নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Our sweetest songs are those that tell of saddest thought (Shelly).

রূপক বিধৌত সাধু

মন রে, কৃষিকাজ জানো না; এমন মানবজমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা! রামপ্রসাদ সেন ([email protected])

রূপক বিধৌত সাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার সর্বাধিক পছন্দের বাংলা গানগুলি

০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল পছন্দের কিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি, যে গানগুলো প্রায়ই শোনা হয়।

যখন মন প্রচন্ড খারাপ হয়, মনে হয় দুনিয়ায় কেউ নেই আমার তখন কারও আপন হইতে পারলি না অন্তর, আমার শূন্য ভিটায় কেউ বাঁধল না ঘর এই গানটা শুনি। এর পর আসে আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলই ফুরিয়ে যায়, মা। আরেকটা আছে এই সংসারে কেউ নয় আপন জনা

ছেলে বুলবুল মারা যাওয়ার পর শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় লিখেছিলেন নজরুল; গানটা বুক বিদীর্ণ করে দেয়। বাবা মারা যাওয়ার পর গানটির প্রাসঙ্গিকতা অনুভব করি। মাকে নিয়ে সাদী মহম্মদের মধুর আমার মায়ের হাসি অগ্রগণ্য।

শ্যামা সঙ্গীত ভেবে দেখ মন কেউ কারও নয় মনকে ব্যথিত করতে একাই একশো। বারী সিদ্দিকীর কণ্ঠে উকিল মুন্সীর আমার গায়ে যত দুঃখ সয় বন্ধুয়ারে করো তোমার মনে যাহা লয়শোয়া চাঁন পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি? গান দুটো শুনে চোখ মোছেনি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।

রবীন্দ্র সঙ্গীত-
ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে বহে কি বা মৃদু বায়
ও যে মানে না মানা, আঁখি ফিরাইলে বলে না, না, না।
যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে
তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে কেউ তা জানে না
মেঘ বলেছে যাব যাব
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা তুমি আমার সাধের সাধনা
ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে
তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে
চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে
আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
সেদিন দু’জনে দুলেছিনু বনে
আমার পরাণ যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গো
তোমায় গান শোনাব
যখন এসেছিলে অন্ধকারে চাঁদ ওঠেনি সিন্ধুপারে
তুমি কোন কাননের ফুল
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন মনরে আমার
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি তোমায়
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে

নজরুলগীতি-
আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়
আমারে দেব না ভুলিতে
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সে কি মোর অপরাধ
আমায় নহে গো ভালোবাসো
শাওন রাতে যদি
মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম
বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে দিস নে আজই দোল
জনম জনম তব তরে কাঁদিব
মসজিদের পাশে আমায় কবর দিও ভাই
খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশুর আনমনে
আমি যদি আরব হতাম মদিনারই পথ
তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে
আমার শ্যামা মায়ের কোলে চড়ে
হে গোবিন্দ রাখো চরণে
সখি, সে হরি কেমন বল
ব্রজগোপী খেলে হরি
মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর, নমো নম
হারিয়ে গেছে ব্রজের কানাই তারাবতীর দেশে
তুমি যখন এসেছিলে তখন আমার ঘুম ভাঙেনি

লালনগীতি-
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়?
বাড়ির কাছে আরশি নগর
আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়
সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে
সেই কালা চাঁদ নদে এসেছে
যেখানে সাঁইর বারামখানা
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে
রবে না এ ধন জীবন ও যৌবন তবে কেন মন এত বাসনা
মিলন হবে কতদিনে

হাসনরাজার গান-
মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়ারে
লোকে বলে বলে রে ঘর বাড়ি ভালা নাই আমার
হাসন রাজায় কয় আমি কিছু নয় রে আমি কিছু নয়
সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল
নেশা লাগিল রে

রাধারমনের গান-
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় জ্বলিয়া
আমারে আসিবার কথা কইয়া মান করে রাই রইয়াছ ঘুমাইয়া
কারে দেখাব মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
আমার বন্ধু দয়াময় তোমারে দেখিবার মনে লয়

শাহ্ আবদুল করিমের গান-
মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়নারে
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
আমি কুলহারা কলঙ্কিনী আমারে কেউ ছুঁইয়ো না গো সজনী
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়
সোনা বন্ধু ভুইল না আমারে
কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু ছেড়ে যাইবা যদি
তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো

দেশাত্মবোধক গান-
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ও আমার দেশের মাটি তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা
গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙ্গামাটির পথ
প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যরাগে

আরও কিছু গান-
কতদিন দেখিনি তোমায় তবু মনে পড়ে তব মুখখানি
আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে
এনেছি আমার শত জনমের প্রেম
কতকাল দেখিনি তোমায় একবার তোমায় দেখি
পাখি রে তুই খাঁচা ভেঙে আমার কাছে আয়
চাঁদনি পসরে কে আমায় স্মরণ করে
কত কাঁদলাম কত সাধলাম তুমি আইলা না
ভালোবাসি বলে বন্ধু আমায় কাঁদালে
ও কারিগর দয়ার সাগর
ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, রইব না আর বেশিদিন তোদের মাজারে
একটা হাওয়ার গাড়ি
মরিলে কান্দিস না আমার দায় রে জাদুধন
জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাস মোরে
আমার মন মজাইয়া রে দিল মজাইয়া
ধর্মতলার পথটা গুরু দাও না আমায় বলে
বন্ধু মনাই সওদাগর
হরি দিন তো গেল সন্ধা হলো পার করো আমারে
জন্মিলে মরিতে হবে এই তো নিয়ম খোদার দুনিয়ায়
মনে প্রেমের বাত্তি জ্বলে বাত্তির নিচে অন্ধকার
তোমরা ভুলে গেছ মল্লিকাদির নাম
দয়াময়, মাফি মাঙি তোমার দরবারে
আমার সারা দেহ খেও গো মাটি
পরানবন্ধু রে আমি তোমার নাম লইয়া কান্দি
মা তুমি আমার আগে যেও না গো মরে
কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো
আধোরাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়
ডাকে পাখি খোলো আঁখি
তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও
লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে
আমার একটা নদী ছিল
সখি চলো না জলসাঘরে এবার যাই
আইজ পাশা খেলব রে শ্যাম
পথের ক্লান্তি ভুলে
কে জানে কত দূরে সুখের ঠিকানা
দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা বন্ধু চিরকাল
আমার নয়নে লাইগাছে যারে গো সখি
যাও পাখি বলো তারে
কোন সাধনে পাব তোমারে
কঠিন হাশরের দিনে
শোনো মুমিন মুসলমান করি আমি নিবেদন
আছেন আমার মোক্তার
চক্ষের নজর এমনি কইরা একদিন ক্ষইয়া যাবে
মনমাঝি খবরদার
কাইন্দো না কাইন্দো না গো রাই
রাই জাগো গো
আমার সোনার ময়না পাখি কোন দেশেতে গেলা উইড়া রে
তোমরা আমারে নাইওর নিতে আইব
দেখেছি রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা
যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো এক বরষায়
আমার শ্যাম যদি হইত মাথার কেশ
আমি কেমন করে পত্র লিখি রে বন্ধু

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: বাহ্‌ ! অনেকদিন পর গানের পোস্ট। সবগুলো পছন্দের গানের লিস্ট পেয়ে গেলাম এক জায়গায়, অসংখ্য ধন্যবাদ।

০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৪০

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। সময় নিয়ে পছন্দের সব গান যুক্ত করার ইচ্ছে আছে।

২| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৩১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভালো গানের সংকলন। ধন্যবাদ।


০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৪১

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: উপর্যুক্ত গানগুলো প্রচলিত। সবারই শোনা আছে। তাও একসাথে সংগ্রহ করে রাখছি।

৩| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খুব ভালো,
সময়মতো শুনতে পারবো ।
অসংখ্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.