নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপেক্ষায়...

এক্সট্রা এনার্জি এক্সচেঞ্জার

robot_eee

মানুষ হয়েও 'রোবট'। বিতর্কিত বিষয়ে এক্সট্রা এনার্জি এক্সচেঞ্জার। তাই আমি Robot_eee

robot_eee › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর অজানা কথা

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৮



তিনি নিজেকে নাস্তিক বলে দাবীও করেছেন অনেক সময়! আরেক নাস্তিক প্রায়াতঃ আহম্মেদ শরীফ উনার ভাল বন্ধু ছিলেন। উনাদেরকে একই মঞ্চে দেখা যেত। উনারা বাংলাদেশের মানুষকে ধর্ম চর্চা বাদ দিয়ে রবীন্দ্র চর্চা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন! সফল যে হন নাই তা বলা যাবে না। কারন উনাদের অনেক সাগরেদ তৈরি হয়েছে। তাহারা উনাদের আদর্শ মনে ধারন করে যথারিতি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলার মুসলমানদের ধর্মহীন শিক্ষা দেয়ার জন্য। আসুন জেনে নিই জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর কিছু অজানা কথা।



____জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর অজানা কথা____



১. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী অধ্যাপক কবীর চৌধুরী এখন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা।



২. পাকিস্তানের সংহতি রক্ষার কথা বলে মহান মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় দালাল আখ্যায়িত করে ১৯৭১ সালের ১৭ মে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ৫৫জন বুদ্ধিজীবী বিবৃতি দিয়েছিলো সেই ৫৫ জনের ১জন অধ্যাপক কবীর চৌধুরী। সেই দীর্ঘ বিবৃতির অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলোঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ছাত্ররা লেখাপড়া বা খেলাধূলায় ব্যস্ত ছিলো না। তা ছিলো বাংলাদেশ মুক্তি ফৌজের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, তালো মেশিনগান, মর্টার ইত্যাকার সমরাস্ত্রের গোপন ঘাঁটি। ...................আওয়ামী লীগ চরমপন্থীরা এ সহজ সরল আইন সঙ্গত দাবীকে একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণার দাবীতে রূপান্তরিত করায় আমরা মর্মাহত হয়েছি। আমরা কখনও এটা চাইনি ফলে যা ঘটেছে তাতে আমরা হতাশ ও দু:খিত হয়েছি। (দৈনিক পাকিস্তান: ১৭ মে, ১৯৭১)



৩. ১৯৬৯-৭১ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কবীর চৌধুরী পাক হানাদার সরকারের বিশ্বস্ত অনুচর হিসেবে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছে। অনেক মিডিয়াতে এখন তার বাংলা একাডেমীর পরিচালক হিসাবে দেখানো হচ্ছে কিন্তু সময়কালটা দেখানো হচ্ছে না কেন??



৪. পাকিস্তানের সংহতি রক্ষার জন্য পাক সরকারের প্রতিষ্ঠিত "রাইটার্স গিল্ড" এর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছে ১৯৬১ সালে। এ সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সামরিক শাসক ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ুব খাঁন । সংগঠনটির সদস্যদের প্রধান কাজ ছিল আইয়ুব খানের চাটুকারী ও তোষামোদি করা



৫. স্বৈরাচারী পাক শাসক আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের পক্ষে জনমত তৈরিতে গর্বিত রাইটার্স গিল্ডের সদস্য ছিলো কবীর চৌধুরী।



৬. কবীর চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের পরপরই বোল পাল্টে আওয়ামী লীগের একান্ত কাছের ব্যক্তি বনে গেছেন, হয়েছেন তাদের বড় থিংকট্যাংক। এই অধ্যাপক আইয়ুব খানের থিংক ট্যাংক হিসেবেও বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে তার জবানিতেই তুলে ধরা হলো তাঃ “প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বলেছেন, আমরা এখন জাতীয় উন্নতির কথা বলি তখন আমাদের চোখের সামনে বড় বড় শহর, বড় বড় কারখানা এবং এমারতের ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু এই গুলোই যথেষ্ট নয়। নৈতিক ও ধর্মীয় উন্নতি ছাড়া কোন জাতির উন্নতিই সম্পূর্ণ হতে পারে না। এই উক্তিতে প্রেসিডেন্ট যে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের উপর জোর দিয়েছেন তা মূলত: ইসলামী আদর্শ থেকেই গৃহীত হয়েছে। (সূত্র: পাকিস্তানী নেশন হুড এনবিআর-প্রকাশিত)।



৭. অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর বড় ভাই কাইয়ুম চৌধুরী পাকিস্তান আর্মির একজন কর্নেল হিসেবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তানেই থেকে গেছে। পরে ব্রিগেডিয়ার হিসেবে অবসর নিয়ে এখনও পাকিস্তানেই অবস্থান করছে।



৮. ১৯৬৭-৬৯ সালের ঘটনাঃ আনন্দমোহন কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হওয়ার আশায় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তানের কুখ্যাত গভর্ণর মোনায়েম খানের পা ছুঁয়ে কদমবুচি করেছে। (সূত্র: তৎকালীন মোমেনশাহী ডিসি, পিএ নাজির লিখিত স্মৃতির পাতায়)।



৯. ময়মনসিংহ এ এম কলেজের প্রিন্সিপ্যালের দায়িত্ব পালনকালে তার পৃষ্ঠ-পোষকতায় মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন এনএসএফ ছাত্র রাজনীতিতে আমদানি করে হকিস্টিক ও আগ্নেয়াস্ত্র। ছাত্র রাজনীতিতে অস্ত্র আমদানির গুরু এই পাক দালালের হাত দিয়ে!



১০. পাক- দালাল হওয়ায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্দ চলাকালে কবীর চৌধুরীকে সৈয়দ আলী আহসান, আবু সাঈদ চৌধুরী, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, শওকত ওসমান, ড. ইবনে গোলাম সামাদ, আসাদ চৌধুরী, আল মাহমুদ প্রমুখের মত ভারতে যেতে হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বুদ্ধিবৃত্তিক দায়িত্ব পালন করার জন্য বরং সে পাক হানাহাদারদের পা কামড়ে ছিলো এদেশেই দেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে অতি প্রগতিশীল সেজে গেছে বিরাট মুক্তিযোদ্ধা। হায় আফসোস ১৯৭১ এর ঘাতক দালাল কবীর চৌধুরী স্বাধীন বাংলাদেশের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা। সত্যি সেলুকাস বিচিত্র এদেশ।



জনাব কবির চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবীদার আওয়ামী সরকার কর্তৃক জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন! এখন তিনি সরকারের উচ্চতম চিন্তাশীল বুদ্ধিজীবী, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং সেই তিনিই আবার ঘাতক দাদাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা!




জনাব কবির চৌধুরী আরো বলেছেন, 'মসজিদের আজান শুনলে তার কাছে বেশ্যার খরিদ্দার ঢাকার মত মনে হয়'। পুরো জীবন ভর বেশ্যার সাথে চলা ফেরার কারণে তিনিই ভাল জানতেন বেশ্যারা কিভাবে কাষ্টমার ডাকেন। যোদিও তা আমাদের জানার কথা নয়।



মানুষ মারা গেলে তাঁকে নিয়ে কথা বলা যাবে না?? তাহলে কি ফেরাউনকে নিয়ে কথা বলা যাবে না?? মারা গেছেন তাই উনার খারাপ দিক আর তুলব না। তবে উনি যেহেতু নাস্তিক বলে দাবি করেছেন তাই উনার মৃত্যুর সৎকার্য কিভাবে সম্পন্ন হবে সেটি কি বলে গেছেন? পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর আগেই কবীর চৌধুরী তাঁর মৃত্যু-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে শেষ ইচ্ছার কথা লিখে গেছেন। তাঁর শেষকৃত্য নিয়ে কোনো ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন হোক, তা তিনি চাননি। বাংলা একাডেমীর মাসিক উত্তরাধিকার পত্রিকা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছিল তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘নাই বা হলো পারে যাওয়া’। পত্রিকাটির এ বছরের আশ্বিন সংখ্যায় তাঁর ওই ধারাবাহিকের সপ্তম পর্বের একটি অংশে মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ নিয়ে কী করা হবে, সে সম্পর্কে কিছু ইচ্ছার কথা লিখে যান। তিনি লিখেছেন, ‘আমি মৃত্যুর পর দ্রুত সমাহিত হতে চাই। চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে হলেই ভালো হতো। নিকটস্থ মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। একটি জানাজাই হবে। তার বেশি নয়। আমার মরদেহ শহীদ মিনার, বাংলা একাডেমী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি কোথাও কারো শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে না। কোনো মিলাদ, কুলখানি, চল্লিশা ইত্যাদি হবে না। আমি সেখানে সমাহিত চাই, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের পর আরেকজন সমাহিত হতে পারবেন আমার কবরের ওপরেই।’

‘নাই বা হলো পারে যাওয়া’ ছিল লেখকের জীবদ্দশায় আত্মজীবনীমূলক সর্বশেষ প্রকাশিত রচনা।



তিনি চেয়েছিলেন শেষবারের মতো তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেতে। সেই ইচ্ছাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে বাদ আসর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া দেওয়া হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তি এবং সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তার মরদেহ শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে দাফন করা হয়।



[তথ্যসূত্রঃ এখানে]

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শাববির বলেছেন: +++++++++++

২| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

জোবেদ বলেছেন: বুঝলাম না আসলে......আপনার লিখা সতি্য হলেতো একজন রাজাকার দেশের জাতীয় অধ্যাপক ছিল.......আর দেশ একজন রাজাকারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করলো.......???????!!!!!!

৩| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৪

শ্রাবণ নজরুল বলেছেন: " জনাব কবির চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবীদার আওয়ামী সরকার কর্তৃক জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন! এখন তিনি সরকারের উচ্চতম চিন্তাশীল বুদ্ধিজীবী, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং সেই তিনিই আবার ঘাতক দাদাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা! "
............ সত্যি সেলুকাস বিচিত্র এদেশ !!

৪| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২১

সানাউল্লাহ তুষার বলেছেন: শ্রাবণ নজরুল বলেছেন:............ সত্যি সেলুকাস বিচিত্র এদেশ !!

৫| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৪

লুথা বলেছেন: Bapre Bap

৬| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৬

আহমদ শরীফ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যারা ধারণ করেন বলে দাবি করেন

তারা কিছু বলুন দয়া করে, তথ্যগুলো কতটুকু সঠিক ?

৭| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৮

সিকদার বলেছেন: জোবেদ বলেছেন: বুঝলাম না আসলে......আপনার লিখা সতি্য হলেতো একজন রাজাকার দেশের জাতীয় অধ্যাপক ছিল.......আর দেশ একজন রাজাকারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করলো.......???????!!!!!!
গো আযম তাইলেতো এক্কেবারে নির্দোষ।

৮| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৭

বটতলার টারজান বলেছেন: চোরের এত কাহিনী মরার পরে বের হল কেন ? এইটা আবার জাতীয় অধ্যাপক কেমনে হইছে? B:-) B:-)

৯| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৭

দাউদ রনি বলেছেন: উনি মোটেও নাস্তিক ছিলেন না।
কিছু পাবলিক আছে, উদার ধরনের লোক/কিছুটা যুক্তিবাদী মানুষ দেখলেই নাস্তিক মনে করে। X(

....................
'মসজিদের আজান শুনলে তার কাছে বেশ্যার খরিদ্দার ঢাকার মত মনে হয়'। এই কথা মোটেও কবীর চৌধুরীর নয়। একটু পড়াশোনা বা ঘাটাঘাটি করে পারলে বের করেন এটা কার কথা। খুবই বিখ্যাত একজনের কথা এটা।

১০| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২১

মোঃ মোশারফ হোসেন বলেছেন: পুরাই বদমায়েশ। এই হারামি আবার শিক্ষানীতি প্রনয়ন করে? বিচিত্র এই দেশ! X( X( X(

১১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৯

রাইসুল জুহালা বলেছেন: জনাব কবির চৌধুরী আরো বলেছেন, 'মসজিদের আজান শুনলে তার কাছে বেশ্যার খরিদ্দার ঢাকার মত মনে হয়'।

ঘোড়ার ডিম। X(( এই কথা শামসুর রাহমান বলেছিলেন। তাও সরাসরি বলেননি, তার একটা কবিতার লাইন ছিল।

১২| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৪

মিশুক৩১ বলেছেন: munir chowdhury and kabir chowdhury vai sunlam????

১৩| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৪

আবু ইউসূফ হেজাযী বলেছেন: চলে যেতে হল এটাই বড় কথা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.