| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলমের উপস্থিতিতে আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) বেধড়ক পিটিয়েছে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা। ‘হ্যান্ডকাপ’ পরিয়ে মিজান নামের এক যুবলীগ নেতাকে জেলহাজতে পাঠানোর চেষ্টার জের ধরে এই ঘটনা ঘটে।
সরকারি দলের ‘ক্যাডার’দের মারধরের শিকার ওই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন দারোগা আবুল কালাম আজাদ।
একাধিক নির্ভরশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে বলেও পুলিশ সূত্র দাবি করেছে।
চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র মতে, গতকাল সোমবার দুপুরে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি মামলায় যুবলীগ নেতা মিজানকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তারই আলোকে আদালতে দায়িত্বরত কোর্ট দারোগা আবুল কালাম আজাদ নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় ‘হ্যান্ডকাপ’ পরিয়ে কঠোর নিরাপত্তায় ওই যুবলীগ নেতাকে কক্সবাজারে নেয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় সরকারদলীয় লোকজন তাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়ার জন্য কোর্ট দারোগাকে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু কোর্ট দারোগা নিরাপত্তার কারণে সরকারদলীয় লোকজনের কথা না শুনে আসামিকে কক্সবাজার পাঠানোর চেষ্টা করেন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সূত্র মতে, একপর্যায়ে দলীয় লোকজন চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলমকে বিষয়টি অবগত করেন। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে হাজির হন উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম। এই সুযোগে উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা কোর্ট দারোগা আবুল কালাম আজাদকে বেধড়ক মারধর করেন।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আজাদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ঘটনার সত্যতা জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:১৯
িমছবাহ বলেছেন: বাইট্টা জাফর তো একজন উচুমানের সন্ত্রাসী তার কাছ েথেকে এর চেয়ে আর বেশি কি আশা করা যায়।