নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্দর দেশ গড়ার সপ্ন দেখি

এমডি ছালা উদ্দিন

দেশ ভালো থাকুক

এমডি ছালা উদ্দিন › বিস্তারিত পোস্টঃ

নোয়াখালীতে বিএনপির নেতা কর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৭

নোয়াখালী কন্ঠ, ১৩ র্মাচ, শুক্রবার ২০০৯

শুক্রবার

লেখক : মোঃ ছালা উদ্দিন





নোয়াখালীতে বিএনপির নেতা

কর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে


নির্বাচনের পর থেকে বিএনপির নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বিএনপি নেতা কর্মীদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে সন্ত্রাসীরা। বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তল্লাশি করছে তারা। গত ২ মাসে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সরকার সমর্থক সন্ত্রাসীরা ২০ টি বাড়িতে হামলা ভাঙ্গচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করেছে। এ সময়ে সন্ত্রাসীদের হাতে ১৫ জন বিএনপি কর্মী আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় পুলিশের রিপোর্ট করেও কোন লাভ হয় না। পুলিশ উল্টো চাঁদা দাবী করে। অন্যথায় বিভিন্ন মামলার এজহারভুক্ত আসামী বানিয়ে দেয়ার হুমকি দেয় পুলিশ। এ কারণে এলাকার ভুক্তভোগী বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেকে আবার পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও আশ্রয় নিয়েছেন। নোয়াখালীর অন্যান্য থানাগুলোতেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। বেগমগঞ্জ ও সদর থানার ৫০ জন নেতা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের পরিবার পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ প্রসংগে বিএনপি কোম্পানীগঞ্জ থানার সভাপতি সেলিম জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই

বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর হামলা মামলা হুমকি চলছে। আামাদের অনেক নেতাই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

বেড়েছে ডাকাতি : আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। সন্দ্যা হলেই স্থানীয়দের মধ্যে ডাকাত আতংক বিরাজ করে। বিশেষ করে উপকলীয় অঞ্চলে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকার দলীয় লোকদের সহযোগিতায় ডাকাতির ঘটনা ঘ্টছে। যার কারণে পুলিশও নীরব ভূমিকা পালন করছে। পুলিশ আওয়ামী লীগের কোন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছেনা। কোন পুলিশ কর্মকর্তা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে চাইলেও পারছেনা, কারণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা পুলিশকে বদলি হুমকি দেন।

ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু আব্দুল কাদের মির্জা : আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রেসেডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আব্দুল কাদের মির্জা। নোয়াখালী অঞ্চলে মূলত মির্জা একক রাজত্ব কায়েম করে চলেছে। তার মতে বিরুদ্ধে গেলেই চলে জুলুম নির্যাতন। তার ইশারায় চলছে পুরো প্রশাসন। মির্জার সমর্থিত বাহিনীই কোম্পানীগঞ্জসহ নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় টেন্ডারবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।

এ প্রসংগে মির্জা কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোন কিছু প্রকাশ করা হলে দেখিয়ে নেয়ার হুমকিও দেন।

মাদকের আড্ডা : নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ করে মাদকসেবীদের আড্ডা বেড়েগেছে। এ কারণে মাদক ব্যবসাও বেশ জমজমাট। সরকার দলীয় লোকদের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসা। প্রতিদিন নোয়াখালীর ১২ টি মতো স্থানে মাদকের আড্ডা বসে। মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার পুলিশে অভিযোগ করলেও কোন লাভ হয়নি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.