ।
* রাতে ঘুমানোর আগে কিছুক্ষণ গো-মুখাসন করুন । তারপর শবাসনে সুন্দর কল্পনা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ুন । সকালে ঝরঝরে অনুভুতি নিয়ে উঠতে পারবেন ।
* প্রাণবন্ত চোখের জন্যে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে ঈষদুষ্ণ ও পরে ঠান্ডা এবং রাতে শোয়ার আগে প্রথমে ঠান্ডা ও পরে ঈষদুষ্ণ পানির ঝাপটা ২০-২৫ বার করে নিন ।
* সুন্দর প্রত্যাশা ও প্রত্যয় নিয়ে দিন শুরু করুন । ঘুম ভাঙলেই বলুন 'শোকর আলহামদুলিল্লাহ' । দিনের সমাপ্তিও ঘটবে একইভাবে ।
* ঠান্ডা-সর্দি থেকে রেহাই পেতে শীতকাল আসার আগেই প্রতিদিন জাম্বুরা খাওয়ার অভ্যাস করুন ।
* শীতে গরম পানি মেশালেও পানির তাপমাত্রা শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে কম রাখুন । নিয়মিত স্বাভাবিক ঠান্ডা পানিতে গোসল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।
* সাধারণ জ্রাগত অবস্থায় নিজের সম্পর্কে আমাদের ধারণা হয় খন্ডিত । ফলে আমাদের ভেতরেই শান্তি ও আনন্দের বিশাল সরোবরের অস্তিত্ব আমরা টের পাই না । ধ্যানের মধ্যেই অন্তর্গত প্রশান্তি ও আনন্দের সরোবর আবিষ্কৃত হতে পারে ।
©somewhere in net ltd.