| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সংস্কৃত 'কুশ' থেকে কুশল শব্দটি তৈরি।
কুশ হলো এক জাতীয় তৃণ বা ঘাস। এ ঘাস হুলযুক্ত। আর যে ব্যক্তি হাত না কেটে কুশ তুলতে পারতো, তাকে বলা হতো কুশল। আর কুশলের ভাব থেকেই পয়দা হয়েছে কৌশল। বাংলা ভাষায় কুশল মানে নিপুণ, দক্ষ। এখান থেকেই হয়েছে কুশলী ও কৌশল।
আবার কুশল মানে মঙ্গল ('কুশল জিজ্ঞাসা করে না কেউ ভুলে' - ফররুখ আহমদ অথবা 'মাগিমু আল্লার ঠাঁই কুশলে জানাইবার' - সৈয়দ সুলতান), শুভ, কল্যাণ ইত্যাদি।
ব্যাকরণবিদরা বলেন, কুশল শব্দের দুই অর্থ। বিশেষ্যে অর্থে কল্যাণ , মঙ্গল। আর বিশেষণ অর্থে নিপুণ, দক্ষ , চতুর।
হিন্দু আচারে কুশ হলো পবিত্র তৃণ। যজ্ঞ ও পুজা-অর্চনায় কুশ ব্যবহৃত হয়। এ কারণেই কুশ ('কুশ আর কাশ তারাও নির্ভূষণ সরল' - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর) পবিত্র ও কল্যাণময়।
কিন্তু কুশলের দ্বিমুখী অর্থ থাকার কারণে কারো কারো মনে হতে পারে শব্দ দুটি বোধ হয় আলাদা।
(চলবে)
২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৭
কালপুরুষ বলেছেন: হিন্দু পুরাণে "লব" ও "কুশ" নামের দুই ভাই ছিল।
"কুশ" শবদ্ থেকেই কী তবে "খুশ" শব্দের উত্পত্তি নাকি? "খুশ" রাহো- মানে খুশী থাকো।
৩|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩
সাইমুম বলেছেন: শাপলা : বাহ! দারুণ মন্তব্য তো!! তোমাকে রিডাবল ধন্যবাদ।
৪|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪
অচেনা বাঙালি বলেছেন: ৫
৫|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬
সাইমুম বলেছেন: কালপুরুষ : ফারসি 'খুশ ' থেকে সংস্কৃত 'কুশ' শব্দের সৃষ্টি হয়নি। হিন্দিতেও খুশ শব্দটি আছে। উর্দু থেকেই হিন্দি ভাষায় শব্দটি ঢুকেছে।
৬|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬
সাইমুম বলেছেন: অচেনা বাঙালি : ধন্যবাদ।
৭|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
জুবেরী বলেছেন: @সাইমুম ভাই
ভাষাতত্ব ও বাংলা শব্দতত্ব নিয়ে আপনি এই ব্লগে একমাত্র পন্ডিত ব্যক্তি তাই আপনাকে একটা প্রশ্ন
" অভিধান রচনায় কি কোন নৈতিকতার স্থান আছে "
প্রশ্নটির প্রেক্ষিত আমরা প্রতিদিনের জীবনযাপনে অনেক গালিগালাজ শব্দ ব্যবহার করি যা কিনা আমাদের বাংলা শব্দের বহুলব্যবহি্ত শব্দ গুলোর মধ্যে পড়ে কিন্তু সেগুলো অভিধানীক শব্দ নয় (সেগুলো অন্তভূক্ত হোক বা নাহোক সেটি আমি দাবি করছিনা ,প্রশ্নটি নৈতিকতার)
এটি নিয়ে আপনার একটি পোষ্ট আশা করছি ।
৮|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২
মানুষ বলেছেন: 'কুশ' নিয়ে পড়লাম আর ৫ দিয়ে হালকা 'পুশ' করলাম
৯|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৮
সাইমুম বলেছেন: গালাগালি মোটেও অভিধানের বাইরে নয়। তবে যে সব গালি সুশ্রাব্য নয়, সেসব গালি সাধারণ অভিধানে ঠাঁই পায় না। স্ল্যাং ডিকশনারিতে ঠাঁই পায়। বাংলা ভাষায় স্ল্যাং ডিকশনারি কেউ লিখেছেন কিনা, তা আমার জানা নেই।
আমি একবার উপজাতীয় গালি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। খাগড়াছড়িতেও ছিলাম দেড় বছর। কিন্তু আগ্রহ ধরে রাখতে পারিনি। যেমন মারমাদের গালি হচ্ছে : খুই মেংলরি কালা (কালা মানে বাঙালি), হামি চামেলা, চাপ্পা চিতলা।
তবে গালি বিষয়ক পোস্ট? একটু ভেবে দেখি।
১০|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৯
সাইমুম বলেছেন: মানুষ : সুযোগ পেলে যায়যায়দিনে এসো।
১১|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: "খুই মেংলরি কালা" মানে কি তুই পোংটা বাঙালি ? 
ছোটকালের কাহিনী।
আমাদের এক ঘটি দোস্ত ছিল। পূর্বপুরুষ মেদিনিপুরের। ঝগড়া লাগলে মাউরা বলে গালি দিতাম ওকে।
পায়ের হাড্ডি ছিল খুব শক্ত। একদিন ফুটবল খেলায় ওর ল্যাং খেয়ে বল্লাম
- শালা মাউরা!
সে ও রিপ্লাই দিল
- খাউতা বাঙাল।
১২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩১
সাইমুম বলেছেন: অচেনা বাঙালি : খুই মেংলরি কালার অর্থ বাজে। তুমি যা বলেছ তা নয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২১
শাপলা বলেছেন: সাইমুম ভাই
আপনি সর্বদা কুশল থাকুন, কৌশলে থাকুন, কৌশলী হোন। হা হা হা হা হা হা হা
৫