নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক › বিস্তারিত পোস্টঃ

অস্তিত্ব সংকটে বিএনপি, দায় এড়াতে পারে না জিয়া পরিবার

০৯ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৫২

বিএনপি জিয়ার আদর্শ বিচ্যুত হয়েছে পুরোনো কথা, এখন রাজনৈতিক দল হিসেবেও রাজনীতির গুনাবলিও হারিয়ে সামাজিক সংগঠনে রুপান্তরিত হয়েছে। যারা প্রতিবাদ করলে যার বিরোদ্ধে প্রতিবাদ করছে তারা যেমন শুনে না যার পক্ষে পতিবাদ করছে তারাও শুনে না। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে বিএনপিকে নিশিদ্ধ করে বাকশাল গঠন আজ সময়ের ব্যাপার।



অস্তিত্ব সংকটে বিএনপি পেছনের কারন গুলিঃ



১. গত বিএনপি সরকারের সময় 'কিচেন কেবিনেট' নামে একটা কোড ওয়ার্ড ব্যাবহার হত সাংবাদিক মহলে। মুলত পাচ প্রভাবশালী মন্ত্রীকে (মান্নান ভুইয়া, সাইফুর রহমান, খন্দকার মোশারফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, সাদেক হোসেন খোকা) বুঝাত। এদের আলাদা ভাবে নাম দেয়ার অনেক কারনের মধ্যে একে অন্যের প্রতি অগাত আস্থা, দলে অধিপত্য, মিডিয়ায় প্রভাব, সরকারের গুরুত্বপুর্ন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকা, অন্য মন্ত্রনালয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ বলাচলে সবদিক থেকেই সরকার ও বিএনপি সর্বময় হর্তাকর্তা বনে যান। যা এখনও বলবৎ আছে। এ নিয়ে মন্ত্রীপরিষদ ও দলের মধ্যে দন্দ্ব ছিল প্রকাশ্য। বিদ্রোহীদের দমনে সবচেয়ে সহজ

পদ্ধতিও ছিল। যারাই এদের বিরোধীতা করত তাদের মিডিয়ায় হাওয়া ভবনের লোক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া। আর তাদের একাজে সহযোগী প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, সমকাল, যুগান্তর, চ্যানেল আই।







২. সাবেক কম্যুনিস্ট মান্নান ভুইয়া বিএনপি দীর্ঘ মেয়াদী মহাসচিব অথচ নিয়মিতই আড্ডা দিতেন চ্যানেল আই, প্রথম আলো অফিসে। একথা বলার কারন হচ্ছে লোকটা বিএনপির দীর্ঘ কালীন মহাসচিব হলেও জাতীয়তাবাদ আদর্শের সাথে একাত্ব হতে পারে নি কখনোই। অন্য গুরুত্ব বিষয়টা হচ্ছে মিডিয়া হাউস দুটা ছিল সবচেয়ে সরব বিএনপি সরকার সমালোচক। গাছের পাতা ঝড়লেও এরা ইস্যু তৈরি করত। এই দুটি মিডিয়া হাউজের পরিচালনা ও প্রযোজনায় তৈরি বিখ্যাত হাওয়া ভবন। প্রথম আলো লক্ষ টন টন কাগজ উপন্যাস ছাপে "বিশেষ মহল" নামে। চ্যানেল আইতে "সিন্ডিকেট" বাজার মুল্য, তৃতীয় মাত্রা, গোলটেবিলের গল্পতো জাবার মনে থকার কথা।





৩. সাইফুর রহমান আমার জানা মতে বিশ্বের সবচেয়ে অথর্ব বেকুব রাজনীতিবিদ। যিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারায় বিএনপিকে একটি মানবাধিকার(সুশিল সমাজ, নাগরিক সমাজ টাইপ) সংগঠনে পরিনত করতে চেয়েছেন। বিএনপিকে বিরাজনীতিকরনে প্রকৃয়ায় তার প্রধান প্রতিপক্ষ রাজনীতিবিদ ও সংগঠক জননেতা ইলিয়াস আলী। সিলেটে সাইফুর রহমান পরাজিত হলেও কেন্দীয় বিএনপি চলছে সাইফুর রহমানের পথে, অন্তত কেন্দীয় কমিটি তাই বলে। লিংকে বিএনপি র ওয়েবের দেখে নেন বিএনপি ৩৭৪ জন সদস্যের কতজন রাজনৈতিকবিদ। বিএনপি আজ সাইফুর রহমানে ভরপুর যেদিকে তাকাই সব টেকনোক্যাটেট।

(বি.দ্র. সাইফুর রহমানকে বেকুব অথর্ব বলাতে যারা কষ্ট পেয়েছেন তাদের স্বরন করিয়ে দেই আমি উনাকে রাজনীতিবিদ হিসেবে বলেছি যা উনার প্রাপ্য )









(ত্যাগী নেতার অস্তিত্ব এখনো বিএনপিতে আছে ছবিগুলো সেই প্রমান দেয়।)



৪. মোসারফ হোসেনের দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যরিয়ারের পুরোটাই বিএনপিতে। প্রশ্ন হল সংগঠক হিসেবে তিনি কেমন?আমি জানি না, তবে শুনেছি বড় একজন সংগঠক। আমি জানি না কারন নিজ জেলা কুমিল্লা বিএনপিতে কখনোই তিনি জুড়ালো ভুমিকা পালন করেন নি। ইদানিং অবশ্য বিভিন্ন রকম আতাতের কথা শুনা যাচ্ছে। (দেশের যে কয়টা জেলায় বিএনপি শক্তিশালী তার অন্যতম কুমিল্লা। আর কুমিল্লার প্রতিটি আসনের বিদ্রোহী ও কমিটি হতে বাদ পড়াদের সাথে উনার যোগা্যোগ নিয়মিত, যাদের মধ্যে বেশির ভাগের বিরোদ্ধে অভিযোগ তারা আওয়ামী লীগের সাথে লেয়াজু রক্ষা করে চলে।)



৫. মওদুত আহমেদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিশেষ প্রানী। আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জাসদ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি সব খানেই হাজিরা লাগিয়েছেন। গত বিএনপি সরকারের সময় তিনি আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কর্তাছিলেন (স্বরাস্ট্র ছিল পর্দার আড়ালে )। শুনা যায় তিনি দলের সবচেয়ে বড় হর্তাকর্তা। একমাত্র আতাত ছাড়া অন্য কোন সাংগঠনিক কর্মকান্ডে এই লোকটার কোন ভুমিকা আছে বলে আমার জানা নেই। এই লোকটা বিভিন্ন সময়ে শুধু বিএনপিকেই বিতর্কে ফেলে নাই, জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকেও বিতর্কিত করতে তৎপর।







৬. গত বার সরকারে থাকা কালে জিয়ার আদর্শের সৈনিকেরা নিগৃহীত, অপমানিত, নির্যাতিত হয়েছে ঘরে বাইরে। বিএনপি নেতাদের তিরস্কার কটাক্ষ্য ছিল ছাত্র রাজনীতির সহযোদ্ধাদের নিয়তি। সাংগঠনিক কর্মকান্ডে এমনকি ছাত্রদলের দলীয় সভা মিছিলে অংশ না নিয়ে শুধু নেতাদের বাসায় হাজিরা দিয়েই অনেকে কামিয়ে নিয়েছে দলীয় পদ। রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডের অজুহাতে সরকারী চাকুরীতে ছাত্রদল নেতারা একপ্রকার নিসিদ্ধ হলেও, ছাত্রলীগের (ওসি) প্রদীপরা সরকারী চাকুরী পেয়েছে ঠিকই, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এডিসি হারুনরা আদালতের মাধ্যমে চাকুরী ফিরে পেয়েছিল বিএনপি সময়েই। এসবের বাইরে হাজারো নেতা কর্মীকে পত্রিকার রিপোর্ট দেখে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। জীবিতদের অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। যারা দেশে পালিয়ে ছিল তারা রাজনীতি অন্য পেশায় যোগ দিয়ে সংসার ধর্মে ব্যাস্ত।



৭. অশ্বীকার করব না সরকারী কিছু টেন্ডার দলীয় নেতাকর্মীদের দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই টেন্ডারে এখানে কমিশন দেও ওখানে দেও করতে করতে মুনাফার বদলে নিঃস্ব হয়ে যাওয়াদের মত ঘটনাও ঘটেছে। আর পত্রিকা ওলাদের দৌড়ানিতে মানসম্মান খোয়ানোটাতো বোনাস হিসেবে সবাই পেয়েছে।



৮. আদর্শের দিক থেকে বিএনপি দেউলিয়া মনে করে অনেকে। এর অনেক কারন হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন মনে হয় বুদ্ধিবৃত্তিতে বাম নির্ভরতা। কারন বামদের শেষ কথা আওয়ামীদের পক্ষেই যাবে এবং যায়। ফলে বিএনপির নেতৃত্ব সম্পর্কে তৃনমূল কর্মীসমর্থকরা ভুল বার্তা পায় এবং বিভ্রান্ত হয়। এখানেও একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে জাতীয়তাবাদী বুদ্ধিজীবিদের বিএনপি নেতারা গোপালভার হিসেবে আখ্যায়িত করেন।



শেয়ার বাজার ধ্বস, শাপলার গনহত্যার পর বিএনপিতে কর্মী সংখ্যা বাড়ার কথা কিন্তু বাড়ে নি কেন? কারন তারা সুবিধাভোগী মওদুদ, মোসারফ, মোরশেদ খানদের সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নতির মই হতে চায় না।



আরো অনেক কারন থাকতে পারে তবে এগুলোই আমার কাছে প্রধান মনে হয় আজকে বিএনপির হত্যোদ্যাম ব্যার্থ আন্দলনের পেছনে। কারন গুলা নিয়া কেউ দ্বিমত হবেন না। কিন্তু এগুলার পেছনে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক কোথায়? জিয়া পরিবারের সম্পর্ক এই যে জিয়া পরিবার ৭৫ প্লাস এই লোক গুলাকে অবসরে পাঠচ্ছে না। আর এই অপ্রিয় কাজটা জিয়া পরিবারকেই করতে হবে। কারন বাংলাদেশ এমন একটাদেশ যেখানে রাজনৈতিক দলই পরিবার, পরিবারই রাজনৈতিক দল। বিএনপি মানে জিয়া পরিবার, জিয়া পরিবার মানে বিএনপি। দল ও দেশের জন্যে বিএনপিতে যেকোন কাটাছেড়া জিয়া পরিবাই করতে পারে। আর সেটা না করার ফলে সৃষ্ট যে কোন সংকটের জন্যে জিয়া পরিবারই দায়ী থাকবে তাই নয় কি?





দেশ আজ এমন এক জায়গায় এসে পৌছেছে যেখান থেকে দেশ সভ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীল অবস্থায় ফেরত আসতে দীর্ঘ পথ পারি দিতে হবে। এ পথ পাড়ি দেয়ার মত ত্যাগী নেতা, কর্মী, সংগঠক অভাব নেই বিএনপিতে। তবে মাঠে নামাতে প্রয়োজন জিয়া পরিবারের সঠিক সিদ্ধান্ত এবং এ পথের সহযোদ্ধাদের জিয়া পরিবার তাদের কিভাবে মুল্যায়ন করবে তার উপর। যারা এ পথে সহযোদ্ধা হবে তাদের কি নীরু পিন্টুদের মত ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হবে নাকী আব্বাস, আমান, রিজভীদের মত চিপায় ফালাইয়া মুল্যায়ন করা হবে তাও পরিষ্কার করতে হবে। সংকট মোকাবেলায় গুলশান কার্যালয়, নয়াপল্টনের আমলাতান্ত্রিক রাজনীতি ছেড়ে নেতা কর্মীদের সাথে সরাসরি যোগা্যোগ স্থাপন করতে হবে। স্থায়ী কমিটির বৃদ্ধাশ্রম ছেড়ে একক সিদ্ধান্তে ও প্রতি ঘটনার বিপরীতে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেয়া।

খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমানের ঘুম ভাঙ্গার অপেক্ষায় জাতী।

(ছবি ও ভিডিও গুলা প্রমান করে ত্যাগী ও আদর্শে বলীয়ান নেতাকর্মী এখনো বিএনপিতে আছে)

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৭

প্রািন্ত বলেছেন: সর্বক্ষেত্রে সীমাহীন ব্যর্থ এই বাকশালী সরকারের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি। এক্ষেত্রে বিএনপি পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। রাজনীতি করতে হলে সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা থাকতে হয়। মিডিয়াকে সবসময় হাতে রাখতে হয়। বিএনপির কোন মিডিয়া, টিভি চ্যানেল নেই। যদিও বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মিডিয়া নিরপেক্ষ নয়, তারা কোন না কোন দলের দালালী করে। এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ এগিয়ে। তাদের পক্ষের মিডিয়া বেশী। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে যত ইস্যু রয়েছে বিএনপি তা কাজে লাগাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুধু মাত্র শেয়ারবাজার ঘটনাটি দিয়ে সরকারে ভীত নাড়িয়ে দেয়া সম্ভব ছিল। সেখান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগকারীদের পেটে লাথি মেরে ডাকাতি করা হলেও রহস্যজনক কারণে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও নিশ্চুপ ছিলেন এ বিষয়ে।

০৯ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১

নেয়ামূল হক বলেছেন: সাংগঠনিক ভাবে বিএনপি আজ একেবারে দেউলিয়া বলা চলে। রাজনীতি করতে হলে রাজনীতিবিদ লাগে, বিএনপিতে রাজনীতিবিদ কই?

২| ০৯ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৯

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: কঠিন সত্য!

০৯ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ০৯ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টাটি বাঁধবে কে?


সবাই যে সামনে গিয়ে জ্বি হুজুর হয়ে যায়??

তাদের এই টার্শের ব্যর্থতা ইতিহাসের কলংকিত হয়েই থাকবে!!!!

০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:৩৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: পরিস্থিতি খারাপ সত্য তবে, সমাধানটা কঠিন কিছু না। প্রয়োজন চোখ মেলে দেখা আর এই কাজ টা করতে হবে তারেক রহমান বা খালেদা জিয়াকে।

৪| ০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:১২

মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: আব্বাদল(প্রাক্তন ছাত্রদল) এর কেন্দ্রীয় কমিটিতে কারা আছে ? আন্দোলনে তো কাউরেই দেহি না । আগে ছাত্রদল বিএনপির আসল শক্তি ছিল ।

০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:৪০

নেয়ামূল হক বলেছেন: ৪৩ বছর বয়সী জুয়েল ক্যাম্পাসে যাইয়া কি ছেলের হাতের ডলা খাইব নাকি?

৫| ০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:১৪

মুহসিন বলেছেন: ব্যাপক গবেষণামূলক পোষ্ট।

০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:৪২

নেয়ামূল হক বলেছেন: গবেষনা নারে ভাই স্মৃতি পাতা গুলা উল্টে নেড়েচেড়ে দেখলাম আর কি?

৬| ০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ৮:৪৭

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: বেশ বিস্তারিত গবেষণা

০৯ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০১

নেয়ামূল হক বলেছেন: চেষ্টা করেছি একজন সাধারন মানুষের দৃষ্টিতে ওপর ওয়ালাদের সমস্যা চিহ্নিত করতে, এই যা।

৭| ১০ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০৫

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ আসল জায়গায় আঘাত করবার জন্য। বিএনপি যতদিন আমলাদের দল থাকবে ততদিন আওয়ামীলীগের মানুষদের দ্বারা মাইর খাইতে থাকবে।

ছাগল দ্বারা যেমন হাল চাষ হয় না ঠিক তেমনি মনে রাখতে হবে যে আমলা দ্বারা প্রসাশন চালানো গেলেও দেশ চালানো যায় না।

১০ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:২০

নেয়ামূল হক বলেছেন: সমস্যা গুলো এমন জায়গায় এসে পৌছেছে যে চাইলেও দৃষ্টি সরিয়ে রাখা যাবে না। এইগুলা নিয়া কিন্তু অনেক কানাগুষা হইছে কেউই শুধরায় নাই।
সুতরাং ডাইরেক্ট এ্যাকশনে যেতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.