নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক › বিস্তারিত পোস্টঃ

২০০৬ এ হজে গিয়ে কাফনের কাপড় কিনে এনেছিলেন চৌধুরী আলম।

২৫ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১:৪৭



২০০৬ এ হজে গিয়ে কাফনের কাপড় কিনে এনেছিলেন চৌধুরী আলম। সেই কাফনের কাপড় হয়ত আর পরা হবে না চৌধুরী সাবের। সমাজের নিন্মবৃত্ত থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিকের কর্ম জীবন শুরু হয়েছিল গুলিস্থানে হকারি করে। তারপর হকার নেতা, মহানগর নেতা। ঢাকা সিটি কর্পুরেশনের কমিশনার নির্বাচিত হয়েছেন তিন তিন বার (৫৬নং ওয়ার্ড গুলিস্থান)। -







হয়েছেন জাতীয় নেতাও, কিন্তু যেভাবে হলেন কারোই কাম্য ছিল না। দল বিএনপির রাজপথের আন্দোলনের জনশক্তির একটা বড় অংশই যোগান দিতেন নিজেই। আর সেটাই কাল হয়ে দাড়ালো তার জন্যে। নিখোজ হওয়ার আগ পর্যন্ত মরিয়া হয়ে খুজছিল। ২০ জুন র‌্যাব কর্তৃক আটকও হয়েছিলেন ঐ দিন র‌্যাবের সাথে দস্তাদস্তির একপর্যায়ে টহল পুলিশ সেবার তাকে ছেড়েই চলে গিয়েছিল র‌্যাব।



যেদিন নিখোজ হন সেদিন রাতেও তার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। বাসায় এসে পুলিশি অভিযানে কথা শুনে গা ঢাকা দিতে রওনা দেন বোনের বাসায়। সেখানে যাওয়ার পথেই র‌্যাব তাকে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাব। আর ফিরে আসেনি। চৌধুরী আলম গুমের দুই দিন পর ২৭ জুন বর্তমান সরকারের আমলে বিএনপির ডাকে প্রথম হরতাল ছিল। রাজনৈতিক আন্দলন দমনে বাকসালী হাসিনা সরকার এক বর্বর প্রথা চালু করল। এরপর নিয়মিতই হারিয়ে যেতে থাকে একের পর এক বিরোধি রাজনৈতিক নেতা।



১১ জুন একটি অনলাইন পোর্টালকে সাক্ষাতকার দেয়ার সময় চৌধুরী আলমের স্ত্রী হাসিনা চৌধুরানী জানান দুজনে হজে গিয়ে ছিলে ২০০৬ এ। সেখান থেকে আনা কাফনের কাপড় দেখিয়ে ভেউ ভেউ করে কাদতে থাকেন হাসিনা চৌধুরানী।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১:৫৪

গারো হিল বলেছেন: আর কিছুদিন অপেক্ষা করেন।
বিচার হবে......হাম্বালীগের.....শক্ত বিচার হবে।

২৫ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ২:১৪

নেয়ামূল হক বলেছেন: বিচার হতেই হবে? রক্ষা পাবে কেউই।

২| ২৫ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ২:০১

বাক স্বাধীনতা বলেছেন: গতবার বিএনপি ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পরই চৌধুরী আলম সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা হয়েছিল পত্রিকার পাতায়। সম্ভবত প্রথম আলোতেই। সামান্য হকার থেকে কিভাবে সন্ত্রাসের মাধ্যমে শীর্ষ ক্যাডারে পরিনত হয়েছিল তার বিস্তারিত ফিরিস্তি ছিল তাতে। একসময়কার গুলিস্তানের ত্রাস ছিল এই চৌধুরী আলম। নিম্ন আয়ের হকার থেকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাতারাতী কোটিপতি বনে যাওয়া এই চৌধুরী আলম একটা পাক্কা শয়তান। কোটিপতি হবার পর নামের সাথে 'চৌধুরী' টাইটেল লাগিয়ে সে হয়েছে 'চৌধুরী আলম'। ছিঃ

২৫ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ২:১২

নেয়ামূল হক বলেছেন: চৌধুরী আলম কি ছিল সেটা নিয়া পোস্ট দে। এখানে কমেন্ট করতে কে বলছে?

৩| ২৫ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:২৪

নেয়ামূল হক বলেছেন: প্রসঙ্গ না বুজে মন্তব্য করলে কানে গালে মিশিয়ে সপাটে চটকানা সহকারে মন্তব্য মুছা হবে।

৪| ২৬ শে জুন, ২০১৩ রাত ১২:৫৮

দুরন্ত-পথিক বলেছেন: যার জন্য যে খাল খুড়বে তাকে সেই খালেই পড়তে হবে,আর কটা দিন সবুর করেন তারপর দেখেন।

২৬ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৬

নেয়ামূল হক বলেছেন: বিচার চাই, হতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.