নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

সেলিম আনোয়ার

[email protected] Facebook-selim anwarবেঁচে থাকা দারুন একটা ব্যাপার ।কিন্তু কয়জন বেঁচে থাকে। আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।সময় মূল্যবান ।জীবন তার চেয়েও অনেক বেশী মূল্যবান।আর সম্ভাবনাময়।সুন্দর।ঢাকাবিশ্বদ্যিালয়ের পাঠ চুকিয়ে নিরস চাকুরীজীবন। সুন্দরতর জীবনের প্রচেষ্টায় নিবেদিত আমি সেলিম আনোয়ার।

সেলিম আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

হীরক কথন ও অভিশপ্ত কোহিনূর কাহন

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৪০



ডায়মন্ড রিং দিয়ে আপনার প্রিয় মানুষটিকে প্রস্তাব দিন।সফল হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগ।ডায়মন্ড নেকলেস ডায়মন্ডের কানের দুল যে কোন অরনামেন্ট হোক রমনীদের প্রথম পছন্দ হলো ডাযমন্ড। আর ভালবাসার উপমায়ও এটি ব্যবহৃত হয়।



আসলে ডায়মন্ড বহুরূপী কার্বনের একটা রূপ।গ্রফাইট কুচকুচে কালো হলেও ডায়মন্ড দারুণ চকচকে স্বচ্ছ ।প্রকৃতি প্রদত্ত বস্তুর মধ্যে হীরক সবচেয়ে শক্ত।মোহোর স্কেলে এটির মান সর্বোচ্চ ১০।কাঠিন্য এত বেশি হওয়ার কারণে সহজেই কাচ কেটে ফেলা যায় ডয়মন্ড ছুরি ব্যবহার করে চকু দিয়ে যেভাবে কাচ কাটা যায় তেমন ভাবে ।





ইনসিটু অবস্থায় হীরক



খনিজবিদ্যায় বহুরূপী কার্বনের মধ্যম মানের স্থায়ী পদার্থ হলো হীরক। ডায়মন্ড শব্দের উৎপত্তি গ্রীক শব্দ এডামাস থেকে।হীরক গ্রাফাইটেরচেয়ে তুলনামূলক কম স্থায়ী।হীরক বহুল পরিচিত তার পরমোৎকৃষ্ট ভৌত গুণাবলীর জন্য ।এগুলোর মূল কারণ এর আনবিক গঠনে শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন।বিশেষ করে বলা যায় প্রকৃতিতে প্রাপ্য সকল বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে শক্ত ও তাপবাহী পদার্থ হলো ডায়মন্ড।এজন্য কাটিং ও পলিশিং শিল্পে ডায়মন্ডের উপযোগীতা নিশ্চিৎ হয়।এবং গবেষণার কাজে এটি ব্যবহৃত হীরক ছুরি এবং হীরক এনভিলকোষ হিসেবে।





বর্ণ





বিবিধ বর্ণের হীরক পাওয়া যায়।এটি চরম ঘনত্ববিশিষ্ট হওয়ার কারণে খুব কম সংখ্যক পদার্থ যেমন বোরন এবং নাইট্রোজেন দ্বারা দূষিত হতে পারে।



প্রকৃতিগতভাবে সকল বিশুদ্ধ হূরক বর্ণহীন।অল্প পরিমান অন্য পদার্থেরও উপস্থিতিতে হীরক নানা ধরণের বর্ণ ধারণ করে।



নীল,হলুদ,বাদামী,সবুজ,রক্তিম,গোলাপী,কমলা বা লাল বর্ণের হয়ে থাকে।চমৎকার আলোক সংবেদী বৈশিষ্ট্য, যান্ত্রিক বৈশিষ্ট এবং অপ্রতিদন্ডি ভাবে শক্ত এবং টেকসই হওয়া হীরককে করে তুলেছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কাংক্ষিত রত্ন ।





উৎপত্তি ও সময়





ভলকানিক সিলিন্ডার বা আগ্নেয় সুরঙ্গ



প্রায় সব হিরকই গঠিত হয় উচ্চ তাপমাত্রায় এবং চাপে ১৪০ থেকে ১৯০ কিলোমিটার গভীরতায়।হীরকের মূল গঠন উপাদান কার্বনের মূল উৎস হলো কার্বন সমৃদ্ধ খনিজ পদার্থ গুলো।কার্বনথেকে একটা হীরকের জন্ম হতে সময় লাগে দীর্ঘদিন।প্রায় ১ বিলিয়ন থেকে ৩.৩ বিলিয়ন বছর।পৃথিবীর বয়সই যেখানে প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর।তার মানে পৃথিবীর বয়সের এক তৃতীয়াংশ থেকে তিন চতুর্থাংশ পর্যন্ত।



আগ্নেয় গিরি আগ্ন্যুৎপাতের সময় জ্বালামুখ দিয়ে গলিত লাভা বা ম্যাগমার সঙ্গে হীরক বেরিয়ে আসে । এই লাভাগুলো কঠিন হয়ে যে আগ্নেয়শিলা গঠিত হয় তাকে কিম্বারলাইট এবং ল্যাম্পোরাইট বলে।হীরক কৃত্রিমভাবেও তৈরী করা যায়।কৃত্রিম উপায়ে উচ্ছ তাপমাত্রা ও চাপ সৃষ্টি কওে কৃত্রিম ডয়মন্ড তৈরি করা হয়। রাসায়সিক বাস্প ঘণিকরন করে বিকল্প হীরক তৈরী করা হয়।বেশ কিছু ন-হীরক পদার্থ যেমন ননকিউবিক জিরকোনিয়াম এবং সিলিকন কার্বাইড; এগুলোকে নকল হীরক বলে।নকল হীরক থেকে হীরককে পৃথক করার জন্য বেশ কিছু টেকনিক বা কৌশল উদ্ভাবিত হয়েছে।



ইতিহাস



ডায়মন্ড শব্দের উৎপত্তি গ্রীক শব্দ এডামাস থেকে যার অর্থ যথার্থ, অপরিবর্তনীয় , অভঙ্গুর, অমলিন, ধারণা করা হয় হীরক সর্বপ্রথম ,শনাক্ত করা হয় এবং খনিথেকে উত্তোলন করা হয় ভারত উপমহাদেশে।পেনার, কৃষ্ণ, গোদাভেরী প্রমুখ নদীর তীরবর্তী এলাকায়যেখানে পাললিক মজুদ জমা হয়।ভারত মহাদেশে এটি পরিচিত কমপক্ষে ৩০০০ বছর পূর্বে ।ধারণা করা হয় এরচেয়েও আগে ৬০০০বছর পূর্বে।

প্রাচীন ভারতে হীরক মহামূল্য রত্ন হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।এগুলি তাদের প্রতিমা হিসেবে উপাসনা করতো। ধাতুতে খোদাই করে হীরকখচিত করা হত। প্রাচীন মানব ইতিহাসে এগুলো সুশোভিত মুকুট, প্রতিমা, অলংকার হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

উনিশ শতকে এর ব্যবহার ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। কারণ এ সময়টাতে কাটিং এবং পলিশিং প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়ন। সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে দারুণ ভাবে। আর প্রচারণা ব্যবস্থার উন্নয়নে সবার কাছে এ সম্পর্কে সম্যক ধারণাও জন্মে ।



১৭৭২ সালে ল্যাভয়সিয়ে লেন্সের সাহায্যে শুধুমাত্র অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সূর্যের আলোক রশ্মী গুলো কেন্দ্রিভূত করে হীরককে দাহ করে যে গ্যাসীয় পদার্থ সেগুলো আর কিছুই নয় কার্বন যাই অক্সাইড। এ থেকে প্রমানিত হয় হীরক এর গঠন উপাদান শুধুমাত্র কার্বন।পরবর্তীতে বিজ্ঞানী স্মিথসন ১৭৯৭ সালে সমান পরিমান হীরক এবং গ্রাফাইটকে দাহ করে সমান পরিমান কার্বন-ডাই-অক্সাইড পান।ফলে এটি প্রমানিত হয় গ্রাফাইট আর হীরক বহুরুপী কার্বনের দুই রূপ ।





প্রাপ্তিস্থান



প্রতিবছর প্রায় ১,৩০,০০০,০০০ ক্যারেট (২৬০০০কেজি) হীরক উত্তোলন করা হয়।যার মূল্য প্রায় ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ।সিনথেটিক হীরক উৎপাদনের পরিমান ১০০,০০০ (এক লক্ষ)কেজি।

গড়পরতা ৪৯% ভাগ হীরক উত্তোলিত হয় মধ্য এবং দক্ষিণ আফ্রিকাতে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমান হীরক খনি রয়েছে কানাডা , ভারত, রাশিয়া , ব্রাজিল এবং অষ্ট্রেলিয়াতে। কিম্বারলাইট এবং ল্যাম্পোরাইট ভলকানিক পাইপ বা সুরঙ্গথেকে সাধারণত হীরক উত্তোলন করা হয়।



দক্ষিণভারতে পেনার, কৃষ্ণ, গোদাভেরী নদীর তীরবর্তী পাললিক মজুদে হীরক পাওয়ার ইতিহাস অনেক প্রাচিন। নবম শতক থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ভারতই ছিল প্রধান হিরক উৎপাদনকারী দেশ।প্রথম অভারতীয় হীরক উত্তোলন করা হয় ১৭২৫ সালে। বর্তমানে ভারতের প্রধান হিরক উত্তোলনকারী জায়গাটি হলো পান্না।



১৮০৭ সালে দক্ষিন আফ্রিকায় প্রথম প্রাথমিক মজুদ বা আগ্নেয় শিলা থেকে হীরক নিষ্কাশন করা হয়।



এখন পর্যন্ত সর্বমোট প্রায় ৪,৫০০,০০০,০০০ ক্যারেট বা ৯০০,০০০কেজি হীরক উত্তোলন করা হয়েছে। যার শতকরা ২০ ভাগ হীরক উত্তোলন করা হয়েছে বিগত পাঁচ বছরে। বিগত ১০ বছরে নতুন ৯টি নতুন খনি উৎপাদনে যায়,আরো নতুন ৪টি উৎপাদনের পথে। এই খনি গুলি কানাডা,জিম্বাবুয়ে এঙ্গোলা এবং রাশিয়ায় অবস্থিত।



অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে লাভজনক হীরক খনি রয়েছে রাশিয়া,বতসোয়ানা ,অষ্ট্রেলিয়া এবং কঙ্গোতে। ২০০৫ সালে রাশিয়া মোট উৎপদিত হীরকের পাচ ভাগের একভাগ উত্তোলন করে।



ব্যবহার





হীরকের সর্বাধিক ব্যবহার আভরণ বা অলংকার হিসেবে। বিংশ শতাব্দীতে মনিকবিদ্যার প্রভূত উন্নয়নসাধিত হওয়ায় হীরক এবং অন্যান্য রত্নের গ্রেডিং ব্যবস্থা তথা মান নির্ধারণ করা শুরু হয়। মান অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়। হীরকের ক্ষেত্রে চার ক্যারেক্টারকে ফোর সি বলা হয় ক্যারেট ,কাট,কালার /বর্ণ এবং ক্লিয়ারিটি বা স্বচ্ছতা।একটি বিশাল আকৃতির বিশুদ্ধ হীরককে বলা হয় প্যারাগন। প্যারাগনের বাংলা অর্থ দাঁড়ায় আপাত সমপূর্ণ সুন্দর বা পরমোৎকর্ষের মূর্ত রূপ।







এযাবৎকালের বৃহত্তম হীরক তথা প্যারাগন । উজ্জল নীল বর্ণের । ৭.৫৯ ক্যারেট । এটির মূল্য ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।









কোহিনূর কাহন



কোহিনূর ১০৬ ক্যারেটের একটি হীরক যেটি এক সময় বিশ্বের বৃহত্তম হীরক ছিল।অতীতে ভারতবর্ষে বেশ কয়েকজন শাসকের হাত ঘুরেছে এটি। হীরকটি এখন বৃটিশ রাজ পরিবারের হাতে। এবংশোভা পায় বৃটেনের রানী এলিজাবেদের মুকুটে।







জনশ্রুতি আছে এটি পাঁচহাজার বছর পুরোণো একটি হীরক খন্ড এবং সংস্কৃতিক পন্ডিতগণের মতে এটি শ্যামান্তাকা রত্ন হিসেবে পরিগণিত।

তবে ইতিহাসে এর প্রথম দালিলিক উপস্থিতি ১৫২৬ সালে যখন মুঘল সম্রাট বাবর ভারত জয় করেন।তিনি উল্লেখ করেন ত্রয়োদশ শতকে মানিক্যটি ছিল রাজা গোয়ালিকরের।



এটি তিক্ত যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে ভারত ও পারসিয়ান শাসকদের বেশ কয়েকজনের হাত বদল হয় ।



কোহিনূর মুঘল রাজাদের ময়ূর সিংহাসনে শোভা পেত।কথিত আছে সম্রাট শাহজাহানকে তার পুত্র এমন ভাবে আটকে রেখেছিলযে শুধু মাত্র কোহিনূরের প্রতিফলিত আলোকেই তিনি তাজমহল দেখতে পেতেন!



পরবর্তীতে আওরঙ্গজেব এটি নিয়ে আসেন বাদশাহী মসজিদে সেখান থেকে নাদির শাহ ১৭৩৯ সালে এটি লুণ্ঠন কওে নিয়ে যান পারস্যতে।

নাদীর শাহর মৃত্যুর পর এটি পুনরায় ভারত বর্ষে ফিরিয়ে আনা হয়। আফগান বাদশাহর সিংহাসন পুনরোদ্ধারে সহায়তা করার শর্তে শাহ সুজা এটি পুণরায় ভারতবর্ষে নিয়ে আসেন।







বৃটিশরা এটি করায়ত্ত করেন পাঞ্জাব জয় করার পর ১৮৪৯ সালে। এটি রানী ভিক্টোরিয়ার হস্তগত হয় ১৮৫১ সালে। সেই সময়ে এটি ছিল ১৮৬ ক্যারেট ছিল এর পূর্বে হীরকটি কাটার কোন ইতিহাস পাওয়া যায় না।

আরো ২০০০টি হীরকের সঙ্গে এটিকে রানীর মুকুটে সুশোভিত করা হয়। বৃটিশদের করায়ত্ত হওয়ার পর এটি পর্যায় ক্রমে রানী ভিক্টোরিয়া, রানী আলেক জানড্রা, রানী মেরী এবং রানী এলিজাবেদের মাথার মুকুটে শোভা পায়। এটি এখন লন্ডন টাওয়ার হলে শোভা পাচ্ছে।





কোহিনূর সংক্রান্ত মজার তথ্যঃ-



কোহিনূর পারস্য শব্দ ।এটির অর্থ দাঁড়ায় আলোর পর্বত।ধারণা করা হয় শব্দটি প্রথম নাদিরশাহ ব্যবহার করেন।এর পূর্বে এটিকে কোহিনূর বলা হত না।



এমন অভিযোগ আছে যে পুরুষরা এটি ব্যবহার করেন তার জন্য এটি অভিশাপ বহন করে।এ কারণে রানী ভিক্টোরিয়া থেকে শুধু মাত্র রাজপরিবারের নারী সদস্যরাই এটি ব্যবহার করেন।

তবে দরিয়া ই নূর যেটি বর্তমানে ইরানে আছে সেটি কোহিনূরের প্রায় দ্বিগুণ। এটি ১৮২ ক্যারেটের।



পাকিস্তান ও ভারত দুই দেশই দাবী করে অবিলম্বে ব্রিটিশ শাসকদের উচিৎ এটিকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া।





হীরকটি কাটার ইতিহাস







বৃটিশ রাজপরিবারে হস্তগত হওয়ার পূর্বে এটি কাটার বা ছোট করার কোন ইতিহাস পাওয়া যায় না। যখন এটি রানী ভিক্টোরিয়ার হাতে পরে এটি ছিল তখন ১৮৬ ক্যারেট বা ৩৭ গ্রাম। প্রিন্স এলবার্ট এটি কাটার জন্য একজন বিখ্যাত হীরক কাটা বিশেষজ্ঞ মি. ক্যান্টর এর কাছে নিয়ে যান। সুদীর্ঘ ৩৮ দিন সময়ে তিনি এটিকে বর্তমান রুপদেন। এটি এখন ডিম্বাকার এবং ১০৮.৯৩ ক্যারেটের। প্রিন্স এলবার্ট এটির কাটিং এ তৃপ্ত হতে পারেননি কারণ এটি আর আগের মতো চকচক করে না।





তথ্য সুত্র ও ছবি...নেট এবং বইপত্র

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৫

তোমোদাচি বলেছেন: ভাল লাগল আপনার ডায়মন্ড নিয়ে গবেষণা

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুপ্রিয় ডঃ তোমোদিচির প্রথম কমেন্ট ও ভাল লাগায় অনেক ধন্যবাদ আর শুভকামনা। কোহিনূর কাহিনী সবাইকে বিনোদিত করবে আমার বিশ্বাস।

২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:০৮

ইখতামিন বলেছেন: ++

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:২৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা থাকলো।

৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:২৬

সঞ্জয় নিপু বলেছেন: অনেক গবেষনা মুলক পোস্ট ।

খুবি ভাল লাগলো । এরকম তথ্য বহুল পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: যাক বলতে পারি পরিশ্রম স্বার্থক। চেষ্টা করে আনন্দের মধ্যে দিয়ে কিছু জ্ঞান বিতরণ। অনেকে ই হয়তো জনেন। তারপরও যারা এ ব্যাপারটা পড়েন নি তাদের সামনে তুলে ধরা। যাদের জানার আগ্রহ বেশি। বিজ্ঞানসম্মত মন আছে তারা পড়ে মজা পাবে। অনেক ধন্যবাদ। অনেক প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ার সুযোগও আছে।

সামনে প্রচেষ্টা নিব এমনগবেষণা ধর্মী পোস্ট দেয়ার।

ভাল থাকবেন।

৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: ভালো লাগল ধন্যবাদ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:৫২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও ভাললাগায় ধন্যবাদ।

৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:২০

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
নাইস পোস্ট, ওয়েল ডান সেলিম ||

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও প্লাসে ধন্যবাদ।নিরন্তর শুভকামনা থাকলো।দেরী করে রিপ্লাই দেয়ার জন্য দুঃখিত।অনিবার্য কারণ বশত দেরী হলো। আপনার পোস্টগুলো আমার ভাল লাগে।

৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:২৮

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


নাইস পোস্ট বড় ভাই +++

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৪৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কান্ডারী কেমন আছেন? কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা থাকলো।

৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:১২

রোমেন রুমি বলেছেন: ডায়মন্ড বিষয়ক এই বিস্তর গবেষণা :)
ভাল লাগল সেলিম ভাই ।

ভাল থাকুন
শুভ বিকেল ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৪৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও প্লাসে ধন্যবাদ ।কবি দেরীতে রিপ্লাই দেয়ায় সরি। চেষ্টা করছি যা পড়ে মানুষ কিছু জানতে পারবে শিখতে পারবে তেমন পোস্ট উপভোগ্য করে তোলার জন্য।জানা এবং বিনোদন দুটোই এক সঙ্গে হবে।

৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৩০

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: দারুন তথ্যবহুল পোষ্ট !

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অভি কমেন্টে ও প্লাসে ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভকামনা । ভাল থাকবেন। দেরী রিপ্লাই করার জন্য দুঃখিত।

৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:০৮

গোর্কি বলেছেন:
-ব্যাপক তথ্যবহুল পরিশ্রমী লেখা।
-অনেক অজানাকে নিপুণভাবে উপস্থাপন করার জন্য সাধুবাদ জানুন।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:১৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। কষ্ট করে পাঠ করার জন্য। দেরীতে কমেন্টের জবাবে সরি। ভাল থাকবেন সবসময়। সরি।

১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৮

এম ই জাভেদ বলেছেন: জানা হল হীরকের অনেক না জানা তথ্য।

হিরক রাজার দেশ কথায় জানা আছে আপনার ?

আমার খুব দেখার ইচ্ছে

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:২৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: হীরকার রাজার দেশ কোথায় আছে সত্যজিৎ রায় জানতেন বোধ হয়।তি িতো আবার বলেছেন
জানার কোন শেষ নাই
জানার চেষ্টা বৃথা তাই।

তবে হীরকের দেশ ছিল দক্ষিন আফ্রিকা। ২০০৫ সালে রাশিয়া ১নম্বর হয়েছিল হীরক উৎপাদনে। সবার আগে হীরক পাওয়া যায় ভারতে।সেগুলো পাললিক শিলায়। আর আগ্ণেয় শিলায় পাওয়া গেছে দক্ষিণ আফ্রীকার কিম্বার্লী খনিতে। হীরকের মহাদেশ বোধ করি আফ্রিকা।মেন্ডেলা বোধ হয় হীরক রাজা ছিলেন । :P

১১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:০৩

তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: হীরক কথন ভালই লাগল।
প্লাস ও প্রিয়তে।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনি পোস্ট প্রিয়তে নেয়াতে খুব খুশি হয়েছি। ভাল থাকবেন সবসময় +

১২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৩

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: ইন্টারেস্টিং লাগল।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ধন্যবাদ। প্রফেসর সাহেব। ভাল থাকবেন। দেরীতে কমেন্টে সরি।

১৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:৩৮

দি সুফি বলেছেন: ওয়াও! অনেক ধন্যবাদ এমন কষ্টসাধ্য তথ্যপূর্ণ পোষ্টের জন্য। ++++++
( কোন এক কারনে প্লাস বাটনে ক্লিক করলেও প্লাস অ্যাড হচ্ছে না গত কিছুদিন ধরে! )

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমার ব্লগে অনেকের প্লাস দেয়ার ক্ষমতা সিজ করা হয়েছে বোধ হয়। প্লাস দিলে ই তো সাধারণ মান উচ্চমান হয় না।+ কমেন্টে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন সুফি সাহেব। শুভকামনা থাকলো ।

১৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৪:৪৮

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: তথ্যবহুল হলেও আকর্র্ষনীয় হয়েছে লেখাটা। বেশীরভাগ তথ্যআকীর্ণ লেখাতে বর্ননা ততটা সুন্দর হয় না, কিন্তু আপনার লেখাটা বিষয় ও ভঙ্গি দুদিকেই চমৎকারভাবে উতরে গেছে। আরও এধরনের পোষ্টের প্রত্যাশা থাকলো।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:১৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কবি গুরুর স্টাইল ফলো করছি। আনন্দে পাঠ। তাই কিছু জিনিস একটু এলোমেলো মনে হতে পারে। লেখা ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো। দেরীতে রিপ্লাই দিলাম সরি।

১৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৬:৫৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: “প্রকৃতিগতভাবে সকল বিশুদ্ধ হীরক বর্ণহীন।অল্প পরিমান অন্য পদার্থেরও উপস্থিতিতে হীরক নানা ধরণের বর্ণ ধারণ করে।”

“কোহিনূর ১০৬ ক্যারেটের একটি হীরক যেটি এক সময় বিশ্বের বৃহত্তম হীরক ছিল।অতীতে ভারতবর্ষে বেশ কয়েকজন শাসকের হাত ঘুরেছে এটি। হীরকটি এখন বৃটিশ রাজ পরিবারের হাতে।”

“কোহিনূর পারস্য শব্দ ।এটির অর্থ দাঁড়ায় আলোর পর্বত।ধারণা করা হয় শব্দটি প্রথম নাদিরশাহ ব্যবহার করেন।”


-হীরক এরকম অনেক তথ্য জানা হলো প্রথমবারের মতো।
-কৃতজ্ঞতা :)

সেলিম আনোয়ার ভাইকে অনেক শুভেচ্ছা!

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অনেক মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন।ভাল লেগেছে। যে পড়বে পুরোটা তার ভাল লাগবে। ওভাবেই লিখেছি। কিছু ব্যাপার লিখিনি যেমন হীরক গ্রাফাইট তাদের গঠন...ব্লা ব্লা ব্লা জিনিস গুলো সবার জানা।তাই অন্য কিছুই জানালাম।
আপনকেও অনেক ধন্যবাদ। আর দেরীতে কমেন্টের উত্তর দেয়াতে দুঃখিত।

১৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৬:৫৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ৪ নম্বর পিলাচ ;)

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: প্লাসে ধন্যবাদ। ভালথাকবেন শুভকামনা থাকলো।

১৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৫১

মেহেরুন বলেছেন: +++++++++++++++ অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:২২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মেহেরুন আপু কেমন আছেন? পাঠে ও কমেন্টে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন সবসময়। :)

১৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৫৭

এরিস বলেছেন: কোহিনূর মুঘল রাজাদের ময়ূর সিংহাসনে শোভা পেত।কথিত আছে সম্রাট শাহজাহানকে তার পুত্র এমন ভাবে আটকে রেখেছিলযে শুধু মাত্র কোহিনূরের প্রতিফলিত আলোকেই তিনি তাজমহল দেখতে পেতেন!

বলেন কি ভাই!!! জানতাম না।

খুব সুন্দর কিছু তথ্য জানলাম। বেশ ভাল লাগলো।

ডায়মন্ড নেকলেস ডায়মন্ডের কানের দুল যে কোন অরনামেন্ট হোক রমনীদের প্রথম পছন্দ হলো ডাযমন্ড।

সবার না কিন্তু সেলাম ভাই। আমার ক্ষেত্রে কথা উইথড্র করুন। X( আমি গহনা পরিনা।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:২৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনি খুব ভাল। আপনার ক্ষেত্রে কথা উইথড্র করা হলো। আর কে কে এ রকম আছেন ।হাত তুলতে পারেন। আপনার স্বামী খুব ভাগ্যবান হবে। জুয়েলারী ছাড়াই আপনাকে খুশি করতে পারবে। ভেরী গুড। এখন খুশি হয়েছেন তো?

১৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:১৫

দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন: অসাধারণ সেলিম সাহেব! চেয়েও প্লাস ও প্রিয়তে নিতে পারলাম না! সামুতে যে কি সমস্যা শুরু হয়েছে!!

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৩০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ধন্যবাদ। এসব হলো ধ্বংস হওয়ার আলামত। ব্লগতো আর রাজনীতির মাঠ নয় যে এটিতে রাজা হয়ে গেলে রাজা হয়ে গেলাম।ব্লগার সমসাময়িক ব্যাপার নিয়ে স্বাধীন ভাবে লিখবে একে অপরকে শেয়ার করবে।ব্যস। ভাল থাকবেন সবসময়।

২০| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:৩৬

সায়েম মুন বলেছেন: থিসিস পেপার বানায় ফেলছেন দেখি। আমি শুধু নামটা জানি। কাম ধাম কিছু জানি না। জানলাম বেশ কিছু বিষয়। ধন্যবাদ কবি। ভাল থাকবেন। লেখায় থাকবেন।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:৫০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কবি ধন্যবাদ। সুন্দর কমেন্টে ।আসলে সহিত্যিক মানুষ আপনি। এটা জানবেন কিভাবে =p~ =p~ =p~ ।নাম জানেন এতেই খুশি। শুভকামনা থাকলো আপনার জন্য।

২১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:০৩

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: সুন্দর তথ্যবহুল একটু পোষ্ট। হীরা নিয়ে অনেক কিছু জানলাম। হীরা এতটাই শক্ত যে সেটা নারীর মনেও দাগ কাটতে পারে।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:১০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ঠিত বলেছেন। এরিস আপুর মনে কিন্তু দাগ কাটবে না। তবে আর সবার কাটবে বোধ হয়। অন্য কেউ না বলে নি।

কমেন্টে ধন্যবাদ।আর শুভকামনা ।

২২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:১৯

মোঃ ইসহাক খান বলেছেন: অনেক কিছু জানার মতো একটি পোস্ট।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ। কমেন্টে ও পাঠে।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:৪৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ। কমেন্টে ও পাঠে।

২৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ , পরিশ্রমী পোস্ট ।
সামুর চমৎকার পোস্টগুলির একটিও বটে ।
অভিনন্দন সেলিম ভাই ।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৩৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দেরীতে রিপ্লাই দেয়ার জন্য সরি ।লিটন ভাই। ধন্যবাদ। কমেন্টে ও পাঠে।নিরন্তর শুভকামনা।

২৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:০০

অদৃশ্য বলেছেন:




চমৎকার পোষ্ট



শুভকামনা...

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৪৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও প্লাসে ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে অদৃশ্য হতে ইচ্ছা করে। শুভকামনা থাকলো নিরন্তর

২৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:২২

গোঁফওয়ালা বলেছেন: জ্ঞানী পোস্ট ;) ভাই।

একেবারে এডামাস পোস্ট হইছে =p~

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ধন্যবাদ। আর নিরন্তর শুভকামনা।

২৬| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:০২

আরজু পনি বলেছেন:

বিশাল জ্ঞানী হিরকিয় পোস্ট !

শেষটায় উচিত শিক্ষা হইছে... আসল চেহারা বদলাবে আবার আগের মতো সার্ভিস চাইবে তা কেন !

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার কমেন্ট আরজুপনি।সৌন্দর্য বাড়াতে গিয়ে ধরা খেয়েছে।ডায়মন্ডের মত কমেন্ট একেবারে স্বচ্ছ। আপনি হলেন ব্লগের ডায়মন্ড কোন সন্দেহ নাই।



শুভকামনা

২৭| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৫৫

মূহুর্ত বলেছেন: :) :) :) :D জটিল

২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ কমেন্টে।

২৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:১৪

মেহেরুন বলেছেন: আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি ভাইয়া। দোয়া করবেন।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৭:৫৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ। কমেন্টে ভাল থাকবেন।

২৯| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৪৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: দারুন পোষ্ট, ধরনের গবেষণামুলক পোষ্টগুলো খুব ভাল লাগে। আর এরকম সুপাঠ্য হলেত সোনায় সোহাগা। গুড জব।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৭:৫৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কমেন্টে ও পাঠে ধন্যবাদ। পড়ে ভাললেগেছে যেনে প্রিত হলাম।

৩০| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:২০

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: আমিও একটু তথ্য দেই -

মুঘল রাজা আকবর জাহাঙ্গীর এবং শাহজাহান এর কাছে কোহিনূর ছিলনা ।
মীর জুম্লার মাধ্যমে আওরঙ্গজেবের কাছে তা আবার ফেরত আসে ।
মীর জুম্লা হীরকের ব্যবসা করতেন ।

দারুণ পোস্ট । সাধুবাদ প্রাপ্য আপনি ।
কেমন আছেন ?

২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: হীরক তো পড়লাম বেহাত হয়েছে আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে। তিনি ছিলেন জিন্দা পীর। বাদশাহী মসজিদে তিনি কোহিনূর রাখলে সেখান থেকে তা চুরি হয়।আসলে ইতিহাস অনেক বিকৃত হয়েছে।এক ব্যাপারে একাধিক ইতিহাস ও আছে।পুরোপুরি বিপরীত মুখীইতিহাস। সুন্দর কমেন্টে ধন্যবাদ। দেখেন না আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস কি অবস্থায় আছে।

৩১| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৮

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: ভালো লাগল। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.