| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
Sakib Salman
আমি প্রতিবাদী। খুবই সহজ সরল সাধারন জীবন আমার। সামনে পেছনে দেশে শুনে বুঝে চলি ।
সাধারন মানুষের বিশেষ করে তরুন সমাজের রক্ত পানি করা, মাথার ঘাম পায়ে ফেলানো টাকা দিয়ে করোনার সময় অনলাইনে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস অর্ডার করত। ১ লক্ষ মানুষের ১১০০ কোটি টাকা নিয়ে একজন পুলিশ এর তদন্ত কর্মকর্তা সবার চোখের সামনেই পালিয়ে গেলো অথচ প্রশাসন ও সাধারণ জনগনের এখনো হুশ ফিরছে না। সরকারি চাকুরিজীবী কিভাবে এতদিন তার বোন জামাইকে দিয়ে ব্যবসা করে গেলো সেটাই চিন্তার বিষয়।
বাংলাদেশটা এখন পুরাই একটা
বাংলা সিনেমা।
বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা আর বাংলা সিনেমায় যা দেখায় সব এক।
দুঃখজনক হলেও এটাই সত্যি।
বাংলা সিনেমাকে হার মানায় বাংলাদেশের আইন ব্যাবস্তা।
ইস্ , একখণ্ড জায়গা কিনে যদি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটা বাড়ি বানাইতে পারতাম..?? তাহলে তো সাতখুন মাফ, কিভাবে যে একটা বাড়ি বানাই..??
এই সোহেল রানা বলছেনঃ
আমাকে ধরা এত সহজ..?আমাকে ধরতে হলে বড় খেলোয়াড় লাগবে,
আমি টুঙ্গী পাড়ার ছেলে।
১০০% বাস্তব কথা হচ্ছে ইওরেঞ্জ এর ৯৫% গ্রাহক হলো তরুন সমাজ, ছাত্র। জীবনের শুরুতেই আপনাদের সিস্টেম দ্বারা রক্ত পানি করা লক্ষ লক্ষ টাকা হারিয়ে প্রতারিত হয়। এবং এই টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে কোন ন্যায্য বিচার না পায়। তাহলে ধরেই রাখবেন এই ১ লক্ষ তরুন প্রান যুবকের দ্বারা খুব তারাতাড়ি আপনি বা আপনার আত্বীয় প্রতারিত হবে। থামাতে পারবেন?
শুধু এক লক্ষ মানুষ কেন বিচার চাইবে? সাধারণ মানুষ কেন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছে না? কেন প্রতিবাদ করছে না?
জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করে ই-অরেঞ্জের(ডিজিটাল ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম) প্রতারণা থেকে আমাদের বাঁচান।বনানী থানার ইন্সপেক্টর শেখ সোহেল রানার পৃষ্ঠপোষকতাধীন এই প্রতিষ্ঠান এক লাখ গ্রাহকের ১১'শ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।অনুগ্রহ করে আপনি আমাদের টাকা ফেরতের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
©somewhere in net ltd.