| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সিলেট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবিরের বিরুদ্ধে ঝাডু মিছিল করেছে সিলেট মহানগর যুবলীগের একাংশ।
গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর রেজিস্টারি মাঠ থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চৌহাট্টায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মহানগর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুদীপ দে।
মিছিলে স্লোগান ছিল ‘অর্থমন্ত্রীর দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘মাল মুহিতের দুই গালে, ঝাডু মারো তালে তালে’, ‘আহমদ আল কবিরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘পকেট কমিটি মানি না মানবো না’।
মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে মহানগর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুদীপ দে বলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ভূমিখেকো তার ভাগনীর জামাই আহমদ আল কবিরকে নিয়ে পকেট কমিটি গঠন করেছেন। ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অর্থমন্ত্রীর পকেট কমিটি মুজিব সেনারা প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি আরও বলেন, আহমদ আল কবির চিহ্নিত দালাল, সে কখনো আওয়ামী পরিবারের সদস্য ছিল না। তাকে দিয়ে যুবলীগ বা আওয়ামী লীগের কোনো লাভ হবে না। সে চাচ্ছে সিলেটে আওয়ামী যুবলীগ নিঃশেষ হয়ে যাক। তাই সে তথাকথিত পকেট কমিটি গঠন করেছে। তাই আহমদ আল কবিরকে সিলেটে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। অবিলম্বে কাউন্সিলের মাধ্যমে মহানগর কমিটি গঠন করা না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুমকি দেয় তারা।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হান্নান, ক্রীড়া সম্পাদক বিধান পাল, আইন সম্পাদক ছাদিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, সদস্য আবদুর রহমান, মিহির দেব, টিপাশ রায়, আবদুল জলিল লেবু, তফাজ্জল হোসেন, রেজাউর রহমান সেলিম, শেখ আক্তার আহমদ, বাবলা হোসেন, বিশ্বজিত্ কর, বিশ্বজিত্ দাস, নজরুল ইসলাম নজু, মিটু মোহন দে, বাবুল হোসেন, জয় দেব, অনিক দাস, পারভেজ আহমদ, রাহী আহমদ, সুমন আহমদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত রোববার বিকালে যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কার্যালয়ে যান। সে সময় সিলেট মহানগর যুবলীগের ৬১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি জমা দেন। পরে সেখান থেকে কমিটি ঘোষণা করা হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:২৩
হাসিব০৭ বলেছেন: রাবিশ