| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সন্যাসী
পরিবর্তন চাই- আপদমস্তক পরিবর্তন চাই। কুঠারাঘাত দিয়ে হলেও ভাঙতে চাই স্থবিরতার শৃঙ্খল।।
বর্তমানে বাংলাদেশের যে সামগ্রিক সামাজিক বিপর্যয় লক্ষ্য করা যায় তার প্রধান কারণ আমাদের দূর্বল শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষাব্যবস্থার এ দূর্বলতাকে ঠেকানোর জন্য বিভিন্ন সময়ে মোট ৪টি শিক্ষা কমিশন ও ৩টি শিক্ষানীতি কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তাদের নিকট হতে সুপারিশ নেয়া হয়েছে, যদিও তা গ্রহণ করা হয়নি অথবা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ ৪র্থ শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটিটি গঠিত হয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে প্রধান করে এবং এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ীই আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন সাধনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
যদিও এ কমিটিটি 'ড: কুদরাত-ই-খুদা' কমিশনের সুপারিশকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যেই গঠিত এবং সে লক্ষ্যেই সরকারের কিছু পদক্ষেপ প্রশংসার দাবী রাখে তবুও সময়ের প্রেক্ষাপটে কিছু কথা থেকেই যায়।
ডঃ কুদরাত-ই-খুদা কমিশন অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত ধর্মশিক্ষাকে বাতিল করে নীতিশিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করলেও বর্তমানে ধর্মশিক্ষা বাধ্যতামূলক রয়েছে। ধর্মশিক্ষার সাথে নীতিশিক্ষার মিশ্রন ঘটিয়ে যে 'ককটেল' ধর্ম বই ছাপা হয়েছে তা 'সাপ ও না মরে আর লাঠিও না ভাঙে'র মত একটি মধ্যপন্থি বই।
এদিকে আমার মত নাস্তিক বাবারা পড়েছে বিপদে (বিপদ আগেও ছিল)। আমি ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলেকে শিখিয়েছি যে ঈশ্বর বলতে কিছু নেই, মানুষের কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি হচ্ছে ঈশ্বর। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ক বই কিনে দিয়ে আমার বক্তব্যকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া আমার পরিবারে আমার বাবা ছাড়া আর সকলেই আমার দলের। বিশেষ করে আমার ছোটভাই সবসময়ই ওকে সেক্যুলার মানসিকতায় গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে।
আমার ছেলে এ বছর তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছে। ক্লাশে যথারীতি তাকে ধর্মশিক্ষাও দেয়া হচ্ছে। কিন্তু তার অনেক প্রশ্নের কাছেই এখন আমি হার মানছি। যদি ঈশ্বর বলতে কেউ না-ই থেকে থাকে তবে আমাদের কেন এগুলো পড়ানো হয়? তার যুক্তি সে একটা মিথ্যা বিষয় পড়তে চায় না। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে ধর্ম একটি দর্শন এবং এটি সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখা। এটা পড়ানো হয় যাতে আমরা নিজেদের একটা তুলনামূলক অবস্থান নির্ণয় করতে পারি। কিন্তু সেক্ষেত্রেও তার প্রশ্ন তাহলে তোমরা আমাকে যা শিখিয়েছ সেগুলো কোথায়? সেগুলো তো কোথাও লেখেনি। আমার উত্তর মেলে না। আর দর্শন যদি আমি আট বছরের ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করি তাহলে তার অবস্থা কী হয় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ধর্মকে যারা বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা হিসেবে প্রণয়ন করেছে তারা ধর্মকে কখনো দর্শন হিসেবে দেখেনি, শিশু মনে কিছু যুক্তিহীন উদ্ভটতা প্রবেশ করে দেয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল। দর্শনের মত একটা জটিল বিষয়কে তৃতীয় শ্রেণীর আবশ্যিক বিষয় করাটাকে পাগলামী বৈ কিছু বলা যায় না।
আমি জানি আমার মত এরকম পরিস্থিতি অনেক বাবা-মারই রয়েছে। যারা এ অবস্থাটা পার করে এসেছেন তাদের কাছে সাহায্য আশা করছি। যারা আমার অবস্থায় ভবিষ্যতে পড়বেন তাদের পরিকল্পনাটাও আমার জানতে ইচ্ছে করছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০
সন্যাসী বলেছেন: আপনার কাছ থেকে তো আমি মন্তব্য আশা করিনি।
২|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
আবদুল মুনয়েম সৈকত বলেছেন: -----------------
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
সন্যাসী বলেছেন:
৩|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: আপনি নাস্তিক। হয়তো আপনার বুঝার ক্ষমতার জন্য।আপনার ছেলে হয়ত আস্তিক হবে তার বুঝার ক্ষমতার জন্য।
মাইনাস দিলাম।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
সন্যাসী বলেছেন: আমি বুঝেছি অন্তত ১৪-১৫ বছর বয়সে, ৪-৫ এ নয়। আস্তিক কেউ হলে সে নিজে বুঝে হোক এটাই আমি বলছি। প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাউকে আস্তিকতা চাপিয়ে দেয়াটা মোটেই যুক্তিকর নয়।
৪|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: স্কুলে পড়তে হবে এমন কোন কথা আছে? স্কুল কলেজ এইসব প্রচলিত অন্ধবিশ্বাসীদের জন্য। বিজ্ঞানের বইপত্তর কিনে এনে বাসায় নিজেই পড়ান। আশা করি প্রচলিত মুখস্তবিদ্যা বা সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থাকে কাচকলা দেখিয়ে আপনার সন্তান একদিন আপনার মতই মহাজ্ঞানী হতে পারবে ![]()
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২
সন্যাসী বলেছেন: জ্ঞানী হওয়ার জন্য অবশ্য প্রচলিত স্কুল কলেজের শিক্ষা দরকার নেই, ঠিকই বলেছেন। স্কুল কলেজের শিক্ষা আর যাই ই করুক মানুষকে জ্ঞানী করে না।
৫|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০
অদ্ভুত বলেছেন: টমাস আলভা এডিসন থেকে শিক্ষা নিতে পারেন
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২
সন্যাসী বলেছেন: বুঝলাম না।
৬|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: ঈশ্বর বলতে কিছু নেই, প্রমাণ করতে পারবেন?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
সন্যাসী বলেছেন: ঈশ্বর আছে এর প্রমানটাই তো বেশি প্রয়োজন। না থাকার প্রমাণ প্রয়োজন হয় না। নাকি?
৭|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০২
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: বাই দ্যা ওয়ে, ছেলের ওপর জোড় করে "নাস্তিক ধর্ম" টা চাপিয়ে দেওয়া আপনাদের নীতিবিরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে না?
ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলেকে শিখিয়েছি যে ঈশ্বর বলতে কিছু নেই, মানুষের কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি হচ্ছে ঈশ্বর
ছেলের তো বুদ্ধিসুদ্ধি আছে, সে নিজেই স্রষ্টার প্রশ্নের উত্তর খুজে বের করুক না!
"কিন্তু সেক্ষেত্রেও তার প্রশ্ন তাহলে তোমরা আমাকে যা শিখিয়েছ সেগুলো কোথায়? সেগুলো তো কোথাও লেখেনি। "
এখন আপনার নাস্তিকতার দৌড় নিয়েই সন্দেহ হচ্ছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
সন্যাসী বলেছেন: বিদ্যালয় যে তাকে জোর করে ঈশ্বরকে চাপিয়ে দিত তার চেয়ে সেক্যুলারিজম শিক্ষা দেয়াটা কম নৈতিকতাহীন। বরং আদৌ নৈতিকতাহীন নয়।
৮|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
লাল সাগর বলেছেন: ঈশ্বর বলতে যে কিছু নাইক্কা, এইটা আপনে নিজে কেম্নে সিউর হইলেন?
প্রমান দেন
আর যদি শিউর না হইয়া থাকেন, তাইলে কোন নৈতিকতার ভিত্তিতে আপনি আপনার শিশুকে এত্তো বড় মিথ্যা কথা শিখাইলেন। কেমন বাপ আপনি? যে জিনিস নিজে জানেন না, শিউর না। সেটা নিজের শিশু কে শিখাচ্ছেন?
আমার বাপে সব সময় দুই সাইডেই যুক্তি দিয়ে আমাকে শিখাইছেন। বিশ্বাস করা না করা আমার সিদ্ধান্ত।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০
সন্যাসী বলেছেন: মোটেই মিথ্যা কথা শিখাইনি। আপনার বাবাই আসলে ঠিক কাজ করেছেন। সত্য-মিথ্যা দুটোই শিশুকে শেখানো প্রয়োজন। কারণ আমাদের সমাজে বাঁচার জন্য সত্যের চেয়ে মিথ্যার প্রয়োজনই একটু বেশি (বোধ হয়)।
৯|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৮
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: ছেলের তো বুদ্ধিসুদ্ধি আছে, সে নিজেই স্রষ্টার প্রশ্নের উত্তর খুজে বের করুক না!
"কিন্তু সেক্ষেত্রেও তার প্রশ্ন তাহলে তোমরা আমাকে যা শিখিয়েছ সেগুলো কোথায়? সেগুলো তো কোথাও লেখেনি। "
একমত। আপনার ছেলে আপনার মত বোকা না হলে এপ্রশ্ন করবে নিশ্চিত।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১২
সন্যাসী বলেছেন: স্রষ্টার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার আগেই আমি শিখিয়েছি যে সে নেই, আর বিদ্যালয় তাকে শিখাতো আছে। দুটোই এক ই তো! আপনারা সমাধান আছে কীনা তাই বের করে দিন। এতসব প্যাচাল তো দরকার নেই।
১০|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঈশ্বর আছে এর প্রমানটাই তো বেশি প্রয়োজন। না থাকার প্রমাণ প্রয়োজন হয় না। নাকি?
কথা ঘোরাচ্ছেন কেন? নাই যে তার প্রমাণ দিন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
সন্যাসী বলেছেন: নাই, তাই প্রমান দরকার নাই। আপনি বলছেন আছে, তাই প্রমান দরকার আছে।
১১|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১
লাল সাগর বলেছেন: আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: স্কুলে পড়তে হবে এমন কোন কথা আছে? স্কুল কলেজ এইসব প্রচলিত অন্ধবিশ্বাসীদের জন্য। বিজ্ঞানের বইপত্তর কিনে এনে বাসায় নিজেই পড়ান। আশা করি প্রচলিত মুখস্তবিদ্যা বা সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থাকে কাচকলা দেখিয়ে আপনার সন্তান একদিন আপনার মতই মহাজ্ঞানী হতে পারবে ![]()
--
ঝাক্কাস হাসতেই আছি
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৪
সন্যাসী বলেছেন: হাসতেই থাকুন।
১২|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
অণুসন্ধানী বলেছেন: ভাই দেখি জোড় কইরা বাচ্চাতারে নাস্তিকতা খাওয়াইতে চান।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
সন্যাসী বলেছেন: ব্যাধি হলে যেমন শিশুদের জোর করে ওষুধ খাওয়ানো প্রয়োজন হয়, তেমনি আর কী। আমাদের পুরো পৃথিবীটাই মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত।
১৩|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
লাল সাগর বলেছেন: লেখক সাহেব মনে হয় কথা বার্তা একটু কম বুঝেন।
আমার বাবা দুই সাইডের যুক্তি দেখাইছেন। যুক্তির মধ্যে আবার সত্য মিথ্যার কি আছে?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
সন্যাসী বলেছেন: আমি আসলে সামগ্রিক বিবেচনায় বলেছি। আপনাকে কষ্ট দেয়ার ন্যুনতম ইচ্ছা আমার নেই বা ছিল না। আপনার বাবা যেটা করেছেন আমারও সেটা করা উচিত ছিল। তবুও মানুষ নিরপেক্ষ হতে পারে না। শিশুদের ক্ষেত্রে একটা সিদ্ধান্ত আপনাকে দিতেই হয়। সে দুটোকে তুলনা করার ক্ষমতা রাখে না, সিদ্ধান্তকেই চায়।
১৪|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
শেহাব বলেছেন: আরে ছেলেতে বলেন ধর্মবইয়ের চাপাবাজি এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করতে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩১
সন্যাসী বলেছেন: এটা ভেবেছি। পরীক্ষার জন্যই পড়া। আর কী। তবুও অন্যরা কীভাবে তাদের সন্তানদের ফেস করেছে, সেটা জানতে চেয়েছিলাম কিন্তু আজাইরা প্যাচালে ভরে গেছে।
১৫|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: স্রষ্টার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার আগেই আমি শিখিয়েছি যে সে নেই,
আচ্ছা তার মানে মারধোর করে আপনি বাচ্চা ছেলেটাকে জোড় করে এসব শিখাচ্ছেন?
তা শিক্ষক মশা আপনি কোনখানকার আইনস্টাইন নিউটন জানতে পারি?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭
সন্যাসী বলেছেন: বঙ্গদেশের।
১৬|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০
স্বপ্নীলবেষ্ট বলেছেন: একদিন ইমাম আবু হানিফা আপনার মত জ্ঞানী নাস্তিকদের আহবানে তাদের সাথে তর্ক করতে রাজি হলেন। তো সময়মত নির্দিষ্ট স্থানে সবাই হাজির। কিন্তু আবু হানিফা হাজির না। উনি বেশ কিছুক্ষণ দেরী করে হাজির হলেন। সবাই রাগান্বিত হয়ে তাকে দেরী করার কারন জিজ্ঞাসা করলেন। উনি বললেনঃ
আমার বাড়ি নদীর ওপার। তো পাড়ে এসে দেখি কোন নৌকা নেই। আমি দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ একদিক থেকে একটি গাছ উড়ে এল, সাথে একটি করাত। সঙ্গে সঙ্গে করাত গাছটি কেটে ফেলল। তারপর হাতুড়ি, লোহা মোটকথা নৌকা তৈরীর জন্য যা যা দরকার সব হাজির হল। এবং নিজে নিজেই নৌকা তৈরী হল। তখন সবাই তাকে বলল, আমাদের বোকা পেয়েছেন? একা একা কোন কিছু তৈরী হতে পারে? তখন আবু হানিফা বললেন তাহলে আপনারা কিভাবে বলেন, এই পৃথিবী কোন সৃষ্টকর্তা ছাড়াই সৃষ্টি হয়েছে। তখন সবাই তার যুক্তিমেনে নিলেন। আশা করি আপনিও বুঝতে পারবেন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫০
সন্যাসী বলেছেন: মাহফিল থেকে বলছেন নাকি? ছাগু প্যাচাল বাদ দেন।
১৭|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২১
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: সেক্যুলারিজম শিক্ষা দেয়াটা কম নৈতিকতাহীন নাস্তিকদের আবার নৈতিকতা কি? নাস্তিকদের ভিত্তি কি? জানেন কিছু। না ব্যাঙএর পুকুর ডোবা দেখাতে এসেছেন? নাস্তিকতা সম্পর্কে জানেন কিছু?
আপনার চেয়েও কট্রর নাস্তিক ছিলাম আমি। একসময় দেখলাম আমাদের মূল ভিত্তিই হলো বিশ্বাষ।তা হলে ধর্মর সমস্যা কোথায়?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
সন্যাসী বলেছেন: জীবনে কয়টা নৈতিকতাহীন নাস্তিক দেখেছেন। বরং হাজারটা নৈতিকতাহীন ধার্মিক দেখতে পাবেন আপনার আশেপাশে। মানুষ নাস্তিক হয়ে জন্মায় না, নাস্তিকতা অর্জন করতে হয়। জ্ঞানের মাধ্যমেই তা অর্জিত হয়।
বিশ্বাস হল ভীতু, অসৎ আর কর্মবিমুখদের হাতিয়ার।
১৮|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: নাই, তাই প্রমান দরকার নাই।
নাই।আপনি বুঝলেন কিভাবে? প্রমাণ দিন। আর নাহয় অফ যান
আপনি বা আমি কেউ তো আর মানদন্ড নয়। নাকি আইনস্টাইনকে পিছু এরমধ্যেই ফেলে দিয়েছেন আপনি?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮
সন্যাসী বলেছেন: কাউকে পিছু ফেলার কথা উঠছে কেন? ধর্ম- যা মানুষকে মানুষই ভাবতে শিখায় না, তা আইনস্টাইন আর নিউটন মানতে পারেন আমি মানতে পারি না।
১৯|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
যদিও সন্ধ্যা বলেছেন: সন্যাসী! নামটাইতো ধর্ম থেকে ধার করেছেন। নামটা বদলে আইজুদ্দিন রাখেন
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
সন্যাসী বলেছেন: ভাই, শয়তান যদি তার বড় বড় দাত আর শিং নিয়ে হাজির হয়, তাহলে তো তার শয়তানি কার্যক্রম হাসিল হবে না। সে আসবে দাড়ি, টুপি, জুব্বা কিংবা আমার মতো সন্যাসীর লেবাস ধরে। বুঝাতে পেরেছি নিশ্চয়ই?
২০|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
লাল সাগর বলেছেন: যাক ব্যপান না। তবে জ্ঞান অর্জন করতে সমস্যা নাই।
শেহাব বলেছেন: আরে ছেলেতে বলেন ধর্মবইয়ের চাপাবাজি এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করতে।
-- ভালা প্রস্তাব।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
সন্যাসী বলেছেন: একটাই যুক্তিযুক্ত প্রস্তাব পাওয়া গেল। নাস্তিক ভাইয়েরা বোধহয় অন্যদের ভয়ে কিছু বলছে না। আমি আসলে তাদের কাছেই সাহায্য চেয়েছিলাম।
২১|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০০
অণুসন্ধানী বলেছেন: ভাই বাচ্চা ত অনেক পরের কথা, বিয়ে করলেন কিভাবে? ধর্মীয় রীতিতে? আর বলেন ত নাস্তিকতায় সত্যিই কি বিয়ের প্রয়োজন আছে?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২০
সন্যাসী বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধর্মীয় রীতি ছাড়াও বাংলাদেশে বিয়ে করা যায়।
"নাস্তিকতায় বিয়ের প্রয়োজন নেই" এটা কেমন প্রশ্ন? বিয়ে সামাজিক নিয়ম, ধর্মীয় নয়। ধর্ম এর ভিন্ন রূপ দিয়েছে।
২২|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৩
কালের কুতুব বলেছেন: আশা করি আপনি আপনার ছেলেকে এইসব বালছাল থেকে দূরে রাখতে পারবেন।মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন, ধার্মিকদের মত সামাজিক প্রতিবন্ধি হিসেবে নয়।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, কালের কুতুব ভাই। ঠিকই বলেছেন, ধার্মিকদের মানসিক প্রতিবন্ধী বলেই মনে হয় আমার।
২৩|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
অলস ছেলে বলেছেন: আপনার ছেলে মানুষ হোক। বেচারা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২
সন্যাসী বলেছেন: ছোটবেলায় কোন এক ক্লাশে পেলেকে নিয়ে লেখা একটা গল্প ছিল। সে গল্পের একটা বাণী আমার সবসময়ই মনে পড়ে।
'সফলতা কিংবা বিফলতা নয়, মানুষ হওয়াটাই আসল কথা।'
আমাদের শ্লোগানটাও এরকম হওয়া উচিত - 'মুসলমান কিংবা হিন্দু নয়, মানুষ হওয়াটাই আসল কথা।'
সমস্যা একটাই আমরা মানুষ হওয়ার আগেই আমাদের সমাজব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের এক একজনকে হিন্দু-মুসলমানে পরিণত করে দেয়।
-------
বেচারা কে? আমি, আমার সন্তান নাকি আপনি বা আপনারা?
২৪|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০
বক্সার বলেছেন: ধর্মহীন সেক্যুলার শিক্ষার প্রস্তাব এবং সহস্র আস্তিক পিতার অসহায়ত্ব
কোন কিছু কি বোঝা যায়?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪
সন্যাসী বলেছেন: ধর্মকে ঐচ্ছিক করে দিলে সমস্যাটা থাকে না। বাধ্যতামূলক করার যুক্তি কী? জোড় করে গিলানো?
ধর্ম অনেক কঠিন একটি বিষয়, একটু বয়স হলে জোড় করে গিলানোর প্রয়োজন হয় না। শিশুদের গল্পের ছলে মিথ্যা শিখানোর যুক্তি খুঁজে পাচ্ছেন!
ঈশ্বর বিষয়ক ভাবনা ভাবার বয়স ওদের না। ওদের বয়স পৃথিবীকে শেখার, জাগতিক বিষয় শেখার।
একটা ৫ বছরের শিশুকে ধর্ম বই তুলে দেয়া আর পর্ণোগ্রাফি তুলে দেয়া একই কথা।
সেক্যুলার শিক্ষা খারাপ কিসে? মানুষকে মানুষ ভাবতে শেখাটা কি অন্যায় শিক্ষা?
২৫|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭
আমি এবং আঁধার বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
আমি শুধু এটুকুই বলবো যে আপনার সন্তানকে প্রভাবিত না করে(আস্তিক/নাস্তিক) মুক্তচিন্তার সুযোগ দিন। ধর্মীয় বই সে পড়ুক, পাশাপাশি তাকে কার্ল সাগানের গল্প শোনান, আদম-হাওয়ার কাহিনীর পাশাপাশি গল্পচ্ছলে শোনান বিবর্তনবাদ। নুহের মহাপ্লাবনের কাহিনী জানার পরে সে জানুক ইয়াকভ পেরেলম্যানের গণিতের শিশুতোষ বইটি, যেখানে স্রেফ পাটিগণিত দিয়ে এর অসারতা প্রমাণ করা হয়েছে। তাকে বিজ্ঞান শেখান, হাতেকলমে পরীক্ষা করার সুযোগ দিন, জাফর ইকবালের বিজ্ঞানের মজার মজার এক্সপেরিমেন্ট বইটা সে পড়ুক। তাযকেরাতুল আউলিয়ার পাশাপাশি সে পড়ুক বিভিন্ন মণিষীদের জীবনী। সে জানুক বিশ্ব শুধু ইসলামী নয়, খলীফার আমল/স্বর্ণযুগ ১০০০ বছর আগের ঘষামাজা ইতিহাস। তাকে বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য শিশুতোষ বইগুলো পড়তে দিন। ক্লাসের একজন ধর্মশিক্ষকের শেখানো জ্ঞানের সাথে সে এগুলো তুলনা করতে শিখুক। বরং এটাই ভালো, সে একেবারে শৈশব থেকেই মূল্যায়ন করতে পারবে বিশ্বাস এবং যুক্তিকে।
আপনার সন্তানের বোধ এবং মনন বিকশিত হোক, সে আলোতে আসুক, পৃথিবীর সবাইকে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভালোবাসুক, সে একজন মানুষ হোক এই শুভকামনায়....।
ধন্যবাদ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি যেখানে সাহায্য চেয়ে আপনাদের সম্মুখীন হয়েছি, সেখানে একগাদা ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য দিয়ে ভরিয়ে দেয়া হয়েছে পোস্টটি।
আমার সন্তানকে বিজ্ঞানের পাশাপাশি ধর্ম বিষয়ক বইও পড়তে দিয়েছি কিন্তু সে নিজেই বলে যে এসব আজগুবি। এর প্রধান কারণ সে আমাদের পরিবারের অন্যদের মানসিকতায়ই বড় হচ্ছে। কিন্তু এখন বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা তো তাকে ছাড়বে না। তার অনিচ্ছায়ও তাকে পড়তে হবে। শুধু পড়তে হবে না, মুখস্ত করতে হবে। এই ছোট বয়সে মনের বিরুদ্ধে কিছু করানো কতখানি কঠিন তা বুঝতেই পারছেন।
২৬|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২০
পি মুন্সী বলেছেন: ধর্মের প্রতি আপনার মনোভাবটাই সব গন্ডগোলের উৎস।
নিজে চিন্তার মধ্যে যে গন্ডগোল বিবাদের মধ্যে আছেন, বাচ্চার উপর তাই চাপিয়ে দিয়ে আপনি মারাত্মক অবিচার করেছেন।
এগারো বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের যা সত্যি বলে শিখানো হয় বা শিখে এর একেবারে বিপরীত কোন ধারণা একই সঙ্গে এই সময়ে যেন তাকে মুখোমুখি না হতে হয় সেদিকে বাবা-মার কঠোর নজর রাখা ও চিন্তাভাবনা করা খুব দরকার। এই বয়সের মধ্যে বাবা-মা বিশেষত মাকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে বাচ্চারা বড় হয়। ফলে মা কি শিখাবে, বলবে গাইড করবে কী বলবে না সে ব্যাপারে মারাত্মক সতর্কতা দরকার।
বাবা-মার ঝগড়ার কারণে আলাদা বাবা হয়ত শিখালো তোমার মা মারা গেছে, এভাবেই বাচ্চা বড় করেছে। এদিকে ১০-১১ বছরের আগেই যদি বাচ্ছা জানতে পারে বাবা মিথ্যা বলেছে - সেই বাচ্চার মানসিক ভারসাম্য রাখা কঠিন হবে। এরপর সারা দুনিয়ার কারও কথা সে বিশ্বাস করতে চাইবে না, পাগল, উদ্ভট, হিংস্র আচরণ করবে। একবার চিন্তা করে দেখুন তো সারা দুনিয়ায় আপনার কেউ নেই যার কথা আপনি বিশ্বাস করতে পারেন; আপনার সেই মানসিক দুরবস্হার কথা ভাবুন।
এটা উদাহরণ হিসাবে বললাম। সার কথা হলো কণফ্লিকটিং কোন ধারণা একদিক থেকে দেখে তাকে বলা যাবে না। এই কণফ্লিকটিং বা বিবাদ জিনিষটা হতে পারে, পরিবারের ভিতরেরই দুই ধারণা অথবা আপনার ক্ষেত্রে যেমন আপনার ও সামাজিক ধারণার বিবাদ - এরকম যেকোন কিছু। এক্ষেত্রে বেষ্ট হলো, যদি দরকার পরেই যাই - দুটি দিকই বলা, সেইসাথে বাচ্চাকে বলা বড় হলো আরও জানতে পারবে, নিশ্চয় আর ভালো কিছু সে নিজেই জেনে নিবে।
চিন্তার যেসব বিবাদ আপনি নিজের পরিণত মনে সামলাতেই হিমশিম খেয়ে যান সেসবের দায় কীভাবে বাচ্চার মনে চাপিয়ে দিবেন। খেয়াল করবেন, বাচ্চারা বড় হয়েও অনেক কিছু হয়ত সহ্য করে কিন্তু মায়ের বদনাম - জীবন দিতে হলেও না। মা ওর কাছে জ্ঞানসহ সবকিছুর সোর্স। এই সোর্স আবার এক্সটারনাল না, গভীর ইণ্টারনাল এক ষ্টিঙ্কট; বাইরে থেকে দেখা যায় না, মনে হয় দুটো আলাদা প্রাণী।
একারণে, মায়ের কোন জেনুইন দোষ থাকলেও বা করলেও তা বাচ্চার সামনে বলা যাবে না। একই রকম কমবেশী বাবার ক্ষেত্রেও, তবে সম্ভবত মায়ের তুলনায় একটু কম সেনসেটিভ। কতটা সেসেটিভ হবে এটাও আবার মা ঠিক করে দেয়।
চাইল্ড সাইকোলজি মারাত্মক জিনিষ, কোন এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ এখানে নাই। একবার ভুল করলে সারা জীবনের জন্য সে দাগ থেকে যাবে।
বড়দের ভাবনা চিন্তার বিরোধাত্মক দিক থেকে বাচ্চাকে যতদূর সম্ভব দূরে রাখতে হবে। আর বাচ্চার উপর এত অনাস্হা রাখছেন কেন? বরং ওকে চিন্তা করতে দেন, ভাল মন্দ, সঠিক বেঠিকতার বিচার ও ওর মত করে নিক, ভালো থাকুক, ভারসাম্য নিয়ে বড় হোক, আস্হা রাখুন। ওর চিন্তার ফ্যাকাল্টিটাকে নিজের মত বিকশিত বড় হতে দেন, নইলে দুনিয়ার সাথে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মোকাবিলা করে টিকে থাকবে কেমন করে?
এবার বড়দের জন্য এক লাইন বলে শেষ করব।
"ঈশ্বর বলতে কিছু নেই, মানুষের কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি হচ্ছে ঈশ্বর" - আপনার এই ধারণা আপ্তবাক্যের মত। ধরে নিলাম, ঈশ্বর বলতে কিছু নেই। কিন্তু মানুষকে কল্পনাপ্রসূত ভাবে ঈশ্বরকে সৃষ্টি করে নিতে হলো কেন? দরকারটা কী?
ধর্ম কত খারাপ জিনিষ, ওর ভিতরে কত খারাপ খারাপ কথা আছে, ধর্ম কত নির্মমভাবে ব্যবহার হয়েছে ইত্যাদি এসবের ফিরিস্তিতে উত্তর দিলে চলবে না। আমি জানতে চাইব ধর্ম মানুষের দরকার কেন? মানুষের কোন প্রয়োজন মেটায়?
আমি নিশ্চিত এদিকটা আপনার যথেষ্ট জানা বা চিন্তা করা হয় নাই। এসব নিয়ে আগের কোন পোষ্টে কথা তুলব বলেছিলাম, বলা হয়নি এখনও।
এখনকার মতো শিরোনামে বলে যাই - মানুষের আল্লা বা ধর্মকে দরকার হয়েছিল, দরকার হয়ে আছে এবং আগামীতে আরও কয়েকশ বছর থাকবে শেষে অর্থ বদলে যাবে হয়ত কিন্তু তবু থেকে যাবে। অর্থ বদলে যাবে বললাম বটে তবে ওটাই ওর সত্যিকার অর্থ। সেক্ষেত্রে অর্থ বদলাবে না আমরাই হয়ত বদলে যাব।
কাজেই এত দ্রুত সিদ্ধান্তে ঝাঁপায় পরবেন না, পরার কিছু নাইও।
আপনার বাচ্চার শুভ কামনায়।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫২
সন্যাসী বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
২৭|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১
সবাক বলেছেন:
এতো ছোটকালেই তাকে একমূখী শিক্ষা না দিয়ে বরঙ আস্তে আস্তে সবকিছু সম্পর্কে ধারনা দেয়া যেতো।
সে নিজেই তুলনা করে নিতে পারতো। আর আপনিতো সাহায্যকারী হিসেবে ছিলেনই। এভাবে করলে কিন্তু মৌলবাদী (সবদিক দিয়ে) হবার চান্স থাকে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০
সন্যাসী বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি পোস্টেই উল্লেখ করেছি আমার পরিবারই নাস্তিক (বাবাকে বাদ দিলে), সুতরাং নাস্তিকতা সে পরিবার থেকেই শিখেছে যেমন আমরা শিশুবেলা থেকেই মৌলবাদ শিখেছি।
আমি এ শিক্ষাকে মৌলবাদী শিক্ষাই বলবো। আমি তর্কে একটা কথা প্রায়ই বলি-'মানুষ জন্মসূত্রে মৌলবাদী'। শিশুবেলায় যে ধর্মীয় মৌলবাদের ভিত্তি আমাদের মাঝে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয় তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে তারাই যারা সুশিক্ষিত হয়। নইলে সারাজীবন ওখানেই ঘুরপাক খেতে হয়, বেরোনো হয় না।
২৮|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬
শয়তান বলেছেন: ছেলেকে পছন্দ করতে দিন সে তার বিবেক বুদ্ধি মোতাবেক কোন্টাকে গ্রহন করবে ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৫
সন্যাসী বলেছেন: একটা শিশুর পক্ষে বিবেক বুদ্ধি মোতাবেক গ্রহণ করার ব্যাপারটা একটু বেশি চাওয়া হয় না কি? সে পারিবারিকভাবে নাস্তিকতাই/সেক্যুলারিজমই শিখেছে, কিন্তু বাধ্যতামূলকভাবে তাকে ধর্মশিক্ষা নিতে হচ্ছে।
২৯|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৭
শয়তান বলেছেন: ফেসবুকে শেয়ার করলাম লেখাটা ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৮
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩০|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আমারও একজনের সাথে কথা হইছিল! সে আবার গণিত বিদ্বেসী, তার কথা যোগ-বিয়োগ ছাড়া বেশি গণিত শিখলে মগজ বিগড়ানোর সুযোগ থাকে! তার ছেলেও (১/২ হবে হয়ত) মাশাআল্লাহ পুরা বাপের মতই হইছে বইলা শুনাইল! এখন পোলারে নিয়া পড়ছে বিপদে! এরকম আরেকজন আছে ইংরেজী বিদ্বেসী! আর জয়নাল হাজারী টাইপ পাবলিকের পোলাপান নিশ্চয় নীতি শিক্ষা বিরোধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে!
আমারতো মনে হয় সব সাবজেক্টই ঐচ্ছিক করা উচিৎ! কি বলেন?!
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৭
সন্যাসী বলেছেন: ধর্ম মানুষের জন্য এমন কোন প্রয়োজনীয় বিষয় নয়, তাই ওটাকে একেবারে তুলে দিলেও কোন ক্ষতি নেই। শিশুদের প্রয়োজন নৈতিকতা শিক্ষা। এই পাপ করলেন তো ওখানে মাফ হয়ে গেল টাইপ ধর্মশিক্ষা মানুষকে নৈতিকতা শিখাতে পারে না। ধর্ম পরীক্ষিত ব্যর্থ।
নৈতিকতা শিক্ষার জন্য সদুপদেশ, মহামনিষীর জীবনচরিত, এবং সামাজিক শিক্ষণীয় বিষয়াদি সংযোজন করা যেতে পারে।
ধর্ম দর্শনের বিষয়বস্তু হিসেবে উচ্চ ক্লাশের বিষয় হিসেবে পাঠ্য হতে পারে, শিশুতোষ মনে না ঢুকানোই শ্রেয়। ২৭ নং কমেন্টের উত্তরের ২য় অংশটুকু পড়লে ক্লিয়ার হবেন আশা করি।
৩১|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯
শয়তান বলেছেন: দুঃখিত ।
পরিনত বয়সের কথা বলে ভুলে গিয়েছিলাম ।
পরিনত বয়সে ছেলেকে পছন্দ করতে দিন সে তার বিবেক বুদ্ধি মোতাবেক কোন্টাকে গ্রহন করবে ।
৩২|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি ব্যাপারটাকে একটু অন্য দৃষ্টিকোন থেকে দেখি। ধর্ম নৈতিকতা শেখায় আর একজন মানুষের মাঝে যে নৈতিক মানদন্ডটি সারাজীবন ধরে কাজ করে চলে, তার গোড়াপত্তন ঘটে শৈশবেই। শৈশবের নৈতিকতা শিক্ষার মুলনীতির বাইরে খুব কম মানুষই বেরিয়ে আসতে সক্ষম। এ কারনে, শৈশবেই একজনকে ধর্মের নৈতিক শিক্ষাগুলো দিয়ে দেয়া উচিৎ। ঐ শিশুই পরিণত বয়সে এসে ঠিক করবে, সে ধর্ম মেনে চলবে নাকি চলবে না! তবে, এ কথা মানতেই হবে যে, নৈতিকতা শিক্ষার ক্ষেত্রে ধর্মের চেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো মানবসভ্যতা আবিষ্কার করতে পারে নি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫
সন্যাসী বলেছেন: নৈতিকতা শিক্ষার ক্ষেত্রে ধর্মের চেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো মানবসভ্যতা আবিষ্কার করতে পারে নি।
ভুল কথা। ধর্ম নৈতিকতা শিক্ষার পাশাপাশি অনৈতিক কাজ করতেও উৎসাহিত না করলেও পরোক্ষভাবে ইন্ধন দেয়। ধর্মের প্রধান খারাপ দিক পাপমোচনের ব্যবস্থা রাখা। একটি খারাপ কাজের পরে মানুষের মনে অনুশোচনা জন্মাবার ফাকটুকুও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এই পাপমোচন ব্যবস্থা। আর ধর্মের নৈতিকতা শিক্ষার ফলাফল তো আপনার চারদিকে তাকালেই দেখতে পারেন।
৩৩|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০০
আমি এবং আঁধার বলেছেন: Click This Link
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
সন্যাসী বলেছেন: লিংক তো হয়নি ভাই। আরেকবার দিবেন প্লিজ।
৩৪|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: প্রয়োজন শব্দটাই আপেক্ষিক! আর যুগটাই অপশনের! যেমন কলেজে থাকতে কিছু বন্ধুকে দেখেছি সায়েন্সে গণিত না নিয়ে বাইলোজির সাথে পরিসংখ্যান বা কম্পিউটার সায়েন্স নিতে। কিন্তু তাকে ঠিকই মাধ্যমিক পর্যন্ত গণিত নিতে হয়। আবার ইকোনমিক্সের মতো বিষয়ে উচ্চতর পড়াশুনায় উচ্চতর গণিতে ব্যবহার অনেক, কিন্তু এর ছাত্রদের অনেকরই তখন উচ্চতর গণিতের উপর বেস থাকে না।
আমার কথাটা অনেকটাই তায়েফ আহমেদের মতই। একটা শিশু শুরুতেই যুক্তির প্রয়োগ জানে না, লেখাপড়ার সাথেই তাকে যুক্তির প্রয়োগ শিখতে হয়। আর পরিমিত যুক্তির প্রয়োগ শিখতে তাকে পড়াশুনার একটা ভাল ধাপ শেষ করতে হয়। তারপর সেই না হয় ঠিক করবে যে জেনে আসা বিষয় গুলোর কোনটি ঠিক আর কোনটি বেঠিক। আর এগুলো সমসাময়িক জ্ঞানের উপরও নির্ভর করে। কারন আজকে যেটি ঠিক কাল সেটা ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে। ধর্মের মূল বেসটা কিন্তু যুক্তি না, বিশ্বাস। আর এই বিশ্বাসের উপর বেস করেই কিন্তু পরবর্তী ধাপ গুলি তৈরি। তাই ধর্মটাকে অন্যান্য বিষয়ের মত নিলে কোন সমস্যাই দেখি না। এর পাশাপাশি যুক্তিবিদ্যা নিয়ে পড়াশুনা করতে পারে, যেটা কিনা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আছে। পরবর্তীতে হয়ত আপনার যুক্তিতে কোন গ্যাপ থাকলে তা সে ধরেও ফেলতে পারে!
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫২
সন্যাসী বলেছেন: ধর্ম বিশ্বাস নির্ভর-১০০ ভাগ। বিশ্বাস দিয়ে যে বেইস তৈরী হয় সেখানে যুক্তির পথ রুদ্ধ হয়ে যায় না কি? আপনি, আমি বা আরো অনেকে হয়তো বলবেন- যায়। নিজেকে এমনকি আমাকেও এর উদাহরণ হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি না পারে তার জন্য বিশ্বাসকেই দায়ী করব আমি।
আমি জানি আমার ছেলে তা পারবে। সাময়িক অসুবিধাটাকে মানিয়ে নিতে বললে সে ঠিকই মানিয়ে নেবে, বিশেষ করে যদি আমি বলি। কিন্তু বেশিরভাগ সন্তানেরাই তা পারে না। পারলে আপনাকে আমাকে এই সামুতেও এত শিবিরের উৎপাত সহ্য করতে হতো না।
ছোটবেলা থেকেই যেহেতু তাকে (আমার ছেলে) বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করানো হয়েছে সেহেতু সে বিজ্ঞানই সত্য বলে মানে। আপনার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে অক্সফোর্ড ইলাস্ট্রেটেড ডিকশনারীর শেষের দিকে বিবর্তনবাদের যে অর্গানোগ্রামটা দেয়া আছে সেটাকে সে খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন গ্লাসিয়াল পিরিয়ড আর এরা সম্পর্কে তার সম্যক ধারণা জন্মে গেছে। সুতরাং বুঝতেই পারেন তার নাস্তিকতার ভিত্তি কতখানি মজবুত (এত অল্প বয়সেই)! সুতরাং তার কাছে ধর্মের মত বিশ্বাস নির্ভর পড়াশুনাকে ফালতু বলেই মনে হচ্ছে। এখন নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে যে আমি বাস্তবতাকে উপলব্ধি না করেই তাকে এত কিছু শিখিয়েছি।
৩৫|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪১
আমি এবং আঁধার বলেছেন: Click This Link
আপনার কাজে লাগতে পারে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ। ওটা আমি আগেই পড়েছি। বলতে পারেন ঐ আলোচনাটা পড়েই আমার সামুতে অন্তর্ভুক্তি।
৩৬|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৩
টিপূ সুলতান বলেছেন: নাস্তিকের পোস্টে আমি কখনো আসিনা, ভুলে আসায় শুধু মাইনাচ দিয়ে গেলাম।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৬
সন্যাসী বলেছেন: শিরোণাম পড়েই বিদেয় হওয়া উচিত ছিল, ওখানে নাস্তিক শব্দটা ছিল। ব্লগ জীবনের প্রথম মাইনাসটা আপনাকে দিয়েই শুরু করা যাক। কেমন?
৩৭|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: আপনার চিন্তাধারা ভালো লেগেছে। তবে আশা করি আপনার ছেলেকে এই ছোট বয়সেই কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপের মধ্যে ফেলে দেবেন না। আপনিও নিশ্চয়ই নিজে থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন ঈশ্বরের অস্তিত্ব(নাকি শূন্যতা?) বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর। ওকে নিজের মতো বড় হতে দিন, এখনি ভারি ভারি দর্শন মাথায় ঢুকালে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৩৮|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: কিছু মস্তব্য পড়লাম; মাইনাস দিক, সমালোনা করুক, (পর্যালোচনা হলে আরো ভাল) কিন্তু এদের মাখায় এতো গোবর—এতো ফালতু আর মিনিংলেস জায়গা থেকে প্রশ্ন তোলে.... যাক, আমার মনে হয়, এই বয়সের ছেলেকে কিছু না বলাই ভাল, তবে খেয়াল রাখা উচিৎ ; একটু বড় হলেই যাতে ধর্ম ত্যাগ করতে পারে।
কেই কেউ আছে খুবই ভাল, নিজে নাস্তিক, কিন্তু একটা নিরপেক্ষ জায়গা নেয়, এটি একেবারেই কাম্য নয়; ধর্মের ভয়াবহ যে রূপ—রাজনীতিবিদ ও পুঁজিপতীদের ধর্মের ব্যবহারের মাধ্যমে যে শোষণ, এইসব দেখে আমাদের উচিৎ নয় বসে থাকা, অবশ্যই আমাদের কাজ করা উচিৎ। কেউ আবার ধর্মকে অস্বীকার করেও ধর্মের গুনাগান গায়—ধর্ম না থাকলে কত সমস্যা হত, মানূষ অনিশ্চয়তা ও হতাশায় মরে যেত, সমাজ বিপথগামী হতো... এই স্টুপিডরা আসলে না বোঝে ধর্ম, না বোঝে সমাজ/রাষ্ট্র। এটি আমার কাছে চরম বিরক্তিকর।
আমার মনে হয় রাজনীতিবিদ ও পুঁজিপতীরা না থাকলে অনেক আগেই আমরা ধর্মের ডেডবডি দেখতে পেতাম। সমস্যা হলো ওরা কিছু শুনতে ও বুঝতে চায় না, আমাদেরকে প্রতিপক্ষ ভেবে আক্রমন করে। আর কিছু না, শুধুমাত্র ওদের যদি মোহাম্মদের হিস্ট্রি বলা যেত তাহলেই হয়তো ওদের চোথ একটু হলেও খুলতো; আমরা জানি, তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন.... খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ যে সর্ণযুগ নয়, তা আসলে কী.... আমরা কিভাবে মুসলমান হলাম....
ধণ্যবাদ, আমি যথন ধর্মবিষয়ে পোস্ট দেব, আপনাকে বলবো।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৩
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, রাশেদীন ভাই। সেদিন পোস্টটা দেয়ার সাথে সাথে এরা এমনভাবে প্যাচানো শুরু করেছিল যে খুব মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তবুও কাউকে পার্সোনাল এ্যাটাক করিনি। কারণ নাস্তিকের পদস্খলন হলেই দোষ। আর ওরা যে মাথায় টুপি কিংবা হাতে মালার থলি নিয়ে কুকর্ম করে তাতে দোষ হয় না। আমার বিশ্বাস নাস্তিকরা তাদের নাস্তিকতার জন্যই খারাপ হতে পারে না। নাস্তিক হতে হলে জানতে হয়। সুশিক্ষাই মানুষকে নাস্তিক করে এবং অশিক্ষা-কুশিক্ষা মানুষকে বিশ্বাসী করে।
৩৯|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০২
ধ্রুব তারা বলেছেন: ব্যাখ্যাগুলো চমৎকার। স্কুলগুলো এমন একটা ভাব দেখায় যে খুন করার চাইতে ধর্মে অবিশ্বাস বড় অপরাধ। আমার এক শিক্ষক (!!) বলেছিলেন অপরাধীর ক্ষমা হতে পারে, কিন্তু নাস্তিকের নয় কারন নাস্তিকের কোন বেইস নেই। আমার স্কুলে সকল মুসলমান ছাত্রের দুপুরের নামাজ পড়া ছিল বাধ্যতামূলক। নামাজে না গেলে ছিল বেঁতের বাড়ি। স্কুল জগদ্দল পাথরের মত ধর্মটা চাঁপিয়ে দিত।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৬
সন্যাসী বলেছেন: ঠিক বলেছেন। স্কুল জগদ্দল পাথরের মত ধর্ম চাঁপিয়ে দেয়। আমাদের দেশের (গ্রামের) স্কুলগুলোর শিক্ষকদের শিক্ষার যে দৌরাত্ম তাতে তাদের কাছ থেকে এর বেশি কী আর আশা করা যায়? স্কুল আর মাদ্রাসায় বিশেষ কোন পার্থক্য থাকে না।
৪০|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
ধ্রুব তারা বলেছেন: মজার ব্যাপার হল আমার স্কুল গ্রামের কোন স্কুল নয় বরং ঢাকা শহরের শ্রেষ্ঠ স্কুলগুলোর মাঝে ধরা হয়। প্রতিবছর ভিএনএস ছাড়া আমাদের কোন প্রতিপক্ষ থাকে না ফলাফলে। তারপরও এ অবস্থা! আমি কোন স্কুলের কথা বলছি অনুমান হয়তো খুব সহযেই করতে পারছেন।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: সত্যিই সব স্কুলের একই অবস্থা।
৪১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১১
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: মেইল পাই নি। আচ্ছা, ভাই, দয়া করে ই-মেইল এ্যাড্রেসটা মুছে দিয়েন। ধন্যবাদ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০১
সন্যাসী বলেছেন: আপনি স্পাম চেক করে দেখেন। মেইলটা ওখানে থাকতে পারে।
৪২|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৪
হোরাস্ বলেছেন: টেনশনের কিছু নাই। বড় হলে সে নিজেই সব বুঝতে পারবে। আমি বা আপনি যেভাবে বুঝেছি। শুধু ছেলেকে প্রশ্ন করতে শিখান। যেকোন কিছু বা সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন করতে হবে। উত্তর সে নিজেই বের করে নেবে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০২
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ হোরাস ভাই।
৪৩|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: একই সমস্যায় আছি। আমি তো নার্সারী থেকেই আল্লাবিল্লা, জ্বীন, ফেরেস্তার মতো সম্পূর্ণ অপ্রমানযোগ্য বিষয়গুলো তাদের মগজে ঠেসে দেয়া হচ্ছে। আবার বলছে ধর্মে জবরদস্তি নেই! জবরদস্তি না থাকলে, ঠিকাছে, বাচ্চাকে তার বিচারবুদ্ধির উপর ছেড়ে দাও তো দেখি। বল দেখি এই এই ধর্ম পৃথিবীতে আছে। সবার কথা সমান সময় নিয়ে বলো এবং তাকে বলতো দেখি তোমার ভাল লাগলে যে কোন একটাকে বেছে নাও, আর ভাল না লাগলে দরকার নেই। পারবে এভাবে বলতে আমার সন্তানকে? পারলে বুঝতাম তোমরা আসলেই সত্যবাদী, আসলেই ধর্মে কোন জবরদস্তি নেই?
গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের জন্য লেখকের কাছে কৃতজ্ঞতা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
সন্যাসী বলেছেন: প্রিয় সত্যান্বেষী ভাই, আমাদের কিছু একটা করা দরকার। অত্যন্ত একটা দাবীতো তুলতে পারি। পত্রিকার সাথে যারা সংযুক্ত তারা এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। আমি নিজে জানি না এর মুক্তি কীভাবে। আমি নতুন ব্লগার। তবে আমার মতাদর্শী অনেকের পূরানো লেখা আমি পড়েছি। সকলে মিলে কিছু একটা করা সম্ভব বলে মনে করি আমি। তবে তার জন্য সকলের একত্র হওয়া প্রয়োজন। আপনারা একটা কিছু করার চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ।
৪৪|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪২
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: সেট আপ দেয়ার আগে ফরম্যাট দেয়া জরুরী। আপনি নিজে ফরম্যাটেড, এখন ছেলেকে ফরম্যাট করছেন। আজীবন ফরম্যাটেড থাকতে পারলে ভাল (অন্ততঃ আপনি যেভাবে চাইছেন), আর যদি আস্তিক হয় তাহলে সে হবে অনেক বড় মাপের আস্তিক। আপনার কয়েক পুরুষ আস্তিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
অবশ্য, আপনারা হিন্দু/বৌদ্ধ/খৃষ্টান থেকে ফরম্যাট হলে আস্তিক হওয়া একটু টাফ। ইগো সমস্যার কারণে মুসলমান হতে পারবেন না, আবার মিথ্যা ধর্মে ফিরেও যেতে পারবেন না। কারণ জ্ঞান-বুদ্ধি হয়েছে বলেই মিথ্যা থেকে বের হয়ে নাস্তিক হতে পেরেছেন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৩
সন্যাসী বলেছেন: আর যদি আস্তিক হয় তাহলে সে হবে অনেক বড় মাপের আস্তিক। আপনার কয়েক পুরুষ আস্তিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
নাস্তিকেরা ভবিষ্যৎবাণী বিশ্বাস করে না।
অবশ্য, আপনারা হিন্দু/বৌদ্ধ/খৃষ্টান থেকে ফরম্যাট হলে আস্তিক হওয়া একটু টাফ। ইগো সমস্যার কারণে মুসলমান হতে পারবেন না, আবার মিথ্যা ধর্মে ফিরেও যেতে পারবেন না। কারণ জ্ঞান-বুদ্ধি হয়েছে বলেই মিথ্যা থেকে বের হয়ে নাস্তিক হতে পেরেছেন।
মিথ্যা যদি বলবেন তবে সব ধর্মকেই বলেন। ইসলামকে সত্য বলার মত কোন যুক্তিযুক্ত কারণ ঘটেনি। আপনার ঢোল সবাইই বাজায়।
ইসলাম ভিন্ন অন্য ধর্ম থেকে নাস্তিক হওয়ার পরিমান একটু বেশী কারণ তারা সহিষ্ণু। যার অভাবই ইসলামকে আজ বিশ্বজুড়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।
৪৫|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: এইটা কিভাবে বলেন যে অন্য ধর্মের মনুষ ইসলাম অপেক্ষা বেশী সহিষ্ণু ??
চোখের সামনে ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তান, বসনিয়া, চেচনিয়া থাকতেও?? এত সাম্প্রতিককালের ঘটনা অস্বীকার করবেন কিভাবে ?? রাশিয়াতে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার কালে কয়েক কোটি মুসলমান হত্যার কথা নাহয় ভুলেই গেলেন। কমিউনিস্টরা তো আপনার মত নাস্তিকই ছিল। তারাও রেহাই দেয়নি মুসলমানদের।
রবার্ট ফিস্ক বা জর্জ গ্যালওয়েল এর বক্তব্যগুলো পড়ে দেখেন সময় পেলে। দেখবেন শুধুমাত্র মুসলমান হবার কারনে গত ৫০-৬০ বছরে কত মানুষ অমানবিকভাবে মারা হয়েছে আর বাকি দুনিয়ার মুসলমানেরা চেয়ে চেয়ে দেখেছে। ১০০ কোটি মুসলমান সহিষ্ণু না হলে তো দুনিয়াটাই ধংস হয়ে যেতো এতদিনে। নাস্তিক হন ভালো কথা কিন্তু সত্যকে অস্বিকার করবেন কেনো ??
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৬
সন্যাসী বলেছেন: ব্যক্তি বা রাষ্ট্রীয় সহিষ্ণুতা, দুটোর ক্ষেত্রেই বোধ হয় আমার মন্তব্য মিথ্যা নয়। তসলিমা, সালমান রুশদি, হুমায়ুন আজাদ এর বাস্তব উদাহরণ। আপনার উদাহরণগুলো অবশ্যই সত্য। যেহেতু অ্যাবসলুট সহিষ্ণুতা কোন ধর্মেই নেই, তুলনামূলক বিচার করাই যথার্থ হবে।
সুনিল গঙ্গোপাধ্যায় যখন বলেন- ছোটবেলায় স্বরসতী প্রতিমার মাঝে তিনি এক সেক্সী নারীকে খুঁজে পেতেন যাকে দেখলে তার কাম জাগ্রত হয়, তখন সারা ইণ্ডিয়া জুড়ে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয় না। এরকম কোন মন্তব্য ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে করলে কী হত ভাবাই যায় না।
ফিলিস্তিন-ইরাক-আফগানিস্তান-বসনিয়া-চেচনিয়া সবগুলোই রাজনৈতিক ইস্যু, ধর্মকে এর সাথে মিশানো হয়েছে অথবা ধর্মের জন্যই এসব রাজনৈতিক ইস্যু তৈরী হয়েছে। আর এজন্যই আমি ধর্মকে সহ্য করতে পারি না। ধর্ম এ পর্যন্ত যা দিয়েছে কেড়ে নিয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি। একটা মানুষের জীবনের মূল্যই কোন কিছু দিয়ে ক্ষতিপূরণ হবার নয়। সৃষ্টির পর থেকে ধর্ম কেড়ে লক্ষ কোটি মানুষের প্রাণ।
৪৬|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন: আহারে বেচারা !!! আপনি তার মাঝে অস্বাভাবিকত্ব সৃষ্টি করেছেন।তাকে উচিত ছিলো প্রথমে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত করা তারবড় বড় হলে সে নিজ থেকেই বা আপনি আপনার বিশ্বাস তার মধ্যে ঢুকানোর চেষ্টা করতে পারতেন। এখন কি হলো : সবাই বিশ্বাস করে এক রকম কিন্তু সে আলাদা, ফলে সহপাঠীরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে এমনকি চিচাররাও।ভার্সিটি লেভেলে এসে একজন নাস্তিককে মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আমার হয়েছিলো। প্রাইমারী বা স্কুল লেভেলে নাস্তিকতা কেউ চিন্তাও করতে পারে না। ফলে তার উপর পারিপাশ্বিকতা থেকে একটা মেন্টাল প্রেসার আসবে, এবং সে স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে নাও উঠতে পারে। বাবা হিসেবে এটা চিন্তা করার দায়িত্ব ছিলো আপনার।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৫
সন্যাসী বলেছেন: স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তার কোন সমস্যা হবে না। আপনি কোনটাকে স্বাভাবিক বলেছন? একটা তৃতীয় শ্রেণীর বাচ্চার ধর্ম শিক্ষাকে? ধর্ম শিক্ষা হলে সে শুধুই ধর্মশিক্ষা হওয়া উচিত, ইসলাম-হিন্দু-বৌদ্ধ এরকম আলাদা নয়।
৪৭|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৪
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ মিথ্যা যদি বলবেন তবে সব ধর্মকেই বলেন। ইসলামকে সত্য বলার মত কোন যুক্তিযুক্ত কারণ ঘটেনি। আপনার ঢোল সবাইই বাজায়।
ইসলাম ভিন্ন অন্য ধর্ম থেকে নাস্তিক হওয়ার পরিমান একটু বেশী কারণ তারা সহিষ্ণু। যার অভাবই ইসলামকে আজ বিশ্বজুড়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।
এতে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আপনি নাস্তিক নন, বরং ইসলাম বিরোধী। আগে পুরোপুরি নাস্তিক হোন তারপরে কথা বলা যাবে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৬
সন্যাসী বলেছেন: মন্তব্য করার আগে ভেবে চিন্তে করবেন। অথবা আমার ব্লগ হতে একশ হাত দূরে থাকবেন। আরেকজনকে ক্ষেপিয়ে দেয়ার মানসিকতা বর্জন করুন। আপনার চিন্তাধারার বহু ব্লগার আছে, তাদের ব্লগে কমেন্ট করুন।
৪৮|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৩
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: আপনার সন্তানের দুর্ভাগ্য যে সে একজন ইসলাম বিদ্বেষী অন্ধকারময় ঘরে জন্মগ্রহণ করলো। কুসংস্কার তার ঘর থেকেই শিখে নিচ্ছে। আলোর দেখা সে কখনো পাবে কিনা জানি না। তবে দোয়া করি সে আপনার ঘর থেকে বের হবার পর আলোর সন্ধান পাক। আপনার সন্তানের জন্য প্রাণ ভরে দোয়া রইল।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪০
সন্যাসী বলেছেন: ফাউল কমেন্ট। ৪৭ নং কমেন্টের উত্তর ফলো করুন।
৪৯|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমি স্কুলে ধর্মশিক্ষা তুলে দেয়ার পক্ষপাতী, নাহলে সত্যান্বেষী যেরকম বলেছে সেরকম 'তুলানমূলক ধর্মতত্ত্ব' টাইপের কিছু পড়ানো যেতে পারে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০
সন্যাসী বলেছেন: তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। তবে তা নবম-দশম শ্রেণীর আগে পড়ানো উচিত নয়। প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্ম শিক্ষা মানবিকতার বিকাশ রুদ্ধ করে।
৫০|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: আপনাকে ক্ষ্যাপানোর ইচ্ছা আমার ছিল না। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দূঃখিত। আমি ২০০ হাত দূরে চলে গেলাম। ভাল থাকেন।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২
সন্যাসী বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন।
৫১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: তসলিমা = ইসলামবিরোধী কথা বলায় দেশছাড়া
সালমান রুশদি = ইসলামবিরোধী লেখায় মুত্যুপরোয়ানা জারি কিন্তু বহাল তবিয়তে বসবাস করছে
হুমায়ুন আজাদ = ইসলামবিরোধী লেখার কারনে মুরতাদ ঘোষনা, অজানা কারনে আক্রান্ত, গুরুতর আহত, পরবর্তীতে অজানা কারনে মুত্যুবরন
এই হলো কয়েক কোটি মুসলমানের মৃত্যু এবং আরও কয়েক কোটি মুসলমানের বাস্তুহারা হয়ে অমানবীক জীবনযাত্রার বিপরীতে আপনার উদাহরন।
জনাব আপনার মাথা ঠিকঠাকমতো কাজ করছে তো ????
সুনিল গঙ্গোপাধ্যায় যা বলেছে কবির চৌধুরী বা আহমদ শরীফ, শামসুর রাহমান তো তার চেয়ে কম কিছু বলেনি। তারপরও তাদের কেও কেও এখনো বীরদর্পে বাংলাদেশ কাপিয়ে বেড়াচ্ছে আবার কেও কেও স্বাভাবিকভাবেই পরপারে পাড়ি দিয়েছে। কাজেই কি বললে কি হত আপনার আর কষ্ট করের ভাবার দরকার নেই। উদাহরন হাতের কাছেই আছে।
কাজেই আপনি ধর্ম না মানলেও সব ধর্মের মধ্যে ইসলামকে বেশী খারাপ প্রতীয়মান করার চেষ্টা আশা করি আর করবেন না।
এবার আসুন যারা আপনার মতো ধর্মকে সহ্য করতে পারেনা তাদের কথায় যেটা আপনি সযত্নে এড়িয়ে গেলেন। রাশিয়াতে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠাকালে যে কয়েক কোটি মুসলমান হত্যা করা হয়েছিল সেটার জন্য কি ধর্ম দায়ী নাকি আপনাদের নাস্তিক্যবাদ ????
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
সন্যাসী বলেছেন: সত্যান্বেষী ভাই নিচের কমেন্টে আপনার উত্তর কিছুটা দিয়েছে। আমি গতকাল একটা বড় জবাব লিখেছিলাম, প্রকাশ করতে গিয়ে নেট সমস্যায় হারিয়ে গেছে। আবার লিখতে ইচ্ছে করছে না কারণ আপনি বুঝতে চান না তাই বোঝানো সম্ভব নয়। আমি যেখানে সব ধর্মকে নিয়ে লিখছি সেখানে আপনারা কেবল ইসলাম টানছেন। ইসলাম ধর্মের কথা উল্লেখ করেছিলাম কেবল হুমায়ুন কবির হাকিমের কমেন্টের জবাবে। আপনি কেবলই ইসলাম ধরে টানছেন। আপনি মানুষ প্রজাতির মুসলমান, মুসলমান প্রজাতির মানুষ নয়। তেমনি আর একজন মানুষ প্রজাতির হিন্দু, হিন্দু প্রজাতির মানুষ নয়। কিন্তু আপনাদের মন্তব্য দেখে মনে হয় আপনারা মানুষ হওয়ার আগেই মুসলমান হয়ে গেছেন, মানুষ হওয়াটা আর হয়নি। সম্ভবও হয় না। প্রাণীবিজ্ঞানের শ্রেণীবিভাজনের সর্বশেষ হল প্রজাতি। প্রজাতিগুলোর দেহবৈশিষ্ট্য, আচার-আচরণ, ধর্ম মোটামুটি একই রকম হয়। মানুষের ক্ষেত্রেও তাই। মোটেও ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু আপনারা আরেকটি কৃত্রিম বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছেন আরেকটি কৃত্রিম ধর্মকে ধারণ করে।
আপনার শেষ প্রশ্নর উত্তর ৪৫ নং কমেন্টের উত্তরে দিয়েছি।
৫২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
সত্যান্বেষী বলেছেন: @পৃথিবী আমারে চাই না: আপনার সীমাহীন অজ্ঞতা আপনার উপর করুনারই জন্ম দেয় কেবল। আহমদ শরীফ, শামসুর রাহমান - তাদের কথাবার্তার জন্য কোনই ভোগান্তি সহ্য করেননি? কবির চৌধুরী এবিষয়ে কি বলেছেন আর তার প্রতিক্রিয়ায় কি হয়েছিল আমি জানি না। কিন্তু সত্যভাষের জন্য আহমদ শরীফের বাসা সামনে বোমা ফেলা হয়েছিল। মুরতাদ বলে পোস্টার সাটানো হয়েছিল দেয়ালে দেয়ালে। শামসুর রাহমানকে গলা কেটে জবাই করতে গিয়েছিল হরকাতুল জিহাদ। আর হ্যা, ডেনমার্কের ঘটনাগুলোর কথাও একবার ভাববেন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৩
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ,সত্যান্বেষী ভাই। আপনার আগের কমেন্টটার উত্তরটা একটু দেখবেন কি?
৫৩|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৮
সত্যান্বেষী বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,সত্যান্বেষী ভাই। আপনার আগের কমেন্টটার উত্তরটা একটু দেখবেন কি
আমি আসলে এ বিষয়ে একটি আলাদা পোস্ট দেয়ার কথা ভাবছি।
১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
সন্যাসী বলেছেন: আপনার পোস্টটি একটু তাড়াতাড়ি পেলে ভাল হতো। এখনো তো এল না।
৫৪|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: প্রচলিত শিক্ষাব্যাবস্থা মুক্তমনা হ্নদয়বান মানুষ তৈরি করতে পারে না, কিছু পার্ভার্টই তৈরি করবে, এই ব্লগটিই তার প্রমান।
ঝাজা।
৫৫|
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩
-ছন্নছাড়া- বলেছেন: ধর্ম শিক্ষা ঐচ্ছিক হওয়া বাঞ্চনীয়। কিন্তু কে করবে! সরকারের ইচ্ছা থাকলেও পারবো না কারণ পাবলিক ভোট না দিলে ক্ষমতায় আইবো ক্যামনে!
অপ্রয়োজনীয়, জংগী তৈরির কারিগর মাদ্রাসা শিক্ষাই এখন পর্যন্ত সরকার বন্ধ করতে পারলো না! আর এটা তো থাকলো বহু দূর। একটা বিষয়ে পরামর্শ চাইছেন তাতেই পাবলিক যেমন চিল্লাফাল্লা শুরু করছে, ঐটা বন্ধ করলে কি হইবো কল্পনা করতে পারেন?
সবচেয়ে ভাল হয়, আপনার সন্তান ধর্ম বিষয়টা পরুক পাশ করার জন্যে, শেখার জন্যে না।
প্রতিনিয়তই তো আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনেক কিছু বাধ্য হয়ে করতে হয়, এই বিষয়টাও সেভাবে দ্যাখেন।
১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫৭
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ ছন্নছাড়া ভাই, তবুও ভাল লাগছে যে আমার মতাদর্শী অনেককে সাথে পাচ্ছি। পৃথিবীর সকল মানুষ কবে যে আপনার মত ভাবতে পারবে তার প্রত্যাশায়...........।
৫৬|
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৩
স্পাইডার বলেছেন: কালের কুতুব বলেছেন: আশা করি আপনি আপনার ছেলেকে এইসব বালছাল থেকে দূরে রাখতে পারবেন।মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন, ধার্মিকদের মত সামাজিক প্রতিবন্ধি হিসেবে নয়।
কমেন্ট অব দ্যা ইয়ার, তবে পাগলডা যে কেডা?????????
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬
সন্যাসী বলেছেন: পাগল খুঁজছেন? আগে নিজের দিকে তাকান তারপর আমার দিকে তাকান, এবং পরে আশেপাশে তাকান। কি একজনও পেলেন পাগল ছাড়া?
৫৭|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৪০
সিংহ বলেছেন: Religion should be in course curriculum. Comparative religion should be introduced from class 9. It should work like this, out of 100 marks, 20 marks for four major religion and 20 for rest. We cannot deny the usefulness of religious knowledge in modern world.
But I disagree with your view about indoctrinating child in very early age to Islam, Atheism or any other ideology. The arguments that you used for growing your child as an atheist is the same argument that have been used by Theists to grow their child as a muslim child, a Hindu child or a Christian child creating an early division in their society. In fact I fully agree with Richar Dawkins in this respect that We must familiarize our children with critical thinking and let them decide when they'll grow old. So I would advise to educate your children with different concepts, introduce them with Critical thinking and logical reasoning but don't pick the correct choice on behalf of them or don't tell them which one is true or correct. If they are properly educated I believe they will be able to pick the correct one by themselves when they'll reach adulthood.
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: ধর্মকে কোর্স কারিকুলামে রাখার অপক্ষপাতী আমি নই। তবে তা হওয়া উচিৎ এমন একটা বয়সে যখন একটা শিশু তুলনামূলক বিচার করতে শিখবে তখন। তুলনামূলক ধর্মশিক্ষায় আপনার নম্বর বন্টন আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে না। নম্বরবন্টন হতে পারে এরকম- ধর্মশিক্ষা-৫০ এবং ধর্মনিরেপক্ষতাশিক্ষা-৫০। ধর্মশিক্ষা হবে অলৌকিকতা বিবর্জিত। সকল ধর্মের শুধু সাধারণ ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদিই এখানে স্থান পাবে।
৫৮|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:০৭
সিংহ বলেছেন: "ইসলাম ভিন্ন অন্য ধর্ম থেকে নাস্তিক হওয়ার পরিমান একটু বেশী কারণ তারা সহিষ্ণু। যার অভাবই ইসলামকে আজ বিশ্বজুড়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।"
It's a true statement for current world, I agree. I would like to add something with it.
It was always not like that. Other major religions were equally aggresive and violent against their opposers. It is only since last century that religious bigots (Except Islam) have soften up, not because they have gradually corrected their position but because they are forced to do so by scientifical advancement and Improved philosophical standpoints. In other words they were forced to be more lenient and they should not be credited with softening their view towards secularists. Even now a days religious people in western world are trying to fight back by creating pseudosciences like creationism, ID just to cope up with scientical discoveries.
So in essence the basic behavior of all religions are symmetrical and Islam, Hinduism or any other religion cannot be singled out from that .
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
সন্যাসী বলেছেন: "ইসলাম ভিন্ন অন্য ধর্ম থেকে নাস্তিক হওয়ার পরিমান একটু বেশী কারণ তারা সহিষ্ণু। যার অভাবই ইসলামকে আজ বিশ্বজুড়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।"
It's a true statement for current world, I agree. I would like to add something with it.
সহমত। আপনার যৌক্তিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৫৯|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪৪
সাহোশি৬ বলেছেন: @স্বপ্নীলবেষ্ট: আপনার ১৬ নম্বর কমেন্ট অত্যন্ত হাস্যকর। ক্লাস থ্রী-ফোরের বাচ্চাদের জন্য এ ধরনের যুক্তি মানায়। আপনি কি মনে করেন সামুর ব্লগাররা সবাই ক্লাস থ্রী-ফোরের বাচ্চা?
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৪
সন্যাসী বলেছেন: আমার কাছে সপ্নীলবেষ্টের ১৬ নম্বর কমেন্টটা মাহফিলের ওয়াজের মতই লেগেছে। ওনাদের যুক্তির দৌড় ওই পর্যন্তই।
৬০|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৬
সাহোশি৬ বলেছেন: এই পোস্টে দেখলাম অনেকেই মন্তব্য করেছেন লেখক তার শিশুকে নাস্তিক বানিয়ে মহা অন্যায় করে ফেলছেন। একজন আস্তিক পিতা যদি তার শিশুকে আস্তিক বানানোর ক্ষমতা রাখেন তাহলে একজন নাস্তিক পিতা কেন তার শিশুকে নাস্তিক বানাতে পারবেন না?
আমি শুধু এটুকুই আশা করি সৃষ্টিকর্তা যদি থেকেই থাকে তাহলে সে যেন তার আস্তিক বান্দাদের মানবিক গুনাবলী প্রদান করে। আস্তিকদের ধর্মীয়গুনাবলী প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশী আছে, অথচ মানবিকগুনাবলীর তাদের বড়ই অভাব।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪০
সন্যাসী বলেছেন: আস্তিকদের ধর্মীয়গুনাবলী প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশী আছে, অথচ মানবিকগুনাবলীর তাদের বড়ই অভাব।
বড়ই সত্য কথা। মানবিক গুণাবলী থাকলে ঈশ্বরের প্রয়োজনীয়তা থাকতো না। মানবিক গুণাবলীর অভাবই ওদের ঈশ্বরের দ্বারস্থ করে।
৬১|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: এখানে 'আস্তিক' দের মুখের বুলি শুনে বোঝা যায় আস্তিকতা আসলে তাদের কি কি 'শিক্ষা' দিয়ে 'শিক্ষিত' করে তোলে...
চমৎকার..
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৪
সন্যাসী বলেছেন: শিক্ষা বলতে আস্তিকরা যা বুঝে তা অজ্ঞতার শামিল।
ভয়ে আছি। এ পোস্টটাও আবার আস্তিকদের কোপানলে পড়ে যায়।
৬২|
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৩
তাশমিয়া বলেছেন: চিন্তা করবেন না।
স্কুলে ক্লাস নাইন পর্যন্ত ধর্ম বই পড়ে সব বিশ্বাস করতাম।
তারপর অন্যান্য বইপত্র পড়ে নিজের ভুল বুঝতে পারি।
ছেলেকে সব ধরণের বই পড়তে উৎসাহ দিন।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: আমার বিশ্বাসটা নাইনের আগেই নড়ে গিয়েছিল।
বুঝতে পারলাম না হঠাৎ করে এ পোস্টটায় কমেন্ট পড়তে শুরু হল কেন? কেউ কি লিংক দিয়েছে নাকি।
৬৩|
০৬ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:৪০
কঠিনলজিক বলেছেন: সহজ চিন্তা করেন ২০০,০০০ সন্তানের আস্তিক পিতা মাতার কস্টের চেয়ে ১ জন নাস্তিক পিতার কস্টের গুরুত্ব বেশী মনে হল কেন আপনার ?
ধার্মিকের কাছে ধর্ম তো দর্শন না,পড়ালে আপনার যেমন সমস্যা না পড়ালে আস্তিক বাবা দের তার চেয়ে অনেক বেশী সমস্যা ।
২০০,০০০ VS ১ এই বাস্তবতা অস্বীকার করার ধৃস্টতা থাকা অনুচিৎ।
০৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪
সন্যাসী বলেছেন: আস্তিকদের আবার লজিক! চোখ বুজে বিশ্বাস করাই যাদের লজিক তাদের সকল প্রকার লজিকই আমার কাছে হাস্যস্পদ।
ধার্মিকের কাছে ধর্ম দর্শন না........তাহলে কী? অন্ধ বিশ্বাসের বস্তু? ধর্ম না পড়ালে আস্তিক বাবা-মাদের কী সমস্যা জানিয়ে গেলে খুশি হতাম। পড়ালেই বরং সমস্যা না পড়ালে কোন সমস্যা নেই। আমি বলছি না যে স্কুলে নাস্তিকতার পাঠ অন্তর্ভূক্ত করা হোক। ধর্মের মত অপ্রয়োজনীয় বস্তু বাচ্চাদের মস্তিস্কে প্রবেশ করানোর চেয়ে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি প্রবেশ করানো আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হত।
৬৪|
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২১
কঠিনলজিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আস্তিকদের আবার লজিক! চোখ বুজে বিশ্বাস করাই যাদের লজিক তাদের সকল প্রকার লজিকই আমার কাছে হাস্যস্পদ।
চোখ বুঁজে বিশ্বাষ থেকেই তো এই পোস্ট নাকি?
এই পোস্টের অবতারনা তো আপনার ছেলে কে নিয়েই । এই ছেলে যে আপনারই ছেলে তা কি আপনি চোখ বুঁজে বিশ্বাস করেন নাই ? নাকি ডিএনএ টেস্টের পর থেকেই বিশ্বাস করেন ?
আপনি ডিএনএ টেস্ট করার পর থেকে নিজের ছেলে কে ছেলে হিসাবে হয়ত গ্রহন করে থাকবেন কিন্তু আপনার ছেলে কিন্তু আপনাকে চোঁখ বুজেই পিতা স্বিকার করে বসে আছে, এখনো তার ডিএনএ টেস্ট বোঝার বয়স হয়নি । আপনি নিজের ঘর থেকে শুরু করতে পারেন ছেলে কে বোঝান সবাই বলে এবং তার মন বলে তাই আপনাকে তার পিতা মেনে নেওয়া উচিৎ হবে না, তাকে প্রশ্ন করতে শিখান তাকে বলেন ডিএনএ বোঝার এবং রিপোর্ট পাওয়ার আগে চোঁখ বুঝে কাউকে পিতা মেনে নেওয়া কত বড় বোকামী ও ঝুঁকির কাজ ।
ধর্ম না পড়ালে আস্তিক বাবা-মাদের কী সমস্যা জানিয়ে গেলে খুশি হতাম।
একজন আস্তিক তার সন্তান কে আস্তিকই বানাতে চায়, যেমন আপনি নাস্তিক বানাতে চান ।
আপনার নাস্তিক বানানোতে বাঁধা পরলে আপনের যেই অসুবিধা আস্তিক পিতা মাতার ও তাদের সন্তান আস্তিক না হলে সেই রকমই অসুবিধা ।
পড়ালে কি অসুবিধা তা আপনি বিস্তারিত বলুন, আপনার চোখের ঐ অসুবিধার বিপরিত গুলোই আস্তিক দের অসুবিধা ।
আমার একটা পোস্টের একটা অংশের দিকে আপনার দৃস্টি আকর্ষন করছি ।
"দৃশ্য বা দৃশ্যের প্রমান দৃশ্য বলে গন্য হয়।
যেমন কেও যদি সকাল ১১ টায় বা দুপুর তিন টায় বলে দেখ তো রোদ উঠছে নাকি? অন্ধও জানে সকাল ৭ টায় সুর্য উঠবেই যতই মেঘ বা কুয়াশা থাকুক।
প্রশ্নের মর্মার্থ হল দেখ সুর্য দেখা যায় নাকি? যাকে প্রশ্ন করা হল সে চাইলে আকাশের দিকে তাকিয়ে সুর্য দেখে উত্তর দিতে পারে বা খালি রোদ ( সুর্যের প্রমান) দেখেও বলতে পারে।
এখানে রোদ, সুর্যের প্রমান দ্বারা সুর্য দৃশ্য গন্য হবে ।
এখন প্রশ্ন হলো দৃশ্য বস্তু কে কি বিশ্বাস করার অবকাশ আছে?
বিশ্বাস শুধু সে খানেই প্রযোজ্য যার অস্তিত্ব বা প্রমান অদৃশ্য।
যাকে বলে ঈমান বিল গায়েব।
একই সাথে একই সময়ে একই বস্তু দৃশ্য এবং বিশ্বাস্য্ হতে পারে না। "
একই সাথে একই সময়ে একই বস্তু দৃশ্য এবং বিশ্বাস্য্ হতে পারে ?
(উত্তর হ্যাঁ হলে সকল নাস্তিক আসলে আস্তিক, খালি বোঝার ভুল )
একই সাথে একই সময়ে একই বস্তু দৃশ্য এবং বিশ্বাস্য্ হতে পারে ?
(উত্তর না হলে আস্তিক হওয়া ছাড়া উপায় নাই )
মূল পোস্ট টা এখানে ।
Click This Link
৬৫|
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩০
কঠিনলজিক বলেছেন: পুনশ্চঃ আপনার বাচ্চা এবং পিতা পুত্রের সম্পর্কে কিছু অনুচিৎ কথা লিখেছি এটা দয়া করে ব্যাক্তিগত ভাবে নিবেন না ।
নেহায়েত তর্ক এবং বিষয় বস্তুর খাতিরে বলা, এভাবে দেখবেন বলে আশা করি ।
আপনার সন্তানের সুসাস্হ ও সুন্দর ভবিস্যত কামনা করি ।
৬৬|
১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:০৫
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: @কঠিনলজিক
সহজ চিন্তা করেন ২০০,০০০ সন্তানের আস্তিক পিতা মাতার কস্টের চেয়ে ১ জন নাস্তিক পিতার কস্টের গুরুত্ব বেশী মনে হল কেন আপনার ?
একসময় সারা পৃথিবীতে ১ জন বলেছিলেন পৃথিবীটা সূর্যের চারপাশে ঘোরে। (১ বনাম সারা দুনিয়া) । এরপর ১০০ বছরে হয়তো ১০০ জন এটা মেনে নিয়েছিলেন, (১০০ বনাম সারা দুনিয়া)। বাইবেল সংশোধন করে ১৯৯৮ সালে মেনে নেওয়া হয়েছে যে এটা সত্যি। এই সারা দুনিয়ার মানুষের কষ্টের কথা না ভেবে যিনি এই সত্যি কথাটা লিখে বের করেছিলেন তিনি তো তাহলে অমানুষ ছিলেন বলতে হয়।
হজরত মহম্মদ কে তাহলে যারা মক্কা থেকে বের করে দিয়েছিল তারা তাহলে ঠিকই করেছিল বলতে হয়। সে সময় মহম্মদের কথা বিশ্বাস করত যতজন, বিরোধীদের সংখ্যা ছিল তুলনায় অনেক বেশি। তারা নাস্তিক তো ছিল না, মহম্মদের কথায় (প্রচারে) তারা কষ্ট পেত নিশ্চয়। এত লোকের কষ্টের কথা না ভেবে ইসলাম ধর্ম প্রচার করে মহম্মদ কত বড় অন্যায় করেছিলেন ভাবুন তো? আজো দুনিয়ায় মহম্মদ-পন্থীদের তুলনায় অন্য ধর্মের মানুষের সংখ্যা বেশি। তাদের কষ্টের কথা ভেবে সব মুসলমানের তাহলে জাত বদলে ফেলতে হয়।
(দুটো উদাহরণ দিলাম একটা বিজ্ঞান একটা ধর্ম থেকে। নিশ্চয় বুঝেছেন যে একগাদা লোকে যা বলে বা ভাবে সেটাই শেষ কথা নয়। একজন মানুষের চিন্তাও অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এটা প্রমাণিত সত্য। ধর্ম তো যুক্তি-প্রমাণের ধার দিয়ে যায় না।)
*************************************
চোখ বুঁজে বিশ্বাষ থেকেই তো এই পোস্ট নাকি?
এই পোস্টের অবতারনা তো আপনার ছেলে কে নিয়েই । এই ছেলে যে আপনারই ছেলে তা কি আপনি চোখ বুঁজে বিশ্বাস করেন নাই ? নাকি ডিএনএ টেস্টের পর থেকেই বিশ্বাস করেন ?
দাদা তাহলে মানেন যে ডিএনএ টেস্ট একটা বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতি। কেন মানেন? এটা তো পৃথিবীর কোনো ধর্মে নেই। ডিএনএ টেস্ট কে যদি নির্ভরযোগ্য বলে মানেন, তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে স্কুলে ধর্মশিক্ষার নামে যা শেখানো হয় (জীব জগতের সৃষ্টি নিয়ে) তা একেবারেই রাবিশ। একসাথে এই দুটিকেই কি আপনি বিশ্বাস করেন?
একজন আস্তিক তার সন্তান কে আস্তিকই বানাতে চায়, যেমন আপনি নাস্তিক বানাতে চান ।
আপনার নাস্তিক বানানোতে বাঁধা পরলে আপনের যেই অসুবিধা আস্তিক পিতা মাতার ও তাদের সন্তান আস্তিক না হলে সেই রকমই অসুবিধা ।
আপনি তাহলে মেনে নিলেন যে আস্তিকদের যেমন সন্তানকে আস্তিক বানানোর স্বাধীনতা আছে তেমনই নাস্তিকদের থাকা উচিত। কিন্তু আস্তিক মানে তো কোনো একটি বিশেষ ধর্ম বলা যায় না। এবার বলুন তো, সন্ন্যাসীবাবা যে দেশের কথা বলছেন, সেখানকার স্কুলে কি একজন হিন্দুর সন্তান হিন্দু ধর্মের, একজন বৌদ্ধ ত্রিপিটকের শিক্ষা পাবে? যদি একজন হিন্দু তার ছেলেকে আস্তিক বানাতেই চায় সেক্ষেত্র সে নিশ্চয় চাইবে ছেলেকে হিন্দুই বানাতে। বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা যেখানে দেওয়া হয় সেখানে এই সুযোগ পাওয়া যাবে কি?
একটু ভেবে বলুন দাদা, যদি কোনো বৌদ্ধ তার সন্তান-কে আস্তিক বানাতে চায় তাহলে সে বাড়িতে শেখাবে অহিংসার পথ। আর একই সাথে বাধ্যতামূলকভাবে তাকে যদি গোরু/ছাগল কাটাকে (পৃথিবীর বেশির ভাগ ধর্মের মানুষ এটাকে পাপ বলে ভাবে না) ধর্ম বলে শেখানো হয় তাহলে কোন ধরণের আস্তিক তৈরী হবে সে?
*****************************
বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষায় এটাই গলদ। একে তো রাবিশ সেখাবে, তার ওপরে আবার কেবল নিজেদের রাবিশই শেখাবে।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:১৭
সন্যাসী বলেছেন: আপনার যুক্তিখণ্ডনগুলি সুন্দর হয়েছে। আমরা ১-১০০ হয়েছি। একদিন ১০০ থেকে ১০০০ কোটি হব। ধর্মের জয় নয়, মানবতার জয় হবেই হবে, একদিন।
৬৭|
১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:২৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ভয়ানক অবস্থা! আমাদের ধর্মপ্রবণ শিক্ষাব্যবস্থার অধিকাংশ উৎপাদ (product) আপনার এই পোস্টের মর্ম বুঝতে পারবেন না, এটাই স্বাভাবিক। সকলের মন্তব্য পড়া হলো না। আমি নিজে খুব ধর্মীয় বলয়ে বড়ো হয়েছি। এর কারণে নিজের ধর্মের খুঁটিনাটি, ইতিহাস এবং প্রক্রিয়াগুলো ঠিকমতো জানা হয়েছে। ধর্মের মৌলনীতির বাইরে আনুষঙ্গিক সামাজিক প্রথাগুলোও শিখেছি বড় হতে হতে। সেই শিক্ষা খুব জরুরি কিন্তু। কারণ কোন বিষয়ে সম্যক ধারণা না থাকলে তার ত্রুটি জানা যায় না। আপনার সন্তানকে এজন্যেই এগুলো শিখাতে পারেন।
পাশাপাশি তাকে বিজ্ঞানের বই পড়ান। স্কুলে এই বিদ্যাটা শিখানো হয় কারণ অধিকাংশ মানুষের জন্যে এটা দরকারি (এটা পুরা ভিন্ন আলাপ, নিশ্চয়ই বুঝবেন), সন্তানকে বড়ো হতে হতে বেছে নিতে দিন। সে যেটাতে স্বচ্ছন্দ হবে, ভবিষ্যতে সেটাই পালন করবে। এখানে আপনি কেবল তার গাইড, নিয়ন্ত্রক নন।
আপনার পোস্টটা আমার খুবই ভালো লাগলো। একদিন অবসরে বসে সব মন্তব্যগুলো পড়বো বলে প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:১৪
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ ছন্নছাড়ার পেন্সিল। আপনার কথাগুলো ভাল লেগেছে। কিন্তু কিছু উদ্ভট ব্লগাররা যা কমেন্ট করেছে তা সব পড়তে গেলে বিবমিষায় ধরে।
৬৮|
১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০৮
মনির হাসান বলেছেন: আসিফ'রে কঠিন ঝাজা ... এই পোস্ট আগে পড়ছিলাম ... কমেন্ট করতে ভুইলা গেছলাম ...
যাউক গা ... প্রব্লেম হইতেছে ধর্ম খালি স্কুলের ব্যাপারনা ... গাঁঞ্জার ইফেক্ট বহুত ভিতরে চইলা গেছে ... ঈদের দিন যখন ছেলে অন্যদের সাথে কোলাকুলি ... নতুন জামা ... আনন্দ ফুর্তি করতে পারবেনা তখন ব্যাপারটা কি রকম হবে ভেবে দেখবেন আশা করি । ধর্ম রামছাগল ছাড়া আর কিছু পয়দা করতে পারেনা ... এইটা খুবই সত্য ... তার থেকে বড় সত্য হচ্ছে আমরা রামছাগল পরিবেষ্টিত একটা দুনিয়াতে থাকি ... এই সমস্ত রামছাগলের সাথে মানায় চলতে হয় আর কি ...
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:১৯
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, মনির ভাই।
৬৯|
১৬ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৬
রাজা রায় বাহাদুর যদুনাথ বলেছেন: ঘটনা নিয়ে একটি কথাই বলি, নিজের জীবন দিয়েই তো দেখেছি, তাই বলা।
ইস্কুলে (নামটা বললাম না, জানি না দেশের অন্য ইস্কুলেও এমনটা করা হয় কিনা) তো পড়বার সময় হিন্দুশিক্ষা এবং ইসলাম-শিক্ষা ক্লাসের সময় দেখতাম, আমাদের (মানে হিন্দু ধর্ম ও ইসলাম ধর্ম বই ২টা যারা পাঠ করবেন) তাদেরকে আলাদা করে দেওয়া হ'তো। অন্য একটা ক্লাসে পাঠিয়ে দেয়া হ'তো। যেহেতু সংখ্যাগুরু ইসলাম ধর্ম পাঠ ক'রবেন, তাঁরা রেগুলার ক্লাসেই থাকত। মানে সাউথ আফ্রিকা আর আমেরিকার কালোদের যেমন বাসে ঘাটে রাস্তায় আলাদা করা হ'তো চামড়ার রঙের জন্য তেমনি এখানেও। আমার তখন মনে হ'তো এটা ক্যামন ব্যাপার রে বাবা! বিজ্ঞান পড়ছি বাংলা পড়ছি ইংরাজিও পড়ছি একই সঙ্গে কিন্তু এই ধর্ম-পাঠের সময় আলাদা হয়ে যাচ্ছি। এ-ক্যামন বিধান! আবার ২ ক্লাসেই তো পড়ানো হচ্ছে ঈশ্বর আল্লাহ মানে সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তা ১জনই!
আবার সে-সময়েই দেখেছি, আধুনিক(!) আমেরিকান গানা-বাজানা-খানা-পিনা-পোশাক-আসাক-বসন-ব্যাসন-গাড়ি-বাড়ি-প্রেম-প্রণয় নিয়ে কারো কোনো ছুৎমার্গ নেই কোনো ক্লাস আলাদা করা নেই, কিন্তু যেই হিন্দুর ছেলে বা মেয়ে, মুসলমানের মেয়ে বা ছেলে জীবনের রোমাস্নে জড়িয়ে পড়ে-পড়ে করছে অম্নি ছাত্র-সমাজ ও অভিভাবক-সমাজ লাফিয়ে উঠে, 'ওরে বাপ্রে! না-পাক না-পাক! নৈব চ নৈব চ!'--যেন ধর্মান্তরন না-করলে যে পুরো ধর্মই যায় যায়!
তাই মনে হঠাৎ হঠাৎ প্রশ্ন জাগে, মুক্তিযুদ্ধ যে করেছিল নাকি বাঙ্গালী (আদিবাসীদের কথা নাই বল্লাম), তো মুক্তি কার জন্যে করেছিল?
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:২৮
সন্যাসী বলেছেন: আমাদের পৃথিবীতে আমরা লক্ষকোটি যদুনাথ চাই। ধন্যবাদ যদুনাথ।
৭০|
১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ৯:৫৭
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: আমার মনে হয় এবার আমাদের পুরোনো হয়ে যাওয়া ধর্মগুলো থেকে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। সবচেয়ে আমার যেটা অবাক লাগে তা হল, ধর্মগুলোর প্রণেতারা যাই বলে থাকুন না কেন, ঘুরে ফিরে ঠিক সব এক জায়গায় এসে যায়। উদাহরণ দিইঃ-
পোপঃ-
তিনি একদা দাবী করতেন যে পাপীকে ক্ষমা করার ঈস্বরদত্ত অধিকার তাঁর আছে। চার্চের থেকে ছাপানো ক্ষমাপত্র বিক্রি করা হত। একজন খুনী টিকিট কেনার মত ক্ষমাপত্র কিনে নিলে আইনে আর তার শাস্তি হত না, কারণ ঈশ্বরের প্রতিনিধি চার্চ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে। এক কথায় টাকা থাকলে সাত থেকে সাতশো খুন মাফ। এখন যেমন পলিটিক্যাল গুন্ডাদের দিনকাল।
মার্টিন লুথার প্রথম ল্যাটিন থেকে বাইবেলের অনুবাদ করে গুটেনবার্গের ছাপা-কলে ছাপিয়ে বের করেন। এর আগে বাইবেল সাধারণ মানুষের পক্ষে পড়া সম্ভব ছিল না। এখন অনুবাদ পড়ে পাবলিক জেনে ফেলল যে এতকাল পোপ আর পাদ্রীরা যা বলে এসেছিলেন তা সবই গুল। বিশেষ করে পাপীকে ক্ষমা করে দেবার মত ক্ষমতা যে তাঁদের আছে, তার কোনো হদিশ বাইবেলে পাওয়া গেল না। মার্টিন লুথারের ওপর বেদম চটে গেলেন পাদ্রীরা। ধর্মবিরোধী বলে তাঁকে পুড়িয়ে মারা হল। এই বিষয়ে একটা কথা না বললে চলে না। যিশু বলেছিলেন "যদি কেহ তোমার ধর্মে (মূলে আছে তোমার মতে) বিশ্বাস না করে বা বিরোধিতা করে, তবে বিনা রক্তপাতে সমস্যার সমাধান করো"। পাদ্রীরা এর মানে করলেন পুড়িয়ে মারো। (রক্তপাত হবে না আর কি। ভাবুন একবার কোথা থেকে কি মানে হয়!)
যাই হোক বাইবেল পড়ে মানুষ ঠিক করেছিল তারা সেইসব তত্ব নিয়ে জীবনে চলবে কিনা। যত তারা বাইবেলের খপ্পর থেকে বেরিয়ে এসেছে, তত উন্নত হয়েছে। ইস্লামে বলে আল্লাহ তাদের পৃথিবীর আধিপত্য দিয়েছেন (অন্য ধর্মেও একই কথা, হিন্দুদের আবার গাছতলাতে থাকাই পুণ্য।) কিন্তু বাস্তবে পৃথিবীর (এবং আকাশের) আধিপত্য কাদের হাতে? যারা ধর্মকে আলমারিতে তুলে রেখে বিজ্ঞানের পথে চলেছে তাদের।
এ নিয়ে একটা বিরাট লেখা লিখতে শুরু করেছি। শেষ হলে দেবো।
সন্ন্যাসীবাবার সমস্যা নিয়ে ভেবে চলেছি। এই বিষয়ে আমার নিজের কথা বলতে পারি। অনেক মিল পাবেন।
*********************
আমার বাবারা পাঁচ ভাই এক বোন। আমার ঠাকুর্দা ছিলেন পরম কৃষ্ণভক্ত। পুজো না করে জলগ্রহণ করতের না। কিন্তু তিনি নিজের বিশ্বাস কোনোদিন ছেলেদের ওপর বা নাতিদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেননি। ছোটোকাকা যখন কমিউনিষ্ট হয়ে গেলেন তখন তিনি কোনো আপত্তি করেন নি। (সেই সময় ছেলে কমিউনিষ্ট হলে তার বেঁচে ফেরার আশা ছেড়ে দিতে হত।)
আমি যখন ক্লাস থ্রি তে পড়ি, ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে লাগলাম। উনি আমাকে অনেক কিছু বুঝিয়েছিলেন। বিশ্বাস করানোর জন্যে নয়। যা জানতে চাই তা জানানোর জন্যে। ফাইভে পড়ার সময়ে আমি সেই বইগুলো (গীতা, উপনিষদ, বেদ, রামায়ণ, মহাভারত, বাইবেল ইত্যাদি বাংলা অনুবাদ) পড়লাম। দেখলাম যে ওতে যা আছে তা আমার দেখাশোনা জগতের একেবারে উলটো।
এর পরে ঠাকুর্দাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করলাম। "লেখা তো অনেক কিছুই আছে, যেমন রূপকথার বইয়ে পক্ষিরাজ ঘোড়ার কথা লেখা থাকে। এগুলো সত্যি কিনা কি করে বোঝা যাবে? আর সব বইয়েই তো এক কথা নেই। সবার কথা আলাদা, কোনটা তাহলে সত্যি?"
এবার ঠাকুর্দা আমাকে যে বইটা দিলেন তার নাম "আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না", লেখক প্রবীর ঘোষ। একজন পরম আস্তিক মানুষ হয়েও তিনি আমার জন্যে বইটা কিনে রেখেছিলেন। এর পরে আরো অনেক লেখা পড়েছি প্রবীর ঘোষের, শেষ পর্যন্ত ধর্মকে বাদ দিয়ে চলা শুরু করেছি। অনেক নাস্তিক দেখেছি, দেখেছি নৈতিকতা আর ধর্ম এক নয়। ঈশ্বর বাদ দিয়ে মানুষ জানোয়ার হয়ে যায় না।
আমি যে এক মহা ধার্মিক পরিবারের মধ্যে থেকে নাস্তিক হয়ে বেরিয়েছি, তার প্রধান কারণ হল প্রবীর ঘোষের বই। আমাকে সেই বই পড়তে কেও কখনো বাধা দেয়নি। আর ছিল আমার পরীক্ষা করে বিশ্বাস করার অভ্যাস।
***********************************
ছেলেকে প্রবীর ঘোষের বই পড়ান। কিছু বইয়ের নাম দিলাম।
১. আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না।
২. সংস্কৃতি, সংঘর্ষ ও নির্মাণ।
৩. অলৌকিক নয়, লৌকিক (৪ খন্ডটা বেশি কাজে দেবে)।
এছাড়া দুটো পত্রিকা আছে, যুক্তিবাদী আর কিশোর যুক্তিবাদী। ভারি কাজের জিনিস।
ঘাবড়াবেন না। আমরা আছি। ছেলে একটু বড় হলে আমাদের সঙ্গে চ্যাটে বসিয়ে দেবেন। সে যখন দেখবে যে দুনিয়ায় এত নাস্তিক আরামে নিজেরা বেঁচে আছে আর অন্যদের বাঁচতে দিচ্ছে, তখন সে আপনি বুঝবে, মানুষ হতে ঈশ্বর লাগে না।
যে লেখাটা লিখছি, এটা তারই একটা অংশ। একটু বড় হয়ে গেল, ক্ষমা করবেন।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:২৫
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি খুবই সুন্দর লিখেছেন।
আপনার ফেসবুক ফেন্ডলিস্টে আমি না থাকলে 'সন্যাসী নাস্তিক সন্যাসী' তে একটা এড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন প্লিজ।
৭১|
১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৭
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: প্রবীর ঘোষ
লিঙ্কটা দিতে ভুলে গেছলাম। পড়ে দেখবেন।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:৩০
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আমি প্রবীর পড়েছি। ছেলেকে এখনো দিইনি। আরেকটু বড় হোক।
৭২|
২৫ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
শরতের মেঘ বলেছেন: আমি শুধু বলব ভাই আপনারা আরো পড়াশোন করুন। আইনস্টাইন এর থিওরী অব রিলেটিভিটি, জীববিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান নিয়ে আপনি হাজার হাজার ঘণ্টা পড়াশোনা করতে পারেন, তাতে আপনাদের কোনই আপত্তি নেই, কিন্তু ধর্ম নিয়ে কয়েক ঘণ্টা পড়াশোন করার ইচ্ছে হয় না কেন, সেটি আমার প্রশ্ন। আর ধর্মের পেছনেও যে অনেক লজিক এবং প্রমাণ আছে সেগুলো খোজার চেষ্টা করুন। শুধু মাত্র একদিক দিয়ে বিচার করা কি ভাল?
আমি অত্যন্ত মুর্খ তাই কারো উক্তি নিয়ে কথা বলার সাহস করলাম না।
৭৩|
২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ২:০১
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: শরতের মেঘ মহাশয়,
ধর্মের পেছনে যে লজিক এবং প্রমাণ আছে বলেছেন তার কয়েকটা উদাহরণ পেলে ভালো হত। এই পৃথিবীতে মোট কতগুলি ধর্মমত চালু আছে তা আপনি কি কখনো গোনার চেষ্টা করেছেন ? এর মধ্যে কোন কোন ধর্মে আপনি লজিক এবং প্রমাণ খুঁজতে বলেছেন সেটা খুলে না বললে আমরা সারা জীবন ধরে পড়াশোনা করেও বের করতে পারব না। খুলে বলার আবেদন রইল।
জগতের প্রত্যেক ধর্মের লোকেই মনে করে যে তার ধর্ম লজিকে ভরা আর বাকি ধর্মগুলো সব আবোল-তাবোল বকুনি।
ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করতে আমার কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। এখন পর্যন্ত আমি যতটা পড়েছি তার হিসাব নিচে দিলাম। আপনার যদি মনে হয় যে কিছু বাদ পড়ে গেছে তাহলে দয়া করে পিনপয়েন্ট উল্লেখ করবেন।
হিন্দুঃ-
চার বেদ
উপনিষদ (সবকটি)
রামায়ণ
মহাভারত
গীতা
ভাগবত
১৮ টি পুরাণ
নিমাই, নিতাই চরিত
রামকৃষ্ণ
বিবেকানন্দ
অভেদানন্দ
বৌদ্ধঃ-
ত্রিপিটক
তাঞ্জুর
জাতক
খ্রীস্টানঃ-
বাইবেল এবং সুসমাচারসমুহ
101 contradiction to Bible.
ইসলামঃ-
কোরাণ
হাদিশ
এবং এদের নানারকম ব্যাখ্যাকারের রচনা
ইসলামের ইতিহাস
যদি আপনার বলা লজিক এবং প্রমাণ এইগুলির মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে না বুঝতে পারার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কোন ধর্মের কোনখানে আপনি লজিক ও প্রমাণ পেয়েছেন দয়া করে একটু প্রাঞ্জল ভাবে জানালে উপকৃত হব। আশা করি হতাশ করবেন না। তবে একটা কথা সোজাসুজি বলে দেওয়া ভালো, যেখানে লজিক এবং প্রমাণ আছে সেটাকে মেনে নিতে আপত্তি নেই। কিন্তু এক আনা লজিক আছে বলে বাকি পনেরো আনা চোখ বুজে হজম করায় আমার বেজায় আপত্তি আছে।
৭৪|
২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৪
শেলী বলেছেন: ধর্মে যখন থেকে জোর শুরু তখনি এর পতন শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে পারিবারিকভাবে ধর্ম শিখানো হয়না। শুধু অনুষ্ঠান গুলি যেমন নামাজ রোজা শিখানো হয়। অথচ হাদীসেই আছে ধর্মের ৯০ পারসেন্ট হল মানুষের সাথে মানুষের ডিলিং। আর বাকী ১০ পারসেন্ট হল আল্লাহর সাথে। আল্লাহর হক আল্লাহ মাফ করতে চাইলে মাফ করতে পারবেন,কিন্তু মানুষের হক মাফ করবেননা।
নাস্তিকতারো দর্শন আছে। ডারউইনবাদ ওদের প্রধান দর্শন। যেখানে সারভাইভাল দের জন্যই জগত। এই ধর্মে দুর্বলদের জায়গা নাই। এই দর্শনে বিধাতা হল সে নিজে। তাই নয় কি? অস্হিরতা এই ধর্মের প্রধান পরিচয়। বিজ্ঞান আজকে একরকম কালকে আরেকরকম বলে। বিজ্ঞানীরা নিজেরাই একমত না অনেক ব্যাপারে। আপনি কোন দলকে মানবেন? তাদের বিরাট অংশ আস্তিক। আরেক দলও আছে। কিন্তু তারা একমত না।
আর স হনশীলতার কথা? ধর্মযুধ্ব থেকে অন্য কারনে যুধ্ব হয়েছে বেশী। দুই দুইটা ওয়ালর্ড ওয়ারের কারন কি ধর্ম?
৭৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৬
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: @শেলী
আর স হনশীলতার কথা? ধর্মযুধ্ব থেকে অন্য কারনে যুধ্ব হয়েছে বেশী। দুই দুইটা ওয়ালর্ড ওয়ারের কারন কি ধর্ম?
*****************
পৃথিবীর কোনো যুদ্ধই ধর্মের জন্য হয় না। আসল উদ্দেশ্য সব সময়েই অর্থ এবং ক্ষমতা বাড়ানো। এই আসল উদ্দেশ্যটাকে চাপা দেবার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়, তা হল ধর্ম। যেখানে ধর্মের ধার তেমন কাজ করে না সেখানে জাতীয়তাবাদ বা ঐ ধরনের কিছু ব্যবহার হয়। সর্বশেষ উদাহরণ হল ঈরাক, যেখানে বিশ্বশান্তি এবং নিরাপত্তা নামক একটা জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রত্যেক যুদ্ধের মূল হল পরের পাওনা কেড়ে খাওয়া। ধর্ম কেবল এই সত্যি-টাকে চাপা দিয়ে রাখে। আসলে ধর্মের কাজই হল সত্যকে চাপা দেওয়া।
পৃথিবীর অধিকাংশ দুঃখের মূলে আছে এমন কিছু মানুষ, যারা পরের পাওনা কেড়ে খায়। ধর্ম এই সত্যিটাকে চাপা দিয়ে আমাদের বোঝায় যে সব দুঃখের মূল হল কোনো এক অজানা ঈশ্বর বা ঐ-রকম কিছু, যার বিরুদ্ধে মানুষের কিছুই করার নেই। (গৌতম বুদ্ধ কেবল তিনটি দুঃখ খুঁজে পেয়েছিলেন যেগুলি মানুষের পক্ষে দূর করা সম্ভব নয়। জরা, ব্যাধি ও মৃত্যু।)
এই ব্লগের মূল প্রশ্ন ছিল যে আমাদের সন্তান-দের আমাদেরই ট্যাক্সের টাকায় এমন কিছু শেখানো হচ্ছে (শিখতে বাধ্য করা হচ্ছে) যেগুলো হয় যুক্তি ও বিজ্ঞান বিরোধী অথবা একেবারেই প্রমানিত মিথ্যা। এই অবস্থায় আমাদের কি করা উচিৎ? আমি প্রশ্নটা আরো বেশি সোজা করে জানতে চাই যদি স্কুলে আমার সন্তানকে ধর্ম শেখানোর নাম করে এমন কিছু শেখানো হয় যা কিনা নিশ্চিতভাবে ভুল বলে আগেই প্রমানিত হয়ে গেছে, তাহলে কি করা উচিত?
আশা করি এই প্রশ্নের জবাব আস্তিক-দের কাছ থেকেও পাবো।
৭৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৪
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: @শেলী
বিজ্ঞান আজকে একরকম কালকে আরেকরকম বলে। বিজ্ঞানীরা নিজেরাই একমত না অনেক ব্যাপারে।
বিজ্ঞান যখন দুরকম বলে, তখন সঙ্গে কারণ দেখিয়ে বলে। কি-কি তথ্যের উপর এই রকম বলা হচ্ছে তা খুলে বলা হয়। সেই সঙ্গে আর পাঁচটা বিজ্ঞানী ইচ্ছে করলে যাচাই করে নিতে পারেন এর মধ্যে কোনটা ঠিক। যাচাইয়ের পর যেটা ঠিক বলে প্রমাণ হয় সেটা সকলে মেনে নেয়।
এবার বলুন তো দুটো ধর্ম যখন দু-রকম বলে, তখন নিজের নিজের কথার পিছনে কি প্রমাণ দেয়? কোন তথ্যের ভিত্তিতে কথাগুলো বলা হচ্ছে তার কোনো রেফারেন্স থাকে কি? যাচাই করার সুযোগ থাকে কি?
একজন বিজ্ঞানীর যখন খুশি যাচাই করার স্বাধীনতা আছে জলে হাইড্রোজেন থাকে কিনা বা হাতির গায়ের জোর ঘোড়ার চেয়ে বেশি কিনা। কিন্তু জগতের প্রভু সাকার না নিরাকার তা একজন ধার্মিক হিসাবে আপনি কি যাচাই করতে সক্ষম? আপনি যে প্রভুর সেবক তিনি বাস্তবিক সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান, নাকি আমার মতই দু-পেয়ে গাধা তা কি আপনি যাচাই করে দেখতে পারবেন? আপনার ধর্ম কি আপনাকে সেই স্বাধীনতা দেয়?
৭৭|
১২ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৪
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: কমেন্ট পড়ে হাসতেই আছি-
নিজের মতামতের/ বিশ্বাসের বাইরে গেলেই খারাপ এইটা থেকে মুক্তি নাই মানব জাতির-
নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী চলার স্বাধীনতা সবার থাকা উচিৎ-
তবে আপনার সমস্যার কোন সমাধান নাই আপাতত-
ধর্ম আর রাজনীতি এই দুইটা জিনিস নিয়ে অনেক মানুষ বেহুদা তর্ক করে- কোন বিষয়ে তর্ক করার জন্য সেই বিষয়ে কিছু জ্ঞান থাকার দরকারের কথা কেউ ভাবে না-
জীবনে কাউকে দেখি নাই না জেনে অংক নিয়ে তর্ক করতে-
দুঃখিত আমিও অপ্রাসংগিক মন্তব্য করে ফেললাম -
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
এস এইচ খান বলেছেন: না¯িতক বাবায় সন্যাসী। তা ঢাবির এক না¯িতক দার্শনিকের পাছার কাপড় তুলে পুকুর থেকে লোটায় পানি তোলার সত্যি ঘটনা আপনার পোষ্টটি পড়ে মনে পরল। যাক, এসেই যখন পরেছি, নেন একটা মাইনাস।