![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একদিন তুমি এসেছিলে ভবে,কেঁদেছিলে তুমি হেসেছিলো সবে... এমন জীবন করিবে গঠন,মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন......
অন এয়ারপোর্ট ফটোকপি
২৯ শে মার্চ পনেরো সকাল ০৯৪০ এ আমার ফ্লাইট।যথারীতি সকাল আটটার ও আগে আমি এয়ারপোর্ট পৌছে গেছি।
বোর্ডিং পাসে বাধলো বিপত্তি, বোর্ডিং আমার ওকে টু বোর্ড (স্যী ম্যান দের একটি পেপার,যাহা জাহাজে ওঠার নিশ্চয়তা বহন করে) রেখে দিতে চায়। আমি বিনীত হয়ে বল্লাম ম্যাডাম এটা তো ইমিগ্রেশন অফিস্যার চাইতে পারে,আমার কাছে একটিই কপি আছে।
বোর্ডিং কর্মকর্তা আমার চেয়েও বিনীত ভাবে বল্লেন" দয়া করে একটি কপি করে নিয়ে আসুন" আমি মুখ সুকনো করে বল্লাম জ্বী আচ্ছা!
বের হয়ে এদিক ওদিক তাকাতেই আমার চোখমুখ উজ্জল হয়ে উঠলো। আমার বাৃ দিকে "হেল্প ডেস্ক" ডানদিকে "প্রবাসী কল্যান ডেস্ক"
আমি হেল্প ডেস্ক এর দিকে ছুটে গিয়ে আমার সমস্যা জানালাম।ওনারা অপারগতা প্রকাশ করলেন। আমাকে জানানো হলো এখানে ফটোকপির সিস্টেম নাই। প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ যান বলে হাত উচিয়ে প্রবাসী কল্যান ডেস্ক দেখিয়ে দিলেন।
আমি প্রবাসী কল্যান ডেস্ক এর দিকে ছুটে গিয়ে সমস্যা জানালাম। আমাকে জানানো হলো ওনাদের ফটোকপিয়ার নষ্ট,আপনি হেল্প ডেস্কের দিকে যান,উনিও হাত উচিয়ে হেল্প ডেস্ক দেখিয়ে দিলেন,ওনার হাতের সাথে সাথে আমার চোখ হেল্প ডেস্কের দিকে গেলেও শরীর গেন না।
মনে পড়ল পার্কিং লটের স্টল টাতে মেইবি অনেক আগে একটি ফটোকপিয়ার দেখেছিলাম। ইনার ওয়ের পুলিশ কে রিকোয়েস্ট করে বেরিয়ে গেলাম!
নাই,আমি দৌড়ে মেইন রোডে চলে এলাম,ওভার ব্রিজের সাথে একটি স্টেশনারির দোকান দেখেছি ওখানে থাকতে পারে,
নাই,
একজন বুদ্ধিদিলো রাস্তার ওপারে পাবেন,ওভার ব্রিজ দিয়ে দৌরে রাস্তা পার হয়ে গেলাম।
আরো কিছুদূর যাওয়ার পর একটি দোকান পেলাম,দোকানদার যথেষ্ট ধুরন্ধর!
কম্পিউটার প্রিন্টার দিয়ে বিজনেস করেন,আমাকে জানানো হলো ফকি কাজ করছেনা,স্ক্যান করে কপি করে দিতে হবে ৩০ টাকা লাগবে।
কপি করানোর পর হতে সময় নাই,একটি সিএনজি ডেকে চোখে দেখার দূরুত্ব এয়ারপোর্ট এ যেতে ভাড়া জানতে চাইলেই জানাল দেড়শত টাকা।
ফরেন কারেন্সি অর্জন করে আমরা দেশ পরিচালনায় যে ভূমিকা রেখে থাকি তার সামান্য অংশ সাহায্য দেশে সরকার থেকে পাই না!বিনিময়ে পাই হয়রানি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য।
যারা কোটি ডলার পাঠায় সরকার তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়,দিক কোন অসুবিধা নেই।যারা পাঁচ শত ডলার ইনকাম করে চারশো নব্বুই ডলার পাঠায় তারা ক্রেস্ট চায় না,সরকারের সামান্য আন্তরিকতা চায়।
প্রতিবার বাইরে যাওয়ার সময় আমি হাতে যতক্ষন সময় থাকে আমি দেশের ভাইদের ইমিগ্রেশন ফর্ম পূরন করে দেই,খুব খারাপ লাগে যখন বলতে হয় ভাই আমার প্লেনের সময় হয়ে যাচ্ছে.....দিনে আঠারো ঘন্টা কাজ করতে আমাদের সমস্যা হয় না,সমস্যা হয় এয়ারপোর্ট এর কায়দা কানুনে। সরকার কি পারেনা প্রবাসীদের জন্য নিয়ম কানুন শিথিল করে প্রবাসী কল্যান ডেস্কটাকে হেল্পফুল করতে???
১০ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১:০৭
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: এগুলো তো পানামা বিজনেস(পড়ুন মাংকি বিজনেস)।পুঁজিবাদ বড়ই রহস্যময়!
২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:৫২
অশ্রুকারিগর বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা পড়ে খুব খারাপ লাগলো। কিন্তু কি করবেন, যাদের শুনার কথা তাদের কর্ণকুহরে এই কথাগুলো পৌছাবে না। সহানুভুতি ও ভালোবাসা রইলো সকল প্রবাসীদের প্রতি ।
১০ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:০০
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: যাক আপনার যে খারাপ লেগেছে এতেই আমার লেখা সার্থক।আজকাল আমাদের ভেতর থেকে অন্যের কষ্টে নিজে কষ্ট পাওয়ার মানসিকতা উঠে যাচ্ছে।
৩| ১১ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ২:৫১
ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: আমাদের সমস্যা দেখার কেউ নাই।
১৩ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:১০
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: সমস্যা দেখার মত মানুষ অনেক আছে,বাট তারা এগুলো নিয়ে ভাবতে চান না।
৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:১৮
জাগরিত নিদ্রা বলেছেন: প্রতিবার হেনস্তা হতে যাই, প্রতিবারই অফিসিয়াল পাস্পোর্ট দেখে স্যার সম্বোধন পুর্বক ছেড়ে দেয়। কবে যে গালে থাপ্পর লাগাই বুঝতে পারি না।
১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:৩০
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: ঠিক বুঝলাম না আপনার কথা,একটু ক্লিয়ার করলে ভাল হয়।
৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:৪২
জুন বলেছেন: যারা রেমিটেন্স আনে সেই সব প্রবাসীদের জন্য কোন সহায়তা নেই , কিন্ত যারা টাকা পাচার করে তাদের জন্য আছে । আমরা প্লেনে বসে কত দেশি ভাই এর এম্বার্কেশন ফর্ম পুরন করে দেই । মায়া লাগে তাদের অসহায় চেহারা দেখলে । কিন্ত এয়ারপোর্টের তথাকথিত হেল্প আর কল্যান ডেস্কের কোন বিকার নেই..।
সহানুভূতি রইলো ।
১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:৫৪
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: যথার্থ বলেছেন।অসৎ ব্যক্তিদের জন্য ইহ স্বর্গ রাজ্য বটে!
৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:৩১
অদৃশ্য বলেছেন:
দুঃখজনক... আরও অনেক অভিযোগের কথা শুনেছি... পরিবর্তন আসুক এমনটাই প্রত্যাশা...
শুভকামনা...
১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:৫৫
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: আমাদের সকলের সচেতনতা পরিবর্তন ঘটাবে আশা করি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৮
চাঁদগাজী বলেছেন:
যারা কোটী ডলার কামাচ্ছে, তআডের অনেকেই বাংলাদেশ থেকে সময় সময় টাকা নেয়; বসুব্ধরা, ও জহুরুল ইসলামের কোম্পানী আমেরিকায় রিয়েলস্টেট ব্যবসা করছে, মিলিয়ন মিলিয়ন আয় করছে; টাকা কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এনেছে; এরা ভয়ংকর ভয়ংকর ক্রিমিনাল