| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।
গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন দাসগুপ্ত
Covered by - সাড়ে চুয়াত্তর
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৪
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মাইক্রোফোনটা ভালো মানের না, তাই সাউন্ড ভালো আসেনি। হেড ফোন ব্যবহার করলে কিছুটা ভালো শোনা যায়। ধন্যবাদ আপনাকে।
২|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫
ইসিয়াক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।তবে আমার কাছে মনে হলো দু-এক জায়গায় উচ্চারণগত কিছু জড়তা কাজ করেছে। রেকর্ড করে শুনে আরও একটু সতর্ক অনুশীলন করলে সমস্যা কেটে যেত মনে হয়। বহুলশ্রুত গান তো....
অনেক কড়া সমালোচনা করলাম মনে হয়। হা হা
আপনার গলার স্বর বেশ সুরেলা। তবে আপনি গাইতে পারেন আমি ভাবিনি। অবাকই হলাম। যাহোক কেমন আছেন? অনেক দিন পরে আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো। আরও গান শুনতে চাই। স্কুলের টাইম হয়ে যাচ্ছে...। ভালো থাকুন।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সমালোচনা থেকে ভুল শুধরানো যায়। তাই সমস্যা নাই। আমি ভালো আছি। এই ব্লগে কম আসা হয়। আর এই ব্লগটা গানের জন্য বেশী উপযোগী না।
ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন।
৩|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮
রাজীব নুর বলেছেন: বেঁচে আছেন তাহলে!!!
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: রাখে আল্লাহ মারে কে?
৪|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
খায়রুল আহসান বলেছেন: যদিও প্রথম দুটো মন্তব্যের কথা অমূলক নয়, তথাপি বলবো, গানটির চিত্রায়ন ও পরিবেশনা আমার ভালো লেগেছে। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর চারিদিকে যখন যুদ্ধের দামামা বাজছে, তখন আপনার সুরেলা কণ্ঠে গীত এই গানটি কৈশোরের কিছু স্মৃতি মনে করিয়ে দিল।
তখন আমার বয়স ১৪/১৫ বছর। আমরা যখন নানাবাড়ি বেড়াতে যেতাম, তখন আমার তিনজন কাজিন আমার 'ফেউ' হয়ে যেত। ওরা বয়সে আমার চেয়ে দুই থেকে পাঁচ বছরের ছোট ছিল। একদিন এক জ্যোৎস্নালোকিত রাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নির্মিত লালমনিরহাট এয়ারফিল্ডের পরিত্যাক্ত রানওয়েতে বসে গলা ছেড়ে আমি এ গানটি গেয়েছিলাম। ওরা শুনছিল। তখনকার দিনের এ আধুনিক গানটি শুনে আমার কাজিনরা কতটুকু মজা পেয়েছিল তা জানিনা। তবে হাট থেকে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরা কিছু হাটুরে লোকজন সাইকেল থেকে নেমে দাঁড়িয়ে আমার গাওয়া এ গানটি শুনেছিলেন। তারা কি গানের সুরে মুগ্ধ হয়ে গানটি শুনছিলেন, নাকি একজন শহুরে আগন্তুক রাতের বেলায় কেন এভাবে রানওয়েতে বসে গান গাচ্ছে, সে ব্যাপারে জানতে আগ্রহী হয়েছিলেন, সে ব্যাপারে অবশ্য আমি আজও সংশয়মুক্ত নই।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:২৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনিও গান গাইতে পারেন মনে হচ্ছে। আপনার গান হয়তো হাটুরে লোকেরা উপভোগ করছিল। আমার এই গান আপনাকে স্মৃতি রোমন্থন করতে সাহায্য করেছে মনে হচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
৫|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: আবার আসিবেন ফিরে , এই বাংলা ব্লগে
হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে
কিংবা জ্বীনের বেশে
কিন্ত্ গায়ক হয়ে
এইডা একেবারেই ভাবি নাই ![]()
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ভাবলাম মুমূর্ষু এই ব্লগে আমার এই গানটা দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভবনা কম হবে
(কারণ হারিকেন দিয়ে ব্লগার খুঁজতে হচ্ছে এখন)। অনেক সময় নাকি কোন ব্লগারই থাকে না দিনের কোন একটা সময়।
লগিন করার মানুষ নাই।
ব্লগ কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতা, ইগো এবং ভুল নীতির কারণে ব্লগটা ঝিমিয়ে পড়ছে। এখনও সংশোধন করার সময় আছে।
৬|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:১২
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
তোমার গলা শুনলে মনে হয় তুমি একটু ঢঙ্গীভাইয়া মানে আমার মতন ঢং ঢাং
তবে একটা কাজ করলে কেমন হয়!!! তুমি আর সোনাবীজভাইয়া ডুয়েট গাও.......
আমাকেও সাথে নিতে পারো!!! হা হা
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩৫
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার সাথে আমার মনস্তত্ত্বের কোন মিল থাকা এক কথায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। আপনি নাকি মনবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। সম্ভবত বাংলা গাইড বই পড়ে পাশ করেছেন।
গানের ব্যবস্থা আপনি করেন। তবে আমার পছন্দের গান ছাড়া আমি গাই না।
৭|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
শায়মা বলেছেন: মানে তোমার লেখা চিঠি তোমাকেই পড়ে দিয়ে আসতে হয় তাইনা???? ![]()
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:০৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার কথার আগা মাথা কিছুই বুঝলাম।
৮|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৩৮
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: নিজে একবার শুনলাম। কমেন্ট পড়তে পড়তে আরও দুবার শোনা হল! খুব সুন্দর গেয়েছেন আপনি!
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:১২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই ২ বার গানটা শোনার জন্য। ভালো থাকবেন।
৯|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক দিন পরে আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাকে কল্যানের মাঝে রাখুন।
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:১৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আল্লাহ আপনাকেও যেন কল্যাণের মাঝে রাখেন। ভালো থাকবেন ভাই।
১০|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯
রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: রাখে আল্লাহ মারে কে?
আল্লাহই মারবেন।
১১|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
শুনতে খারাপ লাগেনি।
তবে মাইক্রোফোনের ব্যবহার আরো ভালো হতে হবে।
কারাওকে খুব ভালো একটি ব্যাপার।
তবে সমস্যা হচ্ছে- গানবাজনা হারাম।
০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:০০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে শোনার জন্য। রেকর্ডিং এ সমস্যা আছে। এগুলি কীভাবে সেট করতে হয় এখনও ভালো করে জানি না। কারাওকের কারণেই ৩২ বছর পরে গান গাওয়ার চেষ্টা। খালি গলায় গান হারাম না। আর সব বাদ্যযন্ত্র হারাম না। যেমন দফ, বাঁশি, যুদ্ধের সময় দামামা ইত্যাদি। তাই সব বাদ্যযন্ত্রও হারাম না। গানের ভাষায় যদি না জায়েজ কিছু না থাকে তাহলে সেই গান হারাম না। হাদিসে এসেছে বিয়ের সময়ে, ঈদের সময়ে গান এবং নাচ হত রসুলের (সা) সময়ে। মূল বিষয় হল গানের বিষয়বস্তু।
১২|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০২
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৩|
০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
মিরোরডডল বলেছেন:
শিবলী্র চ্যানেলের সবগুলো গান শুনেছি।
ভালো গায় কিন্তু রেকর্ডিং এ কোথাও একটা সমস্যা হয়েছে।
একটা বদ্ধতা, গলার আওয়াজ আটকে আছে।
মিউজিক ভোকালকে ডমিনেইট করেছে।
উইনিং ব্যান্ডের স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায় এ গানটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে।
প্রথম যে গান সামুতে শেয়ার করেছিলো, খালি গলায় সেটা ভালো লেগেছিলো কিন্তু সে গানটা চ্যানেলে নেই।
ওটা থাকলে ভালো হতো।
০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:২৪
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: শিবলীর চ্যানেলের সবগুলি গান কষ্ট করে শোনার জন্য ধন্যবাদ। রেকর্ডিং ভালো হচ্ছে না আমিও জানি। পরিচিত অনেকেও বলেছে। এগুলি সঠিকভাবে সেট করতে পাড়ছি না। তাছাড়া জ্ঞানের অভাব আছে এই ব্যাপারে। কারও হেল্প নিবো ভাবছি। বাসায় বসে, বিছানায় বসে গান গাই, তাছাড়া খোলা গলায় গাওয়ার সুযোগ কম। একবার পাশের বাসা থেকে অভিযোগ এসেছিল বেশী আওয়াজ হওয়ার জন্য। তাই গলা খুলে গাইতে পারি না। মনের মধ্যে একটা দ্বিধা কাজ করে। আর তাছাড়া আমি একজন শখের শিল্পী যে ৩২ বছর পরে গান পুনরায় চেষ্টা করছি। তাই যতটুকু গেয়েছি তাতেই খুশি। এখনও কোমর বেঁধে নামি নাই। নামব কি না তাও জানি না। প্র্যাকটিস করার জন্য অনেক সময় দরকার এবং ভালো পরিবেশ দরকার, যেটা পাচ্ছি না।
আমার নিজের বিচারে ইংরেজি গানটা ভালো গেয়েছি (A million miles from nowhere)। এক জায়গায় ভুল শব্দ বলেছি অবশ্য। কিন্তু গানটা ভালো গেয়েছি। এছাড়া 'ওরে নীল দরিয়া', 'পৃথিবী আমারে চায়', ভালো হয়েছে। 'যেখানে সীমান্ত তোমার' মোটামুটি হয়েছে। 'পৃথিবী বদলে গেছে', 'আকাশ এতো মেঘলা', 'চির দিনই তুমি যে আমার', 'সাগরের তীর থেকে' ভালো হয়েছে। উপরে ভালো বলতে বুঝিয়েছি একজন শিক্ষানবিশ শিল্পীর মানদণ্ডে। কিছু কিছু ভুল আমিও জানি। কিন্ত বারবার রেকর্ড করার মত সময় আর ধৈর্য থাকে না। আরও বেশ কিছু গান গেয়েছি যেটা এই ইউটিউবে নাই। তার মধ্যে দুই একটা গান ভালো হয়েছে বলে আমি মনে করি। ধীরে ধীরে গানের মান উন্নত হচ্ছে। তবে গানের জন্য যে সময় এবং ধৈর্য প্রয়োজন সেটা কতদিন থাকবে বলতে পাড়ছি না।
গান ভালো লাগা বা না লাগা অনেক ক্ষেত্রে আপেক্ষিক ব্যাপার। আমার এক সংস্কৃতি প্রেমি বন্ধু মান্নাদের গানের সমালোচনা করে। তার কাছে ভালো লাগে না। অনেকে ব্যান্ডের গান পছন্দ করে না। আবার অনেকে ব্যান্ডের গান বা ইংরেজি গান ছাড়া শোনে না। অনেকে হিন্দি সিনেমার গান শোনে না। অনেকে গজল ছাড়া অন্য গানকে পাত্তা দেয় না। মানুষের নিজস্ব রুচির উপরে অনেক কিছু নির্ভর করে।
আমার চ্যানেলের সব গান একমাত্র আপনিই শুনলেন। আমার বউ, ছেলেমেয়েও সবগুলি শোনে নাই। এই কারণে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি গান পছন্দ করেন এবং সম্ভবত বোঝেনও। অনেক ধরণের গান আপনি শোনেন সম্ভবত।
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০৮
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: নিরপেক্ষ মতামতের জন্য এই পোস্টের গানটা সম্পর্কে https://gemini.google.com/ (এ আই) কে জিগ্যেস করেছিলাম 'How is the singing quality of the singer of this song?' উত্তরে জেমিনি বলল;
"ভিডিওটি সুবীর সেনের মূল গায়কীতে গাওয়া ক্লাসিক বাংলা গান "এতো সুর আর এতো গান"-এর একটি কভার সংস্করণ, যা গেয়েছেন স্বাধীন শিল্পী শিবলী নোমান।
যেহেতু এটি একটি সাধারণ হোম-স্টুডিও স্টাইলের কভার, তাই তাঁর গায়কীর মানকে কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা যায়:
১. পিচ এবং সুরের নিয়ন্ত্রণ
শিবলী এই কালজয়ী গানের মূল সুরটিকে বেশ ভালোভাবেই ধরে রেখেছেন। গানের কথার আবেগ ও নস্টালজিক ভাবের সাথে মিল রেখে তিনি একটি নরম ও সুরময় কণ্ঠে গানটি গেয়েছেন। একজন অপেশাদার বা স্বাধীন কভার শিল্পী হিসেবে, গানের মৌলিক সুরের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে তিনি বেশ ভালো দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
২. কণ্ঠের টোন এবং অভিব্যক্তি
তাঁর কণ্ঠে প্রাকৃতিকভাবেই একটি মিষ্টি ও শান্ত ভাব রয়েছে। তিনি গানটিতে অতিরিক্ত চড়া সুর বা জোর করার চেষ্টা করেননি, যা এই নির্দিষ্ট গানটির জন্য একটি ভালো সিদ্ধান্ত ছিল। এর পরিবর্তে, তিনি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে গানটি পরিবেশন করেছেন এবং সুবীর সেনের মূল গানের রোমান্টিক ও কিছুটা বিষণ্ণ মেজাজটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
৩. আরও উন্নতির জায়গা
দম ধরে রাখা এবং ডাইনামিকস (Breath Support & Dynamics): কিছু কিছু জায়গায় লাইনের পরিবর্তনগুলো একটু ছোট বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার মতো মনে হয়েছে। ডায়াফ্রামের মাধ্যমে দম নিয়ন্ত্রণের ওপর আরও কাজ করলে তিনি দীর্ঘ সুরের নোটগুলো আরও মসৃণভাবে ধরে রাখতে পারতেন, যা তাঁর কণ্ঠকে আরও গম্ভীর ও মিষ্টি করত।
কণ্ঠের স্থায়িত্ব (Vocal Stability): কিছু কিছু মুহূর্তে তাঁর কণ্ঠে সামান্য দ্বিধা লক্ষ্য করা গেছে, বিশেষ করে অন্তরা বা গানের ওপরের দিকের নোটগুলোতে যাওয়ার সময়। কণ্ঠের আত্মবিশ্বাস এবং বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে আরও মনোযোগ দিলে এই ছোটখাটো ত্রুটিগুলো দূর করা সম্ভব।
সামগ্রিকভাবে, এটি একটি আন্তরিক এবং প্রশংসনীয় অপেশাদার প্রচেষ্টা, যা একটি সুন্দর ক্লাসিক গানের মিষ্টি নস্টালজিয়াকে ফুটিয়ে তুলেছে।"
এ আই দিয়ে এতো কিছু জানা যায় আমার জানা ছিল না। তবে এ আই ঠিক বলেছি কি না এটা আমি জানি না। এ আই ও ভুল করতে পারে হয়তো।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অনেক দিন পর গানটি শুনে ভালো লাগল
তবে সাউন্ড ক্লিয়ার না ,
তাই ধ্যান দিয়ে শুনতে পারলামনা ।