নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক

আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।

নেয়ামূল হক › বিস্তারিত পোস্টঃ

গোলাম আজমের নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে নিয়ে নানা মুখি অপপ্রচার, কিছু তথ্য ও প্রমান।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:০৭

ইতিহাস যেন নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের জাদুর কাঠি। যখন যেভাবে প্রয়োজন সেভাবেই পরিবর্তিত করেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়কে তারা রাজনৈতিক প্রয়োজনে বিকৃত করেছেন, করেছেন কলংকিত। এরকমই এক বিকৃতির স্বীকার গু আজমের নাগরিকত্ব প্রাপ্তির ইতিহাসও। তবে তথ্য প্র‌যুক্তির এই যুগে তা কি সম্ভব? মোটেও না। সহব্লগার ও পাঠকদের অনুরোধ করব পুরোলেখাটা মনযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল।



গোলাম আজমের নাগরিকত্ব নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় ফেসবুক ব্যাক্তিত্ব জাবি শিক্ষক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপেলো স্যার।





বাজারে একটি মিথ্যা প্রচারনা আছে যে, বিএনপি গোলাম আযমের নাগরিকত্ব দিয়েছিলো। প্রসঙ্গ হচ্ছে-

১/ গোলাম আযমের নাগরিকত্ব কী বিএনপি দিয়েছে, না কী আদালত দিয়েছে?

২/ আদালত দিলে সেই বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী কী ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং বিচারকরা নির্মোহ ছিলেন কী না?



বিষয়টি নিয়ে এই পেজ থেকে একটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছিলো [ক], তাতে প্রমান করে দেয়া হয়েছিলো যে-

১/ গোলাম আযমের নাগরিত্ব বিএনপি সরকার কোন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দেয় নাই, বরং ১৯৯২ সালে বিএনপি আমলে গোলাম আযমকে বিনা নাগরিকত্বে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করার কারণে গ্রেফতার হয়েছিলো।

২/ গোলাম আযম আদালতের রায়ে তার নাগরিকত্ব ফেরত পেয়েছিলো। সেই আদালতে বিচারক ছিলেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান, (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি এবং ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান), বিচারপতি লতিফুর রহমান (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান), বিচারপতি মোস্তফা কামাল (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি) এবং বিচারপতি এটিএম আফজাল (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি)। বিচারপতি হাবিবুর রহমান দেশের মধ্যে প্রগতিশীল যে অংশটার বিবেক হিসেবে পরিচিত তারা নিজেরাই 'বিএনপি গোলাম আযমের নাগরিকত্ব দিয়েছিলো' তত্ত্বে বিশ্বাস করেন। অন্য তিনজন তো আওয়ামী লীগ আমলে (১৯৯৬-২০০১) প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন।

বাকী রইলেন এটর্নী জেনারেল। তৎকালীন এটর্নী জেনারেল আমিনুল হক বিচারপতি শাহাবুদ্দিন এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিয়োগ পেয়েছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং আওয়ামী পন্থী আইনজীবী ছিলেন। একজন ভিন্ন মতাবলম্বী আইনজীবীকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা নিযুক্ত রাখার কারণে সেই সময় বিএনপি সরকার প্রশংসিত হয়েছিলো। তাহলে দেখা যাচ্ছে সরকারীভাবে হস্তক্ষেপমুক্ত একটি আদালত কর্তৃক গোলাম আযম তার নাগরিকত্ব ফেরত পায়, যেই নাগরিকত্ব বাতিল করে গোলাম আযমকে বিদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছিলো খোদ বিএনপির সরকার!



সেই পোস্টে কিছু তথ্যগত ভুল ছিলো যা পরবর্তীতে একটি কমেন্ট সংশোধন করে দেয়া হয়েছিলো। ভূলগুলো ছিলো প্রথমত: গোলাম আযমের আমীর হবার তারিখ নিয়ে; পোস্টে বলা হয়েছিলো ১৯৯২ সাল যা বাস্তবে ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেমন্বর (২ দিনের পার্থক্য)। ভূল ছিলো একজন বিচারকের নামে; যা সংশোধন করা হয়েছে। পোস্টে বলা ছিলো ফুল বেঞ্চ, বাস্তবে ছিলো চার সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ।



পোস্টে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ প্রধান কর্তৃক গোলাম আযমের নিকট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ধর্না দেবার সত্যটাও উল্লেখ ছিলো। একটি ফেসবুক স্ট্যটাসে বেশি কিছু উল্লেখ করা যায় না বিধায় সেখানে গোলাম ১৯৭৮-১৯৯২ সাল পর্যন্ত গোলাম আযমের অবস্থানের বিস্তারিত বিবরণ বর্ননা করা হয় নাই এমন কী ১৯৯৩-৯৬ সময়কালে গোলাম আযমের দেয়া 'কেয়ার টেকার গভর্নমেন্ট' নিয়ে গোলাম আযমেরই নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামীর সাথে আওয়ামী লীগের যৌথ আন্দোলনের বিষয়েও বলা হয় নাই। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত যে গোলাম আযমের আশ্রয়দাতা ছিলো আওয়ামী লীগ অনুমোদিত এরশাদের জাতীয় পার্টি, সেই বিষয়েও কিছু বলা হয় নাই।



সেই স্ট্যাটাসটি 'বিএনপি গোলাম আযমের নাগরিকত্ব দিয়েছিলো' তত্ত্বকে পুরোপুরি ভুল প্রমান করায় ঐ তত্ত্বের প্রচারকদের প্রচণ্ড কষ্ট হয়েছে। এই পেজে এসে তারা গালাগালি করেছে, অবশেষে বিভিন্ন হুমকী ধামকী দিয়ে নিঝুম মজুমদার নামক এক ব্লগার ও সমাজসেবী পোস্টটিকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে একটি ব্লগ লিখেছেন [খ]। ব্লগটি পড়ে দেখলাম। তিনি স্ট্যাটাসের কমেন্টে স্বীকার করা ভূল তথ্যগুলো নিয়েই লেবু কচলেছেন এবং প্রকারান্তরে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বিএনপি সরকার নয়, বরং আদালত ফিরিয়ে দিয়েছিলো। কী ভয়াবহ বৈপরিত্য!



পুরো ব্লগে উনার প্রচেষ্টা ছিলো ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ কর্তৃক গোলাম আযমের নিকট ধর্না দেবার বিষয়টি অস্বীকার করা; যদিও বিভিন্ন উদৃতি দিয়ে উনি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে ঘটনা আংশিক সত্য। যুক্তিবাদী মানুষ মাত্রেই জানেন আংশিক সত্য বলে কিছু নেই; তাহলে বিষয়টি দাড়াচ্ছে ঘটনা সত্য। এরপর উনি ১৯৭৯ সালে ঢাবি টিএসসিতে জিয়ার সাথে গোলাম আযমের হ্যান্ডশেকের একটি ভুল ছবি প্রকাশ করেছেন [গ]। ছবিটি যদি সত্য হতো তাহলে উনাদের আওয়ামী পন্থী ঢাবি শিক্ষরা অনেকেই এর সত্যতা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতো। যেহেতু এখনো পর্যন্ত এই ঘটনার কোন প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায় নাই, তাই ১৯৭৩ সালে ভুট্টো ও টিক্কার সাথে শেখ মুজিবের কোলাকুলি [ঘ] বা হ্যান্ডশেকের [ঙ] কাউন্টার হিসেবেই এই ছবির আগমন বলে ধরে নেয়া হলো।



সার্বিকভাবে নিঝুম মজুমদার আমাকে জামায়াতের সাথে বিএনপির সখ্যতার কথা চেপে যাবার অভিযোগে অভিযুক্ত করলেও নিজে জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগের সখ্যতার কথা চেপে গেছেন। আর এই বাস্তবতা অস্বীকার করেছেন যে, কোন আন্দোলনের ফলে নয় বরং বিএনপির আগ্রহের কারণেই গোলাম আযমকে গ্রেফতার করে জেলে রাখা হয়েছিলো (আওয়ামী লীগের মত এসি কেবিনে নয়)। তিনি বলতে ভুলে গেছেন ১৯৯১ সালে ঢাবিতে ছাত্রদলের ছেলেরা মতিউর রহমান নিজামীকে প্রহার করার পর সহমর্মী হয়ে শেখ সেলিম তাকে দেখতে গিয়েছিলো [চ]। তিনি বলতে ভুলে গেছেন সেই সময় শেখ হাসিনা নিজেকে জাপা ও জামায়াতে ইসলামীরও নেত্রী বলে দাবী করেছিলেন [ছ]।

গোলাম আজম মামলা বিষয়ে হাবীবুর রহমানের স্বীকারোক্তি [জ]।



এই ব্লগ লিখে তিনি কী আসলে কাউকে মিথ্যাবাদী প্রমান করতে পারলেন?

না পারেন নাই।

তিনি যদি প্রমান করতে পারতেন যে 'বিএনপি গোলাম আযমের নাগরিকত্ব দিয়েছিলো' তাহলে তার প্রচেষ্টা সফর হতো। তিনি তা প্রমান করতে পারেন নাই। কিছু ভুল তথ্যে নিয়ে টানা হেঁচড়া করে তিনি প্রাসঙ্গিক সত্যটাকে শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেই নিয়েছেন যে, গোলাম আযম নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছেন উনাদেরই আস্থাভাজন বিচার ব্যবস্থায়।



এইভাবে অন্যের চরিত্রহানী করে হয়তো উনি সাম্প্রতিক সময়ে উনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার হতাহতদের সাহায্যার্থে উত্তোলিত টাকা আত্মসাত, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের জন্য উত্তোলিত অর্থ ভাগাভাগির বিরোধ বা ফ্রিডম পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টটার অভিযোগ থেকে সবার আলোচনাকে প্রশমিত করতে পারবেন তবে সত্যকে চাপা দিতে পারবেন না; গোলাম আযমের ৯০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের প্রহসন ধামাচাপা দিতে পারবেন না।



[অফ টপিক: জিয়াউর রহমান যদি গোলাম আযমকে দেশে ফিরতে না দিতেন তবে উনারা আজ কার বিচার করতেন? ১৯৫ জন চিন্হিত যুদ্ধাপরাধীকে তো উনারা আগেই পাকিস্তান ফেরত পাঠিয়েছিলেন।]

-----------------



তথ্য সংযোক্তি



ক. স্যারের স্ট্যাটাস এখান.......



খ. স্যারের স্ট্যাটাস নিয়ে রাজাকারের জামাতা নিজুম মজুমদারের ম্যাতকার



গ. জিয়াউর রহমানের সাথে বিচারপতি বিচারপতি মোস্তফা কামাল। গায়ক আব্বাস উদ্দিনের ছেলে। অথচ হাম্বার দল এটাকে গোলাম আজম বলে দাবী করছে। ছবি



ঘ. জুলফিকার আলী ভুট্টুর সাথে শেখ মুজিবের গলাগলি, অথচ এই ভুট্টুকে ক্ষমতায় বসাতে টিক্কা খানরা বাংলায় রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল। কিসের এত খুশি



ঙ. বাংলার কসাই টিক্কা খানের সাথে শেখ মুজিবের করমর্দন। খুশিইতো ছিলেন মুজিব



চ. নিজামীর সাস্থের খোজ নিতে শেখ সেলিম হাসপাতালে। রামের লীলা খেলা

ছ. হাসিনা যেন কারকার নেত্রী? ডান হতে রাজাকার বাম হাতে সৈরাচার যাবি কই?



জ. ্যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে বিচার প্রতি হাবিবুর রহমানের আর্টিকেল। ইন্ডিয়ার আলোতে

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৮

মনজুরুল হাসান বলেছেন: এমন পোষ্ট আরো দরকার!পোষ্টে প্লাস!

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:০৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৩

জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: এই পোস্ট দেখে অনেকদিন পর লগ-ইন না করে থাকতে পারলাম না। অসাধারন যুক্তি খন্ডন। অসংখ্য ধন্যবাদ নেয়ামুল ভাইকে।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:০৬

নেয়ামূল হক বলেছেন: সামুতে প্রবেশ ও পরিচয়ের জন্য আপনার নিকটা দায়ী। কারো নামের আগে পিছে যে জাতীয়তাবাদী শব্দটা ব্যাবহার করা যায় সেটা দেখতেই বারবার সামুতে আসতাম। ব্যাপারটা প্রচন্ড রকম ভাল লেগেছিল।

২০১০এর শুরুর সেই সময়টাতে সে সময় ব্লগ কি জিনিস সেটাই বুজতাম না।

ধন্যবাদ শুভ ভাই। ধন্যবাদ ব্লগ পড়া ও নিজের অজান্তেই অনুপ্ররনা দেয়ার জন্যে।

৩| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৫০

আস্তবাবা বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:০৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৪

একজন ঘূণপোকা বলেছেন: নে এবার বগল বাজা, কই গেলিরে সব হাম্বা রা।



অনেক ভাল লেখা।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১২

নেয়ামূল হক বলেছেন: হাম্বাদের ডেকে লাভ নেই। এরা কোন দিন কোন তথ পুর্নপোষ্টে হাজিরা দেয় নাই আজো দিবে না।

ওদের একমাত্র সক্ষমতা ট্যাগ করা। শেষ খবর কিভাবে আমাকে ট্যাগ করবে সেটা নিয়া জরুরী মিটিংয়ে বসছে।

৫| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৪

একজন ঘূণপোকা বলেছেন: নে এবার বগল বাজা, কই গেলিরে সব হাম্বা রা।



অনেক ভাল লেখা।

৬| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:১৬

বিডি আইডল বলেছেন: +++

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৪৫

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ। আইডল দা

৭| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:২০

দাসত্ব বলেছেন: আমি ঐ পোস্টটা পড়সি।
অ্যাপোলো ভাইয়ের পোস্টে কিছু নিউমারিক ডাটা ভুল হইসে।
৩৯ এর জায়গায় ৩৮ , কিংবা ১৮ ই এপ্রিলের জায়গায় ২৮ শে এপ্রিল , ৭৩ এর জায়গায় ৭২।
এইসব ভুলতো আসল ব্যাপারটাকে মিসগাইড করতেসেনা।

[১]
ঐ ব্লগেই তো লেখা আছে -
' জিয়া ১৯৭৬ সালের ১৭ জানুয়ারীতে নাগরিকত্ব ফেরত দেবার একটি প্রেসনোট জারি করে যার সুযোগ নিতে চায় গোলাম আজম। এই প্রেসনোটের সুযোগ নিয়ে গোলাম আজম ২০ শে মে ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নাগরিকত্বের জন্য কয়েকটি আবেদন করে এবং তা প্রত্যাখাত হয়। ১৯৭৮ সালের মার্চে তার আরেকটি নাগরিকত্বের আবেদন বাতিল হয় কিন্তু গোলাম আজম বাংলাদেশে আসবার ভিসা পায় ১৯৭৮ সালে ১১ জুলাই অসুস্থ মাকে দেখতে আসবার কথা বলে, যদিও সেটি সাময়িক ভাবে ৩ মাসের ভিসা দেয়ার মাধ্যমে।ওই একই বছর তার ভিসা দুইবার রিনিউ করা হয়। ১৯৭৮ সালের নভেম্বরে গোলাম তার নাগরিকত্ব্ব দেয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করে এবং পাকিস্তানী পাসপোর্ট সারেন্ডার করে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। '

অ্যাপোলো ভাই তো এই রকম একটা মেসেজ-ই দিতে চাইসেন।
তাহলে তো এত খেদাখেদির কারন কি ?

[২]
বদরুল হায়দার নাকি আওয়ামী ব্যাকড প্রেসিডেন্ট ক্যান্ডিডেট ছিলেন না ঐ ব্লগটা অনুযায়ী।
কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হইলো ঐ ব্লগের দেয়া ইনফো অনুযায়ী এই বদরুল হায়দার সাহেবের সাথে ঘোরতর আওয়ামী গাফফার চৌধুরীর র‍্যাপোর্ট পাওয়া যায়।
এতই চমৎকার সম্পর্ক যে গাফফার সাহেবের নিজের মুখে বলা -

'সেন্ট্রাল লন্ডনে বেকার স্ট্রিটের কাছে 'রাজদূত রেস্টুরেন্টে' আমাদের সাক্ষাৎকার ঘটে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এবং রাজদূত রেস্টুরেন্টের মালিক আতাউর রহমান খান। বিচারপতির কাছে আমার প্রথম প্রশ্নই ছিলো, বদরুল ভাই, আপনি গোলাম আজমের মতো লোকের কাছে ভোটের জন্য ধর্না দিলেন কিভাবে?'

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতির রেস্টুরেন্টে ঘোরতর আওয়ামী গাফফার চৌধুরী যাকে ভাই ডাকেন , সেই বদরুল সাহেব আওয়ামী ব্যাকড ক্যান্ডিডেট ছিলেন না - এটা বিশ্বাস করার মত এত বেশী গাধা বাংলাদেশের মানুষ না।

[৩]
ঐ ব্লগে বলা হইসে -
১৯৯২ সালের ২৬ শে মার্চ যেদিন গণ আদালতে বিচার হয়, সেদিনো আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বলেন- “জনতার রুদ্ররোষ থেকে বাঁচার জন্যই সরকার গোলাম আজমকে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখেছে। [রেফারেন্সঃ আজকের কাগজ, ২৬ শে মার্চ, ১৯৯২]

মানলাম না।
অ্যাপোলো ভাই যেটা বলসেন সেটাই সত্য।
গোলাম আযমকে কোন ধরনের ডিভিশন বিহীন গতর খাটা কয়েদীদের মত চৌদ্দ শিকের জেলখানাতেই রাখা হয়েছিলো ১৯৯২তে।

বরং এই আওয়ামী সরকারের আমলেই গোলাম আযম ভি আই পি সার্ভিস পাইসে পিজিতে শুয়ে শুয়ে।
এমন কি শাহরিয়ার কবীর সাহেব-ই বলসেন - গোলাম আযম কে ভালো ভালো খাবার খাইয়ে বাচিয়ে রাখার জন্য যাতে সে রায় শুনে যেতে পারে।

[৪]
আর একটা বিষয় নিয়ে কথা বলা হইসে - গোলাম আযমের মামলার ব্যাপারে রিসার্চ কে করসে, কে করে নাই।
সেখানে বলা হইসে জাহানারা ইমামের গন আদালত এটা নিয়ে প্রচুর রিসার্চ করসে , সেই রিসার্চের ক্রেডেনশিয়াল গুলা এখন অনলাইনে পাওয়া যায়।

কিন্তু অ্যাপোলো ভাইও ভুল করসেন।
বরং যেটা সত্য সেটা হল - গোলাম আযমের যেই মামলার রায় কিছুদিন আগে হইলো সেই মামলার প্রসিকিঊশন প্যানেল ১৯৯২ এর বিএনপি আমলের এটর্নি জেনারেল আমিনুল হক (সার্জেন্ট জহুরুল হকের ভাই) এর রিসার্চ ম্যাটেরিয়াল গুলোর প্রচুর ব্যবহার করসেন।
অনলাইনে কাদের গুলো বেশি সার্কুলেটেড সেটা এখানে মূল বিষয় না।

[৫]
আরেকটা টেক্সট ডাটা ভুল হইসে।
সেটা হল - বিচারপতি শাহাবুদ্দিন এবং বিচারপতি মাইনুর রেজার নাম চলে আসা।
অ্যার বাকী চারজন বিচারপতি হাবিবুর রহমান, এ টি এম আফজাল, মুস্তাফা কামাল, লতিফুর রহমান। এই চারজন বিচারপতি গোলামের নাগরিকত্বের পক্ষে দেয়া পূর্বতন হাইকোর্টের একক বেঞ্চের রায় (বিচারপতি আনোয়ারের রায়) বহাল রাখেন। এই রায়টি দেয়া হয় ১৯৯৪ সালের জুন মাসের ২২ তারিখে।

তো এই ভুলে কি উল্টাইসে ?
আসল ব্যাপারটা হল - যেই বেঞ্চটা গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিলো এরা সবাই হাইলী সীজন্ড এবং নেশন রেস্পেক্টেড।
এদের ৪ জনই কোন না কোন সময়ে চীফ জাস্টিস ছিলেন , ২ জন ছিলেন কেয়ারটেকার সরকারের চীফ অ্যাডভাইসার।

খুবই শক্তিশালি একটা বেঞ্চ আমিনুল হকের মত এটর্নি জেনারেলের খাটাখাটনির পরও গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব ফিরায়া দিসে - এটাই মূল মেসেজ।

ঐ ২ টা নাম থাকলেও কি না থাকলেও কি ?

এগুলাকে মিথ্যাচার মিথ্যাচার বলে এত চিল্লাচিল্লির কি আছে ?

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১৬

নেয়ামূল হক বলেছেন: আপনার মন্তব্য ব্লগটাকে আরো শক্তিশালী করল।

ধন্যবাদ বস।

৮| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:১৫

wrongbaaz বলেছেন: + + + অসাধারণ পোষ্ট..... এরকম পোষ্ট আরো চাই..... হাম্বাদের শেষ নেংটিও খুলে ফেলার সময় এসেছে....... :)

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১৮

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:২৫

নীল_সুপ্ত বলেছেন: হাম্বারা সব খোয়াড়ে ঢুকে গেছে !!

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১৯

নেয়ামূল হক বলেছেন: শুনলাম হাম্বারা নাকী ঘাসে বদলে খড় খওয়া ধরছে।

১০| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮

জাতির নানা বলেছেন:
কই গেল হাম্বাগুলা??? *** তেনা প্যাঁচাতে উস্তাদরা কই???

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:২৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: ত্যানা জীবিরা তথ্য বহুল পোষ্টে হাজিরা দেয় না। সক্ষমতা সংকট আছে।

১১| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৪৮

নেক্সাস বলেছেন: শরীর অসুস্থ তাই লিখতে পারছিনা বিস্তারিত। শুধু বলব সেদিন গোলাম আজম কে নাগরিকত্ব না দেওয়ার জন্য আমিনুল হক সাহেব অন্তপ্রাণ চেষ্ঠা করেছিলেন। দিস্তায় দিস্তায় গোলাম আজমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত গোলাম আযম কে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়। সেদিন প্রধান বিচারকের আসনে ছিলেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান যিনি মনেপ্রাণে একজন আওয়ামিলীগার হিসেবে সারা দেশের মানুষ জানে। উল্লেখ্য পুরা রোজারমাস গোলাম আজম জেলে বন্দি ছিল।
আরো উল্লেখ্য যে নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার পর গোলাম আজম জামাতে ইসলামির উদ্যগে আয়োজিত বায়তুল মোকারমের সামনে এক সভায় তার সকল অতীত কর্মকান্ডের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন।
কিন্তু ঠিক তার পরেই ১৯৯৬ সালে গোলাম আজমের নির্দেশে আওয়ামিলীগের সাথে আঁতাত ও সখ্যতা করে কেয়ারটেকার সরকারের দাবি নিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে জামাত-লীগ গং। সেদিন আওয়ামিলীগের অনেক কাছের মানুষ ছিল গোআজম নীজামিরা। মিডিয়ার এত বিকাশ থাকলে ১৯৯৪/৯৫/৯৬ সালের আওয়ামী -জামাত সহবাস্থানের হাজার হাজার ছবি আজকের আমাদের হাতে থাকতো ।

সে যাক বিবেকবান মানুষ ঠিক জানে জামাত কে নিয়ে আওয়ামীলিগের আসল ভাবনা । সেটা কি চেতনা না রাজনীতির গলাবাজি সেটা বুঝতে খুব কষ্ট হয়না। অন্তত গোলাম আজমের রায় আর গতকালকের ইত্তেফাক পত্রিকার হেডলাইন সেটা আরো একবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

নেয়ামূল হক বলেছেন: সেসময় আওয়ামী লীগই ব্যাতিব্যাস্ত ছিল গু আজমকে নাগরিকত্বের জন্যে। ক্ষমতায় যেতে গু আজমের আশির্বাদ যে তাদের খুব দরকার ছিল।

১২| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৫০

সাইফ সানি বলেছেন: আসল ব্যাপারটা হল - যেই বেঞ্চটা গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিলো এরা সবাই হাইলী সীজন্ড এবং নেশন রেস্পেক্টেড।
এদের ৪ জনই কোন না কোন সময়ে চীফ জাস্টিস ছিলেন , ২ জন ছিলেন কেয়ারটেকার সরকারের চীফ অ্যাডভাইসার।

খুবই শক্তিশালি একটা বেঞ্চ আমিনুল হকের মত এটর্নি জেনারেলের খাটাখাটনির পরও গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব ফিরায়া দিসে - এটাই মূল মেসেজ।

ঐ ২ টা নাম থাকলেও কি না থাকলেও কি ?

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৯

নেয়ামূল হক বলেছেন: " যেই বেঞ্চটা গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিলো এরা সবাই হাইলী সীজন্ড এবং নেশন রেস্পেক্টেড" এই কথাটা বুঝার ঘিলু হাম্বাদের মাথায় নাই। এ চার জন বিচারপতি সামনে কোন দল ক্ষমতায় সেটা বিবেচনা করা মু্র্খতা।

সম্ভবত আওয়ামী লীগের আমলের প্রধান বিচারপতি ছিলেন লতিফুর রহমান, আর উনার বেঞ্চ হসিনারে রং হেডেড বলে ঘোষনা দেয়।

১৩| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৫০

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: "সাম্প্রতিক সময়ে উনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার হতাহতদের সাহায্যার্থে উত্তোলিত টাকা আত্মসাত, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের জন্য উত্তোলিত অর্থ ভাগাভাগির বিরোধ বা ফ্রিডম পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টটার অভিযোগ থেকে সবার আলোচনাকে প্রশমিত করতে পারবেন তবে সত্যকে চাপা দিতে পারবেন না; "


উনার নেত্রীর কাছে তালিম দেখি ভালই নিছেন।

৫৭ জন আর্মি অফিসার হত্যা খালেদা জিয়ার বাসা দিয়ে
পদ্মা সেতু ক্যালেন্কারি হলমার্ক দিয়ে
কালো বিড়াল ক্যালেন্কারি ইলিয়াস আলি গুম করে
রানা প্লাজা রেশমা উদ্ধার নাটক দিয়ে
ফ্রিডম পার্টির নেতার ঘর জামাই অ্যাপোলো ভাই এর নাম ভাঙ্গিয়ে।


১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪১

নেয়ামূল হক বলেছেন: একে তো রাজাকারের জামাই, তার উপর ফ্রিডম পার্টি। উপায় নাই গোলাম হোসেন।

১৪| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৫

মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: নেয়ামূল হক ভাই এমন একটা লিখা ! হাম্বারা সব এখন খাম্বা হয়ে গিয়েছে । সঙ্গে সঙ্গে দাসত্ব কে ।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪১

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:০২

জগ বলেছেন: খেঁক খেঁক খেঁক, বাল কুকুররা পোংগা দিতে আইসা উল্টা পোংগা খাইল।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

নেয়ামূল হক বলেছেন: সেই দিন কি আছে? দিন বদলাইছে না?

১৬| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:২০

দুঃখ হীন পৃথিবী বলেছেন: ভাই অসাধারন হয়েছে, অনেক ধন্যবাদ।

এই রকম তথ্য বহুল পোষ্ট বেশি বেশি করে দিন, তাতে জাতি আওয়ামী বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি পাবে।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল জয় বলেছেন: তো কি প্রমানিত হল ! জিয়া ইনোসেন্ট আর গো আযম দুধে ধোয়া তুলসি পাতা ?

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৪

নেয়ামূল হক বলেছেন: এখানে গু আজমরে নিয়া কিছু লেখা হইছে?

১৮| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩২

আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ++++ দারুণ যুক্তিখণ্ডন পোস্ট । অনেকের এই পোস্ট ভালো লাগার কথা নয় যদিও ।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৩৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: তাল গাছ পার্টির ভাল লাগার কথা না।

১৯| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:১১

মাহমুদুর রাহমান বলেছেন: আলামারিতে তুলে রাখার মত পোস্ট। +++ লাল নীল সবুজ সব সালাম

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৩৮

নেয়ামূল হক বলেছেন: লাল নীল সবুজ ওয়ালাইকুম সালাম।

২০| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫৭

কাঠুরে বলেছেন: +++++

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৩৮

নেয়ামূল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১| ২০ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:২৩

অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: আগেই ফেবুতে দেখেছিলাম আ্যাপলো ভাইয়ের লেখাটা.।
ওনার অসামান্য বিশ্লেষন হাম্বাদের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে থেকে সবসময়ই ++

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৪৫

নেয়ামূল হক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
এজন্যেই ওনার ফেবু আইডি খাওয়া জন্যে হাম্বা দিন রাত এক করে।

২২| ২০ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৫০

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: এই পোস্ট না পড়লে অনেক কিছু অজানা থেকে যেত!

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৪৩

নেয়ামূল হক বলেছেন: বিষয়টা নিয়ে লেখার জন্যে ধন্যবাদ ওয়াহিদ স্যারকে।

২৩| ২০ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:৫৮

শামিল কায়সার বলেছেন: =P~ =P~ =P~

২৪| ২০ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৩৭

নেয়ামূল হক বলেছেন: একটা মন্তব্য মুছে দিলাম। কারন মাল্টি

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.