নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এর-৭

এর-৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিয়াউর রহমানকে মিস করি

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০০

জিয়াউর রহমান উর্ধ্বতন অফিসারের কমান্ড ভঙ্গ করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন, আর ছাত্রদল উর্ধ্বতন নেতার আদেশ মেনে চুড়ি পরে বসে আছে। এই হইছে জিয়ার বর্তমান ছাত্রদলের মানসিক শক্তি।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০১

রিফাত হোসেন বলেছেন: Appnar boyos koto?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৬

এর-৭ বলেছেন: আপনার আম্মার নাম কী?

২| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০২

রাইসুল বাঙ্গালী বলেছেন: এট পড় বন্ধুView this link

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৭

এর-৭ বলেছেন: বন্ধু বড় দাওয়াত খাওয়ার ইচ্ছা ছিল, একদিন করনা দাওয়াত, পেট পুরে পোলাও কোর্মা খেতে ইচ্ছে করে।

৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১২

রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন: মানুন আর না মানুন, বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এটাই বাস্তবতা! তারা যে দলের লেজুড়ভিত্তি করে সে দলের পক্ষ থেকে গ্রিন সিগনাল না পেলে কখনোই আসবে না।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৬

এর-৭ বলেছেন: হঠাৎ করে ছাগুগীরি বন্ধ হয়ে গেল নাকি?

৪| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২১

রিফাত হোসেন বলেছেন: Lol
ছোট থাক্তে স্কুলে বয়স জিজ্ঞাসা কর্লে . মায়ের নাম শিখানো হইছে?

হাহাহা ডিজুস পাব্লিক

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৬

এর-৭ বলেছেন: আমি স্কুলে পড়ি নাই।

আর LOL ব্যাবহার করে যারা তাদেরই ডিজুস সবার সম্ভাবনা বেশী।

যাই হোক, আপনার মায়ের নাম কী? আর আপনার মায়ের বয়স কত?

৫| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৫

গোধূলির রঙ বলেছেন: পড়লে পড় না পড়লে পাকিস্থান গিয়া মর !
এই পোলাপান গুলারে কে বুঝাবে যে, ১৯৭১ সালে পাক বাহিনী আমাদের বুকে গুলি করেছে, জনতা বুকে নিয়েছে বুলেট দেশকে স্বাধীন করার জন্য। শাহবাগের মত নাচ, গান, আনন্দ , ফূর্তি করার টাইম তাদের ছিলোনা। খিচুড়ি আর সরকারী পানি খাওয়ারও টাইম তাদের ছিলনা বা তাদের দেয়নি তখনকার সরকার। বুলেট এসেছিলো চার দিক থেকে। শাহবাগকে ৭১ এর মত করে দেখাতে গিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে খাটো করবেননা।

জাস্ট, আরো একটু ভাবুন। শাহবাগে আন্দোলনের নামে বামরা কি চায়। এদের আসল দাবি ফাঁসি না। এদের টার্গেট ইসলাম। মুসলমানের ছেলে হলে ভাবুন। আর পরিমলের দলের লোক হলে ভাবার দরকার নাই। ওখানে গিয়া উলালে নাচুন।

শাহবাগে যে সব পোলা চিল্লাইতাছে এগুলার আতলামি দেখে আমি একেবারে মার্মাহত। আরে বোকাচোদা আবালের দল। ওখানে গিয়ে এদের ভাব এমন যে এরা মুক্তিযুদ্ধ কইরালাইতাছে। এতো রাষ্ট্র ও পুলিশি প্রোটেকশন, খিচুড়ী, পুলিশ কর্তৃক চার দিকের রাস্ত বন্ধ কইরা সারা শহর থেকে লোক আইনা কি জনতার বিপ্লব হয়? এরা কি বিপ্লবের মানে বুঝে? আরে, বিপ্লব হয় বন্ধুকের মুখে। পুলিশ গেরাও করে নিরাপত্তা দিয়ে নয়।

মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছে বন্ধুকের মুখে, ভাষা শহীদরাও এমনকি ৯০ এর গণঅভ্যূথানের সময়ও। রাষ্ট্রের পাহারায় বইসা বইসা খিচুড়ী আর ওয়াসার পানি খাইয়া বিপ্লব হয়না। বিপ্লবের মানে বুইঝা শাহবাগ যা, নইলে ঘরে বইসা শাহবাগের চিত্র দেখ আর প্রাণ খুলে হাস। কামে লাগবো। এতো প্রটেকশনে নাটক দেইখা লজ্জায় মরতাছি। ভাবতেছি, এই সব শাহবাগের খিচুড়ি বাহিনী যদি ৭১ এ থাকতো তবে আমাদের জন্য ক্ষতিই হতো। আমার বাপজান আমারে এখনো কয় মৃত্যুর মুখে যদ্ধ করেছে, শাহবাগের মত সরকারের পুলিশি নিরাপত্তায় খিচুড়ি খেয়ে নয়।

কথাগুলা বুঝলে বুঝ, না বুঝলে শাহবাগের রাস্তা মাফ।

শাহবাগে যারা গেছে বা যারা অন্যমতকে যুক্তিদিয়ে না রিফিউট করে গালি দিয়ে করে এদের সবার মাঝে আমি পাক হানাদার বাহিনীর মেজাজ দেখি। পাক বাহিনী আর এইসব বাম আর ধর্মনিরপেক্ষদের মেজাজ একই রকম। আমার তাই সন্দেহ হয়, এরা কার ঔরশজাত।

তাহরীর স্কয়ার ছিল ইসলামী গণজাগরনের। তারা সংগ্রাম করেছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। এরা কি চায়? ইসলামকে স্তদ্ধ করতে চায়। এদের পিছনে আছে ঘাদানিকদের প্রচ্ছন্ন কৌশল। এদের আসল টার্গেট ইসলাম।
এই আবাল পোলাপান কই ছিল যখন সাগর আর রুনীরে হত্যা করছিলো খুনিরা? এরা তখন চোখের সামনে এত খুন দেখেও রাস্তায় নামলোনা কেন? এরা আজ কার ইশারায় রাস্তায়? কারা এদের নামিয়ে আনলো? কেনো এরা রক্ত দেখেও রাস্তায় নামলোনা? সামু বলছে সাগর আর রুনীর হত্যার ব্যাপারে আমরা আজও অন্ধকারে। তবে কেন? এই সভ্য দুনিয়ার এই সব পোলাপান কি এগুলা দেখেনা?

কেন এরা বিশ্বজিতের হত্যার পর রাস্তায় নামেনি? বিশ্বজিতের হত্যা কি মানবাতার পক্ষে ছিল? নইলে নামলো না কেন?

এদের আসল উদ্দেশ্য গতকালই পরিস্কার হয়ে গেছে। এরা চায় ইসলামকে নিষিদ্ধ করতে। এদের আসল টার্গেট ইসলাম।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৮

এর-৭ বলেছেন: আমি বাংলার ছেলে, বোরকা পরা মহিলা যেমন আমার মা, সিথিতে সিদুর দেয়া মহিলাও তেমন আমার মা। আমার চেতনা নজরুল। আমার চেতনা তিতুমীর। যেই তিতুমীরের আন্ডারে হিন্দু মুসলিম সব কৃষকরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিয়েছিল, বাশের কেল্লা গড়ে তুলেছিল।

আমি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের উত্তরাধীকারি। ড, কুদরত-এ-খুদা যখন ফার্ষ্ট ক্লাস পায়, তখন কলকাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু শিক্ষকরা কুদরত-এ-খুদাকে ফার্ষ্ট ক্লাস দিতে রাজী হয় নাই। তারা একটা মুসলমান ছেলেকে ফার্ষ্ট-ক্লাস দিবে না। কিন্তু আমার পূর্বপুরুষ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় সব সাম্প্রদায়িক হিন্দু শিক্ষকে একহাতে পরাজিত করে তার প্রিয় ছাত্র কুদরত-এ-খুদাকে ফার্ষ্ট ক্লাস দিলেন। কেউ রুখতে পারে নাই আচার্যকে।

আমি বীর উত্তম খালেদ মোশারফফের উত্তরাধিকারী। এক রাজাকার নেতার পাছায় এক হিন্দু সিপাহীকে দিয়ে লাথি দিইয়েছিলেন এই খালেদ মোশাররফ। কেউ রুখতে পারে নাই বীর উত্তমকে।

একবার খালি বন্দুক নিয়া চেষ্টা করে দেখ শাহবাগের যোদ্ধাদের আক্রমণ করে। আমরা আমাদের মায়ের শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে, কিন্তু সময় এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি। গান বাজনা নয় শুধু, অস্ত্র চালাতেও আমাদের জুড়ি নাই। প্রয়োজন হলে অস্ত্রও হাতে নিব।

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৯

আল ইফরান বলেছেন: এইটার চড়া মাসুল ছাত্রদলকে দিতে হবে সামনের দিনগুলোতে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪০

এর-৭ বলেছেন: দেউলিয়া হয়ে গেল ছাত্রদল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.