| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নেয়ামূল হক
আগামী প্রজন্মের জন্যে স্বপ্নের বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।
আওয়ামী সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তির বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে রাজধানী ঢাকা শহর। বিশাল সাইজের এসব ব্যানারের বিলবোর্ডের একেকটার মুল্য দেড় থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী নানক জানিয়েছেন এসব বিলবোর্ড সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে তাদের উন্নয়ন সম্পর্কে জনগনকে জানানোর জন্যে এসব বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। সোজা কথায় পাব্লিকের টাকায় সরকারী দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারনা। গনতন্ত্র, সৈরাতন্ত্র, স্ট্যালিন তন্ত্র কোন তন্ত্রে এভাবে পাব্লিকের টাকার অপচয়ের নিয়ম নজির না থাকলে যে আওয়ামী তন্ত্রে থাকবে না এমন হতে পারে না।
![]()
আত্মতৃপ্ত আওয়ামী সরকার তাদের মত জনগনকে যাই দেখাক সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার কাজ সরকারের সকল সাফল্যের একটা খতিয়ান রাখা। আজ আমার কাছে থাকা আওয়ামী সরকারের উন্নয়নের কিছু খতিয়ান চিত্র আপনাদের জন্যে উন্মোক্ত করে দিলাম।
১. জনতা অগ্রনীতেও কেলেংকারী: জনতায় সোহেল, ম্যাক্স, আনোয়ারা স্পিনিংয়ের নামে ১১১ কোটি টাকার নয় ছয়। অগ্রনীতে বিটিএল, পিনাকল, মহিন, নকশী, প্যারাগন নামের ১৯৮ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার অনিয়ম সন্ধান। (১,সেপ্টেম্বর প্রথম আলো)
২. পাওনা ৩৭ হাজার কোটি টাকা: ২২ টি প্রতিষ্ঠানকে ঋন দিতে গিয়ে অর্থ সংকটে জনতা, সোনালী, রুপালী, অগ্রনী ব্যাংক। ২০১১-২০১২ অর্থ বছরের সমীক্ষায় রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক ২২ প্রতিষ্টানের কাছে পাওনা ৩৭ হাজার কোটি টাকা। (২৩জুন২০১৩ যুগান্তর)
নিচের ছবিটা গত বছর পার্বত্য এলাকায় পাহার ধসের সময়কার।
![]()
৩. সোনালীতে অর্থ লুট, সাত হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে: হলমার্ক ছাড়া অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, অলটেক্স ফ্যাব্রিক্স, এপেক্স উইভিং, ফিনিশিং, পদ্মা পলি কর্টন, কেএসএস নিট ও পিলুসিড কোম্পানি, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, কেএনএস ইন্ডাস্ট্রিজ, ক্যাংসান ইন্ডাস্ট্রিজ, থারমেক্স টেক্সটাইল, ইকো কটন মিলস, রহিমা ফুড করপোরেশনসহ বিভিন্ন বেনামী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাট করে ২০১০ থেকে ২০১৩ সময়ে। (১৪ মে২০১৩ বনিক বার্তা ডট কম)
৪. বেসিক ব্যাংকে বড় জালিয়াতি: পরিচালনা পর্ষদ নিয়ম মানে নি। অনিয়ম, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বের নেয়া হয়ে ছে ৪৫০০ কোটি টাকা। (২৭জুন২০১৩ প্রথম আলো)
৫. বিসমিল্লাহ গ্রুপ অর্থ কেলেংকারী: বিসমিল্লাহ গ্রুপের এক হাজার ২০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি। এ জালিয়াতি ঘটনায় মোট ছয়টি ব্যাংক জড়িত রয়েছে। ব্যাংকগুলো হলো- প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক।(৬জুন২০১৩ নতুন বার্তা)
৬. গ্রাহকদের ৬ ছয় কোটি টাকা নিয়ে উদাও 'জাগো মাল্টি পারপাস কো-অপারেটিভ'। (কুমিল্লার বার্তা ৮ মে ২০১৩)
৭. ডুবতে বসেছে কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদন অব্যাবস্থাপনা, ঋন বিতরনে অনিয়ম, অব্যাহত লোকশানের কারনে ডুবতে বসেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান দুটি। (২৫সেপ্টেম্বর ২০১২ যায় যায় দিন)
৮. যমুনা ব্যাংক দেউলিয়ার পথে: অনিয়ম, দুর্নীতি, পরিচালনা পর্ষদের বেপরোয়া সিদ্ধান্ত, ভুয়া ঋনপত্র (এলসি) খোলা, ঋন জালিয়াতি, অস্তিত্ব হীন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে দেউলিয়ার পথে হাটছে ব্যাংকটি। (২২জুলাই২০১৩ বাংলা নিউজ) (২৯ জুলাই২০১৩ যুগান্তর)
৯. মার্কেন্টাইল ব্যাংকে অনিয়ম: বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তদন্ত থেকে বেড়িয়ে আসে ব্যাংকটির এক পরিচালক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৬ মাসে ব্যাবধানে গ্রাহকদের আমানত থেকে ১২৬ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা নেন, বিপরীতে কোন সুদ পরিশোধ করেন নি। এ শাখা থেকেই তিতাস এগ্রো ইন্ডাস্ট্রীজ লিমিটেড জামানত ছাড়াই এলসির বিপরীতে ১০ কোটি টাকা নেয়। (১৮ মার্চ২০১৩ RTNN)
![]()
১০. সাধারন বীমায় ২০০ কোটি টাকার লোপাট: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সাধারন বীমা কর্পোরেশন কর্মকর্তারা যোগসাজসে আত্মসাত, পাচার, ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরোদ্ধে পলিসি ইস্যু, ভ্যাট আদায় ও জমা না দেয়া, অনিয়মিত প্রিমিয়াম আদায়, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে হিসাব খুলে আত্মসাত, বেসরকারী বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে ক্ষতিপূরন না আদায়ের মাধ্যমে এসব অর্থ লুপাট হয়। (নভেম্বর১১ সাপ্তাহিক২০০০)
১১. এ সরকারের সময়ে ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে আলোচিত জালিয়াতি হলমার্ক নিয়ে আমর কোন তথ্য নেই। আশা করি সবাই জানেন।
১২. ২৮জুন ২০১০ অর্থ মন্ত্রী সংসদকে জানান ১জানুয়ারী ২০০৯ হতে ২০জুন ২০১০ পর্যন্ত রাষ্ট্রয়ত্ত চারটি ব্যাংক মোট ১৬৬২ কোটি ৫১ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা সুদ মওকুফ করেছে।(২৮জুন২০১০ বাংলা নিউজ)
বর্তমান সরকারের সাড়ে চার বছরে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করা হয়েছে।
(দাতা হাতেম তাই এতটা উদার ছিলেন বলে মনে হয় না)
যেতে যেতে একটা স্লোগান দিয়ে যাই
বাপ-ভাইদের জানিয়ে যাই
নৌকা মার্কায় ভোট চাই
নৌকা মার্কায় দিলে ভোট
ব্যাংকে ব্যাংকে হবে লুট।
মৃত মানুষ যদি জীবিত মানুষের কর্মকান্ড পড়তে ও দেখতে পারে তবে আমার আজকে ব্লগ পড়ে সবচেয়ে খুশি হবেন প্রধানমন্ত্রী ভ্রাতা মরহুম শেখ কামাল। সে জন্য এই ব্লগটা মরহুম শেখ কামালকে উৎসর্গ করলাম।
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৩৫
নেয়ামূল হক বলেছেন: পড়ে আসব। দাওয়াতের জন্যে ধন্যবাদ।
২|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৪২
মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: একটু তুলনা করুন -
কার্পেটে ঘুমানো এক প্রেসিডেন্টের বিদায়
-----------------------------
পেশায় শিক্ষক আহমেদিনেজাদ রাজনীতিতে আসেন ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পরপরই। ২০০৩ সালে মেয়র নির্বাচিত হন তেহরানের। এরপর ক্রমশ এগিয়ে যান তিনি। দুই বছর তেহরানের মেয়র থাকার পর জনগনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন ইরানের প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরপরই তিনি তার অফিসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন। প্রেসিডেন্ট ভবনের দরজা-জানালা খুলে দেয়া হয় সাধারণের জন্য। প্রেসিডেন্ট অফিসে সপ্তায় পাঁচ দিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ ইরানিদের চিঠি গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রেসিডেন্ট হয়েও আহমেদিনেজাদের জীবনধারণ ছিল একেবারেই সাধারণ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েই প্রেসিডেন্ট ভবনের দামি কার্পেটগুলো তেহরাণের মসজিদে দান করে দেন। এরপরিবর্তে সাধারণ মানের কার্পেট বিছানো হয় প্রেসিডেন্ট ভবনে। প্রেসিডেন্ট ভবনের ভিআইপি অতিথিশালাও বন্ধ করে দেয়া হয়। একটি সাধারণ ঘরেই ভিআইপিদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা রাখা হয়। রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন প্রেসিডেন্ট হয়ে যেতেন আরও সাধারণ। মেঝেতে বিছানো কমদামি কার্পেটেই ঘুমাতেন তিনি। সকালে অফিসে আসার সময় একটি সাধারণ ব্যাগে করে স্ত্রীর তৈরি করে দেয়া খাবার নিয়ে আসতেন আহমেদিনেজাদ। প্রেসিডেন্টের জন্য আলাদা বিমান পরিসেবার ব্যবস্থা থাকলেও তা তিনি পরিণত করেন সাধারণ কার্গো বিমানে।
শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেয়ার আগেও ইতিহাস তৈরি করে গেলেন আহমেদিনেজাদ। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান আয়াতুল্লাহ সাদেক লারিজানির কাছে লেখা এক চিঠিতে আট বছরে অর্জিত সম্পদের হিসাব দিয়ে যান তিনি। যে হিসাবে দেখা যায়, ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার সম্পদে যে পরিবর্তন এসেছে, তা হলো- তিনি তার পুরোনো বাড়িটি পুনর্নিমাণ করেছেন। তবে বাড়িটি পুনর্নিমাণের জন্য তিনি ব্যাংক ও প্রেসিডেন্ট দপ্তরের ফান্ড থেকে ঋণ নেন। প্রেসিডেন্টের দপ্তরের ফান্ড ও ব্যাংক থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য অসংখ্য মানুষ ঋণ নিয়েছেন। প্রেসিডেন্টও সাধারণ একজন নাগরিক হিসেবে সেই ঋণ নিয়েছেন। ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোন ধরনের প্রভাব খাটাননি। একইসঙ্গে বাড়ি পুনর্নিমাণের ক্ষেত্রে তার স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনরাও সহযোগিতা করেছেন।
পুনর্নিমিত দুই তলা ভবনে চারটি ফ্লাট রয়েছে। ওই ভবনেই তিনি ও তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করবেন। যে জমিতে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটার আয়তন মাত্র ১৭৫ বর্গমিটার। জমিটুকু বাবার কাছ থেকে পাওয়া। এরইমধ্যে তিনি সরকারি বাসভবন ছেড়ে দিয়েছেন।
জাফল সালদির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলি, আহমেদিনেজাদ আমাদেরই একজন। তবে আমাদের মত নন।
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৭
নেয়ামূল হক বলেছেন: আহমেদিনেজাদ প্রতি দিন প্রতি দেশে জন্মায় না। তাই সে স্বপ্ন না দেখাই ভাল।
৩|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৫৬
চাদের জোসনা বলেছেন: ভাইজান আপনি আরো কী কী যেন এম এল এম কোম্পানি ছিল না?
ভুলে গেলেন?
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৬
নেয়ামূল হক বলেছেন: মুলত ব্যাংক গুলা নিয়ে লিখেছি। সেজন্যই এমএলএম কোম্পানী গুলা বাদ গেছে, বাদ গেছে শেয়ার বাজারও খেয়াল করেছেন নিশ্চই।
৪|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৩
ফুরব বলেছেন: আওয়ামীলিগের উচু লেবেলের নেতারা ক্ষমতায় গেলে কি করে তা সাধারন ভোটার রা কিছুই জানে না তাই তারা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত খালি লাফায় আর বলে আওয়ামিলিগ ভাল। আওয়ামীলিগের সাধারন লিডার রা এবার টের পাইছে এই দলের উচু নেতারা কি চিজ।
১ সোহেল তাজ নীতির কথা বলতে গিয়ে শেখ সেলিমের লাথিচর খেয়ে দেশ থেকে ভাগছে।
২ গোলাম মাওলা রনি নীতি দেখাইতে গিয়া আজ জেলে।।
আর এক চোরায় উপরে নীতির কথা বলে আর নিচে বস্তা ভরা টাকা সহ ধরা খাইয়া কালো বিড়াল উপাধি পাইছে।।
৩ নুতন সেনাপতি[জয়] ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুস নিয়া পদ্মা সেতুর টেন্ডার বাজি করে সেতুর ১২টা বাজাইয়া আবুলরে চিরদিনের জন্য আবুল বানাইছে।।
এই নির্লজ্জ বেহায়া আওয়ামীলিগকে মানুষ এখনও বিশ্বাস করে আর ভোট দেয়।।
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:২৬
নেয়ামূল হক বলেছেন: এ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন -
সাত কোটি সন্তানের মুর্খ জননী
রেখেছ বঙালী করে মানুষতো করনি।
সংখ্যাটা সাত কোটি থেকে ১৬ কোটিতে উন্নীত হয়েছে বাকী সব ঠিক আছে।
৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:০২
টুনটুন বলেছেন: যে ইন্টারনেট দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের সমালোচনা হয় প্রতিদিন, আজকে সেই ইন্টারনেটের দাম ১৮০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪৮০০ টাকা করা হয়েছে।
৪ বছর আগে যার দাম ছিল ৮০,০০০ টাকা।
এই বাকশালী লিগ আসলেই বহুত খারাপ। এসবের দরকার কী? খালি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাদ দিয়ে ছেড়ে দিলেই মনে হয় ওরা মাফ পাবে।
নয়তো ইন্টারনেট ফ্রি করে দিলেও না।
উপরের কমেন্টে একজন যথার্থই বলেছেনঃ "সংখ্যাটা সাত কোটি থেকে ১৬ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। বাকী সব ঠিক আছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:২৯
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আরে লুটপাটতো হবেই। লুটপাট আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
লেখককে বলছি, বুঝলাম আওয়ামী লীগ খারাপ। তবে আমাদের সামনে এখন অপশন কি? । বিএনপি জামায়াত? তাহলে আগের আমলের দিকে দৃষ্টি দিন। দেখবেন বিদু্যত কৃষিতে যথেষ্ট খারাপ ছিল। কাজেই মন্দের ভালো বাছাই করতে হবে আমাদের। ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করেন। কিন্তু দেখুন বিসিএসের ফরম তুলতে আগের দীর্ঘ ভোগান্তি পোহাতে হয় না। পাঁচ মিনিটে পূরণ জমা এবং প্রবেশপত্র পাওয়া যায়। কাজতো কমও হয় নাই। আপনাকে পড়ার আহবান জানাই।
আগামি নির্বাচনে কাকে ভোট দেওয়া উচিত এবং কেন?
Click This Link