নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্দর দেশ গড়ার সপ্ন দেখি

এমডি ছালা উদ্দিন

দেশ ভালো থাকুক

এমডি ছালা উদ্দিন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওয়ামী লীগ সরকারের যত কান্ড

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৬



জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে সরকারের মামলা হামলা



শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বছরেই ক্যান্টেমেন্টের বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করে দেয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে মোট ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৪টি, তারেক রহমানের ১১ এবং কোকোর বিরুদ্ধে ৫টি। বর্তমান সরকারের সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা হলেও বাকি মামলাগুলো বিগত ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে দায়ের করা হয়েছে।



বিএনপি নেতা কর্মী বিরুদ্ধে সরকারের মামলা হামলা





মহাজোট সরকারের গত চার বছরে খুন আর গুমের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে । বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ হাজার রাজনৈতিক মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলায়্ সারা দেশে ২ লাখেরও বেশি নেতা কর্মী কারাগারে রয়েছেন। এমনকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ইসলামও সরকারের নির্যাতন থেকে বাদ যাননি। তার বিরুদ্ধে ৩৮ টি মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলার তাকে দুইবার কারাগারে যেতে হয়েছে। অপরদিকে এ সরকারের আমলেই রাজনৈতিক বিবেচনায় ৭ হাজার ১০০ জনকে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী আখ্যা দিয়ে মামলা থেকে নাম প্রত্যাহার করা হয়। এর মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী রয়েছে।

মহাজোট সরকারের চতুর্থ বছরেই খুন হয়েছেন সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি , শ্রমিক নেতা আমিনুল ও সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ । গুম হয়েছেন বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও ঢাকা মহনগরী বিএনপি নেতা ও কমিশনার চৌধূরী আলম । এছাড়াও ঘটেছে রামুর সহিংসতা, শিশু পরাগ অপহরণ, বিশ্বজিৎ খুন এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশের মুক্তির মতো চাঞ্চল্যকর সব ঘটনা।

চারদলীয় জোট সরকারের প্রথম ৪ বছরে খুনের ঘটনা ঘটে ১০ হাজার ৫৫৪টি। আওয়ামী সরকারের চার বছরে ১৬ হাজারটি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। গুম হয়েছে ১৫৬ জন।



আলোচিত ঘটনা : গত চার বছরের মধ্যে বিডিআর বিদ্রোহ, নিমতলী ও তাজরীন গার্মেন্টেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ছিল সারাবিশ্বে আলোচিত। এছাড়া ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের পিস-লের গুলিতে যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম নিহত, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নুর বাবুকে পুলিশের সামনেই পিটিয়ে হত্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আধিপত্য বিস্তারে নিয়ে সহিংস ঘটনায় মেধাবী ছাত্র আবু বকর হত্যা, নরসিংদীর জনপ্রিয় পৌরমেয়র লোকমান হত্যা, যশোরের ঝিকরগাছা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম হত্যা এবং আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও দেশব্যাপি আলোচিত হয়। ২০১০ সালের ২৩ মার্চ ঝালকাঠির রাজাপুরে ব্যাবের গুলিতে নিরীহ কলেজছাত্র লিমন হোসেন আহত ও পঙ্গু হওয়ার ঘটনাও দেশ-বিদেশের নজর কাড়ে। ২০১১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল কাদেরকে ধরে নিয়ে খিলগাঁও থানায় আটক রেখে নির্যাতন করে পুলিশ।

সন্ত্রাসী বিকাশের মুক্তি : ১৪ ডিসেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে গোপনে মুক্তি পায় শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ কুমার বিশ্বাস। নিয়ম আছে, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিনে মুক্তির আগে কারা কর্তৃপক্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দাদের খবর জানাবে। তবে বিকাশের ক্ষেত্রে এমনটি না ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।

ফাঁসির আসামির দণ্ড মওকুফ :

মহাজোট সরকারের আমলেই আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় তিনটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ২৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। এরমধ্যে নাটোরে যুবদল নেতা সাব্বির আহম্মদ গামা হত্যা মামলায় ২১ জন ও লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় একজন, জামালপুরের দেয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি আহসান হাবীব টিটুর দণ্ড মওকুফ করেন রাষ্ট্রপতি। এ নিয়ে সারাদেশে সমালোচনার ঝড় উঠে।

অপহরণ-গুপ্তহত্যার আতঙ্ক :

র্যা্ব-পুলিশের পরিচয়ে রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীসহ অনেকেই অপহ্নত হচ্ছেন। বিভিন্ন স'ান থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার হচ্ছে। তবে গুপ্তহত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করছে র্যাব-পুলিশ। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত কোনো গ্রুপকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিএনপি নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলম ও যুবলীগ নেতা লিয়াকত হোসেনের এখনো হদিস মেলেনি।



বিনা বিচারে হত্যা :

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত চার বছরে বিনা বিচারে মারা গেছে ৪৫০ জন। এর মধ্যে ২০০৯ সালে ১৫৪, ২০১০ সালে ১২৭, ২০১১ সালে ৮৪ জন এবং ২০১২ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন- নিহত হয়েছে ৬৭ জন। ১২ সালে ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে ৫১টি। ১৩ সালে ১৫ টি বিচার বহির্বূত হত্যা কান্ড ঘটেছে।







সরকার ২৫ টি নেগেটিভ সাইট



১. তৌফিক এলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ কেলেঙ্কারি

২. সুরঞ্জিতের বস্তা ভর্তি টাকা দুর্ণীতি/ রেল মন্ত্রালয়ের দুর্ণীতি

৩. কুইক রেন্টাল দুর্ণীতি

৪. গ্রামীন ব্যাংক দুর্ণীতি

৫. জ্বালানি খাতের বিশাল দুর্ণীতি

৬. পদ্মা সেতু দুর্ণীতি

৭. ডেস্টিনির অর্থ আত্মসাৎ

৮. শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারী

৯. হলমার্ক কেলেঙ্কারী

১০. স্কাইপি কেলেঙ্কারী

১১. বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড

১২. পিলখানা হত্যাকান্ড/ বিডিয়ার বিদ্রোহ

১৩. ফেলানী হত্যাকান্ড/ সীমান্তে হত্যাকান্ড

১৪. সাগর-রুণী হত্যাকান্ড/ সাংবাদিক হত্যাকান্ড

১৫. বিশ্বজিত হত্যাকান্ড, চৌধুরী আলম, শ্রমিক নেতা আমিনুল, শিশু রাব্বীসহ হাজার হাজার মানুষ খুন

১৬. ইলিয়াস আলিসহ অন্যান্য গুম

১৭. বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা

১৮. নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-দ্রব্যের উর্দ্ধগতি

১৯. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি

২০. গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সংকট

২১. টিপাইমুখ বাঁধ

২২. শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য

২৩. ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, চাপাতি বাণিজ্য, দখল বাণিজ্য

২৪. জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য জায়গায় ছাত্রলীগের ধর্ষণের প্রতিযোগিতা

২৫. দিনদুপুরে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে হত্যা করা

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.