নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

http://www.heritagebangladesh.co/

পাখি উড়ে গেছে!

রেজোওয়ানা

সেদিন আমি থমকে পথের মোড়ে হঠাৎ দেখি বদলে গেলো সব চেনা পথে জারুল ফুলের রঙ্গে খুব ছিলো তার চেনা অনুভব! বদলে গেলো জেব্রা ক্রসিং, নিয়ন আলোর শহর অদল বদল খুব কার হাতে কার পরশ লেগে ছিলো সেসব কথা, বৃষ্টিতে নিখুত!

রেজোওয়ানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছোট বেলায় মা'র কাছে শোনা একটা গল্প...........

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:০৮

এক দেশে ছিল একটা ঘন সবুজ বন। সেই বনে অনেক পশু পাখির সাথে সাথে সুন্দর সাদা তুলতুলে একটা খরগোশ, আর লাল একটা হোৎকা শিয়ালও বাস করতো। এদের দু'জনার মধ্যে ছিল খুব বন্ধু।



তারা এক সাথে বনের মধ্যে ছোট ঝিরঝির করে বয়ে যাওয়া যে নদীটা ছিল তার তীরে প্রতিদিন খেলতো। এক সাথে খাওয়া দাওয়া করতো, আবার গাছের ছায়ায় ঘুমাতো।

এভাবে বেশ ভাল ভাবেই তাদের দিন গুলো কেটে যাচ্ছিল।

হেমন্তের মিঠে হাওয়ার দিন শেষ হয়ে এক সময়ে শুরু হলো শীত কাল।

খুব শীত পরলো সেবার, বরফ টরফ পরে একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা!!

এই সময়ে তো আর বাইরে ঘোয়াঘুরি করা যায় না, তাই খরগোশ, শিয়ালকে বললো "চল ভাই আমরা দুজনে দুটো ঘর বানাই। তারপর একদিন আমি তোমার বাড়ি গিয়ে থাকবো, আরেক দিন তুমি আমার বাড়ি। খুব মজা হবে"!

যেই কথা সেই কাজ, শিয়াল বরফ দিয়ে খুব সুন্দর একটা বাংলোবাড়ি তৈরি করলো। রোদ পরে সেই সাদা বাড়ি চিকচিক করে উঠলো।





আর খরগোশ বানালো কাঠের একটা সাদামাটা ঘর।

সেটা দেখে শিয়াল তো হেসেই বাচে না, বলে "এটা কি বানিয়েছিস!! ছি ছি তোর রুচি এত খারাপ!!"



যাই হোক এই বাড়ি গুলোতেই তারা শীতকালটা পার করলো!

এর পরে শীত গিয়ে গ্রীষ্ম আসলো, আর রোদের তাপে শিয়ালে বরফের ঘয় গেলো গলে। তখন পাজী শিয়ালটা করলো কি, পুরানো বন্ধুতের কথা ভুলে খরগোশে বাড়িটা দখল করে নিল। আর খরগোশকে বাড়ি থেকে দিল বের করে।



বেচারা খরগোশ মনের দু:খে কাদতে কাদতে বনে মধ্যে দিয়ে হেটে হেটে এমন সময় দেখা হলো এক গন্ডারের সাথে। গন্ডার বললো কাঁদছিস কেনরে খরগোশ।

তখন খরগোশ সব ঘটনা খুলে বললো, শুনে গন্ডার বলে, " শিয়ালটা এতো পাজী!! চল, দেখাচ্ছি ওকে মজা"

খরগোশ তখন গন্ডারকে পথ দেখিয়ে ওর বাড়ির কাছে নিয়ে আসলো।

বাড়ির সামনে এসে গন্ডার শিয়ালকে বললো " পাজি, হতচ্ছাড়া বের হয়ে আয়! আজ তোর একদিন কি আমার একদিন"

আর শিয়াল বেরতো হলোই না উল্টো গন্ডার কে দিল একটা ঝারি , বললো "ভাগ তুই এখান থেকে নোংড়া গন্ডার, না হলে তোকে এমন হাকরান হাকরাবো যে তোর হাড় একদিকে করবো, মাংস আরেক দিকে করবো"।



এই কথা শুনে গন্ডারের গেলো পিলে চমকে, সে পালিয়ে গেলো।

তখন খরগোশ আবার কাঁদতে কাঁদতে হাটতে শুরু করলো, এবার তার সাথে দেখে হলো হাতির। হাতিও তাকে সাহায্য করতে আসলো, কিন্ত শিয়াল আবারও হাতিকে দিল তাড়িয়ে। এভাবে ভাল্লুক, বাঘ, মোষ সবাই একে একে এসে ব্যার্থ হয়ে ফিরে গেলো।





সব দেখে খরগোশ ভাবলো, নাহ, আর থাকবোই না আর এই বনে, চলে যাবো এখান থেকে। এই ভেবে কাঁদতে কাঁদতে সে ২২ টা রুমাল ভিজিয়ে ফেললো।

এমন সময় তার সঙ্গে দেখা হলো এক ঝুটি ওয়ালা মোরগের।



মোরগ বললো, "কি হয়েছে, কাঁদছিস কেন তুই?"

খরগোশ বললো, সে কথা তোমাকে বলে আর কি হবে, বনে বড় বড় পশুরাই কিছু করতে পারলো না, আর তুমি তো কোন ছাড়!!

তবুও মোরগ শুনেই ছাড়বে কি হয়েছে, বাধ্য হয়ে খরগোশ সব কথা খুলে বললো তাকে।

শুনে মোরগ বলে" ও এই ব্যাপার!! চল আজকেই তোর বাড়ি আমি উদ্ধার করে দেবো। তুই শুধু দেখবি, কোন কথা বলবি না।"



তখন খরগোশ মোরগকে তার বাড়ীর পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল।

বাড়ির সামনে গিয়ে মোরগ গলা রগ ফুলিয়ে বলে উঠলো...



কোরক কোরক কোরক,

মোরগ এসেছে।

কৃপান তুলেছে,

ধরবে শিয়াল, করবে জবাই।

কোরক কোরক কোরক।



এই হাক শুনেতো শিয়ালের গলা গেলো শুকিয়ে, ভাবলো এটা না জানি কোন পশু, পালাই সময় থাকতে!

এইনা ভেবে সে বাড়ির পেছেনের দরজা দিয়ে পালিয়ে একেবারে পাগারপার হয়ে গেলো!



আর খরগোশ তখন তার নিজের বাড়িতে সুখে, শান্তিতে বাস করতে লাগলো।









ছোট বেলার মার কাছে এই গল্পটা শুনেছি, এখন আমি সোহাকে শোনাই। সে খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে এটা, কি বোঝে কে জানে!!

বড় হয়ে সেও কি তার বাবুক শোনাবে..............

মন্তব্য ১৩৯ টি রেটিং +৩১/-১

মন্তব্য (১৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১২

তাজা কলম বলেছেন: ভাল লাগল আপনার মায়ের শোনানো গল্পটি।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, এই ছেলেমানুষি গল্পটা পড়েছেন দেখে ভাল লাগলো........

২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৫

সায়েম মুন বলেছেন:
কোরক কোরক কোরক,
মোরগ এসেছে।
কৃপান তুলেছে,
ধরবে শিয়াল, করবে জবাই।
কোরক কোরক কোরক। =p~

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, বদ বাচ্চা (হোৎকা শিয়াল সাবধান)

৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৬

বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: হে হে হে :D :D :D

ধরবে শিয়াল, করবে জবাই।
কোরক কোরক কোরক।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, মুগুর মেরেই ঠান্ডা করতে হয় পাজী গুলোকে......

৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৭

সত্যচারী বলেছেন: গল্পটা থার্ড ক্লাস.................... ফালতু একটা ,




অথচ এই রকম গল্প কত মজা করে শুনেছি ছোট বেলায়, একটা শেষ হলে আরেক শোনার বায়না ধরতাম, সময় কত কিছু বদলে দেয়

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: রূপকথার গল্প গুলো এমনই হয়!!
কিছুই না, অথচ শুনতে কত ভাল লাগে........

৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৯

সায়েম মুন বলেছেন:
যাক গল্পটা মূখস্থ করতে হবে। তার্পর কোরক কোরক করে বাচ্চাদের শোনাতে হবে। :-B
ছোটকালে মায়ের মুখে কত গল্প শুনেছি। একটাও খেয়াল নাই :(

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনার আবার মুখস্তের দরকার কি, আপনি নিজেই তো দারুন সব রাজারানীর গল্প লেখেন।

রাজপুত্রের নাম গেদা...............হা হা হা

৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৯

মনের কিছু কথা বলেছেন: খূবই ভালো লাগলো ।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: ধন্যবাদ, আমার ব্লগে স্বাগতম.......

৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২০

বডটজসৃ বলেছেন: কোরক কোরক ..
সংগ্রহে রাখছি এরকম সব গল্প মাথায়.......আমি শোনাব নিশ্চিত।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩২

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, পরে যেনো আবার বলবেন যে, "যাও আম্মু কাছ থেকে শোন, আমি কাজ করছি দেখছো না".....

৮| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২২

শ।মসীর বলেছেন: হুমমম..........গল্প শোনাইতে ইচ্ছা করতাছে ;);) :(:(

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: দেরি করে লাভ নাই, পরে কিন্তু আর এনার্জি পাইবেন না........

৯| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৩

জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: =p~ =p~ =p~ একসময় এই গল্পগুলোর পাগল ছিলাম। এখনো সুযোগ পেয়ে আপনার মা'র বলা গল্প পড়ে ফেললাম।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

রেজোওয়ানা বলেছেন: হায় হায়, আপনার ছাত্ররা যদি দেখে যে, স্যার মহাশয় রূপকথা পরে বেড়াচ্ছে তাহলে কেমন হবে :P

আমার কিন্তু এখন এসব গল্প পড়তে অনেক ভাল লাগে......

১০| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৭

স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
খুবই সুন্দর।

প্লাস অবশ্যই

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: থ্যাংক স্বদেশ ভাই, আপনার ভাল লেগেছে এটাই অনেক........

১১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৭

কি নাম দিব বলেছেন: আপু নিলাম আপনার গল্পের লিঙ্কু রুপকথা সংকলনে :)

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: সো কাইন্ড অফ ইউ ম্যাম

১২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩২

সায়েম মুন বলেছেন: খোঁচা দিচ্ছেন দ্যান। /:)
মিজাজ খ্রাপ হইলে আরও কয়েকটা গাঁদা মার্কা ল্যাখা লিখবো X((

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৪১

রেজোওয়ানা বলেছেন: না না খোচা দিলাম কখন?

আপনার গল্প খুবই চমৎকার, খালি নামটা একটু ইয়ে ছিল আরকি :P

১৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩২

পাখা বলেছেন: আপু গল্পে মজা পেলাম...
আর একটা হয়ে জাক.....:):)
+++

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৪২

রেজোওয়ানা বলেছেন: থ্যাংক পাখা, কিন্তু আপনি জলজ্যান্ত ব্যাঙটা খেয়ে ফেললেন কি মনে করে?

১৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

বডটজসৃ বলেছেন: আমিই তো আম্মু..।আপনি দেখছি আমাকে আব্বু বানিয়ে দিলেন..।আমি কিন্তু কেদেই দিলাম আপু।

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: আয় হায়, ছি ছি তাই নাকি?

সরি আপুমনি!!

আর কখনো ভুল করবো না!!

১৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: ছোট বেলার মার কাছে এই গল্পটা শুনেছি, এখন আমি সোহাকে শোনাই। সে খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে এটা, কি বোঝে কে জানে!!

সোহামণি সবই বুঝতে পারে ! :) :)

++++++++++++

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫১

রেজোওয়ানা বলেছেন:


দেখেন কেমন সবজান্তা হাসি দিচ্ছে......

১৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৪৮

পুরাতন বলেছেন: মজা পাইলাম :D
আমার আব্বু দুইটা গল্প বারবার শোনাত... একটা শিয়ালের কাছে কুমির তার ৭ টা বাচ্চা রাখে #:-S আর একটা বানরের সাথে কুমিরের কি যেন হয়... 8-| একটা গল্পও মনে নেই :(

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমার সব গুলোই মনে আছে, যা যা শুনেছিলাম.......

আমার বাবার কাছে গল্প শুনতে গেলে খুব হাস্যকর ব্যাপার হতো, বাবা এক গল্পের সাথে আরেকটা মিলিয়ে ফেলতো।
একবার আমাকে বাঘ আর ভাল্লুকের মারামারির গল্প বলতে গিয়ে এক সময় বললো "তারপর আক্কাস সাহেব, রহমান সাহেবের নাকে দিল একটা কামড়"........হি হি হি.....মনে পরলে এমন হাসি পায়......

১৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫১

মামুনবিশ্বাস বলেছেন: এই গল্পগুলোর পাগল ছিলাম। এখনো সুযোগ পেয়ে আপনার মা'র বলা

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: ধন্যবাদ মামুন ভাই।
আমি বুঝতে পেরেছি........

১৮| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫২

মামুনবিশ্বাস বলেছেন: সত্যচারী

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: সব উল্টে পাল্টে গেলো কিভাবে?

১৯| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৩

কি নাম দিব বলেছেন: আপু, রুপকথার গল্প খুঁজে বেড়াচ্ছি। আপনার কাছে আরও গল্প থাকলে দিতে পারবেন প্লিজ? ( আপনার লেখা বা অন্য কারো লেখা)

এই পোস্টটার জন্য

৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০০

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমিতো আর লিখিনি আপু, লিখলে আর নতুন কিছু চোখে পড়লে অবশ্যই লিংক দিয়ে আসবো.........

২০| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

রনি আহমদ বলেছেন: খুবই সুন্দর গল্প আপু +++

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:২৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: পড়েছেন দেখে ভাল লাগলো.........

২১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

সরল মানুষ বলেছেন:

ভাল লাগলো + :)

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩০

রেজোওয়ানা বলেছেন: বাচ্চাদের তো ভালই লাগবে......

২২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯

হুপফূলফরইভার বলেছেন: রেজু আপু!
হুপু কিন্তুক ভাল গল্পকথক!
ভাগ্নিরে গল্প শোনাইতে হলে হুপুর কাছে নিয়ে আইসেন!

মোরগ আর শিয়ালের গল্প! এক আঙ্গুল্লার গল্প! আলী বাবার চল্লিশ চোরের গল্প! একটা একটা করে সব শুণাইয়া দিমু নে! ;)

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুপু দুষ্ট সোহা যখন পিছনে লাগবে তখন মজা বুঝবেন!!

গনপো বলো, গনপো বলো বলে জান অস্থির করে ফেলেবে মামার.......

২৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: B:-) বুঝিনাই গল্প

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: এটাতো খুবই সহজ সরল একটা গল্প, বুঝলেননা কেন?

একগাদা মাইনাস দিলাম আপনাকে.......

২৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫২

ফেরিওলা বলেছেন: শিয়ালটা এখন কোথায়?

সোহার ধৈর্য দেখে অবাক হচ্ছি। এই ডিজিটাল যুগে রূপকথা শোনার মানসিকতা সে ধরল কিভাবে। যাই হোক...সোহা অনেক ভাল কিছু করবে সেই প্রত্যাশায় থাকলাম!

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫০

রেজোওয়ানা বলেছেন: সোহার বয়স এখনও দুই বছর হয়নি, তাই ডিজিটালের ছোয়া লাগেনি....

তাই মা আর নানুমনির মুখের গল্প শুনতেই বেশি ভালবাসে.........

২৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৫

অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

খুব সুন্দর

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫১

রেজোওয়ানা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যাবদ অরুদ্ধ সকাল......

২৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৯

বড় বিলাই বলেছেন: রূপকথার গল্পগুলো কোনদিন পুরনো হয় না। সোহামনি নিশ্চয়ই তার বাবুকেও শোনাবে।

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, এখনও আমার ভাল লাগে শুনতে।
আমার মা যখন সোহাকে গল্প বলে, চুপেচাপে আমিও শুনে নেই এখনও..........

২৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

মিরাজ is বলেছেন: হা হা ভাল লাগল আপু.........আমার ভাগ্নীও মাঝে মাঝে এমন আবাদার করে গল্প শোনবে আপনার কাছ থেকে একটা জানলাম.........

বাংলাদেশের জন্য ওইরকম মোরগ কয়েকটা লাগবে.........

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০১

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, ঝাড়ির উপরে আসলে ওষুধ নাই :-B

২৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:২৪

শ।মসীর বলেছেন: কি করি আমি কি যে করি !!!! তাহরে কোথায় খুজিয়া পায় :(:(

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: সাত সাগর আর তের নদীর পারে,

সপ্নের দেখা রাজকন্যা থাকে........

২৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:৫৫

ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: আহা! মোরগের ভয়ে শেয়ালটা পালিয়ে গেল?

মজা পাইলাম।++++

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: হা হা, এই জন্যইতো রূপকথা.....

৩০| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫০

ক্যামেরাম্যান বলেছেন: মাঝে মধ্যে গল্প শুনতে ভালই লাগে ...

"ছোট বেলার মার কাছে এই গল্পটা শুনেছি, এখন আমি সোহাকে শোনাই। সে খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে এটা, কি বোঝে কে জানে!!
বড় হয়ে সেও কি তার বাবুক শোনাবে.............."

জন্ম-জন্মান্তরের কাহিনী।

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: জন্ম-জন্মান্তরের কাহিনী.............

৩১| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৮

শায়মা বলেছেন: সোহাও তার বেবিকে শোনাবে গল্পটা এমনটাই মনে হচ্ছে আমার।:)

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: খালামনির উইশ কি আর ভুল হয় নাকি?

৩২| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

হুপফূলফরইভার বলেছেন: হুপুর বড় ভাগনে সবসময়ই বলে থাকে তার মামার নাকি ঠিক এই একটা জায়গাতেই ব্যাপক ধৈর্য আচে! গল্প বলতে পারুক আর নাই পারুক, গোজামিল একটা হবেই !!

গল্প বলার ধরনটাই আলাদ! উত্তরা থেকে গুলশান আসতে আশুলিয়া সাভার মিরপুর ফার্মগেট মগবাজার হয়ে গুলশান টাইপ আরকি!!! ;)

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, জটিল মামা দেখছি.........

এমন মামাদের অবশ্য ভাগ্নেরা খুবই পছন্দ করে!!

৩৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

সরল মানুষ বলেছেন:

আমাকে বাচ্চা বলা হল নাকি ?? B:-) B:-)

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২০

রেজোওয়ানা বলেছেন: বাচ্চাকে তো বাচ্চাই বলা হবে :P

৩৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২৭

জহুরুল ইসলাম স্ট্রীম বলেছেন: আমার আসায় দেরী হয়ে গেল। এসে দেখি আমার কথাগুলো অন্যেরা বলে ফলেছে আগেই। কিন্তু আমি তো কোন প্রশ্ন বা উত্তর ফাঁস করি নাই। তাহলে ওরা কেমনে জানল আমার কথা?

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: তাই তো এটার একটা বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার......

৩৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪৪

সরল মানুষ বলেছেন:
X((

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪০

রেজোওয়ানা বলেছেন: :P :P

৩৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সমস্যাটা হইলো গল্পখান অসময়ে অজায়গায় লেখছেন। কারন বেশীরভাগ বোলগার আমার মতো বুইড়া ভাম হইয়া গেছে আর যারা পুচকি তারাও দেখবেন সব ১৮ +।

আপনের পিচকি বড় হইলে বটার হইতো লেখনের, তখন হেয় বড় আপনের থিকা কপিপেস্ট। নাম খান অবশ্য আপনের পিচকির খুব সুন্দর! সোহা আলি মনে হয়!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: উমমহু, বুড়ো ভামদের জন্যই তো লেখলাম, শুধু তো বড়দের গল্পই পড়েন, ছোটাদের গল্পতো সব ভুলে গেছেন। পরে যখন বাবুসোনারা বলবে " বাবা একতা গনপ বলো" তখন কি করবেন?
এই ভেবেই লিখলাম, শিখে রাখেন, আখেরে কাজে দেবে।

"সোহা আলি খান".........এই জন্যই বাবুর নাম আমি এইটা রাখতে চাই নাই। কিন্তু নানা নানী, দাদী এদের প্রবল আগ্রহের কারণে আর ইচ্ছা অনিচ্ছা ভাইসা গেছে পানিতে.............

তা-সিন সায়েরা সোহা

৩৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপু+++++

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫২

রেজোওয়ানা বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া........

৩৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: !:#P !:#P

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: !:#P !:#P !:#P

!:#P !:#P !:#P !:#P

৩৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১৪

ভোরের তারা বলেছেন: Apnake onek din por dekhe valo lagse. Abar harea jaben na jeno!!!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: :) :#> :)

৪০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৮

রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: মজার। :)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৫

রেজোওয়ানা বলেছেন: রূপাকথা গুলো আসলেই মজার

৪১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪১

সোমহেপি বলেছেন: আমার মা যিনি কিনা আমার প্রথম প্রেমিকা তিনি আমাকে কিচ্ছা শুনাতেন।এখন ভুলে গেছি।শুধু একটা মনে আছে।পান পাতার কিচ্ছা........



ছোট বেলার মার কাছে এই গল্পটা শুনেছি, এখন আমি সোহাকে শোনাই। সে খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে এটা, কি বোঝে কে জানে!!
বড় হয়ে সেও কি তার বাবুক শোনাবে..............



হায়রে জীবন!!একটা বৃত্ত ।যার মধ্যে চক্রাকারে ঘরছে।বারবার ফিরে আসে তবুও ক্ষান্ত হয় না।
ভালো লিখছ বুজান।
আমার একটা বড় বুজান ছিল আমারে অনেক রূপকথার গল্প শুনাইতো।শিয়া মুরগী না কী যেন।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: আচ্ছা শিয়াল মুরগীর গল্পটা আমি তোমাকে শুনাবো..........

ওটাতে কি এমন একটা ছড়া ছিল.......

হলদে ঝুটি মোরগ ছানা,
তেল চুপপুপ তোমার গা,
রেশমি তোমার দাড়িটা!
জানালা দিয়ে মুখ বাড়াও
মটরশুটি নিয়ে যাও!!

৪২| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২৪

করবি বলেছেন:
কোরক কোরক কোরক,
মোরগ এসেছে।
কৃপান তুলেছে,
ধরবে শিয়াল, করবে জবাই।
কোরক কোরক কোরক। :) :)



আগের গল্পগুলা আসলেই মজার ছিলো।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০০

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, বড়বেলা টা আসলে তেমন সুবিধার না......

৪৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৬

মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: আশ্চর্য্য সুন্দর সময় গুলো যা আমরা অতিবাহিত করে এসেছি,

গ্রামের বাড়িতে গিয়ে রাতে চন্দ্র প্রহরে উঠোনে বসে কোন বড় ভাই বা ভাবির মুখে সেই গল্পো গুলো শুনার তিব্র আগ্রহর কত সুন্দর ছিলো।

ছোট কাল থেকে শুধু শুনতাম বড় হও, সব বুঝবে, তখন বড় হবার জন্য ব্যকুল ছিলাম,
কিন্তু আজকের এই রকম বড় হতে চাইনি, যেখানে আবেগ অনুভুতি ভালোবাসা মোড়ানো থাকে রস হীন রঙ্গিন পেপারে,

গালের মধ্যে মেকাপের আস্তরনে পুরত্তের কাছে চুম্বুনের স্বাদ তেত,
নকল চুলের গিটের মধ্যে আঙ্গুলের ফাঁসি হয়।

সব কিছুর মধ্যে কেমন জং ধরে আছে,

একটা ফিরতি টিকেট আজ বড় বেশি দরকার, অতীতে ফিরে যেতে।:)


অনেক ভালো লাগলো আপু, তোমার সোহামনিকে আদর:)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: এমন দারুন একটা মন্তব্যের জন্য অনেক গুলো চকলেট পাওনা রইলো আপানার.... :)

৪৪| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: অর্ধেক সোহা মনিকে দিবা আর বাকিটা আমার জন্য পাঠিয়ে দিও আপু :)



ভালো থাকা হোক তোমাদের:)

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫০

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, সোহার হাতে পরলে কিন্তু আর মামাকে দিতে চাইবে না.......

তুমিও অনেক ভাল থাকো ভাইয়া.........

৪৫| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩

আহমেদ চঞ্চল বলেছেন: এ যেন আমার হারানো দিন গুলো---

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫০

রেজোওয়ানা বলেছেন: মিলে গেলো?

৪৬| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০৭

অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: :)

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: :D :D

৪৭| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১১

সকাল রয় বলেছেন:

ছোটবেলায়
আমিও শোনতাম এমন সব গল্প। আমাদের সময় এগুলোকে বলা কেচ্ছা-কাহিনি
__________________________________________
ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়। এমন গল্প পড়লে।


ভালোই লিখেছেন ++

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমার দাদী খুব চমৎকার কিচ্ছা বলতো, গানে মতো সুর করে।
গাজি কালু চম্পাবতীর গল্প, আহা কি যে সব চমৎকার দিন গুলো ছিল.........

৪৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৪

জহুরুল ইসলাম স্ট্রীম বলেছেন: মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন -সব কিছুর মধ্যে কেমন জং ধরে আছে,

একটা ফিরতি টিকেট আজ বড় বেশি দরকার, অতীতে ফিরে যেতে।


-সহমত

১৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:০৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনার কমেন্টের উত্তর দেইনি কেন তখন!!

কি আজব অবস্থা!!



শুভ নববর্ষ স্ট্রীম ভাইয়া :)

৪৯| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৭

মেহেরুবা বলেছেন: আরে বাহ! কি চমৎকার গল্পটা! আপনার মামনিকে অনেক ধন্যবাদ। আর সোহামনির মামনিকেও অনেক ধন্যবাদ। এখন প্রথা'র মামনিও তার বাবুকে এই গল্পটা শোনাবে।:)

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:০৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: প্রথা'র মামনিও শোনাবে গল্পটা!!
ভাল লাগলো জেনে........... :D

৫০| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

মেহবুবা বলেছেন: ভাল লাগল গল্পটি ।
উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা যা পাই তার একটা অংশ বোধ করি গল্প-স্বল্প ।

আচ্ছা বেচারা শেয়াল জন্ম জন্মান্তর ধরে এমন ভিলেনের ভূমিকায় কেন বলতে পারো ? এটা নিয়ে গবেষনা হওয়া প্রয়োজন ।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২২

রেজোওয়ানা বলেছেন: সত্যিই শিয়ালের বিষয়ে গবেষণা হলে মন্দ হয় না। তবে আপু, আমার মনে হয় অসাধারণ দক্ষতায় মানুষের বাড়ীর মুরগী আর কাঁঠাল চুরি করতে করতে শিয়াল মামা এমন ভিলেন হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে........

৫১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৯

চতুষ্কোণ বলেছেন: হেই! কই গেছিলেন আপনি!

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: একটু ঘুরে ফিরে আসলাম..

৫২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: আপু , কেমন আছেন?
নতুন লেখা দিবেন কবে?

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৪৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: ইউনিক কিছু লিখতে পারছিনা আপুমনি, ব্যস্ততা বেশি।
তাই এসব ভুজং ভাজং দিয়ে কোনমতে দিন কাটাচ্ছি.....

৫৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫৫

পোষ্টপেইড বলেছেন: আপনার জন্য একজন পোস্ট দিসে, আর আপনি ওটা দেখতেই জান নাই X(

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৪৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: আরে পোস্টপেইড আপনি কোথায়?
দেখি না কেন?

৫৪| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯

সোমহেপি বলেছেন: তোমারে একটা মেইল দিছি পাইছ?

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: আজকে দেখলাম, রিপ্লাই করেছি দেখো.....

৫৫| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: ছোটবেলায় মামনি বোকলু একটা শিয়াল নিয়ে কি জানি একটা কবিতা শোনাতো, ভুলে গেছি:(

এই গল্পটা অনেক মজারতো। আমি শুনতাম পান্তা বুড়ি আর টোনাটুনির গল্প। :):)

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: পান্তা বুড়ীর গল্পটাও মজার। আর টোনাটুনির তো কত কত গল্প যে ছিল........

কেমন আছেন আপু, নতুন জীবন কেমন কাটছে?

৫৬| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:১৪

জুন বলেছেন: রেজোওয়ানা এটা একটা রাশিয়ান উপকথা।আমরা ছোটোবেলায় পাতলা পাতলা যে রাশিয়ান বই গুলো পড়তাম যেমন সিভকা বুরকা মাশা আর ভালুক বোকা এ্যমেলিয়া তেমনি ছিল এই বইটা।
এগুলো খুব মজার আমরা বড় হয়েও পড়েছি।
আমার তো হবি ছিল এগুলো কেনার, ছিলও অনেক আমার কাছে।
সত্যি সুন্দর গল্পগুলো।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৩৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমারও অনেক গুলো রাশান আর চীনা বই আছে জুনাপু। তোমার লাল নীল পতাকার দেশে লেখাটা পড়ে ভাছিলাম, একটা চীনা রূপকথার পোষ্ট দেই......

৫৭| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৪১

রাজসোহান বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প আর নতুন পোস্ট দেয়াতে ব্লগে নতুন করে স্বাগতম #:-S

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫১

রেজোওয়ানা বলেছেন: থ্যাংকিউ সোহান!!

তোমার এই ছবিটা বেশ.......

৫৮| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫৩

রাজসোহান বলেছেন: :D !:#P

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২৭

রেজোওয়ানা বলেছেন: B-) B-) B-)

৫৯| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১২

রিফাত হক বলেছেন: আমার মা শোনাতেন গোলরুটির গল্প। সেই গল্প আমি শুনিয়েছি আমার সব ভাগ্না-ভাগ্নিদের। আমার নামই হয়ে গিয়েছিল গোলরুটি আন্টি। আর একটা গল্প মা খুব বলত 'উকুনে বুড়ির গল্প' । কিন্তু কিছুতেই আর সে গল্পটা মনে করতে পারিনা X((

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: এই যে আপুমনি আপনার উকুনে বুড়ির গল্পটা.......

এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেন তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে এক ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভয়ে সেই যে নদীর ধার দিয়ে চলে গেল, আর তাকে বুড়ো ডেকে ফিরাতে পারলে না।

নদীর ধারে এক বক বসে ছিল, সে উকুনে-বুড়িকে দেখে বললে, ‘উকুনে-বুড়ি, কোথা যাস?’

উকুনে-বুড়ি বললে,

স্বামী মারলে, রাগে তাই
ঘর-গেরস্তী ফেলে যাই।

বক বললে, ‘তোর স্বামী মারলে কেন? কি হয়েছে?

উকুনে-বুড়ি বললে, ‘আমার মাথা থেকে তার পাতে উকুন পড়েছিল।’

বক বললে, ‘কেন, উকুন তো বেশ লাগে! তার জন্যে মারলে কেন? তুই আমার বাড়ি চল। শুনেছি তুই খুব ভালো বাঁধিস।’ তাইতে উকুনে-বুড়ি বকের বাড়িতে রাঁধুনি হল। তার রান্না বকের বেশ ভালো লাগত, আর পাতে উকুন পড়লে তো সে খুব খুশিই হত।

তখন, একদিন হয়েছে কি-বক এনেছে একটা মস্ত শোল মাছ। এনে সে উকুনে বুড়িকে বললে, ‘উকুনে-বুড়ি, মাছটা বেশ করে রাঁধ।’

বলে সে আবার নদীর ধারে চলে গেল। উকুনে-বুড়ি মাছ রাঁধতে লাগল। রাঁধতে রাঁধতে বেচারা মাথা ঘুরে কখন কড়ার মধ্যে পড়ে গিয়েছে কেউ জানতে পারেনি।

বক এসে দেখলে, উকুন-বুড়ি পুড়ে মরে আছে। দেখে তার এমনি দুঃখ হল যে, সে নদীর ধারে গিয়ে মুখ ভার করে বসে রইল, সাতদিন কিছু খেল না।

নদী বললে, ‘ভালোরে ভালো, সাতদিন ধরে এমন করে বক বসে আছে, খায় দায়নি! এর হল কি? হ্যাঁ ভাই বক, তোর হয়েছে কি ভাই?’

বক বললে, ‘আরে ভাই, সে কথা বলে কি হবে? আমার যা হবার তা হয়েছে।’

নদী বললে, ‘ভাই, আমাকে বলতে হবে।’

বক বললে, ‘যদি বলি, তবে কিন্তু তোর সব জল ফেনা হয়ে যাবে।’

নদী বললে, ‘হয় হবে, তুই বল।’

তখন বক বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল।

অমনি ফ্যান-ফ্যান করে দেখতে-দেখতে নদীর চল ফেনিয়ে সাদা হয়ে গেল।

সেই নদীতে এক হাতি রোজ জল খেতে আসে। সেদিন সে জল খেতে এসে দেখে, একি কাণ্ড হয়ে আছে!

হাতি বললে, ‘নদী, তোর কি হল? তোর জল কি করে ফেনা হয়ে গেল?’

নদী বললে, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর লেজটি খসে পড়ে যাবে।’

হাতি বললে, ‘যায় যাবে, তুই বল।’

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল।

অমনি ধপাস করে হাতির লেজটা খসে পড়ে গেল!

তারপর হাতি গাছতলা দিয়ে যাচ্ছে, গাছ তাকে দেখে বললে, ‘বাঃ রে, তোর একি হল? লেজ কোথায় গেল?’

হাতি বললে, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর পাতাগুলি সব এক্ষুনি ঝড়ে পড়বে।’

গাছ বলল, ‘পড়ে পড়ুক, তুই বল্‌।’

তখন হাতি বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে, মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল।

অমনি ঝর-ঝর করে গাছের সব পাতাগুলি ঝড়ে পড়ে গেল। সেই গাছে এক ঘুঘুর বাসা ছিল। সে তখন খাবার খুঁজতে গিয়েছিল। ফিরে এসে দেখে, ওমা একি হয়েছে! ঘুঘু বললে, ‘গাছ, তোর একি হল? তোর পাতা সব কোথায় গেল?’

গাছ বললে, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর চোখ কানা হয়ে যাবে।’

ঘুঘু বললে, ‘যায় যাবে, তুই বল্‌।’

তখন গাছ বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
গাছের পাতা ঝড়ে পড়ল।

অমনি টস্‌ করে ঘুঘুর একটা চোখ কানা হয়ে গেল।

কানা চোখ নিয়ে ঘুঘু মাঠে চরতে গিয়েছে, তখন রাজার বাড়ির রাখাল তাকে দেখে বললে, ‘সে কি রে ঘুঘু, তোর চোখ কি হল?’

ঘুঘু বললে, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোমার হাতে তোমার লাঠিটা আটকে যাবে।’

রাখাল বললে, ‘যায় যাবে, তুই বল্‌।’

তখন ঘুঘু বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
গাছের পাতা ঝড়ে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ কানা হল।

অমনি চটাস করে রাখালের লাঠি তার হাতে আটকে গেল। সে কত হাত ঝাড়লে, কিছুতেই তাকে ফেলতে পারলে না। যখন গোরু নিয়ে সে রাজার বাড়িতে ফিরে এসেছে, তখনো সে হাত ঝাড়ছে।

রাজার বাড়ির দাসী ভাঙা কুলোয় করে ছাই ফেলতে যাচ্ছিল। সে রাখালকে দেখে বললে, ‘দূর হতভাগা! অমনি করে হাত ঝাড়ছিস কেন? কি হয়েছে তোর হাতে?’

রাখাল বললে, ‘সে কথা যদি বলি, তবে কিন্তুু আর ঐ কুলোখানা তোমার হাত থেকে নামাতে পারবে না, সেখানা তোমার হাতেই আটকে থাকবে।’

দাসী বললে, ‘ঈস! আচ্ছা থাকে থাকবে, তুই বর।’

তখন রাখাল বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
গাছের পাতা ঝড়ে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ কানা হল,
রাখালের হাতে লাঠি আটকাল।

অমনি দাসী ‘ওমা! এ কি গো! কি হবে গো!’ বলে কাঁদতে লাগল। সে অনেক করেও কুলো হাত থেকে নামাতে পারলে না।

শেষে রাখাল-ছোকরাকে গাল দিতে দিতে ঘরে গেল।

ঘরে গিয়ে দাসী হাত থেকে আর কুলো নামাচ্ছে না। রানী তখন থালা হাতে করে রাজার জন্যে ভাত বাড়ছিলেন। দাসীকে দেখে তিনি হেসে বললেন, ‘দাসী, তোর হয়েছে কি? কুলোটা হাত থেকে নামাচ্ছিস নে কেন?’

দাসী বললে, ‘তা যদি বলি রানীমা, তবে কিন্তু ঐ থালাখানা আর আপনার হাত থেকে নামাতে পারবেন না, ওখানা আপনার হাতে আটকে যাবে।’

রানী বললেন, ‘বটে! আচ্ছা বল্‌, দেখি কেমন আটকায়।’

তখন দাসী বললে-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাত উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ ঝড়ে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ কানা হল,
রাখালের হাতে লাঠি আটকাল,
দাসীর হাতে কুলো আটকাল।

অমনি রানীর হাতে থালাখানি আটকে গেল, কিছুতেই তিনি আর তা নামাতে পারলেন না। তখন আর কি করেন? আর একখানা থালায় করে রাজামশাইয়ের জন্যে ভাত বেড়ে নিয়ে চললেন।

রাজামশাই তাঁকে দেখেই বললেন, ‘রানী, ঐ থালাখানা হাতে করে রেখেছ যে?’

রানী বললেন, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু আর তুমি এখান থেকে উঠে যেতে পারবে না, তুমি ঐ পিঁড়িতে আটকে থাকবে।’

শুনে রাজা হো-হো করে হাসলেন, তারপর বললেন, ‘আচ্ছা তাই হোক, তুমি বল।’

তখন রানী বললেন-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ কানা হল,
রাখালের হাতে লাঠি আটকাল,
দাসীর হাতে কুলো আটকাল,
রানীর হাতে থালা আটকাল।

বলতে-বলতেই তো রাজামশাই পিঁড়িতে খুব ভালোমতোই আটকে গেলেন। কত টানাটানি করলেন, কিছুতেই উঠতে পারলেন না। চাকরদের ডাকলেন, তারাও কিছু করতে পারল না। তখন সেই পিঁড়িসুদ্ধ তাঁকে চারজনে ধরাধরি করে এনে সভায় বসিয়ে দিলে!

তা দেখে সভার লোকদের তো ভারি মুশকিলেই হল। তাদের ভয়ানক হাসি পাচ্ছে। তারা হাসি থামাতে পারছে না, হাসতে পারছে না, পাছে রাজামশাই রাগ করেন। কেউ ভয়ে জিগগেস করতেও পারছে না, রাজামশাইয়ের কি হয়েছে।

তখন রাজামশাই নিজেই বললেন, ‘তোমরা বুঝি জানতে চাচ্ছ, আমি পিঁড়িতে কি করে আটকে গেলাম।’

তারা হাত জোড় করে বললে, ‘হ্যাঁ, মহারাজ।’

রাজা বললেন, ‘তা যদি বলি, তবে তোমরাও যে যার বসবার জায়গার আটকে যাবে।’

তারা বললে, ‘মহারাজ যদি আটকালেন, তবে আমরা আর বাকি থাকি কেন?

তখন রাজা বললেন-

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,
বক সাতদিন উপোস রইল,
নদীর জল ফেনিয়ে গেল,
হাতির লেজ খসে পড়ল,
গাছের পাতা ঝরে পড়ল,
ঘুঘুর চোখ কানা হল,
রাখালের হাতে লাঠি আটকাল,
দাসীর হাতে কুলো আটকাল,
রানীর হাতে থালা আটকাল,
পিঁড়িতে রাজা আটকাল।’

বলতেই আর তারা যাবে কোথায়! এমনি করে তারা তক্তাপোশে আটকে গেল যে, আর তাদের উঠবার সাধ্য নেই।

ভাগ্যিস সেই দেশে এক খুব বুদ্ধিমান নাপিত ছিল, নইলে মুশকিল হয়েছিল আর কি। নাপিত এসে বললে, “শিগগির ছুতোয় ডাক।’

তখন ছুতোর এসে পিঁড়ি কেটে রাজামশাইকে ছাড়ালে, আর তক্তাপোশ কেটে সভার লোকদের ছাড়ালে। একটু একটু কাঠ তবু সকলের গায়ে লেগে ছিল, সেটুকু চেঁচে তুলে দিলে।

রানীর হাতের থালা, দাসীর হাতের কুলো আর রাখালের হাতের লাঠিও ফেলে দেওয়া হল।

৬০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

রিফাত হক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু!! কিন্তু আমার মার গল্প এটা ছিল না!!!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

রেজোওয়ানা বলেছেন: ইশ আপু, আপনার ভুলে যাওয়া গল্পটা দিতে পারলাম না।

আমি আরও খুজবো.......

ঈদের শুভেচ্ছা,

৬১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৫

মুখ ও মুখোশ বলেছেন: ভাল লাগল +++

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: পড়েছেন দেখে খুব ভাল লাগলো...

৬২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৫

বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: হুমমমমমমমমমমম ভাল লাগল

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫১

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমারও ভাল লাগলো আপনার মন্তব্যে.......

৬৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২০

দীপান্বিতা বলেছেন: প্রথম গল্পটা দারুন...... সোহাও তার বাবুকে অবশ্যই শোনাবে :D ....উকুনেবুড়ির গল্পটা অনেকদিন পর পড়ে বেশ লাগল...:)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: উইশ ফুল থিংকি দীপা আপু!

ছোট বেলায় কত মজার মজার গল্পই না মা শোনাতো....

৬৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

গ্যাব্রিয়েল সুমন বলেছেন: ২২ টা রুমাল ভিজিয়ে ফেললো।

মারাত্মক সুন্দর তোহ্...

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪২

রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনার ভাল ভাল লেগেছে জেনে আনন্দিত হলাম!

৬৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০০

সুরঞ্জনা বলেছেন: ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেলো। আরো কতো কতো গল্প, রুপকথা আছে। আজকালকার বাচ্চারা তা আর জানতেও পারবে না। গোল রুটির গল্পটা শুনেছো?
ছোট্ট গোল রুটি, চলছে গুটি গুটি
গমের ধামা থেকে, ময়দার টিন থেকে
ময়ান দিয়ে ঠেসে, ঘি দিয়ে ভেজে
জুড়োতে দিলো যেই, পালিয়ে এলাম সেই----
বুড়ো পেলোনা, বুড়ি পেলোনা, বোকা শিয়াল তুই ও পাবি না...

এসব সংরক্ষন করা উচিত।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: হা হা হা, রুটিট গল্পটা তো শুনিনি আপু, এটা বলো না!!

ছড়াটা কি ঐ গল্পের?
মুখস্ত করছি, সোহাকে খাওয়ানোর সময় শোনাবো......

৬৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৫

বডটজসৃ বলেছেন: উকুনি বুড়ির গল্পটাও বেশ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫০

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুম, উপেন্দ্র কিশোরের গল্প গুলো খুব মজার, দাড়াও তোমাকে লিংকটা দেবো....

৬৭| ০৮ ই জুন, ২০১১ সকাল ৯:০১

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: ছোটবেলায় আব্বু আমাকে গল্প বলত, আর আমি হা করে শুনতাম। ইচ্ছা মত বানিয়ে যা খুশি একটা বলে দিত। আমিও যখন বাবা হব তখন আমার বাচ্চাদের বলতে চেষ্টা করব। সব বাবা মাইয়েরই করা উচিত। ভাললাগল আপু।

০৮ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:০৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: খুব ভাল লাগলো ভাইয়া আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে পেরে। এটা সব বাবা মায়েরই করা উচিত, এতে সন্তানের সাথে সম্পর্কেটা ফ্রেন্ডলি হয়ে ওঠে, সাথে সাথে শিশু মনের বিকাশ তার চিন্তা আর কল্পনার ক্ষেত্রটারও ভাল নার্সিং হয়!

ভাল থাকবেন :)

৬৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬

আহাদিল বলেছেন: আমার খুব শখ হয়েছে একটা রূপকথা-র গল্প লিখব! আপনার পোস্টে ঘুরাঘুরি করে গল্প পড়ছিলাম আর রুপকথা-র রাজ্যে ছোটবেলাকার মতো হারিয়ে যাচ্ছিলাম! :)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:১২

রেজোওয়ানা বলেছেন: সরি রিপ্লাইতে অনেক দেরি হয়ে গেলো!


রূপকথার গল্প লিখে ফেলুন না আহাদিল আপু, আমার খুব ভাল লাগে রূপকথা!

শুধু এই জগতেই যা হবার নয়, তা করে দেয়া সম্ভব, তাই না?

:)

৬৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬

আহাদিল বলেছেন: উউউপ্স! শুভ নববর্ষ আপু! ভুলে গেছিলাম উইশ করতে! :)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:১৩

রেজোওয়ানা বলেছেন:

শুভ নববর্ষ আহাদিল আপু.......


নতুন বছর স্বপ্নময় হোক :)

৭০| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:১৫

আফিফা মারজানা বলেছেন: নিজের গপ্পের ঝুড়ি ফুরিয়ে যাওয়ায় ,রূপকথার গল্প লিখে সার্চ করে সুন্দর দুটি গল্প নিয়ে গেলাম ।ধন্যবাদ ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: পুরনো লেখায় মন্তব্য পাওয়াটা খুবই আনন্দের!

রূপকথার গল্প আমার প্রিয় বিষয়, আরও মনে হয় ৩/৪টা লিখেছে এখানে! '


অনেক ধন্যবাদ আফিফা, ভাল থাকুন!

শুভ নববর্ষ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.