| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভোর চারটায় মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা দেওয়া হল চাঁদে সাঈদীর প্রতিচ্ছবি স্থাপিত হয়েছে। মহান আল্লাহতালা সাচ্চা মুসলিমদের জন্য ইশারা পাঠিয়েছেন জিহাদে নেমে পড়ার। ব্যাস এতোটুকুই কিন্তু দরকার ছিল কাতারে কাতার নিরীহ ধর্মপ্রান মানুষকে রাস্তায় নামাতে। আর এ গল্প আপনার কাছে যত আষাড়েই মনে হোক না কেন আপনাকে বুঝতে হবে এ হচ্ছে ধর্মোন্মাদনা যা ছড়িয়ে পড়ে দাবানলের মত।
অন্যদিকে লুটকরে জ্বালিেয় দেওয়া হচ্ছে হিন্দু ঘরবাড়ি। যা সুড়সুড়ি দিয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার নামান্তর। আজ যারা মার খেয়েছে কাল তারা উঠে দাড়াবে এটাই নিয়ম। খুব বেশি দুরে যেতে হয় না। আমরা কিন্তু হজরত বাল মসজিদ ইস্যূ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির টানাপোড়ন দেখেছি। দেখেছি ১৯৪৬ এর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং যখন গঙ্গা-পদ্মা দিয়ে পট কচুরিপানার মত ভেসে যেত হিন্দু অথবা মুসলমানের লাশ। সেই দাঙ্গা ঠেকাতে সব ফেলে গান্ধিকে এসে পড়ে থাকতে হয়েছিল বাংলার নোয়াখালিতে। সেই সময়কার বিভীষিকাময় নারকীয় হত্যাকান্ডকে এক কথায় শুধু বলা যেতে পারে হিন্দু ও মুসলমানেরা একে অপরকে কচুকাটা করছিল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি সেই সময়ের দিকে হাটা শুরু করেছি? একয় দিনে জামাত-শিবিরের হরতালে যত মানুষ প্রান হারিয়েছে তারা কি সবাই জামাত কর্মী ছিল নাকি প্রতারনার শিকার কিছু সাধারন মানুষ ও ছিল। যদি সেই মৃত্যুর মিছিলে সাধারন মানুষ থেকে থাকে তার অনুপাতিক হার জামাত কর্মীর থেকে বেশি না কম? এবং সর্বপরি আমরা এই নারকীয় হত্যা যোগ্য থামাতে কি উদ্দ্যোগ নিয়েছি?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় বিরোধীদলিয় নেত্রী এই মৃত্যুর দায় আপনাদেরকেই নিতে হবে। এইদায় আপনাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও অদূরদর্শীতার। কিভাবে একটা গনতান্ত্রীক দেশের দুই নেত্রী মুখদর্শন বন্ধ রাখেন দিনের পর দিন বছরের পর বছর। আজ দেশের এই হানাহানি বন্ধের জন্য আপনাদের ঐক্যের বড় প্রয়োজন। মাননীয় নেত্রীদ্বয় গোর্য়তুমি বন্ধ করুন। ১৬ কোটি যন্ত্রনা কাতর মুখের দিকে তাকিয়ে আলোচনার টেবিলে বসুন। নিজেকে আরও একবার যোগ্য অভিভাবক রুপে প্রমান করুন।
©somewhere in net ltd.