| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শায়মা
দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...
সেই যবে থেকে আমি এই ব্লগে পদার্পন করেছিলাম তবে থেকেই আমি রোজা রমজানে আর কিছু না হোক আমার ক্রিয়েটিভিটির নানা রকম ইফতার ও তার রেসিপি দিয়ে আসছিলাম। কালের বিবর্তনে রেসিপি বন করে দিলাম তবে ছবিপি মানে ছবিআপি না, ইফতারের ছবিগুলো দিয়ে নামগুলো লিখে দিতাম। কিন্তু হায় কালের বিবর্তনের বিবর্তনে আমার তো লেখালিখিই সিকেই উঠতে বসেছে। এমনই বিপদে পড়েছিলাম আমার মহামূল্যবান পা নিয়ে যে ভেবেছিলাম এবারে বুঝি সাঙ্গ হলো খেলা। কোনো আশা ভরষা নেই ভেবে যবে হাত পা ছেড়ে কাঁদতে বসেছি তখনই সৃষ্টিকর্তার কি দয়া হলো কে জানে আবারও হাঁটতে বসতে উঠতে চলতে শুরু করে দিলাম।
আবার এসেছে রমজান। তবে নতুন করে নানা রকম খাদ্যাভাসে ভাসতে হচ্ছে এখন আমাকে। তবুও খাবার অতি সামান্য বটে তবে সাজসজ্জার মজার খেলা সে এখনও অবশিষ্ঠ আছে জীবনে। তাই রমজানের প্রথম সাত দিন ভাবলাম বড় বড় রেস্টুরেন্টের সাথে পাল্লা দিয়ে ঘরেই বানাবো রেস্টুরেন্ট।
চিকেন- ভেজ হেলদী ইফতার
ওয়াটার মেলন জ্যুস ও ওয়াটার মেলন ওরেঞ্জ সানসেট জ্যুস
দুইটা প্লাটার
একটু ফলমূল বাদাম নাটস
ইউটিউবেও রেখে দিলাম...
Chicken Platter
কোরিয়ান রামেন- ঝাল বটে তবে হেলদী ফুডও বটে
সাথে পাইনএপেল জ্যুস
কমলা, পেপে , বেদানা
রঙিন সব্জী
নানা রকম সস......
আবারও ইউটিউব......
Ramen
বিফস্টেক প্লাটার
সাথে আলু, মাশরুম, সালাদ, রসুন, মাল্টা, সস
দুইটা প্লেট বিফস্টেক
এই যে নিচে ইউটিউব লিন্ক
Beefsteak
শ্যারকুটেরি প্লেট
আছে টফু, ফল, সালাদ, সস, সালামী
চীজ আর ব্রেডও আছে। 
পাইন এপেল জ্যুস
ফল আর সালাদ
ইউটিউব লিঙ্ক
Tofu
ফিশ এন্ড চিপস প্লাটার
ইউটিউব লিন্ক
Fish and Chips
ফ্রায়েড চিকেন প্লাটার
ইউটিউব লিঙ্ক
Fried chicken Platter
প্রথম সাত দিন ওদের মত চিকেন প্লাটার, বিফস্টেক প্লাটার, টফু প্লাটার, চিকেনফ্রাই প্লাটার, ফিশ এন্ড চিপস প্লাটার, দোসা প্লাটার বানিয়ে ফেল্লাম আর বানিয়ে আমি নিজেই খুশি। বড় বড় রেস্টুরেন্টরাও ফেইল তার সৌন্দর্য্যের কাছে!
হা হা সারাজীবন আমি নিজের কাজে নিজেই খুশি। তাই আনন্দধারা বহিছে ভূবনে। যদিও জানি অনেকেই বলে শো অফ এর জায়গা খুঁজে পায় না তাই ফেসবুকে ছবি এখানে ছবি ওখানে ছবি করে বেড়ায়। এই সব না করে মানুষের সেবা করো, একে খাওয়াও তাকে খাওয়াও...... আহারে কত্ত ঢং, যত্ত সব আসছেন.....এসব আরও কত কি
তবুও আমার ঢং কমে না
কারণ আমি যখন এসব সাজিয়ে বসে থাকি তখন মনে ভাসে একটাই গান ....... আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন ..... তারপর আমার এত এত সুন্দর শিল্পকর্মকে কেটে কুটে খেয়ে ফেলতেই মন চায় না ...... কি আর করা..... খেতেই হয়.....
এসব ছিলো প্রথম সাতদিনের প্লাটার থিম। তারপর শুরু করেছি থালি থিম..... এই পোস্টেই ধীরে ধীরে সব আপলোড করে রাখবো আমার ব্লগের পাতায়...
সেকেন্ড উইক দোসা থালি
নান চিকেন থালি
লুচি কবুতর মাংস থালি
শাশলিক থালি
পায়া রোটি
আরও কিছু ইফতার সজ্জা.....

যদিও চারিদিকে যুদ্ধ বিগ্রহ.... অশান্তির কালো ছায়া..... তবু কেটে যায় রমজানের দিন গুলো.....
সবাইকে রমজান মোবারক.....
এই পোস্ট উৎসর্গিত হলো ডঃ আলীভাইয়া, মেহবুবা আপুনি,করুণাধারা আপুনি আর মিররমনির জন্য..... সাথে
শেরজা তপন
বুবলা
ঠাকুরমাহমুদ
প্রবাসীকালো
নজসু
নাহল তরকারি
জ্যাক স্মিথ
আঁধারের যুবরাজ
সৈয়দ কুতুব
ওমর খাইয়াম
মানে যে কজন লগইন আছে এই ছুটির সন্ধ্যায় .....
আর সত্যপথিকভাইয়া আমার ইউটিউব লিঙ্কগুলো আগেই দেখে ফেললো তাই তাকে বিশেষ থ্যাংকস.....
ওহ আরেকটা কথা এই নিকে আমার বয়স আজ স্যুইট সিক্সটিন একদিন
![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৮
শায়মা বলেছেন: একটা মাত্র খানা আসলে সাথে শুধুই ফলমূল শাকসব্জী সালাদ সজ্জা.... ![]()
২|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এলাহি কান্ড কারখানা! ভাবছিলাম সর্ব প্রথম কমেন্ট করে বিশ্ব রেকর্ড গড়বো, কিন্তু তা আর হলো না. আমার আগে একজন কমেন্ট করে ফেলছে।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৫
শায়মা বলেছেন: হা হা এখন তো বিশ্ব রেকর্ড গড়া অনেক সহজ ভাইয়া। মাঝে মাঝে একজন বা দুইজন লগ ইন দেখি। তখন একজনের পোস্টে আরেকজন বিশ্ব রেকর্ড গড়া এক্কেবারেই সোজা।
তবুও ফার্স্ট না হলেও সেকেন্ড হবার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস আর তোমাকে তাই সেকেন্ড উইক থালি ইফতারের একটা থালি দিয়ে যাই।

৩|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ইফতার কিন্তু এ রকমই হওয়া উচিৎ- ভাজা পোড়া কম, ফল, সালাদ ভেজির সমন্বয়ে এক হেলদি ইফতার প্লেটারস। এই সবকিছু আপনি নিজে করেছেন! বিশ্বাসই হচ্ছে না!
সবকিছু প্রসেস করতে ৩/৪ জন লোকের সারাদিন লেগে যাওয়ার কথা।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২৩
শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ আর ইদানিং মানে লাস্ট ৩ মাস ধরে আমি হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। এই অসুখ এমনই অপ্রত্যাশিত এবং ভয়ংকর ছিলো যে আশাই হারাতে বসেছিলাম। শুনেছি এটা নাকি এক কোটিতে এক জনের হয়। এসব শুনে তো আমি মরার আগেই মরে গেছিলাম ভয়ে। যাইহোক সে সময় লাইফ স্টাইল চেইঞ্জ করতে বলার সাথে সাথে সব খাদ্যাভ্যাসও চেইঞ্জ করতে বলা হলো। যে সব জীবনে খেতাম না যেমন পেপে আনারস কাচকলা কচু ঘেচু নানা রকম সীডস, কাঁচা হলুদ আদা রসুন উফফ এসব দুনিয়ার বিস্বাদ খাবার শুরু হলো।
কি আর করা!!
যাইহোক ভাইয়া নিজে করেছি মানে একটু তদারকি আর সাজানোটা আমি। আর রান্না বান্না কাটা কুটি ভাজাভুজি ঐ ৩/৪ লোকই করেছে আসলে। একা একা কি করা যাবে তাই আমার আবার স্কুল খোলা। সকাল ৭টায় যাই আর ৩টাই আসি। শুধু পড়ানোই আমার কাজ না সাথে অনেক মাতবরী করার কাজও আছে।
কাজেই ঠিকই ধরেছো তুমি ভাইয়ু!!!!!!! ![]()
৪|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৯
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: একদিন আমিও নিজ হাতে ইফতারি বানিয়ে পোস্ট করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিবো। ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩০
শায়মা বলেছেন: আহা ভাইয়া এত কষ্ট করবে কেনো? আমি আমার মাসুমা, কল্পনা আর আসমাকে পাঠিয়ে দেবো। আগে থেকে জানিয়ে দিও কবে পোস্ট দেবে??
আরেকটা থালি দিলাম ভাইয়া
নান চিকেন থালি

৫|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: I'm so sorry....আপনার অসুস্থতার কথা শুনে। হ্যাঁ আগেও একবার আপনার পায়ে ব্যাথার কথা শুনেছিলাম।
তবে যেহেতু সুস্থ হয়ে উঠেছেন এইবার লাইফটাকে এনজয় করুন, আর নতুন করে যেন কোন রোগ না হয় সেভাবে লাইফস্ট্যাইল মেইনটেইন করুন।
আহ! আপনার ইফতার খেয়ে আমার পেট ফুল.... আর দিয়েন না কিছু খেতে পারবো না।
বেশী খেলে আবার সেহেরী খেতে পারবো না ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৩
শায়মা বলেছেন: হা হা কাগজের খানা খেলে সেহরী খেতে নো প্রবলেম!!! ![]()
হ্যাঁ ভাইয়া সাবধানে থাকতে চাচ্ছি!!
কিন্তু ভুলে যাই... সারাজীবন সকল কাজের কাজী না আমি...... কেমনে এখন চেইঞ্জ হই!!!
কথায় আছে না ?? স্বভাব যায় না মরলে ..... ![]()
৬|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০১
কাছের-মানুষ বলেছেন: বিশাল খানা-খাদ্যের আয়োজন। কোরিয়ান রামেন ঝাল দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। রামেন নুডলস আমার বাসায় সবসময় থাকে, সাথে তাদের বিখ্যাত বুলডাক ঝাল সস। ভাপা পিঠাটা সুস্বাদু মনে হচ্ছে, অনেক দিন ভাপা পিঠা খাই না! থালি খাবার দেখতে ভাল লাগে, ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে গেলে, বাফেটে এই ধরনের খাদ্য এক সাথে সাজিয়ে খেতে ভাল লাগে।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৭
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আমিও তো সাজাতেই ভালো লাগে তাই ....... আর ভাপা পিঠা বানিয়েছে কল্পনা। আমি জীবনেও পারিবোক লাই.... রামেন অবশ্য দুনিয়ার সবাই পারবে। আমাদের বাসার আবার তিনারা ইউটিউব এক্সপার্ট। একদিন কি যেন বানাতে বলে গেছিলাম। এসে দেখি তারা একদমই পারফেক্ট বানিয়ে রেখেছে। আমি বললাম কেমনে পারলে?? বললো ইউটিউব দেখেছি। আর সার্চে কিছু লিখতেই হয় না নাকি। মুখে বলে দিলেই চলে আসে । সেটাও জানে তারা.....
আমি ধন্য তাহাদের পেয়ে .....
বুলডাক সস আবার ঝালও দাও ??? ঐ ঝেলো রামেনে আবার এক্সট্রা ঝাল! বাপরে!!!!!!!!! ভুই পাইসি....
৭|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১০
সামরিন হক বলেছেন: দেখেই মনে হচ্ছে খুব সুস্বাদু ।
রমজানের শুভেচ্ছা ।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪১
শায়মা বলেছেন: রমজানের শুভেচ্ছা আপুনি!
সুস্বাদু হোক বা না হোক আমি সাজিয়েই খুশি! ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৪
শায়মা বলেছেন: 
ওহ তোমার জন্য দিয়ে যাই পায়া রোটি ইফতার...
৮|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১৬
কাছের-মানুষ বলেছেন: বাহ, ভালো তো! আমাদের এখানে গত মাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে পিঠা উৎসব উপলক্ষে এক বাসায় দাওয়াত ছিল, কিন্তু এই ভাপা পিঠা ছিল না। ভাপা পিঠা আর ভিজা পিঠা আমার সব সময়ই ভালো লাগে।
বুলডাক সসের সঙ্গে আর ঝাল দিই না, এটা ভয়াবহ ঝাল। রামেনের সঙ্গে যেই বুলডাক প্যাকেট ফ্রি দেয়, সেটা পুরোটা দিলেও খাওয়া যায় না, এত ঝাল! আমার বাসায় বুলডাকের আলাদা সসও থাকে, কারণ নরমাল নুডলস খাওয়ার সময়ও একটু দিয়ে খাই।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৬
শায়মা বলেছেন: ভাপা পিঠাকে আমার সব পিঠাদের রাজা মনে হয়। ভিজানো পিঠাও অনেক মজার।
ওহ রামেনের সাথে যেটা দেয় সেটাই বুলডাক নাকি? চ্যাং ব্যাং ভাষায় লেখা তাই জানিনি
এমনিতে নুডুলস আমার বেশি প্রিয় খানা নহে তবে ক্রিসপি চপস্যি আমার খুব মজা লাগে ...আসলে পাখির বাসা মনে হয় তো তাই ভালো লাগে।
সবখানে নাটকীয় কিছু না হলে আমার ভালোই লাগে না। ![]()
৯|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৬
অপু তানভীর বলেছেন: ঈদ পর্যন্ত ইফতারি কি রান্না করে রেখেছো? সেগুলোর ছবি? ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৯
শায়মা বলেছেন: হা হা এখনও কতদিন বাকি!!!
এতগুলো দিনে কি কি নতুন নতুন ইফতার বানানো যায় সেই চিনতায় আমি শেষ। তার মাঝে আবার কেউ কেউ দাওয়াৎ দেয় তখন রাগ লাগে। মনে হয় ওদের জ্বালায় আমার নিজের ইফতার সাজানোই হলো না।
আসলে আমি তো ইফতার খাই না । সাজানোটা খাই। তাও কষ্টে ! এত সুন্দর করে সাজানো কিছু কি খেতে ইচ্ছা করে! মনে হয় সাজিয়েই রাখি...... আর দেখি আর দেখি .....
১০|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৭
ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনি বেঁচে আছেন দেখে আনন্দ হচ্ছে
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫১
শায়মা বলেছেন: ঐ আমি মরে গেছি কে বললো!!!!!!!!!
আমার জড়ুয়া বেহেনাকে দেখেও বুঝলে না?? সে বেঁচে ছিলো মানে আমিও ছিলাম!!!!!!!!
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৬
শায়মা বলেছেন: এই যে বেঁচেছিলাম তার প্রমান!
১১|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ছবিগুলো যে তুলেছেন, খুব ভালো তুলেছেন।
ডেকোরেশন খুব ভালো হয়েছে।
আর, তোমার পোস্ট করার সময়ে ওমর খাইয়াম সেই সময়ে লগড ইন ছিলেন। ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৭
শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ ছিলেন তো!!!!!!!
যারা যারা ছিলো সবাইকে উৎসর্গ করে দিলাম!!!!
ছবিগুলো আমি ছাড়া আবার কে তুলবে!!!!!
ডেকোরেশনই তো আমার আনন্দ। কাজেই ..... ![]()
১২|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
এবারে এসবের রেসিপি দিয়ে একটি বই লেখার পালা!
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৫
শায়মা বলেছেন: দূর দূর কে রেসিপি লেখে!! তার চেয়ে খানাপিনার সাজসজ্জার বই লিখি .......![]()
১৩|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
অথবা, কীভাবে ফুড ডেকোরেশন করতে হয় তা নিয়ে একটি বই দারুণ হবে!
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৬
শায়মা বলেছেন: একদম ঠিক!!! ইনোভেটিভ আইডিয়া হবে!!
কিন্তু আমি লিখবো না!!!!!!!!! কাউকে শেখাবো না!!!!!!!! আমি হিংসুটে ....... ![]()
১৪|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
শেখানোর দরকার নেই, তুমি ডেকোরেশন করার সময়ে ফুড ভ্লগ তৈরী করো। ইংরেজী ভাষায়।
যে শেখার শিখবে, না শিখলে ক্ষতি নাই।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৯
শায়মা বলেছেন: গুড গুড গুড আইডিয়া.......![]()
১৫|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২৭
নীল-দর্পণ বলেছেন: কী রঙ্গীন খাবার দাবার। বলছি কি, এসব ফটোশ্যুট এর জন্যে প্লাস্টিকের খাবারদাবার নয়তো?
বোতাম দিয়ে আংটি, রং তুলি দিয়ে পেইন্ট করা জামা, ঈদের দিনের খানাপিনাময় টেবিল…আহা তোমার সেইসব পোস্টের কথা ভাবলে এখনো মন ভালো হয়ে যায়।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪০
শায়মা বলেছেন: হাহাহাহাহা কেমনে বুঝলে!!!!!!!!!!!! ![]()
১৬|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪২
নীল-দর্পণ বলেছেন: তোমার হেল্পিং হ্যান্ডরা গতবছর ত্যাক্ত হয়ে শেষে কাঁচা চপ কাটলেট এর ফটোশ্যুট করে যেভাবে ফ্রিজে তুলে রাখতো; খরচ বাঁচাতে ওরা এবার মার্কেট ঘুরে প্লাস্টিক আর মাটির খাবারদাবার নিয়ে আসলে অবাক হবো না!
কোন দিন যেন শুনবো তুমিই ক্লে দিয়ে বনিয়েছো এসব ![]()
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৬
শায়মা বলেছেন: হা হা হা সেটা তো আমিই করেছিলাম।
ক্লে দিয়েও পাউরুটি ডিমপোচ ব্রেকফাস্ট বানিয়েছিলাম আমি। ![]()
১৭|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: তুমি কি প্রতিদিন এত ইফতারের আয়োজন করো ⁉️ফ্যামিলি মেম্বার কতজন! এক প্লেট শেষ করতে আমার এক সপ্তাহ লাগবে ![]()
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২৯
শায়মা বলেছেন: আহা এক প্লেটে শুধু একটাই খানা। এত কিছু নেই.......
শুধু একটু ফলমুল সালাদ আছে সাথে ......
১৮|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ঘুম থেকে জেগে দেখি বেলা আর নাইরে
তোমার পোস্টের নীচে মন্তব্যের ঘরে ঘরে
এতসব সুন্দর সুন্দর মুল্যবান কথার ভীরে
আমি আর কীই বা বলব ভেবে পাই নারে।
উৎসর্গের ঘরে থাকা বেশ কতকের ভীরে
নীজ নামটিও দেখি রয়েছে সবারই উপরে
তাইত সকলের সাথে তব বন্দনা গীতি গেয়ে
আল্লার নামে শুরু করলাম লেখা পোস্টে গিয়ে ।
রমজানের পবিত্র আবহে তোমার এই ব্লগ পোস্টটি পড়তে পড়তে মনে হলো যেন ইফতারের টেবিলকে ঘিরে এক
অনন্য নান্দনিক উৎসবের মধ্যে প্রবেশ করলাম। শুধু কিছু খাবারের ছবি বা রেসিপির বর্ণনা নয় এ যেন সৃজনশীলতা,
অনুভূতি ও জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসা দিয়ে গড়ে ওঠা এক শিল্পময় কাব্যিক আখ্যান।
রমজান মূলত আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস। এই সময়ে দিনের দীর্ঘ সংযম শেষে ইফতার
শুধু আহারের মুহূর্ত নয়, বরং কৃতজ্ঞতা, প্রশান্তি ও পারিবারিক আনন্দের এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র। তোমার সাজানো
প্লাটারগুলো যেন সেই আনন্দেরই রঙিন প্রতিচ্ছবি যেখানে প্রতিটি ফল, প্রতিটি সস, প্রতিটি জুসের গ্লাস যেন এক
একটি রঙতুলি হয়ে টেবিলজুড়ে এঁকে দিয়েছে এক সজীব চিত্রপট।
চিকেন প্লাটার, কোরিয়ান রামেন, বিফস্টেক, টফু, ফিশ অ্যান্ড চিপস কিংবা ফ্রায়েড চিকেন প্রতিটি প্লাটারের
উপস্থাপনা দেখে সত্যিই মনে হয়েছে, ঘরের ছোট্ট রান্নাঘরটিই যেন একেক সময়ে রূপ নিয়েছে বড় কোনো
রেস্টুরেন্টের সৃজনশীল স্টুডিওতে। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, এই সাজসজ্জার মধ্যে আছে এক ধরনের
শিল্পীর মগ্নতা যে শিল্পী নিজের সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে মুগ্ধ বিস্ময়ে, যেমন তুমি নিজেই মজা করে
বলেছ, “আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন…”।
তোমার লেখার ভঙ্গিটিও অসাধারণ প্রাণবন্ত। আত্মরসিকতার হালকা হাসি, নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা,
আর আমাদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপের ভঙ্গি সব মিলিয়ে পোস্টটি শুধু তথ্য দেয় না, বরং সকলকে এক
আন্তরিক অনুভূতির ভেতর নিয়ে যায়। মনে হয় যেন আমরা দূর থেকে বসে তোমার ইফতারের টেবিল
সাজানোর মুহূর্তগুলো দেখছি, আর সেই আনন্দের অংশ হয়ে উঠছি।
সবচেয়ে স্পর্শকাতর যে দিকটি মনে দাগ কেটেছে, তা হলো তোমার ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা। অসুস্থতার
কঠিন সময় পেরিয়ে আবার নতুন করে দাঁড়িয়ে ওঠার যে গল্প তুমি নিঃশব্দে ছুঁয়ে গেছ, তা সত্যিই অনুপ্রেরণার।
মনে হয় যেন সৃষ্টিকর্তার রহমতেই তোমার জীবনের আনন্দধারা আবার প্রবাহিত হয়েছে আর সেই আনন্দই রূপ
নিয়েছে এই সব রঙিন ইফতার প্লাটারের শিল্পে।
আজকের পৃথিবী যখন যুদ্ধ, অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার ছায়ায় আচ্ছন্ন তখন তোমার এই পোস্টটি যেন এক
টুকরো শান্তি ও সৌন্দর্যের জানালা খুলে দেয়। রোজাদার মানুষের ক্লান্ত দিনের শেষে ইফতারের টেবিলে যে
হাসি, রঙ, স্বাদ ও আনন্দের মিলন ঘটে তুমি সেই মুহূর্তটিকে এমন দক্ষতায় ধরেছ যে তা শুধু চোখকে নয়,
মনকেও প্রফুল্ল করে।
ইউটিউবের ভিডিও, ছবির নান্দনিকতা, পরিবেশনের শৈলী সব মিলিয়ে এই পোস্টটি নিছক একটি ব্লগ এন্ট্রি নয়,
এটি রমজানের নান্দনিক স্মৃতিকে ধরে রাখার এক সৃজনশীল দলিল। ভবিষ্যতের কোনো এক দিনে কেউ যদি
রমজানের ইফতারের আনন্দময় রূপ খুঁজতে চায়, তোমার এই পোস্ট নিঃসন্দেহে তাদের সামনে এক সুন্দর
অনুপ্রেরণার দ্বার খুলে দিবে।
সবশেষে বলতে চাই এটি কেবল ইফতার প্লাটারের গল্প নয়, এটি জীবনের প্রতি ভালোবাসা, সৌন্দর্য খুঁজে
নেওয়ার ক্ষমতা এবং সৃষ্টিশীল আনন্দের এক অনন্য উদযাপন। তোমার এই শিল্পীসুলভ মন, প্রাণবন্ত লেখনী
এবং আনন্দে ভরা দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের আরও অনেক এমন মনোমুগ্ধকর সৃষ্টির অপেক্ষায় রাখবে।
সুন্দর মুল্যবান পোস্টটি প্রিয়তে তুলে নিলাম ।
আমি প্রায়ই বলতে গেলে নিয়মিতই টাটকা ডাবের পানি,খেজুর, তরমুজ, ছোলা ভাজী, পিয়াজো সাথে
পুদিনা পাতা, চিকেন উইংস রোষ্ট, মুরি, আর হালিম এই সমেত ইফতার করি পরিবারের সকলকে নিয়ে
একসাথে। তারই একটি ইফতার ডিস পরিবেশন করে দিলাম এসাথে তোমাকে সহ সকলের তরে ।
রমজানের পবিত্রতা তোমার জীবনে শান্তি, সুস্থতা ও অফুরন্ত সৃজনশীলতার আলো বয়ে আনুক এই আন্তরিক
প্রার্থনা রইলো।
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩১
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এমন করে কে বুঝতে পারে, বলতে পারে, ভাবতেই বা পারে!!!
আর ইফতার প্লেটের সজ্জা দেখে আমি টাসকিত!!!
অনেক অনেক অনেক থ্যাংকস আর ভালোবাসা ভাইয়া.....
১৯|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৮
জিকোব্লগ বলেছেন:
ঢাকা শহরে অসংখ্য মানুষ এখনো ঠিকমতো একবেলা খাবার জোটাতে পারে না। হয়তো আপনার
বাসার নিচেই কোনো বস্তি পরিবারের মানুষ খাবারের অভাবে ময়লার স্তূপ থেকে খাবার খুঁজে খাচ্ছে।
আর আপনারা ইফতারে ভোজনবিলাসিতা করছেন। এই মানুষগুলোর দিকে ফিরেও তাকানোর হয়তো
সময় পান না—ভাবনাতো দূরের কথা।
এরপর শুরু হয় আরেকটি ভয়াবহ সমস্যা—অতিরিক্ত খাবার নষ্ট করা। বাংলাদেশ, ভারত এবং অনেক
আরব দেশে এটি যেন একটি স্বাভাবিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে; যেন প্রচুর খাবার সাজিয়ে তার অর্ধেক
ফেলে না দিলে ইফতার বা দাওয়াত সম্পূর্ণ হয় না। এটি শুধু অপচয় নয়, এটি সামাজিক সংবেদনশীলতারও
একটি বড় ঘাটতি।
অদ্ভুত বিষয় হলো, এই একই মানুষদের অনেকেই আবার ইউরোপীয়দের গালাগালি করতে দ্বিধা করে না।
অথচ ইউরোপের মানুষ রোজা না রাখলেও কিন্তু তারা বাংলাদেশি, ভারতীয় বা আরবদের মতো এভাবে
খাবার নষ্ট করে না। খাদ্যের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ অনেক বেশি। তারা অন্তত এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে
ভাবে যে তাদের সমাজে কেউ যেন ক্ষুধার্ত না থাকে। সেই চিন্তা থেকেই তারা শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা
ব্যবস্থা (সোশ্যাল সিস্টেম) গড়ে তুলেছে।
রমজান শুধু ভোজনের মাস নয়; এটি সংযম, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ শেখার সময়। যদি আমাদের
ইফতার টেবিলের প্রাচুর্যের পাশে ক্ষুধার্ত মানুষের বাস্তবতা আমাদের বিবেককে নাড়া না দেয়, তাহলে
রোজার আসল শিক্ষা আমরা আদৌ কতটা গ্রহণ করছি—সেটা ভেবে দেখার বিষয় ।
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৯
শায়মা বলেছেন: একদম ঠিক বলেছো ভাইয়ু।
অবশ্যই ক্ষুধার্ত মানুষের কথা মাথায় রাখতে হবে।
রোজার আসল শিক্ষা কি পাই কিনা আমরা জানিনা তবে বিবেক বর্জিত হইনি মনে হয়।
২০|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১৬
মিরোরডডল বলেছেন:
পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর দৃশ্য, তারমাঝে একটা হচ্ছে মুক্ত আকাশে পাখি উড়ে যাচ্ছে, হতে পারে একটা অথবা এক ঝাঁক পাখি।
এতো মজাদার খাবারের মাঝে কবুতরের থালি না থাকলে বেশি ভালো লাগতো।
পাখি খাওয়া আমার ভালো লাগে না।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০২
শায়মা বলেছেন: আমারও তেমন ভালো লাগে না।
তবে যে কোনো পশু পাখি মেরে কেটে খাওয়াকেও আমার কেমন যেন ভয়ংকর লাগে। তাই খাওয়ার সময় মনে করি না।
কোরবানি জীবনে একবার দেখেছিলাম তারপর আর দেখিনি।
পৃথিবীর সবচেয়ে কুৎসিৎ দৃশ্য কাউকে কেটে ফেলা হোক পশু কিংবা পাখি। ![]()
২১|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: আলু পোড়া, রসুন পোড়া কেন?
সংযমের মাসে ইফতার নিয়ে বিলাসিতা করছেন!!!
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০০
শায়মা বলেছেন: কেনো আবার খাবার জন্য!!!
সংযমের মাসে এই বিলাসিতা তো আমার আজন্মের!!!
নতুন দেখছো নাকি ভাইয়া!!!
২২|
১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৮
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: খুব ভালো খাবার মনে হচ্ছে। আপনার ফটো দেয়া উচিত ছিল সাথে।
১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩০
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! কোথায় ছিলে!!!!!!!!!!!! কেমন ছিলে??? আজকে তোমার কথা ভাবছিলাম.....
কোথায় গেলো আমার পাগলা ভাইয়াটা!!!
২৩|
১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৩
মিরোরডডল বলেছেন:
ভেবেছিলাম সাচু সংসদ নির্বাচনের ক্যাম্পেইন শেষে আগামী স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত ![]()
১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৬
শায়মা বলেছেন: আমি তো ভেবেছিলাম মনের দুঃখে বনে গেছে...... ভাবীকে নিয়ে ..... ![]()
২৪|
১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: শায়মা আপু, আমি ভালো ছিলাম। দেশেই ছিলাম। আমাকে এতো আন্তরিকভাবে স্মরণ করার জন্য আপনাকে এবং মিরোরডডলকে ধন্যবাদ।
আপনি তো ইফতার নিয়ে বিশাল আয়োজন করেছেন।
@ মিরোরডডল - আমি গভীর মনোযোগ দিয়ে নির্বাচনের খবর পর্যবেক্ষণ করেছি। কিন্তু ব্যস্ত ছিলাম নিজস্ব শখ নিয়ে।
যারা এখন ক্ষমতায় এসেছে তারা আওয়ামীলীগের 'বি' টিম। ধন্যবাদ আন্তরিকভাবে স্মরণ করার জন্য।
আজকের মত বিদায়।
১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০২
শায়মা বলেছেন: আমি তো ইফতার নিয়ে এমনই করি তবে আসলে ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে ইহা বিশেষ আয়োজন নহে। অতীব সামান্য কিন্তু ঢং ঢাং অসামান্য.....
হ্যাঁ আমার মনে অনেকেই একই ভাবে আসে ভাইয়া। কালপুরুষভাইয়া চলে গেলেন। তার ব্লগে গিয়ে মনে পড়ে গেলো কত কথা কত স্মৃৃতি..... একদিন আমরাও স্মৃতি হয়ে যাবো..... কেউ জানবে না ....... ![]()
২৫|
২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪১
সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: দাওয়াত চাই
২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৮
শায়মা বলেছেন: ভাইয়ু!!!
তোমার দাওয়াৎ আমার বাসায় ......
২৬|
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৭
মেহবুবা বলেছেন: এই তো এখন ব্লগে শায়মা শায়মা ঘ্রাণ পাচ্ছি !
পা সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্ক্রান্ত হোল সাহসী বীর ভোজন রসিক শায়মার কাছ থেকে!
ছবি দেখে লোভ হচ্ছে আমার
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
শায়মা বলেছেন: হা হা আপুনি!!!!!!
শেষ পর্যন্ত পা সংক্রান্ত ঝামেলাও হার মানিলক আমার কাছে .....
অপসরা বেহেনা ঈদ স্মৃতি পোস্ট দিয়েছিলো।
তোমার ঈদ স্মৃতি জানতে চেয়েছিলো। তোমরা তো তখন সব ঈদের রান্না বান্নায় বিজি ছিলে ........
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৮
শায়মা বলেছেন:
তোমার জন্য চীজ কেক......
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২
শায়মা বলেছেন: এমন দিনে তারে বলা যায়
আপুনি তোমার জন্য এই কবিতা.....
২৭|
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৯
করুণাধারা বলেছেন: রং, ঢং, করতে করতে আনন্দ আহরণ...
আনন্দ ঘিরে থাকুক তোমাকে প্রতি প্রতিক্ষণ!
দুই খানা প্লেট আর দুই খানা শরবত! এবার কি তবে ইফতার পার্টি বাদ!
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৭
শায়মা বলেছেন: হা হা হা হা না না ইফতার পার্টি বাদ না...... ঐ যে চোখ পিটি পিটি ভাইয়াজানের থেকে শুনলেই বুঝবে ইফতার পার্টি ছিলো ঠিকই আবার চৈতালী ঈদ পুনর্মিলনীও ছিলো হা হা .....
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৫
শায়মা বলেছেন: আপুনি ইফতার পার্টির ছবি দিলাম কিছু কিছু

২৮|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮
ছন্দ্বহীন বলেছেন: যুগপাড়ের নিদ্রা ভেঙে গেলে দেখি,এ গাঁয়ের সবাই গেছে মারা, পরিচিত ছিল যারা ; ম্লান-মুখে আবার হারিয়ে যাবো ঘুমে,তবু কি যেন এক টানে ফের চোখ খুলে দেখি দিগন্তের কাছে, কে যেন দাঁড়িয়ে আছে একলা!! হায়! সে যে দূর থেকেও গেলো চেনা ..
শুধাই তারে, "আরে! কেমন আছেন আপনি? কত দিন পর দেখা!"...ভালো আছেন?
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৬
শায়মা বলেছেন: ভালো আছি!!!
কিন্তু তোমরা সব কোথায় হারিয়েছো!!
২৯|
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমাদের সময়ে পরিক্ষার ফলাফল দিতো স্কুলের দেয়ালের বোর্ডে। আমরা সবাই প্রবল ধাক্কাধাক্কি করে নিজ নিজ রোল নাম্বার খোঁজে নিতাম। ব্লগে কেউ যখন নাম উল্লেখ করে কোনো পোস্ট দেয়, স্কুলের কথা মনে পড়ে। স্কুলের দেয়ালের বোর্ডে আমার রোল নাম্বার থাকলেও পোস্টে আমার নাম খোঁজে পাই না।
ধন্যবাদ তোমার পোস্টে আমার নাম পাওয়া গিয়েছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
তোমার পায়ের ব্যথার অবস্থা এখন কেমন?
তোমার রান্নার আয়োজন অনেক ভালো হয়েছে।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩২
শায়মা বলেছেন: শুনো ভাইয়া আজ পেয়েছি তোমাকে।
তার আগে বলি, তুমি স্কুলের রেজাল্টের কথা বলেছো না? তুমি আসলেও এখনও স্কুলের বেবিই হয়ে আছো, বড়জোর কিশোর।
কোন আক্কেলে সবাইকে মানে অনেককে ধরে ধরে ব্লক করো এই বুড়াকালে শুনি???
কাল যখন শাহ আজীজভাইয়া আর কামালভাইয়াকে খোঁজ করছিলে তখন সেই পোস্টে ঢুকে অনেকক্ষন চিন্তা করেও কমেন্ট লিখিনি।
তার কারণ অনেকদিন আগে রাজীবভাইয়া ব্যান খেয়ে কান্না কাটি করছিলো বলছিলো স্বপ্ন দেখেছে সামুর এই ব্যান নিয়ে। সেখানে গিয়ে আমি একটু হাসাহাসি করেছিলাম কারণ আমি জানতাম সে এমন কোনো গুরুতর অপরাধ করেনি যে এই ব্যান এত প্রভাব ফেলবে। বড়জোর ৩ দিন বা ৭ দিন। কিন্তু তুমি সেই পোস্টের কমেন্ট দেখে লাফ দিয়ে খেপে মেপে আমাকে ব্লক করে দিলে এবং একটা পোস্টও দিলে। আমি তখন হাসি ফেলে কাঁদবো নাকি ভাবছিলাম। তোমাকে গিয়ানী গুনী বড় একজন মানুষ ভাবতাম। ঠিক যেমন খায়রুলভাইয়া, আলী ভাইয়া, শাহ আজিজভাইয়াদেরকে ভাবি।
সেদিন বুঝেছিলাম তুমি আসলেই একটা বাত্তা (বাচ্চা)!! তারপর শুনেছি অনেককেই তুমি ব্লক করে রাখো। আমিও জীবনেও কাউকে ব্লক করিনি তা বলবো না। কিন্তু সে সব অতি বাড়াবাড়ি পর্যায়ের থাকলেই সেটা করেছি।
যাইহোক অনেক হয়েছে সবাইকে আনব্লক করো। এই যে চাঁদগাজীভাইয়ার সাথে আমি খোন্তা কুড়াল নিয়ে ঝগড়া ঝাঁটি মারামারি করেছি তাই বলে কি আমি ভাইয়াকে ভালোবাসি না?? মানে ব্লগারভাইয়া বেহেনোরও আমাদের এক জগতের আপনজন। তেমন ভালোবাসার কথা বলেছি। রোজ একবার করে দেখে আসি জানো? ব্লগে আমাদের প্রিয় অপ্রিয় বিরক্তিকর অসহ্য মানুষেরা আছে। কিন্তু ব্লগ শূন্যপ্রায় এই ব্লগ জগতে যে ক'জন এখনও আছি কি লাভ আর হিংসা বিদ্বেষ রাগ ক্রোধ মান অভিমান জীইয়ে রেখে?
মনে করো শুধু একটা কথা- আমাদের এই ব্লগ জীবনের হাসিখেলায় আমরা যে ক'জন ছিলাম সবাইকে মনে রাখি। তিক্ততায় ব্যাথায় বেদনায় না রেখে একটা সময় যেন তাদেরকে ভাবলে জীবনে এক প্রশান্তি বোধ করতে পারি।
আমার পায়ের ব্যাথার কথা জানতে চেয়েছো, তুমি কি জানো ডক্টর কি বলেছে যারা আমার মত ভেতরের রাগ ক্ষোভ দুঃখ বেদনা চেপে রেখে হাসিমুখে আনন্দে লড়াই করে চলে তাদের মনের ব্যথা চেপে রাখলেও শরীর তা সহ্য করে না তাই এমন সব কঠিন রোগ হয়ে বেরিয়ে আসে।
ডক্টরকে আমি যখন আমার জমিয়ে রাখা রাগ দুঃখ বেদনার কথা বলছিলাম ....
ডক্টর বললো- ক্ষমা করে দেওয়া যায় না....
আমি বললাম - আমি চাই কিন্তু পারি না.....
আমি না পারলেও আর কেউ বা অন্যরা পারুক.......
অনেক অনেক ভালোবাসা ভাইয়া....... তুমি আর তোমার পরিবার অনেক ভালো থাকো।
৩০|
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
তুমি মনের ব্যথার কথা বলেছো, বিষয় কি জানো - দিন যায় কথা থাকে। কে কি বলেছে, কে কি করেছে তা মনে থাকে। তা কোনো না কোনো দিন ব্যথা দেয়। সকল ব্যথার ঔষধ আছে, তবে মনের ব্যথার কোনো ঔষধ নেই।
আমাদের দেশে ১৭ কোটি মানুষ সবাই ডাক্তার। তুমি পায়ের ব্যথার জন্য ১৭ কোটি মানুষের কথা কানে নিও না। একমাত্র প্রেসক্রাইব ডাক্তার ছাড়া আর কারও কথা শোনার প্রয়োজন নেই।
পরিবার পরিজনের কথা বলেছো - ছেলে মেয়েরা বড় হয়েছে, তাঁরা তাঁদের দাদাজান মতো দাদীজানের মতো হয়েছে এটাই আমার জীবনের বড় পাওয়া।
তোমার প্রতিও অনেক অনেক ভালোবাসা। তুমিও অনেক অনেক ভালো থেকো।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৪৩
শায়মা বলেছেন: গুড গুড ভেরী গুড!!!
তবে যা বলেছিলাম করেছো তো ভাইয়ু??
মানে সবাইকে আনব্লক.....
যাই টেস্ট করে আসি .......
৩১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৬
করুণাধারা বলেছেন: চোখ পিটি পিটি ভাইজান! তুমি বুঝি যেসব মানুষের সাথে দেখা হয় তাদের নতুন করে নামকরণ করে ফ্যালো? কি ভয়ংকর ! আহারেই! যদি কখনও ব্লগারদের সম্মেলন হয় আমি কিছুতেই যাব না, তোমার নামকরণের ভয়ে।
আমারতো মনে হয় যারা তোমার বাসায় নিয়মিতভাবে আনন্দ ভোজে পাত পেড়ে বসে, তোমার সুস্থ হবার পেছনে তাদের সম্মিলিত দোয়া আছে। তুমি সুস্থ না থাকলে এই আনন্দমেলার আয়োজন কে করবে!! কিন্তু জেনে রেখো, আমিও তোমার জন্য দোয়া করেছি...
ইফতার পার্টির যে ছবি দিয়েছো তার প্রথম ছবিটাতে কি আছে? গ্লেজড চেরী? মনে হয় রংয়ের বিচারে ইফতারে এই আইটেম যোগ করেছ। খাবারের সামনে রাখা তসবিটার ভূমিকা বুঝলাম না। দেয়ালে ঝুলন্ত তোমার ছিল শিল্প কর্ম বুঝি? চমৎকার এঁকেছ!
তোমার ব্লগে ঢুকে দেখলাম, আগের পোষ্টের অর্ধ বছর পরে এই পোস্ট দিয়েছো!!
০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৪৯
শায়মা বলেছেন:
আরে আপুনি আমি নিজেই যাবো নাকি?? চোখ পিটিপিটি ভাইজান আমি নামাকরণ করিনি তোমাকে সহজে চেনাতে বলেছি কারণ সত্যিকারের নাম এইখানে বলতে চাইনা।
আমারতো মনে হয় যারা তোমার বাসায় নিয়মিতভাবে আনন্দ ভোজে পাত পেড়ে বসে, তোমার সুস্থ হবার পেছনে তাদের সম্মিলিত দোয়া আছে। তুমি সুস্থ না থাকলে এই আনন্দমেলার আয়োজন কে করবে!! কিন্তু জেনে রেখো, আমিও তোমার জন্য দোয়া করেছি...
ঠিক ঠিক আমি একটু অসুস্থ হওয়ায় সব প্রায় বন্ধ ছিলো। ঠিক আছে আার জন্য দোয়া করার জন্য তোমাকেও এইবার ধরে আনা হবে আমার আয়োজনে ...... হা হা হা অনেক মজা হবে আপুনি!!!!!!!!! অধরা অদেখা লেখায় লেখায় চিনতে চাওয়া জানতে চাওয়া এই আমাদের দেখা হবে....... এক্কেবারেই বসন্তদিন লেখাটার মত .......
ইফতার পার্টির যে ছবি দিয়েছো তার প্রথম ছবিটাতে কি আছে? গ্লেজড চেরী? মনে হয় রংয়ের বিচারে ইফতারে এই আইটেম যোগ করেছ। খাবারের সামনে রাখা তসবিটার ভূমিকা বুঝলাম না। দেয়ালে ঝুলন্ত তোমার ছিল শিল্প কর্ম বুঝি? চমৎকার এঁকেছ!
আপুনি ইহা একখানা বিশেষ আইটেম। শুধুমাত্র রোজ বেকারী গুলশান ২ তে পাওয়া যায়। চেরী কেক। একদম গ্লেজড লুক আর চকচকে চেরীগুলি দিয়ে যেন বানানো হয়েছে কেকটা। হা হা আসলে এই আয়োজনে কিছু পিচ্চি পাচ্চাও ছিলো তাদের আনন্দের জন্য ঐ কেক আর ম্যাকরন লাল নীল সবুজ আনিয়েছিলাম। কাজুবাদামের বরফিটাও যা ওদের জন্য তার চাইতেও নিজের জন্যই হা হা হা ।
তসবিহ কেনো রাখা বুঝলে না???? যেন এই লাল নীল বর্নীল খানা খাদ্য দেখে কেউ আবার আল্লাহকে ডাকতে না ভুলে যায় তাই মনে করায় দেওয়া !!
আর আমার শিল্পকর্ম ছাড়া আমার সারাবাড়ির দেওয়ালে আর কারো শিল্প কর্মে নেই। নিজেরটা ঝুলিয়েই জায়গা শেষ আবার কারটা ঝুলাবো বলো!!! আমার কাছে আমি দুইন্নার সবচাইতে বড় শিল্পী!!! হি হি
এই নিকে অর্ধ বছর পর হলেও আমার বেহেনারা ঠিকই লিখেছেন ..... ![]()
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২
শায়মা বলেছেন: এমন দিনে তারে বলা যায়
তোমার জন্য আর মেহবুবা আপুর জন্য এই কবিতা .....
৩২|
০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১১
আহলান বলেছেন: "আল্লাহ বলেন, রোজা আমার জন্য, আমি নিজে এর প্রতিদান দেবো।" আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই প্রতিদান পাওয়ায় সামিল করুন। আমিন!
০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮
শায়মা বলেছেন: আমিন!!
অনেক অনেক শুভকামনা ভাইয়া!!
৩৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৭
করুণাধারা বলেছেন: হঠাৎ এই কবিতা কেন! বারো ঘন্টা আগে ইউটিউবে দিয়েছো? তারমানে রাত জেগে এটা করেছ!! তুমি আমার জন্য এক মহা আশ্চর্য!! কী করে এতসব করো!! অবশ্য এই খটখটে রোদের দিনে বর্ষার কবিতা...
কবিতা ভালো হয়েছে। এই ছবি জোড়া, শব্দ জোড়া, এগুলো কি সব তুমিই কর? নাকি অন্য কেউ করে দেয়?
খালি মনে করি জিজ্ঞেস করবো, কিন্তু ভুলে যাই!! তোমার সেই আকাশ নীল জামদানি ওয়ালা ভিডিও কোথায় গেল? এখন তো অন্য একটা দেখছি! এটাতে দেয়ালের সেই পোট্রেট নেই!!
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০
শায়মা বলেছেন: পহেলা বৈশাখের প্রোগ্রাম বারিধারা সোসাইটিতে এই কবিতা হবে গানের সাথে। রিমিরিম ঝিম রিমঝিম গানের ফাঁকে ফাঁকে এই কবিতা। মানে গ্রীস্ম বর্ষা শরৎ হেমন্ত শীত বসন্তের পরিক্রমায়। তাই বসে বসে রাত জেগে ভিডিওটা বানালাম। অডিও করলে আমি ভুল ত্রুটি শুনতে পাই।
তাই প্রথমে অডিও তারপর ভিডিও তারপর নিজের ছবি দিয়ে এআই দিয়ে স্কেচ তারপর সে সব নিয়ে বসে ভেগাস প্রো একট সফটওয়ারে বানালাম!
এসব এখন আমার কাছে ডাল ভাত হয়ে গেছে। রাত বারোটাই কি আর তেরোটাই কি?? এই কারনেই ডক্টর বলেছে নিজের উপর নিজের অত্যাচার আমার। এসব করে কি হবে!! ডক্টর অবাক হয়ে যায়! তার কাছেও আমি বিস্ময়কর মানুষ! তবে সে তো জানেনা কি হয় ? সে আমি জানি...... কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি নাম!! হা হা
কারো কোনো ধারই ধারিনা আমি। যে কোনো কিছি নিজেই করার ট্রাই করি র ভালো হোক খারাপ হোক নিজে করেছি সেই আমার আনন্দ। আমার সেই পথ চলাতেই আনন্দ!!!
এমনকি ফাইভস্টারেও একটা সাজানো ডিশ দেখলে ভাবি বাড়ি ফিরে আমি এর চাইতেও সুন্দর করে সাজাবো!! এমনই সাহসী আমি হা হা হা
আপুনি সেই ভিডিও এখন ওরা ওদের সাইডে হোম ডায়েরী করে নিয়েছে।আগের গুলো মুছে দিয়েছে কেনো যেন। জিগাসা করতে হবে। আর স্বপ্নের নির্মানে হলুদ শাড়ি পরাটা আমি নিজেও খুঁজে পাই না।
আরেকটা নেক্সাস এর ... আর ফুলমালা একটা করেছিলাম বসন্তে গৃহসজ্জা... ..... এই সব দেখে আরও কয়েকটা চ্যানেল আসতে চেয়েছিলো আমি আবার এক কাজ বেশি বার করতে ভালোবাসি না...... বলেছি আর পারবো না..... আমার আরও অনেক কিছু করার বাকী!!!!!!!!
এতক্ষন অনলাইন ক্লাস হলো এখন রিহারসেলে যাই। বেগুনী গোলাপী হাড়ি পরেছি। ফাইনাল রিহারসেল আজকে!!! ![]()
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২
শায়মা বলেছেন: হা হা হাড়ি না শাড়ি!!!!!!!!!!!!!!!!!
হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা
রিহারসেলের চিন্তায় তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে শাড়ির বদলে হাড়িই পরে ফেল্লাম!!!!!!!!!!!! হাহাহাহাহাহাহহাহাহা আরও ভুলভাল লেখা ঠিকঠাক করে পড়ে নিও!!!
৩৪|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
শুভ নববর্ষ, আপুনি!
কেমন আছো?
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১৯
শায়মা বলেছেন: শুভ নববর্ষ!!!
নববর্ষের অনুষ্ঠান নিয়ে বিজি আছি ভাইয়ু!!!
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২৪
শায়মা বলেছেন: এই যে একটার ছবি দিলাম
৩৫|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ওয়াও!
আজ চীন মৈত্রীর কাছ দিয়ে গেলাম। ওখানে এখনো ইভেন্ট চলছে দেখলাম।
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫০
শায়মা বলেছেন: এইদিকে অবশ্য সব শেষ দুদিনেই...... ![]()
৩৬|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমার খুব প্রিয়। আমি নিজে বানাতে পারি। আপনি একই খাবারের ছবি বারবার দিয়ে সংখ্যা বাড়িয়েছেন। খুবই দুঃখজনক।
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০৮
শায়মা বলেছেন: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই মনে হয় সবাই পারি কিন্তু আসলে সবাই পারি না...বেশিভাগ সময় লেতপেতে হয়ে যায়।
একই খাবারের ছবি নানাদিক দিয়ে নানাভাবে তুলি। সবকটাই ভালো লাগে আমার..... কি করবো তাও ১০০টার থেকে মাত্র২/৩ টা করে দিয়েছি।আমার তো সবই ভালো লাগে। আনন্দধারা বহিছে ভূবনে ......
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০১
ইসিয়াক বলেছেন: ওরে বাবা! এ-তো এলাহি কাণ্ড!!