নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দীপ ছিলো, শিখা ছিলো, শুধু তুমি ছিলেনা বলে...

শায়মা

দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...

শায়মা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোথায় হারিয়ে গেলো সোনালী বিকেলগুলো সেই

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৩২


প্রায়ই খায়রুল আহসান ভাইয়া আমাদের পুরোনো পোস্টগুলো পড়েন। সাথে কমেন্টগুলোও খুব খুঁটিয়ে পড়েন ভাইয়া।পুরোনো পোস্টে ভাইয়ার কমেন্টের সূত্র ধরে উত্তর দিতে গিয়ে চোখে পড়ে যায় কত শত ফেলে আসা মুখ মানে ব্লগের নিকগুলো আর সাথে কত শত স্মৃতি। আমিও মাঝে মাঝে তখন কমেন্টগুলো পড়ে চলে যাই সেই সব হাসি আনন্দ গানের ভেলায় ভেসে যাওয়া দিনগুলিতে। যদিও সে সব দিনে বন্ধু শত্রু মিত্র কোনো কিছুরই অভাব ছিলো না। সবচেয়ে যেটা ছিলো গ্রুপিং। নানা দলের সাথে নানা মতানৈক্য। হা হা যাইহোক ২০১৩ সালের এক পোস্টে গিয়ে হাজার হাজার কমেন্টের মাঝে চোখে পড়ে গেলো কিছু নিক। কেমন আছে কোথায় আছে তারা আজ?

তার আর পর নেই এই নিকের পিছে যাকে ভেবেছিলাম সে হয়ত ছিলো না। হয়তবা এটা সুলতানা আপুর নিক ছিলো। আপু একজন আর্টিস্ট ছিলো, ছিলো প্রাইমারী স্কুলের টিচার। অসাধারণ সব গল্প লিখতো। গল্প প্রতিযোগীতায় পুরষ্কারও পেয়েছিলো একবার। আমার সাথে যৌথ গল্পও আছে। ফেসবুকে ছিলো আপুটা। হয়ত এখনও আছে। তবে কোথাও আর দেখিনা তেমন। নিজেও খুব অনিয়মিত হয়ে পড়েছি।

রেজওয়ানা আলী তনিমা। এই আপুটার নিকের পাশের ছবিটা আমার কাছে এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন। কিন্তু কখনও আপুকে জিগাসা করা হয়নি। কোথায় আছে কেমন আছে আপুটা জানিনা।
নিসঙ্গ গ্রহচারি এই নিকটা আমার পছন্দের ছিলো কারণ এটা আমার একটা প্রিয় সায়েন্স ফিকশনের বই।
জেন রসি । কত শত দিন রাত দুপুর সন্ধ্যা কেটেছে ভাইয়ার সাথে। গল্পে গানে হাসি তামাশায় এবং ষড়যন্ত্রে হা হা হা ।
স্বপ্নচারী গ্রানমা । ভাইয়াকে মনে পড়ে। কবিতা লিখত ভাইয়াটা। ফেসবুকেও ছিলো একটা সময়।
ঐ পোস্টে কমেন্টে এই কবিতাটা পেলাম। আমাদের সামনে এইচ এস সি থেকে ডক্টর হয়ে যাওয়া পিচ্চি ভাইয়াটা। কত শত ঝগড়া বিবাদ মনোমালিন্য তারপরেও প্রিয় হয়ে থাকা .....
আমি সাজিদ বলেছেন: এখন তুমি কোথায় আছো
কেমন আছো
পত্র দিয়ো, আপি পত্র দিয়ো…
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:০০০

লেখক বলেছেন: পত্র দেবো?
কি বলো সব আবল কথা
তাবল ভাবনা...
পত্র দেবো?
কোন ঠিকানায়?
দখল তোমার বাড়ির উঠোন
তোমার আকাশ
এক চিলতে খোলা জানলা
বদ্ধ এখন...
পেরেক ঠুকে
কফিন বাক্স যেমন থাকে
ভেতরে তার অতৃপ্ত কোনো
প্রেত্মাতা বাস..
মুখ দিয়ে তার ঝরছে আগুন
গলগলিয়ে বিষাক্ত সাপ
হলহলিয়ে আসছে ভেসে
নারে বাব্বা ভয় পাই
সেই ক্লেদাক্ততা
দূরেই থাকি
অনেক দূরে
সাত সাগর আর তেরো নদীর
ওপার হতে
পড়বে মনে.......
এই কবিতার কারণ ভাইয়াই জানে। আমিও জানি। শুধু সবার সামনে বললাম না আর কি।
ইমন কুমার । এই ভাইয়া একজন শিশু নৃত্যশিল্পী ছিলেন।
অদ্ভুত_আমি । এই ভাইয়াটও একজন শিল্পপ্রেমী।
হুপফূলফরইভার একটা সময় খুব একটিভ ছিলো। এখন মনে হয় জীবন যুদ্ধে ভুলেই গেছে এই ব্লগটাকে।
বড় বিলাই । অতি সহজ সরল ভালোমানুষ আপুটাও একদিন রাগ করে চলে গেছিলো ব্লগ ছেড়ে। :(
কস্কি । এই যে অতি প্রিয় মহা রসিক ফান লাভিং ভাইয়াটা একদিন কি জন্য যে রাগ করলো আমার উপর আর আসলোই না। সে যে চলে গেলো বলে গেলো না, কোথায় গেলো ফিরে এলো না, তাই আপন মনে বসে আছি কুসুম বনেতে ..... :(
রাতুল_শাহ । এই ভাইয়াও জীবন যুদ্ধে আজ ব্যস্ত সৈনিক। ইঞ্জিনিয়ার হয়ে জবে ঢুকে গেলো। তবে ভাইয়ার সাথে আমার মহা রাগের এটা স্মৃতি আছে। ফেসবুকে তার সাথে আমি লুডু খেলতে গেছিলাম। আমি কখনও বলতে গেলে হারতামই না। সেই আমি একের পর এক হারতে লাগলাম ভাইয়ার সাথে। এমন রাগ লাগছিলো। পরে অনেকবার হারার পর ভাইয়া বললো এতবার হারবার জন্য আপনাকে অভিনন্দন!! সেই রাগ আমার এখনও যায় না। মাঝেমাঝেই মনে পড়ে। :(
কামরুল হাসান শািহ । অনেক মজার একজন মানুষ ছিলো। কোথায় হারিয়ে গেছে জানিনা আজ।
আরমিন। খুব সুন্দর এই আপুটা মনে হয় একবার কোনো পত্রিকায় মডেল হয়েছিলো। আমি তো তাকে দেখে মুগ্ধ এবং মুগ্ধ!!
ইখতামিন । পিচ্চু এই ভাইয়াটার উপর খুব রাগ করেছিলাম আমি একবার। ভাইয়াটা মনে হয় অনেক কষ্ট পেয়েছিলো!! সেই রাগ আর এখন একেবারেই নেই। কোথায় আছে ভাইয়াটা কে জানে?
শত রুপা । খুব ভালোমানুষ এই আপুটাকে দেখলেই আমার মনে পড়তো - তোমাকেই যেন ভালোবাসিয়াছি শতরূপে শতবার, জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার ......
তন্ময়০১৩ । এই ভাইয়া কোথায় আছে আজ জানিনা। তবে ভাইয়াকে নিয়েও অনেক অনেক স্মৃতি আমার।
বৃতি অসাধারণ মেধাবী আর প্রিয় একজন মানুষ। তার নাম আর আমার নাম পাশাপাশি রাখলে অনেকেই ভাবতে পারে আমরা বোন কিনা ......
জেনারেশন সুপারস্টার একটা সময় অনেক একটিভ ছিলো ভাইয়াটা। আমার ধারনা ভাইয়াটা অনেক পুচ্চি কেউ ছিলো!
অন্ধ দাঁড়কাক কবিতা লিখতো ভাইয়া। তবে নিকের ছবিটা বড়ই অদ্ভূত ছিলো! :)
সায়েদা সোহেলী আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর ব্লগ আপুনি। আমি তার পেন্সিল স্কেচ করারও ট্রাই করেছিলাম। জীবন যুদ্ধে মহা ব্যস্ত আপুনিটা। আপুনির শ্বাসুড়ি নাকি তাকে দেখে বলেছিলো এক্কেবারে স্বরস্বতী দেবীর মত আপুনিটা! :
বটবৃক্ষ~ বিড়ালপ্রেমী উচ্ছল ও আমাদের সবার প্রিয় এই আপুটাও একদম হারিয়ে গেছে ব্লগ থেকে। ফেসবুকেও নীরব হয়ে গেছে। অথচ এই ব্লগের পাতায় একদিন কতই না সরব ছিলো এরা।
আজ আমি কোথাও যাবো না। কিন্তু চলে গেছে আপু। কোথায় গেছে জানা নেই ....
অদৃশ্য । কবিতা লেখা ভাইয়াটা অদৃশ্য হয়ে গেছে।

তোমাদের কি একটাবারও মনে পড়ে না!! এই ব্লগটাকে!!! যেখানে একটা সময় কত শত কলরব তুলেছিলে তোমরা সবাই ........ যাইহোক এই ব্লগ আজ প্রায় জনশূন্য। তবুও দু একজন মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যায় আজও। তারা পড়বে কি পড়বে না এই লেখা জানিনা। তবে যে দু'চারজন আজও একটিভ আছেন তাদের জন্য আমার এই লেখাটা। অনেকদিন যাবৎ কোননো জ্ঞানগর্ভ লেখা দেওয়া হয়নি। করুণাধারা আপুনি বলে আমি নাকি অনেক ফাঁকিবাজ হয়ে গেছি তাই ভাবলাম এই লেখাটা রেখে দেই ব্লগের পাতায় ......

যদি জানতেন আমার কিসের ব্যথা- সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডার

আমি সব সময় আনন্দে থাকতে চেয়েছি। জাগতিক দুঃখ, বেদনা, কষ্ট এসব কিছু দূরে ঠেলে দিয়ে আনন্দে মেতেছি। খুব ছোট ছোট আনন্দকে অনেক বাড়াবাড়ি রকমের রুপ দিয়েছি। কি করবো আমি? আমার তো ছোট্ট একটা ফুল এঁকে ফেল্লেও সেই ফুলটার দিকে সারাদিন তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে।একটা ক্রাফ্ট বা একটা গান বা নাচের অযথা অকারণ মহা প্রিপারেশন নিতে থাকি। এক একটা দিন আলু ভর্তা ভাত খেলেও ফাইভ স্টার স্টাইলে সাজাতে বসি টেবিলটাকে। তারপর খানাপিনা ছেড়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখেই আমার আনন্দ! হা হা হা

সোজা কথায় তিলকে তাল করা যে বাঙ্গালীর স্বভাব তাই আমি করি বা ইজি কাজে বিজি থাকি সদা ও সর্বদা। কি করবো? আমার যে সব নিজেই করতে ইচ্ছা করে। সব মানেএমন না যে পাহাড়ে উঠা না বা রোজ রোজ পার্কে হেঁটে জিম করে ঐশ্বরিয়া হতে চাওয়া। আমার ইচ্ছা করে কাউকে খুব সুন্দর করে গান গাইতে শুনলে তেমন গাইতে, নাচতে দেখলে তেমন নাচতে, আঁকতে দেখলে বা কবিতা পড়তে দেখলে তেমনটা করতে।

এসব নিয়ে বিজি থাকা বা মেতে থাকা সে কিন্তু আমার আজীবনের স্বভাব। সেই খুব ছোট্ট থেকেই। আর একটা জিনিস জেনে গিয়েছিলাম এই নিজের কাজে আর নিজের মাঝে আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকতে শেখা এটা জাগতিক কষ্ট ব্যথা বেদনা ও দুঃখভোলা গান...... এভাবেই ছিলাম অনেকটা বছর। হঠাৎ কয়েক বছর আগে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলাম আর এত দ্রুত অসুস্থ্য হয়ে পড়লাম যে ডক্টর অবাক! সেই প্রথমে আমাকে জানালো আমি নাকি ডিপ্রেশনে আছি। সে কথা শুনে আমিও তো অবাক! বলে কি ডক্টর! আমার মত এত আনন্দে ভাসা মানুষের আবার ডিপ্রেশন! আমি তো মনে মনে ডক্টরকে এই মারি তো সেই মারি!

হসপিটালাইজড হয়ে গেছিলাম সেবার। তবে দুদিনের মাঝেই আমার আবার সুস্থ্য হয়ে উঠতে শুরু করলাম। আর সারাক্ষন ইজি কাজে বিজি এই আমি কি হসপিটালে শুয়ে থাকতে পারি কোনো ইজি কাজ ছাড়া! কিন্তু কি করা ! হাতে স্যালাইন আটকানো। শুয়ে থাকতেই হবে। তাই ইউটিউবে হাসির নাটক দেখতে শুরু করলাম! আর হাসতে হাসতে চোখে পানি। শুয়ে শুয়ে লিপস্টিক ফেসপাউডার লাগাই! ডক্টর আর নার্সেরা আমাকে দেখে অবাক! হসপিটালে এ কোন পাগল আসলো ভেবে হয়ত! যখন সেজেগুজে শুয়ে শুয়ে এসব হাসির নাটক দেখে হাসতাম মানে হাসতে হাসতে মরতাম! তখন নার্সেরা এসে হা করে তাকিয়ে থাকতো! বলতো এমন রোগী তো জীবনে দেখিনি..... হা হা হা এছাড়াও ওদের খাবার নিয়ে ওষুধ নিয়ে আমি তো ওদেরকে তটস্থ করেছি .... সত্যি বলতে ইচ্ছে করে করিনি...... ওদের আসলেও দোষ ছিলো অনেক অনেক। :(

যাইহোক আমি এতটা বড় হওয়া পর্যন্ত তেমন কোনো অসুখে ভুগিনি।একটু আধটু জ্বরজারি, গলা বসা আর এলার্জী ছাড়া। সেই আমির হঠাৎ পায়ে ব্যথা শুরু হলো। প্রথম দিকে ততটা পাত্তা দেইনি । কারণ কয়েক বছর আগেও হাতে ব্যথা হয়েছিলো যা পরে ঠিক হয়ে গেছিলো। কিন্তু এই ব্যথাটা ছিলো যেন শরীর অচল করা। নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না আমি। শুরুটা হয়েছিলো প্রথমে বাচ্চাদেরকে নাচ শিখাতে গিয়ে। কিন্তু চুড়ান্ত হলো দু একদিন পরে যেন হার্ট এটাকের মতন আমার পা এটাক হলো। কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না আমি! নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিলো। ডক্টরের কাছে গিয়ে ধরা পড়লো রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস।রিউমাটোলোজিস্ট, ফিজিও থেরাপী আরও কত কি..... এই রোগ নাকি লাখে একটা না কোটিতে একটা এমনই এক বিরল রোগ! যার চিকিৎসা আছে কিন্তু উপশম নেই.... শুধুই ম্যানেজ করে চলতে হবে আজীবন..... সেই জীবনটা টিকিয়ে রাখাও আমার ভয়ংকর ঝামেলার। হেন করো তেন করো কত কি!

আমি তখন সেই বিষয়ে পড়াশোনা, ভাবনা চিন্তা করে অস্থির! ডক্টর, ফিজিও থেরাপিস্ট তারাও বললো আমি নাকি আসলেই একটা বেসম্ভব রকম অস্থির প্রাণী! আরে বলে কি!! আমি যদি অস্থির হতাম তাহলে কি শান্ত হয়ে এত এত ছবি আঁকতে পারতাম! আমি যদি অস্থির হতাম তাহলে কি এত এত শান্ত হয়ে মনের রাগ, দুঃখ, বেদনা, সবচাইতে বাড়াবাড়ি কিছু মানুষের আচরণ সহ্য করে হাসিমুখে সব সামলে সংসার, চাকুরী করে যেতে পারতাম!! আমি যদি অস্থির হতাম তবে কি জীবনের নানা ক্ষেত্রে সেই শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে আজ এই পর্যন্ত যা যা মুখ বুজে সহ্য করে নিয়ে সাফল্যময় জীবন কাটাচ্ছি সে সব একটাও পারতাম! মোটেও না .... কখনো না!!!!!!!!!!!!

ডক্টর এসব কিছুই শুনলেন না। আমার বেড়ে ওঠা,পারিপার্শ্বিকতা, চাকুরী ক্ষেত্র! এসব নিয়ে শুনলেন, জানলেন। সেসব আমি অপকটে বলতে বলতে আমি কখনও হাসি, কখনও কাঁদি। ডক্টর টিস্যু এগিয়ে দেন। হা হা হা । সে যাইহোক তিনি আমাকে মেডিটেশন, ইয়োগা এমন কি সাইকো থেরাপী সাজেস্ট করলো!! আমার রাগ দুঃখ ক্ষোভের কথা শুনে কোমল কন্ঠে বললেন, ক্ষমা করে দেওয়া যায় না? হা হা হা ক্ষমা!!! রবিঠাকুরের কবিতা মনে পড়ে-
ক্ষমা কোথা মনে মোর।
করেছ এ নারীচিত্ত কুলিশকঠোর
হে ব্রাহ্মণ। তুমি চলে ষাবে স্বর্গলোকে
সগৌরবে, আপনার কর্তব্যপুলকে
সর্ব দুঃখশোক করি দূরপরাহত ;
আমার কী আছে কাজ, কী আমার ব্রত।
আমার এ প্রতিহত নিষ্ফল জীবনে
কী রহিল, কিসের গৌরব? এই বনে
বসে রব নতশিরে নিঃসঙ্গ একাকী
লক্ষ্যহীনা। যে দিকেই ফিরাইব আঁখি
সহস্র স্মৃতির কাঁটা বিঁধিবে নিষ্ঠুর;
লুকায়ে বক্ষের তলে লজ্জা অতি ক্রূর
বারম্বার করিবে দংশন। ধিক্‌ ধিক্‌ ,
কোথা হতে এলে তুমি, নির্মম পথিক,
বসি মোর জীবনের বনচ্ছায়াতলে .....

রবিঠাকুরের বিদায় অভিশাপ কাব্যে দেবযানীর মনের কথাগুলিই যেন আমার কথা। আমার চেপে রাখা দুঃখ কষ্ট, ব্যথা, বেদনা বা ক্ষোভের গোপন গল্প! যা কোনো কচের জন্য নহে। এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে গিয়ে যেসব নেগেটিভ, টক্সিক মানুষদের সাথে দেখা হলো, অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও কাটাতে হলো বা হচ্ছে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস তাদের সাথে... তাদের জন্য....
এই বনে
বসে রব নতশিরে নিঃসঙ্গ একাকী
লক্ষ্যহীনা। যে দিকেই ফিরাইব আঁখি
সহস্র স্মৃতির কাঁটা বিঁধিবে নিষ্ঠুর;
লুকায়ে বক্ষের তলে লজ্জা অতি ক্রূর
বারম্বার করিবে দংশন। ধিক্‌ ধিক্‌ ,
কোথা হতে এলে তুমি, নির্মম পথিক,
বসি মোর জীবনের বনচ্ছায়াতলে ..

আমাদের জীবনে মানে সবার জীবনেই আসে এই সব নির্মম পথিকেরা তথা নেতিবাচক মানুষেরা। কখনও পরিবারের মাঝে, কখনও শ্বশুরকূলে, কখনও বা আমাদের পেশাগত জীবনে। যারা নিজেদের জীবনে নিজেও জ্বলে, অন্যদেরকেও জ্বালায়। দেবযানী ক্ষমা করতে পারেনি তার প্রেমিক প্রবর দেবতা কচকে । আর আমরা বুকের গহীনে ক্ষমা না করে চলি জীবনে চলার পথে দেখা হওয়া এইসব টক্সিক মানুষদেরকে। এই সব টক্সিক মানুষদের সাথে চলতে গিয়ে মানে মুখ বুঁজে চলতে গিয়ে একদিন সেইসব তিক্ত অভিজ্ঞতা আর সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা মানেই দুঃসহ স্মৃতি মানে স্মৃতির কাঁটা। দেবযানীর বুকের মাঝেও বিঁধেছিলো যেমন তেমনই আমাদের বুকেও গেঁথে থাকে বিঁধে থাকে......... আর তা থেকেই মানে মনের এই সব স্মৃতির কাঁটা, চেপে রাখা রাগ, ক্ষোভ বিরক্তি বা দুঃখই মন চেপে রাখে কিন্তু চেপে রাখে না শরীর। নানা রকম রোগ ব্যধি বেদনা হয়ে বেরিয়ে আসে তা একটা সময়.......

এসব আমি জানতাম না । কিন্তু জানতে হলো নিজের স্বার্থেই- এই রকম অসুখও আছে নাকি দুনিয়ায়। মনের অসুখ যা শরীরে উপসর্গ হয়ে দেখা দেয়। এই মন ও শরীরের আত্মিক যোগাযোগ অসুখের নাম সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডার যা মন ও শরীরের অদৃশ্য সংযোগে দাঁড়িয়ে থাকে। আসলে আমাদের মন এবং শরীর একে অপরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। অনেক সময় আমরা যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা কষ্ট অনুভব করি, তা সরাসরি শরীরে বিভিন্ন উপসর্গ হিসেবে প্রকাশ পায়। এই ধরনের অবস্থাকেই বলা হয় সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডার।
এটা এমন একটি অবস্থা যেখানে শারীরিক লক্ষণগুলো মূলত মানসিক বা আবেগজনিত কারণের ফলে তৈরি হয় বা বাড়ে। এর নাকি আরও একটা নাম আছে, সোমাটোফর্ম ডিসঅর্ডার বা সোমাটাইজেশন ডিসঅর্ডার বা কনভার্সন ডিসঅর্ডার নামেও পরিচিত। বাপরে!!! এই মনের ব্যথাই রুপ নেয় শাররিক নানা সমস্যায় যেমন প্রচন্ড মাথাব্যাথা কিংবা পেটব্যথা, ক্লান্তি , পেশী ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, প্যালপিটিশন, হাই ব্লাড প্রেশার, এলার্জী, একজিমা, অনিদ্রা, অমনোযোগ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, অবসাদ বা দুর্বলতা ইত্যাদি।

আগেই বলেছি মানসিক কষ্ট, দুঃখ, রাগ, ক্ষোভ চেপে রাখাই এসব রোগ বৃদ্ধির কারণ তারপরও বলছি সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডারের কোনো একক কারণ নেই। এটি সাধারণত বিভিন্ন মানসিক ও আবেগীয় কারণের সম্মিলিত প্রভাব।যেমন
আমাদের ভেতরে অনেকেরই ভয় ও উদ্বেগ খুব বেশি কাজ করে। ভয়, নিরাপত্তাহীনতা বা বাইরের হুমকির অনুভূতি শরীরে স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
অতি আবেগী মানসিক যন্ত্রণা বা অমীমাংসিত মানসিক কষ্ট। যেমন প্রত্যাখ্যাত হওয়া, সম্পর্ক ভাঙা বা ট্রমা। এসব শরীরে উপসর্গ তৈরি করতে পারে।
স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব। মানসিক চাপের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন বৃদ্ধি পায়, যা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, শারীরিক অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
জীবনের চলার পথে আমরা নানা রকম শকিং পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে যাই। যেমন প্রিয়জনের মৃত্যু, পরিবার পরিজন এবং প্রিয়জনের সাথে সম্পর্ক ভাঙা, দীর্ঘদিনের চাপ এই ঘটনাগুলো সাইকোসোমাটিক সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এতে ক্ষনস্থায়ী সমস্যার সাথে সাথে দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডারের ধরণ বা ধাঁপগুলো এমন হতে পারে-
১. ডিপ্রেসিভ (বিষণ্নতা) ব্যাধি- মেজাজ পরিবর্তন,ঘুম ও ক্ষুধার সমস্যা, শক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি
২. উদ্বেগজনিত ব্যাধি- এংজাইটি - অযথা ভয়, অস্থিরতা, দীর্ঘস্থায়ী টেনশন ইত্যাদি
৩. সোমাটাইজেশন ডিসঅর্ডার- এতে মানসিক সমস্যার কারণে গুরুতর শারীরিক উপসর্গ তৈরি হয়, যা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে।

সাইকোসোমাটিক ডিসঅর্ডার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন থেরাপী, এন্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ, লাইফস্টাইল চেঞ্জ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, মেডিটেশন,স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস...

ছোটবেলায় একটা কথা শুনেছিলাম মন ভাঙ্গা আর মসজিদ ভাঙ্গা একই অপরাধ আর আজ জানছি মন ভাঙার কষ্ট ও চেপে রাখা রাগ,ক্রোধ,ক্ষোভ শরীর ও মনের উপর লুকানো প্রভাব ফেলে। কাছের মানুষ যখন কোনো কারণে আমাদের মনে আঘাত দেয়, তখন শুধু মনই খারাপ হয় না এর প্রভাব পড়ে পুরো শরীরের উপর। অনেক সময় এই অনুভূতিকে আমরা হালকাভাবে নেই, কিন্তু বাস্তবে এটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। একইভাবে, দীর্ঘদিন রাগ চেপে রাখার অভ্যাসও ধীরে ধীরে ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

অনেকেই মনে করেন, “মন ভাঙা” শুধুই একটি আবেগীয় বিষয়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক কষ্ট আমাদের মস্তিষ্ক এমনভাবে গ্রহণ করে যেন তা শারীরিক ব্যথা। তাই কারও কথায় আঘাত পেলে বুকের ভেতর চাপ বা ব্যথা অনুভব হওয়া অস্বাভাবিক নয়। দীর্ঘদিন রাগ চেপে রাখার যে ক্ষতি তার মূল্য শরীরকে দিতে হয়। আমরা মনে করি রাগ প্রকাশ করলে সম্পর্ক নষ্ট হবে, মান সন্মান যাবে তাই চুপ থাকি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দীর্ঘদিন রাগ চেপে রাখলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বা কর্টিসল দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের ঝুঁকি,হজমের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাতসহ রাগ জমতে জমতে একসময় মানসিক সমস্যারও সৃষ্টি করে, যেমন অ্যাংজাইটি, বিষন্নতা, প্যানিক অ্যাটাক ইত্যাদি।

যাইহোক রাগ দুঃখ ক্ষোভকে দমনের কিছু উপায় আছে। রিয়াকটিভ না হওয়া, ঠান্ডা মাথায় বুঝানো বা নিজের কথা বলা, মেডিটেশন বা এক্সারসাইজ.......

তবে হ্যাঁ নেতিবাচক,হিংসুটে, গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল, নিজে পারেনা তাই অন্যেরটা সহ্য হয়না, টক্সিক সমাজের কিট কিছু মানুষেরা কোনো কিছুতেই সোজা হয় না..... যেই লাউ সেই কদুই থেকে যায়। তাদের জন্মই হয়েছে বেয়াদপী করার জন্য, অন্যকে ছোট করা, হিংসা করা, বড়াই করা, তুই মনু আর আমি হনু এমনটাই ভাবা তাদের কাজ..... ইচ্ছা করে এক থাপ্পড়ে তাদের দাদার নাম ভুলায় দিতে। কিন্তু না আমরা তা করি না কারণ আমরা ভদ্দরনোক! :(

আর তাই ক্ষোভ, রাগ, দুঃখ চেপে রাখি যা আমাদের শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলে আমাদেরকে অসুস্থ করে তোলে। কিন্তু নিজের ভালো থাকার দায়িত্ব নিজের। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে, সুস্থ থাকতে হবে আর টক্সিক পিপলদের মুখে ঝাঁটা মেরে মনের আনন্দে ভাসতে হবে!


আমার ইজি কাজে বিজি থেকে ইদানিং কালের কিছু ইজিবিজি কাজকর্মের ছবি জুড়ে দিলাম আর হ্যাঁ এই যে ফোটোশপে করা কাভার পিকচারটাও আরেক ইজিবিজি কাজের নিদর্শন!!!

তবে চিন্তায় আছি এত কিছু জানা বুঝার পরে রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ চেপে না রেখে কেউ বেয়াদপী করলেই ........ দেবো নাকি চিরকালের জন্য আমার সাথে করা সকল বেয়াদপী, অসভ্যতা ঘুচিয়ে জনমের মত!!!!!!!

https://my.clevelandclinic.org/health/diseases/21521-psychosomatic-disorder
https://www.ogmagazine.org.au/20/3-20/psychosomatic-disorders/
https://www.news-medical.net/health/Psychosomatic-Disorder-Treatment-Options.aspx

মন্তব্য ১১৮ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (১১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৪৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




অনেক দিন পরে তোমার পোস্ট পেয়ে সত্যি ভালো লাগছে।

আমি এই কয়েক দিনে আমার লিডারশীপ কোচ ডিগ্রী ঝালাই করে নিয়েছি। এই কোচ হিসেবে আমার একটি কাজ হচ্ছে, মানুষের মনঃদৈহিক অবস্থা বুঝার চেষ্টা করা। অবজার্ভ করে রেমিডির ব্যবস্থা করা।

মানুষ তিনটি উপাদান নিয়ে তৈরী- মাইন্ড, বডি এবং হার্ট। এটাকে আমরা 'হিউম্যান ফ্রেমওয়ার্ক' বলি। প্রথম দুটোতে প্রব্লেম হলে সারাতে বেগ পেতে হয় না। ৩য়টায় একটু গড়বড় হলে সারাতে অনেক টাইম লাগে।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৪

শায়মা বলেছেন: গুড! কি ধরনের রেমিডির ব্যবস্থা করো তুমি??

মাইন্ড সারানো সব চেয়ে কঠিন..... মনে হচ্ছে সহজ আসলেই কি তাই?? কিছু কিছু মানুষের মাইন্ড মরণ কামড় দিয়ে থাকে ..... ভুলবোই না রাগ দুঃখ ভুলবোই না যেমন আমি :P

২| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:২৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




অনেকদিন পরে গত ৩/৪ দিন ধরে ব্লগে আসছি। ভালো লাগছিলোনা ব্লগের প্রায় জনশূন্যতা দেখে। তখন আপনার মতোই মনে হলো--কোথায় হারিয়ে গেলো সোনালী বিকেলগুলো সেই
স্মৃতি বড়ই কাতর! অনেক হারানো মুখের কথা লিখেছেন। আশা করি তারা যেখানেই আছেন, ভালো আছেন।

মন একটি "প্যান্ডোরা বক্স" ! এর পরতে পরতে কতো যে রহস্য! সে সব রহস্যের অনেক জটই খুলে দিয়েছেন, একদম আউলা কেশে পাগল বেশের মতো।
ঠ্যাং এর ব্যাথায় হয়তো রাস্তা-ঘাটে দাঁপিয়ে বেড়াতে পারবেন না কিন্তু ব্লগের মাঠে আজকের মতো এমন করেই হা-ডু-ডু খেলে যেতে তো বাঁধা নেই!
আশা করছি, মুখ না দেখানো ব্লগারেরাও এমন করে ব্লগে দাঁপিয়ে বেড়াবেন যাতে " অনলাইনে আছেন " এর ঘরের সংখ্যাটি নিদেন পক্ষে ৩০/৪০ সংখ্যা দেখায়।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৩

শায়মা বলেছেন: হঠাৎ ৩/৪ দিন ধরে আসছো কেনো? আর এতদিন আসছিলেই না কেনো?? এমন করে না আসতে আসতে কিন্তু ভুলে যাবে একেবারে। যদিও আমিও অনিয়মিত হয়ে পড়েছি। তবুও ঢু মেরে যাই প্রায় প্রতিদিনই। তবে পুরোনো পোস্টে শত শত হারিয়ে যাওয়া মুখের মানে নিকের ভীড়ে মনে পড়ে যায় কত কথা!!! না সবাই হয়ত ভালো নেই। আবার কেউ কেউ চিরদিনের মত হারিয়ে গেছে এই পৃথিবী থেকে। এই তো সেদিন কালপুরুষ ভাইয়াও চলে গেলেন। অথচ বেঁচে থাকতে কত কিছু তাকে নিয়ে।

যাইহোক মনের রহস্য খুলবো কেমনে? নিজের মনের রহস্যে নিজেই ঘুরপাক খাচ্ছি!! নাহ ঠ্যাং এর ব্যাথা কন্ট্রোলে এনে ফেলেছি কিন্তু তারপরও যেন কোথায় সূর কেটে যাচ্ছে মনে হচ্ছে সেই মনের ভয়েও আমি শেষ!!! হা হা হা তবে হ্যাঁ ক্ষমা করতে না পারা কিন্তু অনেক রোগের কারণ!!!!

যাইহোক একটা গান আছে না ?? তারে ফেরানো গেলো না কিছুতেই ....... সেই গানের মত ৩০/৪০ জনও আর ফিরবে না ...... সবাই শিরোনামের মান্না দের গান হয়ে গেছে ......

৩| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সামুর যৌবনটা আমি কখনো উপভোগ করতে পারিনি কারন তখন ব্লগিং লেখালেখি নিয়ে তেমন আগ্রহ জন্মায়নি। তবে আমার দুইজন খুবই কাছের মানুষ কে দেখেছি দিনরাত সারাক্ষণ সামুর ইন্টারফেস খুলে বসে থাকতো। কিসের রাত বা কিসের দিন সারাক্ষণ এইটা সেইটা পোষ্ট, মন্তব্য পড়ে হাসতো....

ব্লগার খায়রুল আহসান একজন নির্ভেজাল শান্তিপ্রিয় মানুষ। ব্লগ এখন ওনাদের পড়ার মতো গভীর লেখা খুব কম আসে। তাই হয়তো পুরানো পোষ্ট গুলো পড়ে সময় কাটান। তোমাদের মন্তব্য-প্রতি উওরের জোড়ে আমি সেই ১৪/১৫ বছর আগে লেখা, মন্তব্য এর প্রোফাইল তার প্রোফাইলে যেয়ে ঠু মারি..... কত জ্ঞানী-গুনি, রথি-মহারথি, আস্তিক-নাস্তিক, রসিক- বেরসিক ব্লগার আর নিরব পাঠকদের পদচারণায় মুখর ছিলো এই ব্লগ!! আর আজকে জরাজীর্ণ, বৃদ্ধ, মৃতপ্রায় একটি প্লাটফর্ম। ভাবতেই কষ্ট লাগে.......


২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৪

শায়মা বলেছেন: আমাদের সেই কয়েক হাজারবার পঠিত ব্লগ!!! কোথায় হারালো!!

যাইহোক সেই দুই জন কাছের মানুষের নিক বলো দেখি। চিনি কিনা?

৪| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




লেখক বলেছেন: গুড! কি ধরনের রেমিডির ব্যবস্থা করো তুমি??
====================
ইট ডিপেন্ডস অন দ্যা রোগী।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০৩

শায়মা বলেছেন: কেমনে তোমার সেই রেমিডি পাওয়া যাবে?
চেম্বার আছে নাকি অনলাইন সার্ভিস?

৫| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




প্রজাপতি দুটো দেখে মনে পড়ে গেলো 'ঘুমন্ত শহরে' গানটির ফুয়াদের রিমিক্সের ভিডিও সংটি।
ওখানে মেয়েটি আকাশের রাজ্য থেকে যখন পাথুরে ধরণীতে ছিটকে পড়ে, সবার শেষে তাঁর দেহের পাশে একটা প্রজাপতি ছিলো।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৬

শায়মা বলেছেন: যাই গানটা শুনে আসি...... :)

৬| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

যাইহোক সেই দুই জন কাছের মানুষের নিক বলো দেখি। চিনি কিনা? একজন আমার বড় ভাইয়া আরেকজন বন্ধু। তাঁরা দুজন ছিলো সামুর একনিষ্ঠ নিরব পাঠক। কোন আইডি ছিলো বলে মনে হয় না....

বাই দ্যা ওয়ে ভ্রমণ দেবী ব্লগার "জুন" এখন আর দেখতে পারছি না? তিনি কি কারো সাথে রাগ করে সামুতে অনুপস্থিত?

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৮

শায়মা বলেছেন: আইডি ছাড়া তোমার সেই দুই ভাইডি!!! ধ্যাৎ কেমন হলো এটা!!! X((


যাইহোক আবার দেখা হলে কনফার্ম হয়ে নিও। সত্যি তাদের আইডি ছিলো কিনা ......

জুন আপুনি তো কারো উপর রাগ করে না। আপুনি সেফ সাইডার....... এমনিতে হয়ত ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে নয়ত অন্য কোনো ঝামেলায় আছে। ঈদের ছুটি তো সবার। নিশ্চয় এসে যাবে শিঘ্রী.....

৭| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তুমি যদি জানতে কিসের এই ব্যথা,
কেন যে শরীর জুড়ে এত ব্যাকুলতা।
কিছু কথা মুখে বলা যায় না তো সহজে,
মনের সে মেঘ এসে শরীরে যে বাজে।
রিপোর্টে মেলে না খোঁজ মনের অসুখের,
তুমি ছাড়া কে বোঝাবে এ কষ্ট বুকের?
একটু ছোঁয়াতে তোমার,
একটুখানি হাসিতে,
সব ব্যথা ভুলে যাই প্রেমের এ বাঁশিতে।
ওষুধে সারে না রোগ,
সারে সে তো মায়ায়,
জুড়াতে চাই এ পরান তোমারই তো ছায়ায়।
তুমি যদি হাত রাখো এই ব্যথিত হাতে,
সব মেঘ কেটে যাবে এক নিমেষেই তাতে।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২৭

শায়মা বলেছেন: আহা যদি হইত তায়
হাত ছাড়িতাম লাই
স্যুপার গ্লু দিয়া তারে করিতাম বাঁধাই!!!
মায়ায় বান্ধিয়া মন
রাখিতাম প্রানপন!!
প্রেমের বাঁশীতে তারে মজিয়া সাধনায়।

কিন্তু এ সবই বৃথা হায়
এ জগত সংসার সকলই মিছা ভাই .....
রিপোর্ট লইয়া ঘুরি তাই...... :(

হায় হায় গেলাম গা :P

৮| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




লেখক বলেছেন: কেমনে তোমার সেই রেমিডি পাওয়া যাবে?
চেম্বার আছে নাকি অনলাইন সার্ভিস?
===================================

যুক্তরাজ্যের The Change Foundation এবং যুক্তরাষ্ট্রের Transformational Leadership Foundation এর যৌথ উদ্যোগে লিডারশীপ কোচ হিসেবে ট্রেইনিং নেওয়ার পর থেকে আমি ব্যবসায়িক আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি। এছাড়া, ব্যবসায়ীদের পারসোনাল কোচ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। এখন পর্যন্ত ১০০-এর উপরে উদ্যোক্তাকে ফ্রি কোচিং করিয়েছি।

ওয়ান-টু-ওয়ান। অনলাইন/অফলাইন।

তুমি জানো, ব্যবসায়ীদের অনেক স্ট্রেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। আমি তা নিয়ে কাজ করি।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫০

শায়মা বলেছেন: ফ্রি কোর্স!!!

কেনো???

৯| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



লেখক বলেছেন: ফ্রি কোর্স!!!
কেনো???
====================

কারণ, আমি যুক্তরাজ্যে যে কোর্সগুলো করেছিলাম, সেগুলো তাঁরা আমাকে স্কলারশিপ দিয়ে ফ্রি করে দিয়েছিলো।
অনেক দামী কয়েকটা কোর্স আমি ফ্রিতে করেছিলাম। এমনকি আমার থাকা-খাওয়া ফ্রি ছিলো।

আমি ট্রেনিং নেওয়ার পরে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আমিও কোচ হিসেবে ফ্রি সার্ভিস দিবো। আমার যেহেতু রুটি - রুজি এটার উপর নির্ভর করে না, তাই আমি কোচিং সার্ভিস ফ্রি দেই।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

শায়মা বলেছেন: ভেরি গুড ভাইয়া।

তবে ফ্রিতে দিলে বাংলাদেশের মানুষ সে সব নেগেটিভলি নিতে পারে .....

১০| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




লেখক বলেছেন: ভেরি গুড ভাইয়া।
তবে ফ্রিতে দিলে বাংলাদেশের মানুষ সে সব নেগেটিভলি নিতে পারে .....
==============================================

আমি তো সবার কোচ হিসেবে কাজ করি না। আমি মাইক্রো এস, এম, ই, অর্থাৎ খুব ছোট উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করি। আমি ধনী উদ্যোক্তাদের কাজ করি না।

যারা ছোট উদ্যোক্তা, তাঁরা তো আমার কোচিং ফিস দিতে পারবে না। তাই, আমি তাঁদের জন্যে ফ্রি করে দিয়েছি।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১১

শায়মা বলেছেন: অনেক অনেক শুভকামনা তোমার জন্য ভাইয়ুমনি!!! :)

তুমি সফল হও!!

অনেক বড় হও!!!!!! :)

১১| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১:০৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

এক সময় তোমার আর গাজী সাহেব আর আর এক ছিলেন তার নাম মনে নেই এরা পোস্ট করলে নিমেষেই ৫ শ বার পাঠ করা হয়ে যেতে।

২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০০

শায়মা বলেছেন: সময় হারিয়ে যায়। মানুষ বদলে যায়। তবে স্মৃতি আর মায়া পড়ে থাকে। কত শত অজানা অচেনা মানুষের মিলনমেলা ছিলো এই ব্লগ। একে একে সব কোথায় হারালো...... মায়া কেটে গেলো?

১২| ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ব্লগের কথা মনে হলে সেই সোনালী বিকেলগুলো'র কথাই মনে পড়ে আর মন উদাস হয়।

২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

শায়মা বলেছেন: সোনালী বিকেলগুলো আর ফিরবেনা।

সেই সব সোনালী বিকেলের হাসাহাসি ভালোবাসাবাসির সাথে কত ঝগড়া বিবাদ খুনসুটিতে কেটে গেছে ঘন্টার পর ঘন্টা!!!

১৩| ২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সায়মার পেষ্টি মানেই বাড়তি কিছু

২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া কেমন আছো??

এখনও তোমরা কেউ কেউ আসো।

কিন্তু কত শত হাজার জনা হারিয়ে গেছে।

নুরুভাই শেষ দিকে ইনডাইরেক্টলী লাগতে আসা পোস্ট দিত! আসলে ভাইয়া কত মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলো আমরা জানিনি।

এমন কত শত জানা অজানা নিয়ে থেকে যাই আমরা, হারিয়ে যাই চলে যাই ......

অনেক ভালো থেকো ভাইয়ামনি!!!

১৪| ২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৩

জুল ভার্ন বলেছেন: “কোথায় হারিয়ে গেলো সোনালী বিকেলগুলো"- এই বাক্যটি যেন এক মুঠো নস্টালজিয়ার নাম। ব্যস্ত সময়ের ভিড়ে হারিয়ে গেছে সেই নির্ভার বিকেল, যেখানে ছিলো গল্প, হাসি, কাঁচা রোদ আর আপন মানুষদের সান্নিধ্য। আজ সব আছে, শুধু নেই সেই শান্তি মাখা অনুভূতিগুলো। তবুও ব্লগের স্মৃতির পাতায় তারা রয়ে যায় চিরসোনালী হয়ে।

২৪ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১

শায়মা বলেছেন: যাদের কথা লিখেছি তারা হয়ত কখনও জানবেও না ......

আমি এটাই দেখতে চাই তারা কেউ আসুক আরেকটা বার .......

১৫| ২৪ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

আপু তোমার যে কালারফুল লাইফ, রঙ বেরঙের সাজুগুজু আর বিস্তর খানা-পিনা আর ঘুড়া-ঘুড়ির আয়োজন সামুতে লেখালেখির পাশাপাশি যদি ফেসবুক-ইউটিউবে শায়মা'স ব্লগ দিয়ে যদি ভিডিও ছাড়তে তাহলে তো পুড়াই ফেমাস হইয়া দেশ কাপাইতা.... শুরু করবে নাকি ভিডিও ব্লগিং

২৪ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

শায়মা বলেছেন: হা হা অনেকেই এই কথা বলে বটে কিন্তু আমি নিজে কখনও এমন কিছু চাইনি .......

১৬| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫০

করুণাধারা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শায়মা! অনেকদিন পর তোমার থেকে একটা সহজ আবার পান্ডিত্যময় পোস্ট পেয়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক কিছু জানাও গেল।

অবশ্য জানার চাইতেও, এ পোস্ট পড়েনস্টালজিক হলাম বেশি। বিদায় অভিশাপ আর সাইকোসোমাটিক ডিজঅর্ডার...

বিদায় অভিশাপ প্রিয় কবিতা, পড়তে পড়তে মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল যখন কলেজে পড়ি তখন। সেই সময়ই, বিচিত্রায় একজন প্রবীণ মনোবিজ্ঞানী নিয়মিতভাবে তাঁর কাছে আসা রোগীদের কেস স্টাডি লিখতেন। সেই লেখাগুলো থেকেই প্রথম সাইকোসোমাটিক কথাটা জানতে পেরেছিলাম। তারপর যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম তখন মনে হলো উনার চেম্বার যখন কাছেই আজিমপুরে, যাই একবার দেখিয়ে আসি আমার এই ভারী নামের রোগটি আছে কিনা! গেলাম চেম্বারে, যখন আমার ডাক পড়ল আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমি কি করি। বললাম ছাত্রী। উনি বললেন, উনার ভিজিট অমুক টাকা। আমি হিসাব করে দেখলাম আমার মা আমাকে এক মাসের খরচা বাবদ যে টাকা দিতেন তার চারভাগের একভাগ উনার ভিজিট! আমার সাইকোসোমাটিক ডিজিজ (উনি কিন্তু ডিস অর্ডার না, ডিজিজ বলতেন) হয়েছে কিনা না জেনেই ফিরে আসলাম। অবশ্য পরে অনেকগুলো সাইকোসোমাটিক ডিজিজ হয়েছে, আবেগ অবদমনের ফলস্বরূপ!

যেসব নিকের লিঙ্ক দিয়েছ, তাদের কারো কারো লেখা পড়লাম। বৃতি অসাধারণ মেধাবী আর প্রিয় একজন মানুষ। তার নাম আর আমার নাম পাশাপাশি রাখলে অনেকেই ভাবতে পারে আমরা বোন কিনা...

বুঝলাম। তোমার আসল নাম কৃতী! সবকিছুতেই তো তুমি কৃতী!

ছবিগুলো এঁকেছ অসাধারণ। বিশেষ করে প্রজাপতিগুলো। কিন্তু যে ছবির নাম "আমার কিসের ব্যথা" সেইখানে তুমি নিঃশব্দ লিখতে গিয়ে কি বানান ভুল করলে নাকি?

সোনালী বিকেল হারিয়ে গেছে... এখন মন্দ মন্থরে সন্ধ্যা নামছে... :(

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৩

শায়মা বলেছেন: আপুনি সাইকোসোমাটিক ডিজিজ নিয়ে যেদিন জানলাম সেদিন নিজেই অবাক হয়েছি! সব সময় হাসিমুখে থাকি বটে তবে আমি কিন্তু আমার বাইরের জগতে যুদ্ধাংদেহী হতে দরকার পড়লেও হাসিমুখে থাকি তাহা নহে। তবে এই কথা সত্য- কোনো কোনো মানুষ পরিস্থিতি বা ঘটনার কাছে - আমি একা বসি সন্ধ্যা হলে, আপনি ভাসি নয়নজলে, কারণ কেহ শুধাইলে নীরব হয়ে রই!!!!! :(

এই ব্যাপারগুলিই সাইকোসোমাটিক ডিজিজ বা ডিসওর্ডার নিয়ে আসে। :(

হা হা না কৃতী নহে হকে হকে মিল হা হা ...... বৃতিমনি আর কৃতীমনি..... হা হা হা নামটা কিন্তু বড়ই পছন্দ হয়েছে!!!

হঠাৎ কয়েকদিন থ্রিডি আর্টের ভূত চাপলো। আজকাল স্কুলে দায়িত্ব এত বাড়িয়ে দিয়েছে যে আমার সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ বিঘ্নিত হচ্ছে।

আপুনি অনেক বানানই ভুল লিখেছি । মানে আরও আছে ভুলভাল। তবে ঠিক ঠাক করতেই ইচ্ছে হলো না .... ঈদের ছুটি পেয়েছি বটে তবে কাঁশতে কাঁশতে জীবন যাচ্ছে। বিরক্ত হয়ে গেলাম নিজের উপরে!!! X((


হারিয়ে যাওয়া সোনালী বিকেলের কাউকেই আর দেখহা যাবে না। তারা জানবেও না আমি যে তাদের মনে করেছিলেম

শূন্য পাতা ঝরার বেলায় ......
আমি যে গান গেয়েছিলেম.......

কেউ মনে রাখে না!!!!!!!! :(

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৬

শায়মা বলেছেন: আজ হঠাৎ কবিতা এসে গেলো মনে ......

মাঝে মাঝে এমন হয় । মানে যখন একটু ছুটি টুটি থাকে তখন আমার রবি ঠাকুরের মত আজ রাতের বেলা গান এলো মোর মনে, তখন তুমি ছিলে না মোর সনে হয়ে যায়।

কবিতাটা আজ কালের মধ্যে লিখে ফেলবো ভাবছি!!! আহা যখন কবিতা মনে এলো তখন আমি ক্লান্ত তাই লিখলাম না কারণ লিখতে গেলে যদি আবার চোখের জলে বুক ভাসাই!!! :(

১৭| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৪

মেহবুবা বলেছেন: গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল, মহিলা মোড়ল -- এসব কিলবিল করছে চারিপাশ! সবচেয়ে ভালো হয় এদের থেকে দূরে থাকা, না পাীলে এড়িয়ে যাওয়া।
আচ্ছা শোন নএ লেখাটা কি তোমার নিজের হাতে লেখা মানে টাইপ করা? একজন সবজান্তার এসব ভাবনা বাকি ছিল, পেয়ে গেলাম।
পাশের সমস্যার আসলেই কি অবস্থা?
অনেক করে ভালো থেকো।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৮

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ নিজের হাতে টাইপ করা আপুনি!! তবে টাইপিং এর আগে কিছু মিছু পড়তেও হয়েছে।

হ্যাঁ গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়লদেরকে এড়িয়ে চলতে চাই কিন্তু চাইলেও কি এড়ানো যায় সবাইকে বলো?? :(


পাশের সমস্যার আসলেই কি অবস্থা? এটা কি পায়ের সমস্যা বলতে চেয়েছো!! পা এখন আন্ডার কন্ট্রোল হা হা ....

১৮| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:২৩

মেহবুবা বলেছেন: পায়ের সমস্যা?

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩০

শায়মা বলেছেন: এই সমস্যা আন্ডার কন্ট্রোল আপুনি তবে কেনো যেন বার বার সিক হয়ে যাচ্ছি!

এই তো গত ৭ তারিখ একটা বাচ্চা খাতা নিয়ে এলো কাছে। আমি তখন ছোট চেয়ারে মানে ওদের চেয়ারেই বসে আরেকজনের খাতা দেখছিলাম। হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই হাচ্চো!!!!!!!!!! মানে একদম গায়ের উপরে। এমন রাগ লাগে! যদিও ইহা নতুন নহে এমন অনেক ঘটনাই ঘটায় তারা।

তবে ইদানিং ইমিউন সিস্টেমে মনে হয় গড়রবড়র দেখা দিয়েছে। সাথে সাথে রাত থেকে জ্বর!!! এত সহজে জ্বর জ্বারি কখনও হতইনা আমার, কিন্তু ইদানিং একটুতেই কুপোকাত হয়ে গেলাম!!! এখনও কাঁশছি ! বিরক্ত হচ্ছি!!! :(

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩২

শায়মা বলেছেন: আচ্ছা তুমি কি নতুন মন্তব্য বা কেউ কোনো কমেন্ট করলে আগে যে এক কোনায় কমলা বক্সের মধ্যে নাম্বারটার নোটিফিকেশন আসতো সেটা পাও আজকাল??

আমি শুধুই শূন্য দেখি ...... কেউ কমেন্ট করলে বা উত্তর দিলে কিছুই জানতে পাইনা পোস্টে ঢোকা ছাড়া.......

ব্লগের ইমিউনও আমার সাথে সাথে উইক হয়ে যাচ্ছে .......

১৯| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪০

মেহবুবা বলেছেন: তুমি অনেক অনেক বেশী করে লেবু, মাল্টা, কমলা,জামবুরা যা পারো খাও। তার সাথে ভিটামিন ডি টেস্ট করিয়ে জেনে নিয়ে খাওয়া শুরু করো।
বয়স অল্প থাকলে শরীর ভেতরে বাইরে যুদ্ধ করে জিতে যায়। বয়স বাড়তে থাকলে কত শত ইস্যু!
ব্লগের immunity নিয়ে আমারো অবস্থা তোমার মত!
তোমার থেকে দূরে দূরে থাকতে হবে! পায়ের সমস্যায় কুপোকাত! মনে হয় ছোঁয়াচে ব্যধি তোমার থেকে হয়েছে !

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫১

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি!!!!!!!!!
উল্টো ঘুড়ি কবিতাটা মনে পড়ে গেলো-

সহজে যদিও ভালবেসে ফেলি

সহজে থাকিনা কাছে,

পাছে বাঁধা পড়ে যাই।

বিস্মিত তুমি যতবার টানো বন্ধন সুতো ধ'রে

আমি শুধু যাই দূরে।



আমি দূরে যাই-

স্বপ্নের চোখে তুমি মেখে নাও ব্যথা- চন্দন চুয়া,

সারাটি রাত্রি ভাসো উদাসীন বেদনার বেনোজলে

এত সহজেই ভালবেসে ফ্যালো কেন?


আপুনি করুনাধারা আপুনির ম বিষয়ক পোস্টে কমেন্ট পড়ো!!!!!! হাসতে হাসতে মরবা!!!!!

২০| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৬

ড: শাফিক আফতাব বলেছেন: আপনার মোবাইল নাম্বারটি দেবেন প্লিজ। আমি আইডির পাসওয়ার্ড না থাকায় খুলতে পারছি না। আবার নতুন আইডি দিয়ে লেখা দিলে ফিড এ আসছে না। সমাধান কী করা যায। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে পারি। প্লিজ জানাবেন। আমার মোবাইল নং-০১৭১২২১৫০০৯। প্লিজ কল দেবেন। আমাকে সাহায্য করবেন।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২৮

শায়মা বলেছেন: মোবাইল নাম্বারে কাজ হবে না ভাইয়া। আমি কিন্তু একটিভ মডারেটর বা এডমিন নহি! তবে মডুভাইয়া আপুনিদের প্রিয় বেহেনা। কাজেই একটু আধটু হেল্প করিতে পারি।
[email protected]
এই ইমেইলে মেইল করো প্রবলেমটা ভাইয়া।

২১| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

মিরোরডডল বলেছেন:




জেসি আর সাজিদ ছাড়া লিস্টের আর কাউকে চিনি না।

সাজিদকে অনেকদিন ব্লগে দেখিনা, আর জেসিতো সেই ২০২০ এর পর আর আসেনি।

শুভও মনে হয় আর আসে না।

আশা করি যে যেখানে আছে, সবাই ভালো আছে।

২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০০

শায়মা বলেছেন: শুভভাইয়ু এমন করে হারিয়ে যাবে ভাবিনি!!!! :(

সব সময় হারাই হারাই করতো!!! কিসের যে এত লজ্জা ছিলো ভাইয়ুর কে জানে!!!
তাই বলে আমাদেরকে ভুলে যাবে!!! :(

তুমি কাউকেই চিনবে না! এরা অনেক আগের মানুষজন!!! জিনি ভাইয়া আর সাজিদকে ফেসবুকে পাওয়া যায়। এদের অনেককেই পাওয়া যাবে ফেসবুকে। কিন্তু তারা আজকাল জীবন যুদ্ধে ব্যস্ত মানুষ!!! :(

২২| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: ব্লগারা কমে যাওয়ার জন্য দায়ী সামু টিম, মডারেটর।

২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০২

শায়মা বলেছেন: আহা তাই না???

শুধু তারা দায়ী হবে কেনো?

অনেক কিছুই দায়ী......
কথা যদি শুরু করি .... শেষ তো হবে না!!! :)

২৩| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বেশ আবেগঘন একটি পোস্ট, মনের অনেক অব্যক্ত কথা ব্যক্ত করেছেন, সব মানুষের জীবনেই রয়েছে এমন নানা ঘাত প্রতিঘাত এসব নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সবচেয়ে অবাক হলাম আপনার মত মানুষের এমন বিরল একটি ব্যাধি হতে পারে দেখে, প্রকৃতি বড়ই নৃশংস! :( হ্যাঁ আপনার পায়ে কিছু একটা সমস্যা হয়েছিলো তা আগেও শুনেছিলাম কিন্তু আজই প্রথম বিস্তারিত জানতে পারলাম। যা হোক- এখন আপনার পায়ের অবস্থা কি? এখন কি পুরোপুরি সেরে উঠেছেন?

আপনি যে সামুর একজন মডারেটর তা কমেন্ট থেকে আজই প্রথম জানতে পারলাম... খাইসেরে... এখন থেকে আপনার কাছ থেকে সাবধান থাকতে হবে। =p~

আর পুরোনো এসব ব্লগারদের এভাবে পুরোপুরি ব্লগ ছেড়ে দেওয়া ঠিক হয়নি বলে আমি মনে করি, তারা অন্তত কয়েক মাস পর পর একবর করে হলেও ব্লগে হাজির হতে পারেন- যারাই এই ব্লগের সাথে যুক্ত তাদের সকলেরই অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই ব্লগের সাথে. এভাবে ব্লগ পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া ঠিক হইনি।

আর হ্যাঁ, শেষের ছবিটিতে আপনাকে একদম পরীর মত লাগছে তবে ডানা থাকলে আরও ভালো হতো। :D

২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

শায়মা বলেছেন: আমি তো পরীই ছিলাম ভাইয়া জানোনা??

এখন ডানা ছিড়ে খুঁড়ে যাচ্ছে। হা হা যাইহোক করুনাধারা আপুর পোস্টে কাল একটা পোস্টের লিঙ্ক দিয়েছি সেটা পড়লে তুমিও হাসতে হাসতে মরবে!!!

যাইহোক আমার মত লোকের এমন হয়েছে শুনে আমি তো ডক্টরের উপরে খেপে গেছি। বলে কি বেটা!! এত আনন্দময় মানুষ আমি!!
যাইহোক এসব আমি মানবো নাকি!! আর হ্যাঁ পায়ের ব্যাথা কন্ট্রোলে একেবারে তবে ওষুধ খেতে হবে...... সেটাও আমার অপছন্দের কাজ!!


আমি মডু কই বললাম!! বললাম মডুভাইয়ু আপুনিদের প্রিয় বেহেনা তাই এট্টু হেল্প করলেও করতে পারি। নো ভুই ভাইয়ু!!! আজকাল কি কেউ আর মডু টডু ভুই পায়!!!!!!!! কোনো দাম নাই !!!!!!!! মডুদেরও কাম নাই!!!!!!!! সবাই ঝিমাচ্ছে। ঘুমাচ্ছে .....

আজ পুরোনো ব্লগারদেরকে ফেসবুকে খুঁজতে বসেছিলাম!! তারপর খুঁজতে খুঁজতে টায়ার্ড হয়ে গেলাম!!! :(

তুমি কিন্তু হারিয়ে যেওনা ভাইয়া। যতদিন সামু বেঁচে আছে....... থেকে যেও ......

২৪| ২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:৫৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমি আছি আপুনি, এখন ৩.৫২ বাজে, তোমার পোস্ট দেখে লগ ইন করলাম

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:২৬

শায়মা বলেছেন: আরে এত রাত জেগে কেনো তুমি!! বুঝেছি ঈদের ছুটি পেয়েছো !! হা হা

রিটায়ার করে ফেলোনিতো আবার!!!!


যাইহোক এভাবেই থাকো সামুতে যতদিন সামু আছে। হারিয়ে যেওনা একদম!!

২৫| ২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৬

নীল-দর্পণ বলেছেন: কী সুন্দর প্রজাপতি!
সামুর সেই সময়ের কথা ভাবলে কেমন ফাঁকা লাগে মনের ভেতর, এইটুকুই শান্ত্বনা যে এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি।

২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

শায়মা বলেছেন: সেটাই নড়বড় করে এখনও টিকে আছে সামু তাই আমরা কয়েকজন এখনও একে অন্যকে দেখছি।

২৬| ২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৪

করুণাধারা বলেছেন: রাগ দুঃখ ক্ষোভকে দমনের কিছু উপায় আছে। রিয়াকটিভ না হওয়া ঠান্ডা মাথায় বোঝানো বা নিজের কথা বলা, মেডিটেশন বা এক্সারসাইজ...

ছবি আঁকা কি মেডিটেশন বা এক্সারসাইজের আওতায় পড়ে? আমার একজন ফার্স্ট গার্ল রুমমেট আপা ছিলেন, উনি রাগ দুঃখ ক্ষোভে কাতর হলেই ছবি আঁকতে বসতেন তন্ময় হয়ে, ছবি শেষ হতে হতে উনার মেজাজ খুশ হয়ে যেত! রাগ দুঃখ ক্ষোভ প্রশমনের আরেকটা উপায় হচ্ছে যার উপর রাগ তাকে যত খুশি যেভাবে খুশি গালাগালি করা কাগজে লিখে লিখে । এরপর বসে কাগজটা কুচি কুচি করে ছিঁড়তে হবে...

আরেকটা উপায়, একজন মুখচোরা ভালো মানুষ যে চুপচাপ সব শুনে যাবে, এমন একজনকে খুঁজে বের করে নিজের সব রাগ দুঃখ ক্ষোভের কাহিনী তাকে শোনানো। আমাকে অনেকেই এখন এমন কাহিনী শোনাতে থাকেন। আমি বলতে পারি না যে আমার এসব শুনতে ভালো লাগে না। আবার বলতে না পারায় আমার মনে রাগ দুঃখ ক্ষোভ বাড়তে থাকে... :|

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৯

শায়মা বলেছেন: ছবি আঁকাও মনে হয় মেডিটেশনের মধ্যে পড়ে। লিখে কাগজ ছিড়ে ফেলা সবই কাজে দেয়। তবে বোবাকে শুনিয়ে লাভ কি!!!!

আপুনি সারজীবন কত কিছু করে নিজেকে ভুলিয়ে রাখলাম!!!!!!

এখন তারে ভুলানো গেলো না কিছুতেই .......

২৭| ২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৩

করুণাধারা বলেছেন: আর এ আর নিউমোনিয়ার আগে তোমার কোনো অসুখ হয়নি? আমার তো মনে পড়ছে ২০১৮র জুনে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। আমি তোমাকে নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম শায়মার জন্য শুভকামনা

সেই পোস্ট খুঁজে তোমার (৩৬ নম্বর) মন্তব্য পড়ে আমার উত্তর পড়লাম। বুঝলাম আমি একজন ফাস্ট ক্লাস ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা!!! :D

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১:০২

শায়মা বলেছেন: ওহ সেটা তেমন কিছু ছিলো না তবে এটা তো জীবনব্যপী চলিবেক!!!

আপুনি তুমি ভালো মেমোরী সে কি বলতে!!! আর ভবিষ্যৎ দ্রষ্টাও বটে .......

আবার মনের জোরেও অনেক কিছু পেয়েই যাও!!!!!!! হাহা হা হা

২৮| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: কি অদ্ভুত, অন্ধ দাঁড়কাক ছাড়া আর কোন ID চিনি না।

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৪

শায়মা বলেছেন: তুমি তো অনেক পুরোনো আপুনি!!!! তবে হ্যাঁ আমার ব্লগে অনেকে যেমন কমেন্ট করতো তেমনি আমিও কর‌তাম।

আমার পুরোনো পোস্টের কমেন্ট গুলো থেকে আমার এই নিকগুলোকে মনে পড়েছিলো সেদিন।

২৯| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে এই ইঙ্কারনেশানে তুমি -তোমার থেকে অপেক্ষাকৃত কম IQ দ্বারা পরিবেষ্টিত লোকজনের সেট- আপে ইঙ্কারনেট করেছ। এর কারণ দুটো।
হতে পারে তোমাকে তোমার যাত্রপথে এক্সপেরিয়েন্স গ্রহনের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে এমন ভাবে, যে খুব কাছের আশপাশের হাবাদের সাথে চলতে গিয়ে কি অভিজ্ঞতা হয় তা তুমি জানবে।
অথবা তুমি নিজেই চয়েস করেছ এরকম সেট-আপ যেখানে খুব কাছ থেকে হাবা-পাট্টিদের কর্মকান্ড দেখা যায়।
এভাবে বিশ্লেষণ করার কারণ -আমি আমার এই ইঙ্কারনেশানে এত অব্দি একটি মানুষও পাইনি যার কিছু মাত্র গুণ আছে, এবং তা দেখে কিছু শিখব।
সেই দুঃখে একটা গল্পও লিখে ফেলেছি প্রায় -'হাবার হা।'

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮

শায়মা বলেছেন: হা হা হাবার হা গল্পের লিঙ্কটা দিলে এখুনি গিয়ে পড়ে ফেলতাম।

তারপরও নো প্রবলেম তোমার আইডি থেকে পড়ে ফেলবো!!

আমি জানিনা আমি কি করেছি কিন্তু যা উপলদ্ধ হয়েছে তাই লিখেছি। তবে হ্যাঁ যাত্রাপথের এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে ভাবতে গেলে শেষ জীবন গবেষনায় কাটাতে হবে আরও আরও!
জানিনা কত দিন বাঁচবো। তাড়াতাড়ি গবেষনা শুরু করে দিতে হবে। :)

৩০| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: সাইকোসোমাটিক ডিসওর্ডার নিয়ে লেখাটি থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় শায়মা আপু।
কালই ঘটলো আমার সাথে। দরকারী জিনিস হারিয়ে গেছে। হঠাৎ শুরু হলো পিঠে ব্যথা, একদম প্যারালাইজড্‌ হবার দশা। তখন রিলেট করলাম তোমার লেখার সাথে 'A psychosomatic disorder is a condition where mental or emotional distress causes, triggers, or exacerbates physical symptoms. '
হয়তো বা আমাদের অনেকের এরকম ব্যথার উদ্রেক হয়, কিন্তু তাকে কিভাবে ব্যক্ত করে তা আমরা জানি না।
এ প্রসংগে একজন হাবা -ডাক্তারের কথা মনে পড়ে গেল। তার কাছে রোগী কোন কষ্ট নিয়ে গেলেই তিনি বলতেন, 'আপনার কোন অসুখ নেই। সবটাই মানসিক।' !!!!
এবং ওখানেই চিকিৎসা শেষ।!!
রোগী আরো মন খারাপ নিয়ে বাড়ি ফিরতো। :(

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি ডক্টরও হাবা!!!!!!!


আমাকেও একই কথা বলেছে- আমি নাকি যত না ব্যথা বলছি তার থেকেও মেন্টালী ভাবছি!! আমার নাকি সবই মেন্টাল!! কত্তবড় হাবার হাবা গাধার গাঁধা!!!!!!!!!!

আমি কি এত সহজে ডক্টরের কাছে যাবার মানুষ!

সত্যি বলতে ডক্টরের কাছে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা সবই খারাপ!

আমি সহজে ঔষধ খাইনা আবার ডক্টরের কাছে যাবো!!! কিন্তু নিউমোনিয়া হয়ে জোর করে হসপিটালাইজড করে দিলো। আমি দুইটা ইনজেকশন পড়তেই চাঙ্গা! তারপর দেখি হঠাৎ জিবে ব্যাথা। আমি ভেবেছি মনে হয় ঘুমের মধ্যে কামড় খেয়েছি। ডক্টরকেও একই কথা বললাম!

সেও নো পাত্তা। রাতে ইনজেকশন দেবার কিছু পরেই টাস করে একটা আওয়াজ পেলাম আর সাথে সাথে জীবে একটা ব্লিসটার। আমি বুঝে গেলাম ঔষধের রিয়াকশন। সেদিন ছিলো শব এ বারাত! কোনো ডক্টর নেই। দু একটা গন্ড মূর্খ ডক্টর ছাড়া। আমি বললাম এটা রিয়াকশন । তারা বলে না না এটা মেন্টাল আরে আমাকে সব ডক্টর মেন্টাল বানাতে চায়! আমি বসে বসে সাইড এফেক্ট রিয়াকশন বের করার পর দেখি আমি ঠিক ওরাই মেন্টাল। রেয়ার রিএকশনে জীবে ব্লিসটার উঠতে পারে যা ছড়িয়ে গিয়ে অনেক পেইন দেয়। আমি আবার ওদেরকে ধরে আনলাম! কিন্তু তারা তাড়াতাড়ি আমাকে পেইণ কিলার দিয়ে ঘুম পাড়াবার চেষ্টা করলো। আমি কি কারো কথা শোনার মানুষ। যাইহোক এি করে রাত পার হলো ডক্টর এসে বলে ওহ হ্যাঁ রিেকশান হয়েছে ইনজেকশন বন করে এবার ঔষধ মুখে খাওয়াও! আমি তো অবাক!! জে ইনজেকশন রিএকশন করে সে ঔষধও তো করবে!! ঐ ডক্টরকে আমার হাবার বাবা মনে হয়েছে। এমন আরও আছে ........ ডক্টররা ভাবে আমরা কিছু জানিনা তারাই আমাদের জীবনের রক্ষা কর্তা!! শালা ডক্টরের বাচ্চা ...... আমি পারতপক্ষে ঐ গরুদের কাছে যাই না....... :(

৩১| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৪

কাবিল বলেছেন: সামুর সেই সোনালি দিনগুলো যেন এখন ডিজিটাল নস্টালজিয়ার এক নীরব প্রত্নচিহ্ন— যেখানে শব্দের ভাঁজে ভাঁজে জেগে থাকত প্রাণবন্ত বিতর্ক, অনুভূতির দীপ্তি আর চিন্তার বহমান স্রোত। আজ টাইমলাইনের নিস্তব্ধতায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সম্মিলিত আত্মিক উচ্ছ্বাস। তবুও কোথাও না কোথাও হয়তো এখনো জেগে আছে সেই পুরোনো সামুবাসীর শব্দাত্মা, অপেক্ষায় আছে আরেকটি প্রাণময় বিকেলের।

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

শায়মা বলেছেন: ঠিক তাই ভাইয়া!!

আরও অনেক বছর টিম টিম করে হলেও সামু বেঁচে থাকুক এই চাওয়া।

যদি কারো মনে পড়ে যায় উঁকি দেবে .....

যদি আমায় পড়ে তাহার মনে ....... বসন্তের এই মাতাল সমীরনে ......
আজ জোস্না রাতে সবাই গেছে বনে......

হারিয়ে যাওয়া ব্লগারেরা জ্যোৎস্না রাতে বনে গেছে ......

৩২| ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: @ কাবিলঃ সত্যিই, সামু শুধু একটা ব্লগ ছিল না—এটা ছিল আমাদের আবেগ, চিন্তা আর সৃষ্টিশীলতার এক যৌথ আঙিনা। সামুর সেখানে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত চলত প্রাণবন্ত বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা, গল্প আর অনুভূতির আদান-প্রদান। আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতিটা কথা যেন স্ক্রলের ভিড়ে হারিয়ে যায়, সেখানে সামুর সেই আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব আর সম্মিলিত উচ্ছ্বাসকে মিস করি বারবার। সোশ্যাল মিডিয়ার একঘেঁয়ে আচরণ আমাদের সেই প্রাণবন্ত সময়ের কথা আরো বেশি মনে করিয়ে দেয়। পুরোনো কোনো পোস্টে, পুরোনো কমেন্টে কিংবা স্মৃতির পাতায় ফিরে গিয়ে আমরা আজও খুঁজে পাই সেই উচ্ছ্বাস, সেই হাসি, সেই নির্ভেজাল বন্ধুত্ব। সময় বদলালেও, সেই স্মৃতি আর অনুভূতি বারবার ফিরে আসে—আমাদের প্রত্যাশার অপেক্ষায় । সেই দিনগুলো তাই কখনও হারিয়ে যায় না, বরং নীরবে আমাদের মনোজগতে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

শায়মা বলেছেন: হারিয়ে যাওয়া সময় হারিয়ে যাওয়া দিন হারিয়ে যায় কিন্তু মনের মাঝে হারায় না কত কিছু!!!!!!!!!!

আপুনি তোমার প্রফেশন কি?
তুমি কোথায় থাকো?

৩৩| ২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমি টরোন্টো থাকি। মেটাফিজিক্স নিয়ে বিচরণ।

২৯ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:১১

শায়মা বলেছেন: এত কঠিন জিনিস নিয়ে কাজ করো!!! বাপরে আপুনি!!

আমি ছোট থেকে সবচেয়ে ভয় পেয়েছি অংক জানো!!! হা হা

৩৪| ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:২৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির কলাভবনের লাইব্রেরির ভেতরের দিকে একটা অংশ আছে যেখানে বিশাল লম্বা হল-ওয়ে। এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত দেখা যায় না। নীস্তব্ধ, কোলাহল বিহীন। কারোর বিচরণ নেই ওখানে। সারি সারি শেলফ্‌ আর শেলফ্‌ । আর তা ভর্তি বাইন্ডিং করা রিসার্চ পেপার। একটা বাইন্ডিং বই বের করে আবার খালি জায়গামতন রাখা যায় না। এক ইঞ্চিও জাগা যেন মাপা। সেই অংশে জুনিয়র ছাত্ররা যায় না। রিসার্চার-রা যায় কি না সন্দেহ। কোনো বই তে কারো হাতের ছোঁয়া কখনো পড়েছে বলে মনে হয় না। ধূলা পত্র ঝাড়া হয় কিনা কে জানে।
আমি সেই বইয়ের সমুদ্রে দাঁড়িয়ে প্রথম অনুভব করেছিলাম যেন ইউক্লিডের আমলের 'লাইব্রেরি -অফ -আলেক্সানড্রিয়া'তে দাঁড়িয়ে আছি। কি যে এক অনুভূতি। আমি মাত্র ফার্স্ট ইয়ার। কিন্তু কেন কিভাবে ঐ অংশে ঘুরতে ঘুরতে চলে এসেছি, আমি নিজেও জানি না। তারপর ডিকশনারির মতন মোটা একটা বাঁধাই করা বই বের করে নিলাম। দেখি সোনালী অক্ষরে, মলাটের ওপরে লেখা Metaphysics.
পাতা খুললাম। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের রিসার্চ জার্নাল । ইংরেজীতে লেখা। একটি শব্দও বুঝি না। যত্ন করে তুলে রাখতে যাব বইখানা শেলফে, দেখি সেই খালি জায়গায় আর বই রাখা যায় না। এক মিলিমিটার ও জায়গা বের করতে পারি না। পাশের বইয়ের ওপর সারিবদ্ধ বইয়ের ভারে, আমার শক্তিতে কুলালো না যে একটু জায়গা করে নিই। বইটি পড়ার টেবিলে রেখে চলে এলাম।
সেইদিন কেন Metaphysics-এর এই বই আমার হাতে এসে পড়েছিল আমি জানি না। আর তারও ১৭ বছর পর আমার, মেটাফিজিক্স-এ যাত্রা শুরু।
তবে সেসব জার্নালে আমি ম্যাথ পাই নি। ওটা দর্শন শাস্ত্র -র একটা এক্সটেন্ডেড শাখা হিসাবে পরিগণিত। রচনাগুলো সে ভাবেই সন্নিবেশিত। আর আমার পথ হলো, ফিজিক্স থেকে কোয়ান্টাম- মেকানিক্স হয়ে মেটাফিজিক্স। আমার কিছু ম্যাথ লেগেছে পড়াশোনায়। তবে কঠিন না। কারণ আমাদের দেশে উচ্চ শিক্ষার মান কম । তাই জটিল ম্যাথ কখনো শিখি নি।
কিন্তু লাইব্রেরির কালেকশান দেখে সেদিন বুঝেছিলাম কেন এই প্রতিষ্ঠানকে 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' বলা হতো।
যে লেখাটি তখন ইংল্যান্ডে প্রকাশ হতো, সেটাই এই প্রতিষ্ঠানে অ্যাভেইলেবেল হয়ে যেত। সমান মানের লাইব্রেরি। আর কলা অনুষদের এই পাঠাগারকে মূল 'লাইব্রেরি' বলা হয়। সাইন্স লাইব্রেরিকে বলা হয় না। ওট সাইন্স লাইব্রেরি নামেই পরিচিত। কিনতু কলা ভবনের পাঠাগারটি হলো 'লাইব্রেরি।'
আর সেদিন?
আমি ছিলাম জ্ঞান অন্বেষণের সন্ধানে একজন ইউক্লিড, যাকে প্রকৃতি একটা Metaphysics -এর বই হাতে তুলে দিয়ে কোন অজানা কারণে সংকেত দিয়েছিল যে, এই সেই বিষয়- যা তোমার জানার 'ক্ষেত্র' হবে কোন একসময়ে।

৩০ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯

শায়মা বলেছেন: যাক বাবা মেটাফিজিক্সে কোনো অংক নেই জেনে তবুও সস্তি পেলাম!!

তবুও নামটা ভীষন খটোমোটো! তবে তুমি যেভাবে বলছো যেন খুবই মজার কোনো বিষয়। তাই তুমি লাইব্রেরীতে সেদিন ঐ সাবজেক্ট ভালোবাসার গোড়াপত্তন ঘটালেও আমিও একটু পড়ে দেখার চেষ্টা করবো নে। সেটা হবে তোমা হতে গোড়াপত্তন!!!

তোমার জানার ক্ষেত্রটা কেমন আমাকে একটু জানতে হবেই আপুনি!!!!!!!! হা হা

অংক ছাড়া সব কিছুই আমার ভালো লাগার ভালো বাসার....... শুধু অংককে সহ্য হয় না

৩৫| ৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: # ২৯ উত্তরের প্রতিউত্তর - লেখক বলেছেন আমি জানিনা আমি কি করেছি কিন্তু যা উপলদ্ধ হয়েছে তাই লিখেছি। তবে হ্যা যাত্রাপথের এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে ভাবতে গেলে শেষ জীবন গবেষণায় কাটাতে হবে আরও আরও!
জানিনা কত দিন বাঁচবো। তাড়াতাড়ি গবেষণা শুরু করে দিতে হবে।


আমার গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে একটা উপলব্ধি হলো । আর তা হলো যে আমার এক্সপেরিয়েন্সগুলো কোথাও লিখে যেতে হবে। কেউ পড়ুক আর নাই পড়ুক। তাই বিরতির পর আবার লেখা শুরু করেছি।কিছু লেখা এখনো টাইপ হয়নি। ভয়েস রেকর্ড করে ইউটিউবে জমা রেখেছি। বলা আর লেখার প্রকাশ আবার একরকম হয় না। তাই টাইপে অনেক এডিটিং চলে আসে। এরপর জীবনে যে স্টেইজ আসছে তাতে মনে হয় আর কিছু মনে নাও থাকতে পারে। তাই জীবনের গল্প-এর লেখা শুরু।

৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

শায়মা বলেছেন: আপুনি।
আগে লিখবে তারপর সেটা দেখে দেখে পড়বে আর রেকর্ডিং চলবে!! তাহলেই একরকম হবে।

জীবনের গল্প কেউ পড়ুক না পড়ুক নিজে লিখে নিজে পড়াও আনন্দের! আমি তো বলি আমার লেখার ১ নং ফ্যান আসলে আমি নিজে! হা হা এই যে নিজে নিজে সাজুগুজু করি আসলে কারো জন্যই না নিজের জন্য!! ছবি তুলি আর দেখি সেটাও নিজের জন্য!

নিজের আঁকা ছবি দিয়ে ঘর বাড়ি ভরিয়েছি। সব দেওয়ালে পারি না পারি সে সব কিছু হোক না হোক নিজের আঁকা ছবি টাঙ্গিয়ে দিয়েছি!!! হা হা হা মনে মনে কোনো রিয়েল আর্টিস্ট আসলে ভাবতেও পারে কি সব এঁকেছে অং বং !!! :P

৩৬| ৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: শায়মা মণি, পড়ার সময়ে দমের কম বেশীতে ইমোশান আসে। লেখা থেকে পড়া-তে তখন বেশ পরিবর্তন দেখা যায়। জীবনের গল্প তো তাই দু'এক লাইন বেশিই বলা হয়ে যায় মাঝে মাঝে। তাও আজকাল তো শুধুই রিডিং পড়ে যাচ্ছি। পাঁচ বছর আগের একটা রেকর্ডিং পেলাম খুঁজে। সেখানে দেখি, ওরে বাবা, ইমোশানের ছড়াছড়ি!
মানে পাঁচ বছর আগেও আমার প্রাণ ছিল!

৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:২২

শায়মা বলেছেন: আপুনি সেই সব রেকর্ডিং লিঙ্ক দাও!!!

আসলেই ইমোশন কমে যাচ্ছে আমারও!!!

আগে নানা নিকে নানা রঙ্গে নানা ঢঙ্গে কত প্রেম কাব্য রচনা করে যেতাম!! মানুষকে কনফিউজ করে হাসতাম !!
নিজের লেখা পড়ে নিজেই চোখের জলে ভাসতাম!!

আজকাল দেখি কোথায় হারিয়ে গেলো আমার সে সব ইমোশন কান্না হাসির খেলা!!!

৩৭| ৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৩

হুমায়রা হারুন বলেছেন: শায়মা মণি, আমার ভয়েসগুলো পাবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে। লিংক আমার চ্যানেল। এখানে প্লে লিস্টে আছে My Voice আর Short Story।
আর সেই পাঁচ বছর আগের রেকর্ডিং যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে, সেই লিংকলিলিয়ার কফি শপ তোমার জন্য ওপেন করে দিলাম। সময় পেলে শুনো আর কমেন্ট করো দু একটা শব্দে, যাতে আমি বুঝি যে তুমি এসেছিলে।

৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৭

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ সো মাচ আপুনি!!

অবশ্যই সময় করে শুনবো!!!

আসলে সময় করা টরা এসব আমার জন্য নহে আমি যা করি তার জন্য অবশ্যই সময় পেয়েই যাই।

শুনে এবং কি শুনেছি তোমাকে জানাবো নিশ্চয়!!! :)

৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২২

শায়মা বলেছেন: শুনছি আপুনি লিলিয়ার কফি শপ!!! :)

৩৮| ০২ রা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অনেক ডাক্তার রোগীকে ভয় পাওয়াতে ভালোবাসে। তিলকে তাল করে। এদের কথা শুনবেন না। সৃষ্টিশীল কাজ যেগুলি পোস্টে দিয়েছেন সেগুলি ভালো হয়েছে। এগুলি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। নিজের মত চলেন। কারও কথা শোনার দরকার নাই।

০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ৯:৩৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
একটা প্রবাদ আছে ........ নাই বাটপাড়ের ভয়!!!

আমার হয়েছে সেই অবস্থা.......ডাক্তার রোগী ভয় দেখাতে ভালোবাসে সেটা সত্য নহে...... ডাক্তার আমার জীবনে কি কি সমস্যার সৃষ্টি করেছে তাই নিয়ে পুরো একটা ব্লগ লেখা যাবে.... লিখবো ভাবছি আর তোমাকে উৎসর্গ করবো!!!

কিন্তু তুমি কোথায় উধাও হয়ে থাকো আজকাল!!!!!!!!

০৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

শায়মা বলেছেন:
ভাইয়া আরও একটি সৃষ্টিশীল কাজের ছবি দিলাম। যদিও এটা আমার সত্যিকারের জবের অংশ। কিন্তু ইউ নো আই এ্যাম ক্রিয়েটিভ!! কাজেই যেটাই করি সবচেয়ে এফোর্ট দিয়ে নিজেই সিক হয়ে যাই তারপর ..... :(




এনিমেশন করে আবার পোস্টারও বানিয়েছি।

৩৯| ০৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: বাপরে এত এনার্জী মানুষের! এত মন্তব্য! সুন্দ্রীর পিছনে এত লম্বা লাইন!

০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮

শায়মা বলেছেন: এত মন্তব্য দেখেই বুঝিয়া গেলে আমি সুন্দ্রী!!!

গুড গুড গুড থ্যাংক ইউ বুড়িকালেও সুন্দ্রী ভাবিবার জন্য!!!


কিন্তু লেখাটা কি শিক্ষনীয় নহে? লেখাটা কি আবেগীয় নহে???

তুমি কি বুঝিবে বালক তুমি তো কিছুই পড়োনি.....

অপাঠক!!!!!!!

৪০| ০৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মানি কাউন্টিং একটিভিটির এনিমেশন এবং পোস্টার খুব ভালো হয়েছে। বাচ্চাদের এগুলি জানা উচিত। খেলার মাধ্যমে শিখালে বাচ্চারা আনন্দ পায় এবং দ্রুত শিখতে পারে। টাকা যেগুলি ব্যবহার করেছেন সেগুলি কি আপনার ছিল? ওরা কি ফেরত দিএছিল? :)

০৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!! টাকাগুলো প্লাসটিক টাকা!!! হা হা হা ...... এসব লেমিনেটিং করে দেওয়া হয়েছিলো। পুরো প্রক্রিয়াটা শুনলে অনেক মজা লাগবেই তোমার!! আচ্ছা আমি এই টাইপ পড়ালেখা নিয়ে একটা পোস্ট লিখবো আমার সামার ভ্যাকেশনে... :)

ভাইয়া সত্যি কথা কি বলি কানে কানে ওরা মানে বাচ্চারা আড় কত মজা পাবে ছোট্টবেলার খেলা আমি নিজে খেলতে পেরেই আরও খুশি!!!!!!! হা হা হা

আমার কাছে সব কিছুই খেলা খেলা লাগে তবুও ঝামেলা সব যে কই থেকে এসে আমাকে রাগায় আর চিন্তায় ফেলে । একদম চাঁদগাজী ভাইয়ার মত অকারণে অযথা লেগে বেড়ায়...... হা হা হা :P

৪১| ০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯

রাইসুল সাগর বলেছেন: মনে পড়ে, পড়ে আবার হারিয়ে যায়, হাজার কাজের ভীড়ে। এখন কেন জানি আর রম্য গল্প, ছড়া কবিতা কিছুই মগজে ঠিকমত আসেনা, আসলেও হারিয়ে যায়, জীবন নামক কঠিন বাস্তবতার অযাচিত চাপে। ভালো থেকো আপু

০৭ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

শায়মা বলেছেন: তবুও তো উঁকি দাও বছরে কালে ভদ্রে .....

অনেকে তো ভুলে গেছে চিরতরে.....

৪২| ০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৫

কাছের-মানুষ বলেছেন: পোস্টের প্রথম অংশ পড়ে নস্টালজিক অনুভূতি হলো! চোখের সামনে কতজনকে ব্লগে দেখেছি, কত শত গল্প-কবিতা, এক সময় মানুষগুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেল!

শুধু ব্লগেই নয়, শৈশব-কৈশোরে যাদের সঙ্গে প্রতিদিন দেখা না হলে, আড্ডা না হলে অস্থির হয়ে যেতাম, আজ তারাও কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। সবাই খুব ব্যস্ত! বুঝি, হয়তো জীবনযুদ্ধ আমাদের সবাইকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। দায়িত্বের চাপ মানুষকে বদলে দিচ্ছে। আমি চেষ্টা করি আগের মতোই থাকতে, কিন্তু সব সময় সেই আগের মানুষগুলোকে আর পাওয়া যায় না।

মানুষ বদলে যায়। কিসের নেশায়, কিসের টানে? সম্পর্কগুলো কেন স্বার্থের কাছে হেরে যায়?

মানুষের এখন আর সময় হয়না, টেকনোলজি, ফেইসবুক, ইউটিউবের রিলস আমাদের মনোযোগের স্পেন কমিয়ে দিচ্ছে, দ্বীর্ঘ লেখা, কারো সাথে গল্প করার অভ্যাস কমিয়ে দিচ্ছে, অনেককেই দেখি কথা বলার সময় একটু পর পর ফোনে হারিয়ে যায়!

যাই হোক, লেখাটি পড়লাম। আপনার সুস্থতা কামনা করছি। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও মনের ক্ষত মানুষের শরীরেও প্রভাব ফেলতে পারে, এ কথা খুব ভালো বলেছেন।

০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:২৭

শায়মা বলেছেন: সেই ভাইয়া জীবনটা যেন মান্না দের কফি হাউজ গান.....

৪৩| ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



এত চমৎকার একটি লেখা পাঠে অনেক বিলম্ব হয়ে গেল । ব্যস্ততার কারণে ব্লগে সময় দান কঠিন হয়ে গেছে ।
সংগঠনের এ জি এম নিয়ে বেশ ব্যস্ত ছিলাম। সকলে মিলে ভোট দিয়ে বেশ আড় চ্যরিটি অর্গানাইজেসনটির
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে ব্যস্ততা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে । ব্লগে সময় দেয়া আরো কঠিন করে তুলেছে ।

যাহোক তোমার লেখাটি পড়ে মনে হলো যেন পুরোনো দিনের এক অ্যালবামের পাতা উল্টে উল্টে দেখা ,প্রতিটি নাম,
প্রতিটি স্মৃতি, প্রতিটি হাসি-কান্না যেন আবার জীবন্ত হয়ে উঠলো। হারিয়ে যাওয়া ব্লগ বন্ধুদের কথা বলতে গিয়ে যে
আবেগ, মমতা আর আন্তরিকতার ছোঁয়া দিয়েছ, তা সত্যিই মন ছুঁয়ে যায়। আর সেই স্মৃতিচারণার মাঝখানে নিজের
জীবনসংগ্রাম, শারীরিক কষ্ট ও মানসিক চাপের গল্প যেভাবে তুলে ধরেছ, তা লেখাটিকে শুধু নস্টালজিক নয়, গভীর মানবিকতাতেও ভরিয়ে দিয়েছে।

কঠিন বাস্তবতার কথাও তুমি বেশ হাস্যরস আর প্রাণচাঞ্চল্যের মোড়কে বলেছ। যেন কষ্টকে হার মানিয়ে আনন্দ
খুঁজে নেওয়ার এক অনন্য জীবনদর্শন ফুটে উঠেছে পুরো লেখাজুড়ে। মনে হলো জীবনের পথে যত নির্মম পথিকই
আসুক, হৃদয়ের ভেতরে একটু আলো, একটু সৃজনশীলতা আর একটু হাসি বাঁচিয়ে রাখার নামই বোধহয় জীবন।
চমৎকার, আন্তরিক এবং হৃদয়ছোঁয়া লেখাটি শেষ পর্যন্ত পাঠে মুগ্ধ । পুরোনো দিনের সোনালী বিকেলগুলোর জন্য
মনটা সত্যিই একটু পুলকিত, একটু বিষণ্ন, আবার অদ্ভুতভাবে ভালোও হয়ে গেল। :) :) :)

লেখাটি প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:০০

শায়মা বলেছেন: ব্লগে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ার পরেও সময় দিচ্ছো তাই এখনও এই ব্লগ পরিবার টিকে আছে ভাইয়া।

অনেকেই তো দেশ ছেড়ে চলে যাবার মত আমাদের এই সামু পরিবারকে ছেড়ে চলে গেছে। :(

জীবন মানে যে কি সেটা এখন মাঝে মাঝে চিন্তা করি অবশ্য তবে এটাও ঠিক এত ভাবনা চিন্তা পাত্তা দিলেই জেঁকে বসবে অশান্তি মাথায়...... তাই আমার মেতে যাই আনন্দ হাসি গানে .......

অনেক অনেক থ্যাংকস ভাইয়া.....

৪৪| ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আড় হবে বড় । অভ্র কি বোর্ড আপডেট করায় কি বোর্ডে কিছুটা পরিবর্তন আসায় আগের নিয়মে ব লিখলে আ আসে।
একটা মসিবতই হয়ে গেছে ।

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:০১

শায়মা বলেছেন: নো প্রবলেম এসব তো হতেই থাকে। আজকাল বানান চেক টেক করিনা।একবারে যা আসে তাই লিখে দেই!!! :P

৪৫| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৭

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: বহুদিন পর এমন জমজমাট একটা পোস্ট পাওয়া গেল, যদিও আপনার প্রায় সব পোস্টই জমাট ক্ষীর!
শুভকামনা।

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪০

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া

তোমরা তো গায়েব হয়ে যাচ্ছো...... কি করবো আর ...... তাই একটু ডাকাডাকি ....... :)

৪৬| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:১০

মিরোরডডল বলেছেন:




এখন কি অবস্থা?
Hope getting better.

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪২

শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ এখন তো ভালো কিন্তু এই ভালো ভালো না ....... মানে অনেক কিছুতেই সাবধান থাকতে হবে নাকি!!!

আমি অবশ্য পারবো না এত শত!!


এখন ভালো আছি এই বেশি .....

তবে আমার সাথে ডক্টর আর মেডিসিনের মহা শত্রুতা আছে ......

তুমি কোথায় আছো??
কেমন আছো মিররমনি???

৪৭| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৩১

করুণাধারা বলেছেন: পোস্টার ভালো হয়েছে। দুটোর ছবি একই, আঁকা দুই রকমে‌ উপরেরটাকে কি বলে, আর নিচেরটাকে কি বলে?

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৪

শায়মা বলেছেন: দূর এআই দিয়ে আঁকাআঁকিকে যা ইচ্ছা তাই বলুক। আমি পেন্সিল দিয়ে এঁকেছি চোখ আর থ্রিডি প্রজাপতি সে সব দেখো!!!!!!!


আপুনি!!!!!!! সুরঞ্জনা আপু নাকি তোমার সাথে এক স্কুলে পড়তো!!!!!!!!!!!

আপুনি বিশাল এক মেসেজ দিয়েছে তোমাকে পেস্ট করে দেবার পারমিশন নিয়েছি!!!

৪৮| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২

মিরোরডডল বলেছেন:





আছি আগের ঠিকানায়।
জীবন চলে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে।

করোনার সময় সামু ছিলো প্রানবন্ত।
আর এখন মনে হয়, সামুতে কি এক মহামারী চলছে, সব নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৬

শায়মা বলেছেন: হুম সেই তো.......
করোনার আগের দিনগুলোতে যেই প্রাণ ছিলো সে সব তো এখন স্বপ্নেও কেউ ভাবতে পারবে না।


যাইহোক তুমি বাংলাদেশে আসোনি???

৪৯| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৩

করুণাধারা বলেছেন: আমি বললাম পোস্টারের কথা আর তুমি বলে দিলে চোখ আর প্রজাপতির কথা!!! :|

আমি তো আগে একবার বলেছি সুরঞ্জনা আমার সাথে স্কুলে পড়তো! দ্যাখো, আমার স্কুল আর ইউনিভার্সিটির দুজন সহপাঠী কে জানো, এখন কলেজের একজন সহপাঠী পেলেই বৃত্ত কমপিলিট!

কেন এবং কী বিশাল মেসেজ দিয়েছে আন্দাজ করতে পারছি, উপলক্ষও... ফেসবুকে আমি এক্টিভ না দেখে আমাকে ধরতে পারে না। যাই মেসেজ দিয়ে থাকুক, দয়া করে পোস্ট কোরোনা! আমি অজ্ঞাত পরিচয় থাকতে চাই, প্লিজ আমাকে এভাবেই থাকতে দাও। নাহলে যে ব্লগ ছেড়ে চলে যেতে হবে। :(

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১০

শায়মা বলেছেন: হা হা হা তুমি দেখি আমার চাইতেও অধরা থাকতে চাও!!!!!

আগে আমি ভাবতাম আমি একাই এমন....... পরে অবশ্য বুঝেছি আমি আসলে যা ভাবি ইন্ট্রোভার্ট নিজেকে আসলেই তাহা নহি......
তুমি মিররমনি সব্বাই এক্কেরে অন্তরালের বাসিন্দা!!


ঠিক আছে জীবনেও পোস্ট করতাম না তোমাকে না বলে।

তুমি ব্লগ ছেড়ে চলে যেও না....... না না না !!!!!!!!! কলেজে পড়া কে আছে আবার!! থাকুক সে... নো প্রবলেম। শুধু ইউনিতে পড়া কেউ না থাকলেই হলো ......... বাপরে লুইজ্জা লাগলেও লাগতে পারে তাইলে আমাল..... :P

৫০| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১০

করুণাধারা বলেছেন: আচ্ছা শায়মা, জিজ্ঞেস করতে ভুলে যাই শুধু! তোমার স্কুল তো ছুটি হয়ে যাবে, তুমি কি এখনই আবার অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছ?‌

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১৪

শায়মা বলেছেন: হা হা আপুনি তোমাকে আমার ইমেইল করতে হবে ...... লুকিয়ে থাকলে কেমনে আমার খবর জানবে সত্যি সত্যিকারের...... :P

ভূতের চাইতেও শীতের ভয় পাওয়া অস্ট্রেলিয়া আবার যাচ্ছি না এইবার বাপরে!!!!!!! এখন জুন আর জুলাই এই শীত ভূতের বাচ্চা যাক আগে .... হা হা হা

৫১| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২১

মিরোরডডল বলেছেন:




যাইহোক তুমি বাংলাদেশে আসোনি???


হুম, বাংলাদেশে যাইতো রেগুলার। এবছরও জানুয়ারিতে ঘুরে আসছি।
কিছুদিন পর আবারও যাবো।
যতদিন আমার ফ্যামিলি, প্রিয় মানুষগুলো ওখানে আছে, ততদিন সিডনি-ঢাকা, ঢাকা-সিডনি, আমি এই লুপের ভেতরেই থাকতে চাই। আসলে ওদের বেশিদিন না দেখে আমি থাকতে পারিনা।

কখন কিসের টানে মানুষ 
পায় খুঁজে বাঁচার মানে
ঝাপসা চোখে দেখা এ শহর


আমার প্রিয় ঢাকা শহর
হাজারো সমস্যা
তারপরও প্রিয় ঢাকা :)

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৫

শায়মা বলেছেন: সবাইকে ছেড়ে থাকা আসলেই কঠিন। তবুও থাকতে হয় আমাদেরকে।

আর সব কিছুর পরেও আমার দেশের মাটির গন্ধে ভরে থাকে সারা মন...... কিছু করার নেই মিররমনি!!

তোমাকে দেখলে শুভভাইয়ুকে মনে পড়ে যায় আরও!!!

সেও হারাতে হারাতে হারিয়েই গেলো....... ভেবেছিলাম কোনোদিনও এইভাবে থাকতে পারবে না...... হা হ মানুষ আমরা কত কিছু ভাবি তবুও পাখির মত মন .......

৫২| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২২

করুণাধারা বলেছেন: ওহ! আজকাল যাই বলি তার অর্থ কেমন যেন উলটে যায় বুঝি না। আমি কি বলেছি আমার স্কুল আর ইউনিভার্সিটি'র সহপাঠীরা এই ব্লগে আছে? না, তেমন কাউকে জানি না। স্কুলের কাউকে নিয়ে সমস্যা নাই, কিন্তু ইউনিভার্সিটির কেউ যদি আমাকে চেনে, তাহলে আমার হাবিজাবি পোস্ট নিয়ে হাসাহাসি করবে। করবেই। তখন আমার যাবার সময় হলো...

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৬

শায়মা বলেছেন: আরে তোমার ইউনির কেউ তো তোমার জন্য প্রবলেম না ........

আমাল দন্য........ হা হা হা

৫৩| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৭

করুণাধারা বলেছেন: এটা অবশ্য মিডের উদ্দেশ্যে,

রাত আড়াইটা বাজতে চললো। তোমার অফিস কয়টায়?

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

শায়মা বলেছেন: মিররমনি অনেক রাত জাগতে পারে। মনে হয় ২/৩ ঘন্টা ঘুমালেই চলে।

আমার আবার ৫ ঘন্টা ঘুমাতেই হবে ....... তবে এর বেশি আমি ঘুমাতেই পারিনা । মাথার ভূত লাঠি দিয়ে পিটায়। ওঠ ওঠ অং কর বং কর অং বং চং কাজ কত পড়ে আছে..... এই সব বলে শয়তানগুলা......

৫৪| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০

মিরোরডডল বলেছেন:




ভুমের পোষ্টে ধারাপুর মন্তব্যগুলো অনেক মজার :)

হুম অফিস আছে সকালে, অনেক রাত এখন আড়াইটার বেশি বাজে, চলে যাই।
ভালো থেকো সবাই।

০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৬

শায়মা বলেছেন: চলে যাও ঘুমাতে....
ঘুম ভাঙ্গলে অফিস করে আবার এসো......



ঘুম ভাঙ্গলে আবার এসো
- কেনো?
ব্লগ পাড়াতে শোরগোল নেই আর
-কার?
সেই আমাদের আমরা ছিলাম যারা
- কারা?
স্মৃতির আলবামে যাদের ছবি
- ঐ যে যারা লেখক এবং কবি?
ঠিক বলেছো এখন সবই ফাকা
- ঢাকা?

হাহ হা হা
ঢাকা ঠিকই স্মৃতির ধুলো মাখা .......


ইকো কবিতার পেরাকটিস চলিতেছে ...... :)
-

৫৫| ১০ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৩৯

ক্লোন রাফা বলেছেন: তোমরা যখন কাটিয়েছো সোনালি বিকেল/ আমরা তখন রাজপথ প্রকম্পিত করেছি জেলের তালা ভাঙার কিংবা রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে।
দেশটা যদি মনের মত করে গড়তে না পারি। তাহলে দিন শেষে সব কিছুই অন্ধকার হোক সেটা রুপালি সকাল সোনালী বিকেল কিংবা রৌদ্রজ্জল দুপুর।

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:২০

শায়মা বলেছেন: আহা আমরা বুঝি শুধু সোনালী বিকেলে বসে থাকতাম!!!
দেখতাম তোমরা রাজপথে কত কিছু করো!!!

এখনও অবশ্য দেখেই যাচ্ছি ..... কি হয় অবশেষে দেখার অপেক্ষা .....

৫৬| ১০ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৫০

ক্লোন রাফা বলেছেন:

সেই সব দিনে আমরা ..।

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:২১

শায়মা বলেছেন: বাপরে!!! কাউকেই তো চেনা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে সব প্রেতাত্মার ছবি!!!!!


বাঁচা বাঁচা ছবি দাও ভাইয়ু!!!!!!!!!

৫৭| ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১১

খায়রুল আহসান বলেছেন: এক এক করে অনেক পুরনো ব্লগারের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। তারা এ ব্লগে পুনরায় ফিরে আসুন বা না আসুন, তারা যেন যেখানেই কর্মরত থাকেন, সেখানে নিরাপদে থাকেন। কাউকে ডাকাডাকি করে লাভ হবে না। কেউ যদি নিজেই মনের টানে সময় সুযোগমত ফিরে আসেন, তবেই প্রত্যাবর্তিত সকলের পদচারণায় পুনরায় হয়তো এ ব্লগটা আগের মত না হলেও, এখনকার তুলনায় আরেকটু বেশি মুখরিত হবে। তবে তাদের লিঙ্কগুলো দিয়ে একটি ভালো কাজ করেছেন। পাঠকেরা চাইলে যে কোন পছন্দের ব্লগারের পাতায় গিয়ে একবার করে ঢুঁ মেরে আসতে পারবেন।

হাল্কা মুডে কথা বলতে বলতে অনেক সিরিয়াস বিষয়েও অনেক কিছু বলে ফেলেছেন। বেশ কয়েকটি জায়গায় আমাকে থামতে হয়েছে, ভাবতে হয়েছে। সত্যিই তো! মনের বিষণ্ণতা শরীর-স্বাস্থ্যকেও যে কতটা নির্মমভাবে আঘাতে আঘাতে বিকল করে দিতে পারে, তা নিয়ে আমরা ক'জনাই বা ভাবি! আর এসব পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের পথই বা ক'জন খুঁজি? বেশিরভাগ ভুক্তভোগীই চোখ বুঁঁজে সহ্য করার এবং অসহনীয় পরিস্থিতিটাকেই আঁঁকড়ে ধরে থাকার কষ্টকর পথটাকেই আজীবন জড়িয়ে ধরে থাকতে চায়।

১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৯

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া

আমার ধারনা অনেকেই জানে না বা জানতেও চায়না কেনো কি কারণ আর কি করণীয়.....


আমি আবার বেশি পণ্ডিত কিনা ......

যাইহোক কবি মনে হয় এ কারণেই লিখেছিলেন.....

কেউ জানে না আমার কেন এমন হলো।
কেন আমার দিন কাটে না রাত কাটে না
রাত কাটে তো ভোর দেখি না
কেন আমার হাতের মাঝে হাত থাকে না কেউ জানেনা।


হা হা

যাইহোক ভাইয়া আমার ইনভেস্টিগেশন বা অতি অনুসন্ধানী মন নিয়ে আমার রোগ বালাই আপদ বিপদে আমি কেমনে পদে পদে বিপদে পড়ি সেটা নিয়ে এক বিশাল ইতিহাস রচনা করেছি।
ভাবছি এটা ব্লগে পাবলিশ করবো .....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.