| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শায়মা
দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...
ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের বিরুদ্ধে দারুন অনিচ্ছাতেও এই শয়তানদের কাছে মানে ডক্টরদের কাছে, শয়তানের কারখানা মানে হসপিটালে আর ওষুধকে কি নাম দেবো শয়তানের টোটকা নাকি শয়তানের তাবিজ.. ঠিক ভেবে পাচ্ছিনা তবে এসবের শরনাপন্ন হতেই হয়।
বেশিদিন আগে যাবো না, এই তো ২০২২ এ মনে হয় আমার নিউমোনিয়া হলো। আমি তার আগে অসুখ টসুখ পাত্তা দেওয়া তো দূরের কথা মাথা ব্যাথা হলেও একটা ট্যাবলেট খেতাম না। তাই নিউমোনিয়াতেও ১০৬ জ্বর নিয়েও কিছুতেই যাবোইনা ডক্টরের কাছে যাবোই না করছিলাম। শেষে অবশ্য শ্বাস নিতে না পারার কারণে যেতেই হলো শয়তানের দরবারে মানে হসপিটালে আর শয়তানের হাতে মানে ডক্টরের হাতে নিজেকে ছেড়ে দিতেই হলো।
তো ভালো কথা। ডক্টর মানে সেই শ... এর চেলা আমার অবস্থা দেখে আমাকে ছেড়ে আমার সাথে থাকা মানুষটাকেই বকা ঝকা শুরু করলো। বললো, বুঝতে পারছেন না উনার যে সেন্স নেই, আপনারা বাড়ির লোকজন কি করছিলেন? ধরে আনলেন না কেনো আগে?? আরে আমাকে ধরে আনবে বলে কি শয়তানের চেলা? কারো সাধ্য আছে নাকি? যাই হলো তখন শ্বাসের সাথে সাথে ব্যথায় আমি ঝগড়া করতে পারলাম না। তাই তারা ধরে বেঁধে টেস্টের আগেই ইনজেকশন দিয়ে দিলো এবং এক্কেরে সোজা হসপিটালাইজড করে দিলো।
ভালো কথা ইনজেকশন তো দিলো আরও কি কি ওষুধ দিলো আল্লাহ জানে। একটু পরেই আমি বেশ ভালো ফিল করতে লাগলাম। কিন্তু রাতে লিভোফ্লক্সাকন না লিভোফ্লক্সাসিন ইনজেক্ট করার পর আমি ঘুমাতে গেলাম আর মনে হচ্ছিলো আমার গালের মধ্যে জ্বীভসহ ফুলে যাচ্ছে। সকালে দেখি অনেক ব্যথা। আমি ভাবলাম ঘুমের মাঝে কামড় খেয়েছি হয়ত। সারাদিন আমি ব্যথায় কাতর কিছুই খেতে পারি না। এরপর রাতেও এসে ঐ ওষুধ ইনজেক্ট করার পর আমি সেদিন বসে ছিলাম। টাস করে একটা শব্দ পেলাম মুখের মধ্যে আর তাড়াতাড়ি আয়নায় দেখি ছোট্ট একটা পানি ভরা ব্লিসটার উঠেছে জীভের উপরে সামনের দিকে।
আমি সাথে সাথে বুঝে গেলাম এটা ওষুধের রিয়াকশন। সেদিন ছিলো শবেবরাত! পুরা হসপিটালে ডক্টরেরা সব নামাজ পড়তে বাসায় চলে গেছে। এইদিকে রোগীরা সব আল্লাহ আল্লাহ করছে বেডে বসেই। যাইহোক ডিউটি ডক্টর আসলো তাকে দেখে বুঝলাম! এর চাইতে আমি সাহসী তো বেশিই, জানিও মনে হয় বেশি। বললাম আমার এই ইনজেকশনের রিয়াকশন হচ্ছে, ইমারজেন্সী ডক্টর ডাকো। সে বলে না না এসব আপনার মনের ভুল!! আমিও ডাক্তার তবে জুনিয়র ডাক্তার আর কি। আরে বলে কি!!! আমি নেট ঘেটে রেয়ার রিয়াকশন দেখালাম! তখন সে এক ঘন্টা ধরে কি সব করে কই থেকে যেন এসে আমাকে ধরে নাপা খাইয়ে দিলো আর সাথে কি এক বমি বমি অয়ন্টমেন্ট সারা জীভ জুড়ে।
পরদিন ডক্টর এসে বললো হ্যাঁ এটা রিয়াকশনই তবে ইনজেকশন বাদ দিয়ে ওষুধ দাও!!! আরে!!!!!!!!!!!!!!! যা ইনজেকশনে বডিতে রিয়াক্ট করবে তা কি মুখে খেলে করবে না!!!!!!!!!! আমি তো খাবোই না খাবোই না!!!!!! কিন্তু আমার বাড়ির লোকজনও তার সাথে যোগ দিলো না না মুখে খেলে কিছু হবে না!!!!!!! আমি জানি হবে আর তারা জানে আমার নাকি কিচ্ছু হবে না !!!!!!!!!!আরে!!!!!!!!! মারে!!!!!!!! করেও লাভ হলো না তারা আমাকে ঐ ওষুধ খাইয়ে ছাড়লো। যত খাই তত জীভ পার হয়ে মাড়ি মাড়ি পার হয়ে সেই ব্যাথা কানের মধ্যেও চলে গেলো যেন তিন চার দিনেই!! ধ্যাত্তেরী!!! রেগে মেগে ছুড়ে ফেললাম ঐ ওষুধ!!! নিজেই হাতে তুলে নিলাম আইন!!
এরপর যখন ফলোআপ চেকিং এ গেলাম ডক্টর তখন আমাকে প্রেশারের ওষুধ বদলে দিলেন কিন্তু বলেননি সেটা প্রেশারের ওষুধ। আবার আগেরটাও খেতে হবে না সেটাও বলেনি। আমিও তখন বড়ই ক্লান্ত শ্রান্ত অসুস্থ বিধায় নিজে চেক করে দেখিনি সেটা কিসের ওষুধ। আমি পুরান প্রেশারের ওষুধ আর নতুন দুইটাই খেতে লাগলাম। আর অবাক হয়ে দেখি সকাল বেলা আমার গায়ে কোনো এনার্জী নেই। বিকালের দিকে একটু ভালো লাগে আবার সকাল হতেই এনার্জীলেস হয়ে পড়ি। নিজে এবার মাঠে নামলাম। সার্চ দিয়ে দেখি সেটাও প্রেশারের ওষুধ! মানে দুই দুইটা প্রেশারের ওষুধ ৭/৮ দিন ধরে খেয়েও যে আমি বেঁচে আছি সেটাই সৌভাগ্য! আর দূর্ভাগ্য হলো ডক্টর টাকা নিয়ে আর কোনো মতে ওষুধ দিয়েই খালাস। ভালো করে পড়েও দেখে না কি লিখেছে আর বলেও দেয়না খোলাসা করে কি ওষুধ দিচ্ছে আর কেনো?
এরপর ভালোই ছিলাম মাঝে দু বছর। ডক্টর মক্টর যেতে হয়নি। হঠাৎ ২০২৫ এর শেষ থেকে শুরু হলো পায়ে ব্যথা। টেস্ট মেস্ট করে ধরা পড়লো রিউমাটোয়েড আর্থারাইটিস। ফিজিও থেরাপীতে গেলাম ল্যাবএইডে। কপালের নাম গোপাল। বাচাল এক মহিলা ফিজিও থেরাপিস্টের বাক্যবাণে ফিজিও থেরাপীর আগেই ধরেই নিলাম আমার পা ভালো হয়ে গেছে। কিন্তু তার অতি শর্ট ওয়েভ থেরাপীর কারনে মাসল ডামেজ হয়ে গেলো আমার। সেই কথা তাকে যতই বুঝাতে যাই সে বলে না না আমি তো এতক্ষন আপনাকে দেইনি। আরে আমি নিজে সাক্ষী। ১০ মিনিট যেই শর্টওয়েভ থেরাপী দেবার কথা সে দিয়েছে ৮০ মিনিটস।আমি তো রিসার্চ করে বের করেছি যে সে আমাকে কত গুন বেশি শর্টওয়েভ দিয়েছে। আমি প্রায় দুই মাস হাঁটতে পারিনি। এবং ধরেই নিয়েছিলাম সারাজীবন এমনই থাকতে হবে। মাসল যে আবার রিকভারী হয় আমি জানতামও না। অনেক সাধ্য সাধনার পর এখন হাঁটতে পারছি। শুধু শুধু অকারণে ঐ বাচাল মহিলা ফিজিও থেরাপিস্টের কারণে আমার অতিরিক্ত কষ্টটা করতে হলো।
যাইহোক ৩/৪ মাস হলো মোটামুটি ওষুধ খেয়ে এক্সারসাইজ আর সি আর পি গিয়ে একটু ধাতস্থ হতেই হঠাৎ শুরু হলো ভীষণ ক্লান্তি, জীভের উপরে কালো কালো, ঠোঁটও কালচে হয়ে আসছে। মুখের স্কিনে মনে হয় যেন কেউ কালি মেড়ে দিয়েছে। ভাবছি আমার যে অসুখ এমনই হবার কথা। যাইহোক হঠাৎ ওষুধ এনালিসিস করতে গিয়ে বুঝলাম ৫০০০০ করে আমাকে ডেইলি ভিটামিন ডি দিয়েছে আমার ইউনাইটেড হসপিটালের রিউমাটোলোজিস্ট। যা আসলে ওয়ান্স ইন আ উইক একটা করে খাবার কথা। এটা উনি ভুল করে লিখেছেন আর আমি সব জানা স্বত্ত্বেও ভেবেছি আমার লেভেল দেখে তিনি এই ডোজ দিয়েছেন যখন তখন আমার জন্য এটাই লাগবে। এই অতি ওভার ডোজ আমি অন্ধের মত খেয়ে আসছি গত ১ মাস যাবৎ। ভিটামিন ডি অতিরিক্ত খাবার কারণে কি কি ক্ষতি হয় তা না জানা থাকেও সবাই জেনে নিতে পারেন। আমি জানার পর আমার রাত চারটায়ও ঘুম আসেনি। ১২ থেকে ৪ গবেষনা করতে করতে আমি কূপোকাত ছিলাম। ভিটামিন ডি টেস্ট করে দেখলাম ভিটামিন ডি টক্সিটি হয়েই গেছে। যা আমার ডক্টরের ভুলেই হয়েছে।
এখন ব্লগের সব ডক্টর আপুনি এবং ভাইয়ুরা রেগে যাবে আমার এই পোস্ট দেখে সে আমি জানি তাই নিজের মনে নিজেই ভাবছি কিন্তু উত্তর পাচ্ছিনা যে কোথায় যাবো আমি!!! এই জীবন রোগ বালাই নিয়ে টাকা পয়সা খরচ করে এসব কি হচ্ছে আমার জীবনে??? নিজের জীবন যাদের হাতে তুলে দিচ্ছি তারা তা কি একটু আমাদের জীবন নিয়ে ভাবে?
এখন আমার কি হবে!!!!!!!!
ভাবতে ভাবতে আমার ডক্টরেরও ঘাম ছুটে গেছিলো। বলছিলো হায় হায় এমন ভুল আমি কেমনে করলাম! কি করলাম!! সে ভয় পেয়ে চেহারা ফ্যাকাশে করে ফেলেছিলো আর আমার ঘুম ছুটে গেছিলো ......
এই বিষয়ে এতই পড়াশোনা করে ফেলেছি আমার সম্ভাব্য বিপদ আর ক্ষতি নিয়ে যে আমি এখন নিজেই ডক্টর হয়ে গেলাম কিনা ভাবছি...... মানে চিন্তায় আছি......
যাইহোক সব কিছু ভুলে ইউনাইটেড তথা নতুন নাম কন্টিনেন্টাল ডক্টরদেরকে ছেড়ে আবার গেলাম গ্রীন লাইফ হসপিটালে এই বিষয়ে বাংলাদেশের সবচাইতে সেরা ডক্টরকে দেখাতে। ডক্টরের কথা শুনে, তার ঔষধ নিয়ে তার ট্রিটমেন্ট নিয়ে এই প্রথম খুশি আমি আর বুঝলাম এই বিখ্যাত রিউমাটোলোজিস্ট ছাড়া গতি নেই আমার। আর কোনো ডক্টরের কাছেই যাবো না আমি। ডক্টরকে দেখে খুশি আমি কিন্তু পরক্ষনে ডক্টরের বয়স দেখে চিন্তায় পড়লাম। হায় হায় যে বয়স দেখা যাচ্ছে যদিও ফিট এবং ঝকঝকে তকতকে কিন্তু যদি হঠাৎ মরে টরে যায় ! তখন আমার চিকিৎসা করবে কে!!!!!!!!!!
এখন নিজের জীবনের চিন্তা রেখে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি ------ আমার এই ডক্টর যেন বাঁচে ১০০ বছর...... ![]()
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৪
শায়মা বলেছেন: 'ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস এই রোগের নাম জীবনে প্রথম শুনলাম!! তাড়াতাড়ি করে জেনে আসলাম এটা কি। আসলে এটাও কিছুই না মানে ডক্টরের সবই অজানা। তারা আসলেও কিছুই জানেন না ..... শুধু ভুজুং ভাজুং মেডিসিন সাথে সাইড এফেক্ট রিয়াকশন ভুলভাল প্রেসক্রিপশন লেখা, ভুল অষুধ দেওয়া এসবই চলে। এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না মানে সবার সাথেই এ সব হয় কেউ বোঝে আর কেউ বোঝে না....... আর আমরা রোগীরা আর কিছু না বুঝি এটা বুঝি আমরা আসলে ভালো হচ্ছি না.......
তাই হিরক রাজার দেশের মত বলতে হবে জানার কোনো শেষ নাই জানার ইচ্ছা বৃথা তাই ....... আর মনে মনে ভেবে নিতে হবে আল্লাহ যা করে তাই মেনে নিতে হবে ......... ডক্টরের ভুল হলেও দূর্ভাগ্য, নিজের অসুখ হলেও দূর্ভাগ্য!!! ![]()
২|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রতিটি সচেতন মানুষের নিজের চিকিৎসা নিজেই করা উচিৎ, চিকিৎসা বিদ্যা খুব কঠিন কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই, এরা মুখস্ত চিকিৎসা করে।
আমি আমার আব্বার কাছে যখন ওষুধের বিরুদ্ধে কথা বলি মানে- ওষুধ বাদ দিয়ে খাবার-দাবার, লাইফস্ট্যাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ দূর করতে বলি তখন উনি বলেন- "মেডিসিন কি মানুষ এমনি এমনি বানাইছে? মেডিসিন সাইন্স হচ্ছে একটি বিজ্ঞান, দীর্ঘদিন গবেষণা করে মানুষ এক একটি ওষুধ তৈরী করেছে।"
আমি বলি- হুমমম।
আবার আমি যখন তাকে কোন নির্দিষ্ট একটি ওষুধ নিয়মিত খেতে বলি তখন তিনি বলেন- "এত ওষুধ খেয়ে কি হবে? ওষুধ খেয়ে কি কোন রাষ্ট্রপ্রধান, মিলিয়নার, বিলিয়নেরা হাজার বছর বাঁচতে পেরেছে? খালেদা জিয়া মারা গেলো কেন, ওষুধ কি তাকে সুস্থ করে তুলতে পারলো না?."
এক্ষেত্রেও আমি বলি- হুমমম।
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৭
শায়মা বলেছেন: আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই, এরা মুখস্ত চিকিৎসা করে।
ভাইয়া এক্কেরে মনের কথাটাই বললে........ আমিও এটাই ভাবছিলাম ....... কসম.....
ওষুধ খেয়ে আসলে কিছু হয় কিনা যেমন সন্দেহ আছে আমার তেমনই অষুধ না খেলেই ভালো থাকি আমি .....
৩|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩৫
নীল-দর্পণ বলেছেন: হেপাটোকোলেস্টাসিস বা ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস এর আসলেই তেমন কোন চিকিসা নাই মনে হয়। এর ফলে একটাই ঔষধ দেয় যা বাংলাদেশের ডাক্তার দেয়, ইন্ডিয়ার ডাক্তাররাও একই ঔষদ দেয় ।
শারিরীক কষ্ট তো আছেই মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছি, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে অথচ এর কার্যকর সমাধান নাই।
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৫
শায়মা বলেছেন: স্টোন মনে হয় দু একটা থাকলে সমস্যা নাই...... এত ভয় পাবার কিছুই নাই...... আমি তো ভুলভাল ফিজিও থেরাপী করে ল্যাব এইডে পুরাই হতাশ হয়ে গেছিলাম। ভেবেছিলাম নাচ তো দূরের কথা হাঁটতেও পারবো না..... শেষে ওষুধ ছেড়ে মাসল রিকভারী খানা দানায় বেশি মন দিয়েছিলাম আর এক্সারসাইজে .....
আল্লাহর রহমতে এখন ৯৯% ঠিকঠাক.....
আবার শয়তানের পাল্লায় পড়ে ভুলভাল ওভার ডোজে কি যে হয় কপালে কে জানে .....
৪|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৬
হুমায়রা হারুন বলেছেন: ডক্টরের ছবিটা ভীষণ কিউট হয়েছে।
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৭
শায়মা বলেছেন: আপুনি!!!
তুমি আমার উপরে ডক্টরের ভূতুড়ে কাজ কারবার আগে পড়ো ......
৫|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই,
....................................................................................................
এটা খুবই বাস্তব কথা !
আমি ডাক্তার ও রোগী নিয়ে কম দেশ ঘুরলামনা ।
চিকিৎসার জন্য, রোগি বা নিজের কারনে, ঢাকা, কলকাতা,দিল্লী , ব্যাঙ্গালুর, মুম্বাই,
থাইল্যান্ড,চীন ,জাপান,সিঙ্গাপুর, অষ্ট্রেলিয়া ও জার্মানী ঘুরলাম ।
অভিজ্ঞতা বলে আজকের তরুনরা ডাক্তারী কাজে অনেক এগিয়ে । যে কারনে ৯০ দশকের
ডাক্তার ও হসপিটালে গিয়ে ভালো চিকিৎসা পাওয়া বোকামী ছাড়া আর কিছুই না ।
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৯
শায়মা বলেছেন: কবিরাজী আর হোমিওপ্যাথীই করতে হবে ভাইয়া।
যেভাবে একের পর এক ভুল চিকিৎসা দিচ্ছে চাঁদগাজীভাইয়ার মত বলতে হবে মনে হয় অটোপাস আর নইলে মামা খালার জোরে এইসব হসপিটালে ঢুকেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০
নীল-দর্পণ বলেছেন: এমন এক সময় এই পোস্ট দিয়েছো যেসময় আমি ডাক্তারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি! উফ কীযে প্যারাময় এক জীবন পার করছি।একবার ব্লগে লিখেছিলাম না 'ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস ' নামক এক রোগ নিয়ে যা আমার দুইবারের প্রেগনেন্সিতে অত্যন্ত ভয়াবহ ভাবে ভুগিয়েছে; সেই জিনিস আবার ৫-৬মাস যাবত আমাকে ভোগাচ্ছে (অথচ এখন কোন প্রেগনেন্সি নাই!)
পিজিতে ডার্মাটোলজিস্ট এর দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়ে পরে পিজির সুপার স্পেশালাইজড হসপিটালের হেপাটোলজির একজন সহযোগী অধ্যাপক একগাদা টেস্টের রেজাল্ট দেখে কিছু না পেয়ে উনার স্টুডেন্ট (যাকে দিয়ে প্রেসক্রিপশন লেখান)কে কিছু ঔষধ লেখার পরামর্শ দিলেন। সব চেয়ে মজা পেয়েছি ডাক্তার বললেন স্টুডেন্টকে 'জেনেটিক্যাল ইস্যু নেই, প্রেগনেন্সি নেই, লিভার ফাংশনএ সমস্যা নেই এই চুলকানীকে কীভাবে ডিফাইন করবা?' স্টুডেন্ট লেখা রেখে হা করে চিন্তা করছিলেন।
কেচো খুড়তে গিয়ে সাপ বের হয়েছে, মানে এক সমস্যার জন্যে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে বের হয়েছে গলব্লাডারে এক স্টোন বসে আছে! এখন এর জন্যে ডাক্তারমশাই কাটাকুটির ডাক্তারবাবুর দরজা দেখিয়ে বিদায় করল!
তোমার মত এমন ভুলভাল কত ট্রিটমেন্টে যে আমার আম্মা ভুগেছে, কত কষ্ট পেয়েছে! ওদের কোন ভুল ভুল না।
তবে তোমার ডাক্তার এর ছবিটা কিন্ত দারুন হয়ছে। খুব হাসলাম ডাক্তারবাবুকে দেখে।