নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চারুশিল্পী , লেখক

শাহ আজিজ

চারুশিল্পী , লেখক

শাহ আজিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহ সাহেবের ডায়রী.।। শীতে ধরাশায়ী

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮

এবারের শীত দাত মুখ ভেংচিয়ে বলে দিল বসন্ত হেমন্ত নিয়ে তোর পিরীতি বের করে দেব হারামজাদা । আমি বলি ক্ষ্যামা দে রে । দেব দেব আর একটু রসিয়ে নেই । আমি একদম টেঁসে গেছি । নাহ আর শীতের গীত গাইব না , কান ধরে বলছি ।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠান্ডা তে সবাই কাবু হয়ে যাচ্ছে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৩

শাহ আজিজ বলেছেন: বিশেষ করে চলতি শীতে ।

২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০০

কামাল১৮ বলেছেন: মাইনাস টেনে আছি।

৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫১

সূচরিতা সেন বলেছেন: এবছর শৈত প্রবাহ সবাইকে ঠিকঠাক মত ঘায়েল করেছে। :)

৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:







এ কথা সত্য শীতের প্রকোপে অনেক ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটে। বিশেষ করে দিনমজুরে কষ্ট বেশি হয়।সকাল ঘুম
থেকে উঠতে হয় অনেক কষ্টে।বস্রহীনতার কারনে জ্বর,সর্ধি, হাপানি ইত্যাদির জন্য কষ্ট করতে হয়। তবে এবছর
বাংলাদেশের শীত যেন প্রকৃতির নীরব আশীর্বাদ। তীব্রতার আড়ালে লুকিয়ে আছে প্রশান্তি ও কল্যাণের স্পর্শ। ঠান্ডা
বাতাসে ধুয়ে যাবে ধুলাবালি, কমবে জীবাণুর দৌরাত্ম্য, কিছুটা স্বস্তি পাবে প্রকৃতি ও মানুষ।গ্রীষ্ম ও বর্ষায় যে
জীবাণু, মশা ও ক্ষতিকর পোকামাকড় দ্রুত বংশবিস্তার করে, শীতের প্রভাবে তাদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে
যায়। ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া কিংবা বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে ধরে নেয়া যায় ।

শীতের ছোঁয়ায় মাঠে মাঠে সবুজের প্রতিশ্রুতি গম, সরিষা আর শাকসবজিতে ভরে ওঠে কৃষকের আশা।এবছরের
শীতের কারণে বোরো ধান, গম, সরিষা, আলু, শাকসবজি ও বিভিন্ন রবিশস্যের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।
ঠান্ডা আবহাওয়ায় ফসলের বৃদ্ধি ধীর হলেও তা হয় সুস্থ ও পুষ্টিকর, যা কৃষকের পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্যও
আশীর্বাদস্বরূপ।

কনকনে শীতে ঘাসের উপর শিশির ঝরে, সূর্যের আলোয় যেন মুক্তার মত ঝলমল করে। শিশিরভেজা ভোর আর
কুয়াশামাখা সন্ধ্যা মনকে টেনে নেয় নীরবতার কোলে।দীর্ঘদিনের ধুলাবালি ও দূষণে ক্লান্ত শহরগুলো শীতে কিছুটা
স্বস্তি পায়। কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস বাতাসের ভারসাম্য বদলে দিয়ে দূষণ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সকালে শিশিরভেজা ঘাস, কুয়াশায় মোড়া গাছপালা প্রকৃতিকে দেয় এক অনন্য নীরব সৌন্দর্য, যা মানুষের মনেও
এনে দেয় প্রশান্তি।

এই শীত মানুষকে শেখায় সংযম, কাছে টানে পরিবারকে, উষ্ণ করে সম্পর্ক, শীতের পিঠা পুলি পায়েসের আয়াসতো
আছেই। কনকনে শীতে চিতই-ভাপা ঘ্রাণে, রাস্তার মোড়ে পিঠার দোকানে ভিড় জমে।শীতের রাতে পরিবার পরিজনের
সঙ্গে একত্রে সময় কাটানো, আগুন বা উষ্ণতার আশেপাশে বসে গল্প করা এসবই সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে
তোলে। এবছরের তীব্র শীত জনজীবনকে কিছুটা বিপর্যস্ত করে দিলেও তা প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের
জন্য বয়ে আনতে পারে নানামুখী কল্যাণ। যথাযথ প্রস্তুতি ও সচেতনতার মাধ্যমে এই তিব্র শীতকে ভয় নয়, বরং এক প্রয়োজনীয় ও উপকারী ঋতু হিসেবেই গ্রহণ করার মানসিকতা সৃজন করতে হবে।

শুভেচ্ছা রইল

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

শাহ আজিজ বলেছেন: বাহ বাহ কি চমৎকার----------------------------

৫| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



এ কথা সত্য শীতের প্রকোপে অনেক ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটে। বিশেষ করে দিনমজুরে কষ্ট বেশি হয়।সকাল ঘুম
থেকে উঠতে হয় অনেক কষ্টে।বস্রহীনতার কারনে জ্বর,সর্ধি, হাপানি ইত্যাদির জন্য কষ্ট করতে হয়। তবে এবছর
বাংলাদেশের শীত যেন প্রকৃতির নীরব আশীর্বাদ। তীব্রতার আড়ালে লুকিয়ে আছে প্রশান্তি ও কল্যাণের স্পর্শ। ঠান্ডা
বাতাসে ধুয়ে যাবে ধুলাবালি, কমবে জীবাণুর দৌরাত্ম্য, কিছুটা স্বস্তি পাবে প্রকৃতি ও মানুষ।গ্রীষ্ম ও বর্ষায় যে
জীবাণু, মশা ও ক্ষতিকর পোকামাকড় দ্রুত বংশবিস্তার করে, শীতের প্রভাবে তাদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে
যায়। ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া কিংবা বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে ধরে নেয়া যায় ।

শীতের ছোঁয়ায় মাঠে মাঠে সবুজের প্রতিশ্রুতি গম, সরিষা আর শাকসবজিতে ভরে ওঠে কৃষকের আশা।এবছরের
শীতের কারণে বোরো ধান, গম, সরিষা, আলু, শাকসবজি ও বিভিন্ন রবিশস্যের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।
ঠান্ডা আবহাওয়ায় ফসলের বৃদ্ধি ধীর হলেও তা হয় সুস্থ ও পুষ্টিকর, যা কৃষকের পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্যও
আশীর্বাদস্বরূপ।

কনকনে শীতে ঘাসের উপর শিশির ঝরে, সূর্যের আলোয় যেন মুক্তার মত ঝলমল করে। শিশিরভেজা ভোর আর
কুয়াশামাখা সন্ধ্যা মনকে টেনে নেয় নীরবতার কোলে।দীর্ঘদিনের ধুলাবালি ও দূষণে ক্লান্ত শহরগুলো শীতে কিছুটা
স্বস্তি পায়। কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস বাতাসের ভারসাম্য বদলে দিয়ে দূষণ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সকালে শিশিরভেজা ঘাস, কুয়াশায় মোড়া গাছপালা প্রকৃতিকে দেয় এক অনন্য নীরব সৌন্দর্য, যা মানুষের মনেও
এনে দেয় প্রশান্তি।

এই শীত মানুষকে শেখায় সংযম, কাছে টানে পরিবারকে, উষ্ণ করে সম্পর্ক, শীতের পিঠা পুলি পায়েসের আয়াসতো
আছেই। কনকনে শীতে চিতই-ভাপা ঘ্রাণে, রাস্তার মোড়ে পিঠার দোকানে ভিড় জমে।শীতের রাতে পরিবার পরিজনের
সঙ্গে একত্রে সময় কাটানো, আগুন বা উষ্ণতার আশেপাশে বসে গল্প করা এসবই সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে
তোলে। এবছরের তীব্র শীত জনজীবনকে কিছুটা বিপর্যস্ত করে দিলেও তা প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের
জন্য বয়ে আনতে পারে নানামুখী কল্যাণ। যথাযথ প্রস্তুতি ও সচেতনতার মাধ্যমে এই তিব্র শীতকে ভয় নয়, বরং এক প্রয়োজনীয় ও উপকারী ঋতু হিসেবেই গ্রহণ করার মানসিকতা সৃজন করতে হবে।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.