| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নেয়ামূল হক
আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।
ক্ষনজন্মা কিংবদন্তি সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের সাথে পরিচয় হয় দেড় যুগ আগে তার অনাবদ্ধ সৃষ্টি 'তেতুল বনে জোসনা' পড়ে। গ্রাম্য রাজনীতি ও কুসংস্কারের মিশ্রনে একটি অসাধারন গল্পছিল সেটি। পুরো গল্প পরে বারবার মনে হচ্ছিল হয়ত পাশের কোন গ্রামের চিত্র এটি, কে জানে হয়তো আমাদের গ্রামেরই। সত্য বলতে গল্পের প্রতিটা চরিত্রের খোজ পেয়েছিলাম আমাদের গ্রামে। হয়ত আরো অনেকেই আমার মত আরো অনেকেই হয়ত তার নিজ গ্রামে তেতুল বনে জোসনার খোজ পেয়েছেন। লেখক হিসেবে হুমায়ুন আহমেদের সার্থকতা এটাই।
![]()
গভীর রাতে হাটাহাটির অভ্যাসটাও এই হুমায়ুন আহমেদের হাত ধরে নাহ্ হিমুর হাত ধরে। হিমু বাংলাসাহিত্যের কালজয়ী চারিত্র হিমুদের একজন এক জন হিসেবে এ দাবী করতেই পারি বাংলাসাহিত্য যত দিন থাকবে তত দিন হিমু থাকবে।
ফোন দিলে যদি জুলিয়টের বাবা ফোন ধরে, "হ্যালো এটা কি পুলিশ স্টেশন/ রেল স্টেশন" এই ডায়লগ কোন বঙ্গ রোমিওর দিতে ইচ্ছে করে নি বা করে না এমন রোমিও বাংলায় পাওয়া দুষ্কর।
শুভ্র সিরিজে ঠিক কি মেসেজ দিতে চেয়েছিলেন কখনো বুঝা হয়ে উঠেনি। তবে জেন্টেলম্যান শুভ্র হবার ইচ্ছেটা মাঝে মাঝেই জাগত তাই এ সিরিজটার ৫/৬ বই পড়া হয়েছে।
হুমায়ুন আহমেদের মিশির আলী জ্ঞানী জ্ঞানী কথা বার্তা আমার খুব বেশী পছন্দ হয় নি, তাই খুব একটা পড়া হয় নি (৩টা)।
হুমায়ুন আহমেদের এই সব দিনরাত্রি, কেউ কোথাও নেই, বহুব্রীহি, বৃষ্টি বিলাশ কালজয়ী সৃষ্টির কয়েকটি। তবে একজন লেখক হিসেবে তার যোগ্যতার প্রমান দিয়েছেন প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকেই। বস্তি ও তার আসে পাশের মানুষগুলি ও সেসব মানুষে সুখ-দুঃখ্য, অপরাধ প্রবনতা, অভাব অনটন সবই তুলে এনেছিলেন এক মলাটের ৫৮ পৃষ্টার নন্দিত নরকে।
লেখক হুমায়ুন আহমেদের প্রতি আগ্রহে ভাটা পড়ে তার মেয়ের বান্ধবী শাওনকে বিয়ের পর। পুরপুরি বিচ্ছেদ ঘটে তার জনপ্রিয় সিরিজ হিমুকে র্যাব ও সাবেক সরাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাবর বিরোদ্ধে ব্যাবহারের জন্যে। হিমু সিরিজের পরপর তিনটি পর্বে এদের নিয়ে বিতর্ককিত করেছেন (সম্ভবত শওনের মা ও আওয়ামী লীগ নেত্রী তহুরা বেগমকে রাজনীতিতে সুবিধা করে দিতে। তহুরা বেগম সংরক্ষিত মহিলা আসনের আওয়ামী লীগের এমপি)। এসবের প্রথম পর্ব হিমু রিমান্ডে (টাইটেল ভুলও হতে পারে) কিনেছিলাম হুমায়ুন আহমেদের লেখা শেষ বই হিসেবে।
শেষ কথা ভুল-ত্রুটি, লোভ-লালসা (২০০২ পরবর্তি) এই ক্ষদ্র অংশটি বাদ দিলে বাংলা সাহিত্যের চির অম্লান এক নাম হুমায়ুন আহমেদ। মানুষ একবার মরে তবে তিনি মরে ছিলেন দুবার একবার ২০০২এ নর্তুকী শাওনকে বিয়ে করে প্রথমবার দ্বিতীয় বার চিরবিদায় জানিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। যেখানেই থাকেন ভাল থাকবে।
ওহ্ হ্যা বৃষ্টিতে ভিজতে ভুলবেন না যেন।
১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:৫৪
নেয়ামূল হক বলেছেন: লেখায় আবেগের কি দেখলেন?
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:৪৫
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: পড়ার আহবান জানাই
সাহিত্যিকের মৃতু এবং আমাদের গদগদে আবেগ
Click This Link