| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেলিনা শিরীন শিকদার
পেশা: মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, নেশা: খুজেঁ দেখা© লেখক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত [email protected]
উষ্ণ কাশমেরী শালের মত
বাগানে আঁধার রঙা এক রাত,
গ্রীষ্মের শরীর এক প্রস্থ মুড়ে
জড়িয়ে রয়েছে গাঢ় সবুজ আঙিনা!
দেউন্দির আকাশ তারাভরা চোখে জ্বলে
আর নিচে সোনালী ভাষার গল্প বলে
জোনাকীর দল; যেন ঊর্ধ্ব আকাশের
নক্ষত্র খচিত রাত উবু হয়ে
নিজ মুখ দেখছে চেয়ে নিচে -
শান্ত স্বচ্ছ কোনো এক সরোবরে।
চা বাগানে জোনাকীর সম্ভাষণ
আর স্বর্ণ রঙে দেখি সোনার হরিণ!
দিনভর পিঠে চায়ের পাতার ঝুড়ি
পাতার ডগায় হরিণীর স্বপ্নপুরী।
আর অজস্র সহস্র জোনাকির ঝাঁকে
বোধি ঐক্যতানে ছবি আঁকে,
শুধু সুখ অন্বেষণ নয় - ভবের বন্ধন নয়
খুঁজি সমভাব, অভেদে কোথায় আপন ভুবন?
দূর নভদেশে তারকা পুঞ্জের মত
বর্ণভরা আলো জ্বলে নেভে - ক্রমাগত।

২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪৮
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন: পাঠ প্রতিক্রিয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। শুভ কামনা।
৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর কবিতা।
৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১:৫৭
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫০
খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতায় যে শব্দচিত্র ফুটে উঠেছে, তা অনুপম, মনোমুগ্ধকর। দেউন্দি চা বাগানের শ্রমিকদের প্রসঙ্গ এসেছে, এটুকু বুঝলাম।
"দিনভর পিঠে চায়ের পাতার ঝুড়ি,
পাতার ডগায় হরিণীর স্বপ্নপুরী" - অসাধারণ দর্শন ও অভিব্যক্তি।
৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ২:০২
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন: পাঠ প্রতিক্রিয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১:৫৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কী যে লিখলেন! প্রতিটা শব্দ আর শব্দগুচ্ছ, উপমা একেকটা চিত্রকল্প তৈরি করে, যার গভীরে ঢুকতে যেয়ে বার বার খেই হারিয়ে ফেলেছি, বুঝি নি কিছুই। শুধু এটুকু বুঝলাম শেষের দিকে যেয়ে, আপন ভুবনের অনুসন্ধান, সুখের অন্বেষণ, সম্ভবত এই দর্শনকে নিয়েই কবিতাটি লিখেছেন।
কবিতা বোঝার বিষয় নয়, তাই পাঠ করে যেটুকু ভাবের উদয় হলো, তাই নিয়ে গেলুম।
এলেন কত যুগ পরে কে জানে। এ কমেন্টের উত্তরও দিবেন কিনা, তাও কেউ জানে না।
ভালো থাকবেন। শুভ কামনা।