নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে

শাইয়ন খান

শাইয়ন খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ আমার মনভোলা সাংসারিক জীবন!

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

অফিস থেকে এসেই বিছানার ওপর গা টা নামিয়ে দিলাম। কেন জানি না আজ শরীরটা বেশ খারাপ লাগতেছিল। শরিরটা কেমন যেন গরম গরম লাগতেছে। হয়তো জ্বর আসতে পারে! এমন সময় মা এসে রোমে ঢুকলো।

-কি হল রে! এসেই শুয়ে পড়লি যে! শরীর খারাপ করল নাকি?

-আরেহ না মা! তেমন কিছু না! এমনি আর কি!

-আলেয়াকে জোস দিয়ে পাঠিয়ে দিব?

-না না! থাক লাগবে না!

-আচ্ছা তুই বরং শুয়ে শুয়ে রেস্ট নিতে থাক।

অন্য যে কোনদিন মা আমার রোমে আসেনা। আমিই গিয়ে তার রোমে বেশি সময় কাটাই। অবশ্য আগে এর উলটা ছিল। সব দোষ ওই আলেয়া নামের মেয়েটার! আমার লাইফটাকে একদম হেল করে রেখেছে। বিয়ে হওয়ার পর প্রথমে আমার ঘুম এরপর মা তারপর ধীরে ধীরে সব কিছুই কেড়ে নিয়েছে।

মা ওঠে চলে যাচ্ছিল এমন সময় আবার এসে পাশে বসল

-সজীব!

-হ্যা মা বলো!

-তা এবার কে আসছে শুনি?

-কে আসছে মানে?

আবার কে আসছে? এইতো মাস ক্ষানেক আগেই না ওর ভাই (আমার শালক) এসেছিল! এসে সে কি জ্বালাতন! এখানে চলেন ওখানে চলেন সব মিলে মাথাটা খেয়ে ফেলেছিল। এখন আবারও আসছে না তো!

-ঢং করবি না একদম। আলেয়া সব বলেছে আমায়!

-কি বলেছে?

এখন আবার কি বলল? সেইটাও আবার মার কাছে! এতদিন তো কেবল আমার কাছেই বলত তাও আবার আদেশ করে। আর যদি না করতে চাই বা মানা করি তাহলে তো হলোই। সোজা মায়ের কাছে বিচার দিয়ে দেয়। তাই না করেও পারিনা।

-হইছে হইছে! তোকে আর বলাও লাগবে না শুনতেও হবে না। শুধু আলেয়ার প্রতি আগের থেকে একটু বেশি কেয়ার করিস। কথাটা বলে মা চলে গেল।

কেয়ার!!

আলেয়ার প্রতি কেয়ার!

কেয়ার নেয়ার কি আছে সে তো আর ছোট কোন বাচ্চা মেয়ে না যে তার খেয়াল রাখতে হবে যেন কোন ভুল না করে! আর সে তো বিয়ের পর কোন কাজ করার আগে আমার পার্মিসনের জন্য কখনও ওয়েটও করেনি তার যা ইচ্ছা হয় তাই করে। এখন আবার মা বলতেছে যেন তার খেয়াল রাখি! আরে খেয়াল রাখতে গেলে তো আগে আমার কথা মানতে হবে নাকি! তবেই তো তার খেয়াল রাখা হবে! আর আমারই বা কি যায় আসে যা ইচ্ছা করুক আমার মাথা ঘামালে চলবে না।

যেদিন বিয়ে করে নিয়ে আসলাম সেদিন ভেবেছিলাম হয়তো আলেয়ার আসার পর আমার একটু সুবিধা হবে। অন্তত মায়ের প্রতি খেয়াল রাখলে আমি আমার কাজে একটু বেশি সময় দিতে পারব। ওরে বাবা! সে তো কল্পনাই রয়ে গেল! আমার সুবিধা কই হল তার ওল্টোটা! এমন সিচোয়েসন দাঁড়ালো আমার সুবিধা কই বিয়ে করে এনে তার সুবিধা করে দিয়েছি!

বিয়ের প্রথম দিনই জানিয়ে দিল এ বিয়ের প্রতি কোন মত ছিলনা তার। বলে বাসা থেকে খুব চাপ দিচ্ছিলো তাকে। কোন কোল কনারা খুজে পাচ্ছিল না। এর পর সবটা ওর আম্মু আব্বুর ওপর রাগ করে করেছে এমনটা!

ওইদিনই বলে দিয়েছিল তার ওপর যেন কর্তৃত্ব না দেখাই। এতে নাকি হিতে বিপরীত হবে!

জিজ্ঞেস করেছিলাম তাহলে কেন বিয়ে করল আমায়? উত্তরে যা বলেছিল কিছুটা অবাক হয়েছিলাম। বলেছিল

-আপনাকে দেখে মনে হল আপনিই আমার জন্য পার্ফেক্ট হবেন! মনে হল বিয়ের পর আপনি অতি সহজেই আমার সব কথাই মেনে নিবেন!

আমি চুপ করেই ছিলাম। কিন্তু তখন মাথায় ঢুকছিল না যে আমি পার্ফেক্ট হলে জোর করে বিয়ে করেছে এইটা বলার মানে কি!

-কি নিবেন না?

এখানে না মানার কি হল!
বিয়ের পর তো স্বামী স্ত্রী একে অপরের পাশে দাঁড়ায়। এটা না বললেও তাদের কর্তব্য। এখানে বলে কয়ে মানার কি হল!

-জ্বি আচ্ছা। সব কথা মানবো!

-গুড বয়! এবার আসল কথায় আসি! আপনি আমাকে কখনও ছোয়ার চেষ্টা করবেন না!

মানে কি?
সে আমার বিয়ে করা স্ত্রী আর তার ওপর আমার সম্পূর্ণ হক আছে। সেখানে কিভাবে অতি সহজেই বলে দিল ছোঁয়ার চেষ্ট করব না!

অবস্য আমারও বিয়ে করার কোন ইচ্ছাই ছিল না তখন! সে হিসেবে ভালই হয়েছে। আমিও চাই না ওসব সাংসারিক সম্পর্কে জড়ানো। আমার জন্য যে সুবিধা হল তা তো আর বুঝতে দেয়া যায় না। এর জন্য একটা উগ্র ভাব প্রকাশ করাটাই শ্রেয়।

-আচ্ছা তাই হবে।

-স্বামী হওয়ার সব ফর্মালিটি পালন করবেন কিন্তু কোন প্রকার হক আদায়ের চেষ্ট করবেন না। এতে আমার থেকে খারাপ কিছু হবে না।

-আচ্ছা করব না। কিন্তু মা?

-সে নিয়ে ভাবতে হবে না আমি তাকে ঠিক সামলে নেব।

-ধন্যবাদ।

তবে সেদিন রাতে আমায় সোফা বা মাটিতে শুতে হয়নি। বিছানাতেই কিন্তু মাঝে ছিল শান্তিচুক্তি বর্ডার। এস্পার আর ওস্পার!

যাহোক স্বামী হওয়ার দরুন আমি আমার সব দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। বাইরে থেকে দেখলে যে কেও বলে দেবে আমরা সুখি দাম্পত্য জীবন পালন করতেছি। কিন্তু ভাবতেও পারবে না আমরা স্বামী স্ত্রী হওয়া সত্ব্যেও আজ পর্জন্ত শারিরীক সম্পর্কে জড়িত হই নাই।

সব কিছু ঠিকই চলতেছিল কিন্তু তার ঠিক কিছুদিন পর ঘটল ঘটনা। যখন ওদের বাসায় থাকা হল সপ্তাহ খানেক।

বার বার লো ব্যাটারি নটিফিকেসনটা স্ক্রিনের ওপরে আসতেছিল। চার্জারের দরকার। চার্জারটা যে কোথায়! কোথায়!

আলেয়া তো গোসলে আছে। তাকে ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করব কি? না থাক। একটু কষ্ট করে নিজেই খুজে নেই!

খুজতে খুজতে একটা জায়গায় এসে চোখ আটকে গেল! একটা ছবির ওপর! ছবিটাতে দুইটা মেয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ছবিটা তুলেছে। একটা তো আলেয়া। আর একটা ছিল অনু! আমার অনু! কিন্তু ওরা দুজন একসাথে কিভাবে?

-এই মেয়েটাকে চিনেন কিভাবে?

আলেয়া চুল মুছতে মুছতে বলল

-কোন মেয়েটা শুনি!

-এই যে এই মেয়েটা!

ছবিটা ওর দিকে তুলে ধরলাম। দেখে বলল

-আমার ফ্রেন্ড।

-কেমন ফ্রেন্ড?

-বেস্ট ফ্রেন্ড এবং তার থেকেও বেশি কিছু!

-বেস্ট ফ্রেন্ড হলে তো আমাদের বিয়ের সময় অন্তত দেখা হতো। কই দেখলাম না তো!

-ওর হাসব্যান্ড ওকে আসতে দেয়নি। এখানে আমার কি করার। আর শুনুন আমি আর আপনার কথার উত্তর দিতে পারব না। আমি গেলাম খুদা লাগছে। আপনিও খেতে আসুন।

কথাটা বলে আলেয়া চলে গেল। তার মাঝে এক উগ্রতা দেখা গেল। হয়তো বলতে চায় না। কিন্তু আমার মনে তো অন্যরকম এক চিন্তা ভর করল! অনু ওর সাথে কেন?

যখন আমার মা বিয়ের জন্য মেয়ে দেখাতে দেখাতে মাথাটা একদম খেয়ে ফেলেছিল। মাদার তেরেসার আর জুড়ি নেই সে তার মতো মেয়েদের ফটো আনে আবার মেয়েও দেখতে যায়। আর শুধু একবার নয় বার বার আমার উত্তর যে না হবে মা তা জানতো। তবুও তার মাঝে কোন হতাশা নেই। যেখানে আমি অতিষ্ট হয়ে পড়েছি আর সে দেখেই যাচ্ছিল তার মতো। এসব আর ভাল লাগতেছিল না। একদিন তো বিয়েটা করতেই হবে আর মায়েরও একটা হেল্পিং হ্যান্ড দরকার তাই ভেবে নিয়েছিলাম যাকে নিয়ে আসবে এবার তাকেই হ্যা করে দেব। তারপর যা হবার হবে! তা পরে দেখা যাবে।

একদিন বিকেল বেলা ছাদে বসে ছিলাম। আসলে তেমন কোন কাজ না থাকলে বিকেলে বলতে সন্ধ্যার আগে গিয়ে ছাদে সময় কাটাই। তখন মা এসে নতুন এক মেয়ের ছবি আমার হাতে দিয়ে বলল

-দেখতো এই মেয়েটা কেমন?

ছবিটা পাওয়ার পর তেমন কিছু বলিনি। মেয়েটা দেখতে প্রায় অনুর মত। তবে অনুর থেকে কিছুটা শুকনা আর শ্যামলা। আর যেভাবে হাশিটা দিলে গালে টুল পড়ে ঠিক অনুর মতো। যদি ওই দুইটা পার্থক্য না থাকলে সেইম টু সেইম! তাদের দুজনের এক্সচেইঞ্জ করা যাবে!

তবে আরও এক কথা আছে! অনুর কোন বোন ছিল বলে জানতাম না তবে কোন আত্নীয় নয়তো আবার! চাচাতো, মামাতো!

-দেখতে ভালই আছে। বাসা কই?

-কই যেন বলল! পূর্ব আদালত পাড়া বলল মনে হয়!

-মেয়ে কি একাই নাকি আরও ভাই বোন আছে?

-ওরা এক ভাই এক বোন। মেয়েটা ইন্টারে পড়ে আর ভাই হাই স্কুলে।

-আত্নীয় ওসব?

-মামা আর্মিতে। আর দুই ফুফা ফরেন।

মা যেসব বলল তার থেকে তো মনে হচ্ছে না এইটা অনুর কোন আত্নীয় হবে। কারন অনুর মামা আর চাচা দুইটাই আছে। কিন্তু এই মেয়ের আবার তা নয়। এমনিতেও অনুর বাড়িও তো এখানে না! তার মানে আমি কিছুটা শিউর যে এইটা অনুর সাথে রিলেটেড না। তবে আরোও ঘেটে দেখতে হবে।

-ওওও... আচ্ছা। বাসায় কথা বলো তাদের!

আমার কথা শুনে মার যেন বিশ্বাস হচ্ছে না আমি কি বলছি! হওয়ারও কথা না!

অনু চলে যাওয়ার পর আসলে ওর জায়গায় অন্য কাওকে ভাবতে পারিনি। যার করনে বার বার না করে দিতাম। কিন্তু আলেয়াকে দেখে কেন যেন অনুর সাথে মিল খুজে পাচ্ছি। অন্তত আলেয়াকে অনু ভেবে নিতে পারব। যার কারনে রাজি হওয়ার সম্ভাবনাটা প্রবল। তবে আগে সম্পন্ন বিষয় দেখে নিতে হবে অনুর সাথে জড়িত আছে কি না। আর না থাকলে তো আলহামদুলিল্লাহ্! একেই বিয়ে করা যায়!

-ওভাবে তাকিয়ে না থেকে কথা আগাও। মেয়ে পছন্দ হইছে!

এইটা বলার পরে যেন মা আরোও 'থ'!
এতদিন মা কত মেয়েই না দেখালো আর তারা দেখতে এর থেকে কয়েক গুণ সুন্দরী। আর এর মাঝে আমায় সন্তুষ্ট থাকতে দেখে হয়তো মা অনেকটাই অবাক!

-কই যাও লেগে পড়ো!

-হুম! হুম যে বলল এইটাও অবাকের সুরে।

-আর মেয়ের ফোন নাম্বারটা ম্যানেজ করে দিও।

-আচ্ছা!

এরপর বিয়েটা চট জলদিই হয়েছিল। আর আমিও ব্যাবহারে অনুর সাথে তেমন কোন মিল পেয়েছিলাম না।

তবে ফটো বিষয়টা আমায় একদম ঘাব্রে দিয়েছিল। অনু আর আলেয়া একসাথে কিভাবে?

এরপর যখন জানতে পারলাম অনু আলেয়ার বড় বোন তখন ঠিক বিশ্বাস হচ্চিল না। অনু নাকি আলেয়ার বাবার আগের ঘরের মেয়ে। অনুর মা মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি। এরপর আসে ওরা দুজন।

সব মেনে নিয়েছিলাম কিন্তু বিয়ের পর আলেয়ার সাথে ধীরে ধীরে এক ভাল সম্পর্কের দিকে যাচ্ছিল সেইটা আর এগুলো না আমার কারনে। আমিই আলেয়াকে একরকম কাছে টেনে নিয়েছিলাম। তবে এই বিষয়টা জানার পর আর আগের মত মেনে নিতে পারিনি। কেন আমার কাছে থেকে এত বড় একটা বিষয় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। সবসময় নিজেকে আলেয়ার থেকে দূরে দূরে রেখেছি। হয়তো কাজের বাহানা বা কোন মিটিং এসব বলে কাটিয়ে দিতাম আর বাড়ি থেকে দূরে থাকতাম। কারন বাড়িতে একজন আছে যে আমার কাছে এখন অসহ্য!

আজ অফিস থেকে আসার পরই মা ওমনটা বলে ওঠলো।

মা আসলে কি বোঝাতে চেয়েছে? এমন নয়তো মা তার নাতি বা নাতনি আসার কথা বলতেছে!

অসম্ভব!!
এমনটা হতেই পারেনা! আলেয়ার সাথে আমি কোন শারিরীক সম্পর্কে আজ পর্যন্ত যাই নাই! তাহলে কি অন্য কারোও সাথে?

না! না!
আলেয়া ও ধরনের মেয়েই না। আমি ওর একজন ভাল স্বামী বা ভাল বন্ধু না হতে পারলে কি হবে আমি অন্তত এইটা জানি ও কেমন!

একটা সময় ছিল আলেয়াকে সারাদিন একথা সেকথার মাঝে ব্যাস্ত রাখতাম, ওর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতাম। কিন্তু অনু আর আলেয়ার ব্যাপারটা জানার পর থেকে আমি ওর সাথে কথা কমিয়ে দিয়েছি বা ওকে এড়িয়ে চলি! ঠিক তখন থেকে লক্ষ্য করেছি আলেয়া কেমন যেন চেঞ্জ হয়ে গেল একদম। যেখানে আমি গিয়ে কথা বলতে চাইতাম সেখানে এখন ও আসে। কফি বানিয়ে আমি খাওয়াতাম এখন আমি না চাইলেও আমার জন্য বানিয়ে নিয়ে আসে। যদিও আমি তা প্রত্যেকবার রেখে চলে যাই।

সেদিন তো একটু বেশিই হয়ে গিয়েছিল! অফিসের বস একটা ছোট পার্টি এরেঞ্জ করেছিল। সেখান থেকে আসতেই একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল। এসে দেখি আলেয়া না খেয়ে আমার জন্য ওয়েট করতেছে। আমি আসলে নাকি খাবে। ভাল লাগে না এত ঢং!




-মা যা বলছে এর মানে কি?

এতক্ষণ মাথাটা কেমন ভারী ভারী লাগিতেছিল। অনু কেবলই রোমে ঢুকবার পরেই অনুকে প্রশ্নটা করে বসলাম!

-কোন কথাটা?

কোন কথাটা মানে! এ আবার কেমন ঢং! উত্তরটা এমন ভাবে দিল যেন সে আকাশ থেকে পরল!

-আপনি নিশ্চই বুঝতে পারছেন আমি কোন কথাটা বুঝাতে চাচ্ছি! এর পর এত ঢং করার কোন মানে হয় না!

-ঢং! আর আমি?

-তা নয়তো কি? মা যা বলেছে কথাটা কি সত্য?

-যদি আম্মু বলে থাকে তাহলে অবশ্যই সত্য!

-কিহ্!

-যা শুনছো তাই সত্য!

-কিন্তু আমি তো কিছু করি নাই...

-আর ঢং দেখলে বাঁচি না! এইটা তোর দুই নাম্বার বাচ্চা! কতবার বললাম ভাল একটা ডাক্তার দেখাও ডাক্তার দেখাও তা না! দুই টাকা বাঁচাতে গিয়ে চার টাকার সমস্যা বাড়ায়!

কথাটা বলতে বলতে আলেয়া কিচেনের দিকে পা বাড়ালো। হয়তো রাতের খাবার বানাবে!

কিন্তু আমার মাথায় তো একটা জিনিস ঢুকতেছেনা আমি একজন সুস্থসবল মানুষ তবুও আমায় ডাক্তার দেখাতে বলল কেন? আর আলেয়ার সাথে আমার প্রেমই হলোনা সেখানে আমার দুই নাম্বার বাচ্চা এর মানেটা কি?

এর এক সমধান বের করতে হবে! তার আগে আফিস থেকে ফিরে আসি!


ফব আইডিঃ Shaion Khan (কালা বাবু)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.