| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নেয়ামূল হক
আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।
১. ২০১০ সালে ২৭এপ্রিল যখন চ্যানেল ওয়ান বন্দ হয়ে যায় তখন অনেকেই বলে কৃতকর্মের ফল। বিএনপি ২০০১এ ক্ষমতায় আসার পর বন্ধ করে দিয়ে ছিল একুশে টিভি। তাই আওয়ামী লীগ ঐ ঘটনার প্রতিশোধ নিল। অনেকেই চ্যানেল ওয়ান বন্ধের ঘটনাকে আওয়ামী লীগের চিরচেনা বাক স্বাধীনতা বিরোধী আচরন বলতে নারাজ। সেদিন আওয়ামী লীগের প্রতিশোধ দেখেছিল তারা, অন্য কিছু দেখেনি। সেদিন দেশের বেশির (কাগুজে) ভাগ মিডিয়াই এনিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা দেখায় নি।
২. চ্যানেল ওয়ান বন্দের ঘটনার কয়েকদিন পরপরই সরকারের মৌখিক নিষেধজ্ঞায় বন্ধ হয়ে যায়। সেসময়ের জনপ্রিয় টকশো পয়েন্ট অফ অর্ডার। এ ঘটনাও থেকে যায় আলোচনা, প্রতিবাদের বাইরে।
৩. ৩১ মে ২০১০ দুপুরে নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যায় আমার দেশের প্রকাশক হাসমত আলীকে। ক্রসফায়ারের হুমকির মুখে সই করিয়ে নেয় সাদা কগজে। আর এই সাদা কাগজ নিয়ে মধ্য রাতে চোরের মত হানা দেয় আমার দেশ অফিসে। জব্দ করে দেয়া হয় প্রকাশনা। রাত চারটায় গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পত্রিকাটির সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে। বন্দ করে দেয়া হয় সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় দৈনিক আমার দেশ। ৭০ অধিক মামলায় বার বার রিমান্ডে নিয়ে বর্বর নির্যাতন চালায়। এই ঘটনায় প্রথমবারের মত আওয়ামী সাংবাদিকরা দায়সাড়া প্রতিবাদ জানায়।
৪. একই বছর সরকারী নির্যাতনের মুখে বন্ধ হয়ে যায় অনলাইন পোর্টাল শীর্ষ নিউজ ডট কম ও শীর্ষকাগজ।
কিছুটা বিরুতি দিয়ে ২০১৩ আবারো শুরু করে কন্ঠরোধ। আবারো আক্রান্ত হয় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা দৈনিক আমার দেশ ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।এর পর এ বছর একে একে বন্দ হয়ে যায় আমার বর্নমালা ব্লগ, সোনার বাংলা ব্লগ, ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি।
শেখ হাসিনা যার প্রতিটি শিরা ধমনিতে ধাবিত হয় হচ্ছে হবে বাকশালী শৈরাতন্ত্র।
©somewhere in net ltd.